| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন বিষয় গভীর তাৎপর্য পূর্ণ। এখানে কিছু শব্দের সংখ্যাগত দিক উল্লেখ করছি। যা জ্ঞানিদের জন্য চিন্তার খোরাক যোগাবে বলে আশা রাখি। পবিত্র গ্রন্থে 'বল' এবং 'তারা বলে' উভয় শব্দদ্বয় এসেছে ৩৩২ বার করে। তদ্রূপ 'স্বর্গ ও নরক এসেছে ৭৭ বার করে, যাকাত ও বরকত ৩২ বার করে, গরম ও ঠান্ডা ৫ বার, নারী ও পুরুষ ২৩ বার, শয়তান ও ফেরেশতা ৮৮ বার, দুনিয়া ও আখিরাত ১১৫ বার করে, যাদু ও ভুলপথে পরিচালনা করা, দূত ও জাতি বা সম্প্রদায় ৫০ বার, ইবলিশ ও তার থেকে বাচার জন্য আশ্রয় প্রার্থনা ১১ বার, ঈমান ও কুফরি ২৫ বার, চন্দ্র ও সূর্য ৩৩ বার, জীবন ও মৃত্যু ১৪৫ বার, জিহ্বা ও ধর্মীয় অনুশাসন ২৫ বার, কষ্ট ও ধৈর্য ১০২ বার, বিপর্যয় ও কৃতজ্ঞতা ৭৫ বার করে এসেছে।
জান্নাতের ওয়াদা ও জাহান্নামের ওয়াদা ১০০০ বার, আদেশ ও নিষেধ ১০০০ বার, উদাহরণ ও কাহিনী ১০০০ বার, হালাল ও হারাম উভয় শব্দ এসেছে ২৫০ বার করে।
শাস্তি শব্দটা এসেছে ১১৭ বার আর ক্ষমা শব্দটা এসেছে ২৩৪ বার। ঐশ্বর্য ২৬ বার আর দারিদ্রতা ১৩ বার। দিন শব্দটা এসেছে ৩৬৫ বার, দিনগুলো ৩০ বার আর মাস শব্দটা এসেছে ১২ বার।
মানুষ শব্দটি ব্যবহার হয়েছে ৬৫ বার। এবার দেখুন মানুষের গঠনের ব্যাখ্যা গুলোর সংখ্যা সমুহের যোগফল। মাটি ১৭ বার, শুক্রাণু ফোঁটা ১২ বার, ভ্রূণ ৬ বার, অর্ধ গঠিত মানস পিন্ড ৩ বার, হার ১৫ বার, মাংস ১২ বার সর্ব মোট ৬৫ বার।
ভূমি এবং সমুদ্র শব্দের অঙ্কটা দেখুন। ভূমি শব্দ এসেছে ১৩ বার অপরদিকে সমুদ্র শব্দ এসেছে ৩২ বার। ১৩+৩২=৪৫। ১৩/৪৫*১০০=২৮.৮৮৮৮৮৯ অপরদিকে ৩২/৪৫*১০০=৭১.১১১১১১ যা পৃথিবীতে ভূমি এবং সাগরের সঠিক হারের পরিমাণ।
"এ কল্যাণময় কিতাব আমিই (তোমাদের জন্যে) নাযিল করেছি, অতঃপর তোমরা এর অনুসরণ করো এবং ( কিতাবের শিক্ষানুযায়ী) তোমরা (আল্লাহ্ তায়ালাকে) ভয় করো, হয়ত তোমাদের উপর (দয়া ও) অনুগ্রহ প্রদর্শন করা হবে।" ৬:১৫৫
"এ কোরআন এমন (কোনো গ্রন্থ) নয় যে, আল্লাহ্র (ওহি) ব্যতিরেকে (কারো ইচ্ছামাফিক একে) গড়ে দেয়া যাবে, বরং এ গ্রন্থ সেসব গ্রন্থের সত্যবাদিতার সাক্ষ্য প্রদান করে যা এর আগে নাযিল হয়েছিল। এতে কোন রকম সন্দেহ নেই যে, এটা (হচ্ছে) সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ্ তায়ালার সত্য বিধান সমূহের বিশদ ব্যাখ্যা।" ১০:৩৭
এরা কি কোরআন (ও তার আগমন সুত্র নিয়ে চিন্তা) গবেষণা করে না? এ (গ্রন্থ) -টা যদি আল্লাহ্ তায়ালা ছাড়া অন্য কার কাছ থেকে আসতো তাহলে তাতে অবশ্যই তারা অনেক গরমিল দেখতে পেত।" ৪: ৮২"
আমার দাওয়াতের কাজ আমি করেছি, গ্রহন করা না করা আপনার মর্জি।
২|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:০২
েমাঃ এহ্েতশামুল হক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই
৩|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২৩
গ্রিন জোন বলেছেন: সংখ্যার জটিলতার কারণেই দুনিয়ার কেউ কুরআনে যোগ বিয়োগ করতে পারবে না। এটা আল্লাহর চ্যালেঞ্জ...........
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২৬
shiponblog বলেছেন: ভালো লাগল, চালিয়ে যান।