| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
আজ শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামের তৌহিদি জনতা মব করে একজন মানুষকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মেরে ফেলেছে, তার আস্তানা ভাঙচুর করেছে, আগুন দিয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম শামীম রেজা, এলাকায় পরিচিত ছিলেন কথিত পীর হিসেবে। পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল, শামীমকে উদ্ধারও করেছিল, কিন্তু পুলিশ সুপারের ভাষায় "বিক্ষুব্ধ জনতার তুলনায় পুলিশ কম ছিল।" ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে তার একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল যেখানে ইসলাম নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য ছিল। তবে পুলিশ সুপার নিজেই স্বীকার করেছেন ভিডিওটা অনেক পুরনো এবং কারা এটা নতুন করে ছড়িয়েছে সেটা তদন্ত করা হচ্ছে।
শামীম রেজা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এম কম পাস করে ঢাকায় শিক্ষকতা করতেন। একসময় এলাকায় ফিরে এসে আস্তানা গড়েন এবং নিজস্ব একটা ধর্মীয় চর্চা শুরু করেন যেটা নিয়ে বিতর্ক ছিল বহুদিন ধরেই। ভক্তরা তাকে দুধ দিয়ে পা ধুইয়ে দিত, সিজদা করত, "হরে শামীম হরে শামীম" বলে নাচত। ২০২১ সালে ক্যান্সারে মারা যাওয়া এক কিশোরের লাশ তার বাবা শামীমের হাতে তুলে দিলে শামীম ঢোল পিটিয়ে নেচে গেয়ে সেই লাশ দাফন করেন। এই ভিডিও ভাইরাল হলে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মামলা হয়, পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠায়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর ছাড়া পেয়ে তিনি আবার একই কাজ শুরু করেন। আজ সেই পুরনো ভিডিও হঠাৎ নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে এবং বাকিটা আপনারা জানেন।
শামীম যা করেছেন সেটা আসলে আদিবাসী বা বাউল ঘরানার চর্চা। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ে ব্যান্ড বাজিয়ে শবযাত্রার রীতি আছে, সাঁওতাল মুন্ডা গারোদের মধ্যে গান বাজনায় আত্মাকে বিদায় দেওয়ার রীতি আছে, লালন ঘরানার বাউলদের মধ্যেও মৃতদেহ সামনে রেখে গান গাওয়ার চল আছে। এই তুলনাগুলো ভুল নয়, কিন্তু এগুলো দিয়ে শামীমকে defend করতে গেলে একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় হোঁচট খেতে হয়।
সাঁওতালরা সাঁওতাল পরিচয়ে এই কাজ করে, বাউলরা বাউল পরিচয়ে করে। শামীম কিন্তু মুসলিম পীর পরিচয়ে একটা মুসলিম পরিবারের ছেলের লাশ নিয়ে এই কাজ করেছেন এবং সেটাকে ইসলামিক দাফন হিসেবেই উপস্থাপন করেছেন। পরিচয়ের এই গোলমালটাই আসল সমস্যা তৈরি করেছে। আপনি যদি ভিন্ন ধারার সাধক হন তাহলে সেটা খোলামেলাভাবে বলুন। কিন্তু ইসলামের খোলস পরে ভেতরে সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু করলে যে বিস্ফোরণ হয় সেটার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়। শামীম প্রস্তুত ছিলেন না।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ যখন মজিদকে নিয়ে লিখেছিলেন তখন হয়তো ভাবেননি যে সেই চরিত্রের একটা অসম্পূর্ণ আনাড়ি সংস্করণ একদিন দৌলতপুরে আস্তানা গাড়বে। মজিদ ছিল একটা সিস্টেম, একটা রাজনৈতিক প্রাণী যে জানত কখন ধর্মের তরবারি বের করতে হয় আর কখন খাপে রাখতে হয়। সে তাহেরকে ভয় দেখিয়েছে, খালেককে নিয়ন্ত্রণ করেছে, মোদাচ্ছেরের জমিতে মাজার বসিয়েছে এবং সবচেয়ে বড় কথা সে কখনো ক্ষমতার বিরুদ্ধে যায়নি, বরং ক্ষমতাকে নিজের কাজে লাগিয়েছে। শামীম সেই পাঠটা নেয়নি। সে এমন একটা কাজ করে বসেছে যাতে ধর্মপ্রাণ মানুষ, স্থানীয় নেতা, সংসদ সদস্য সবাই একসাথে তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেছে। এত বড় ভুল মজিদ কখনো করত না। মজিদ বরং এই মানুষগুলোকে একে অপরের বিরুদ্ধে লাগিয়ে নিজে মাঝখানে বসে থাকত।
২০২১ সালে জেল হয়েছে, বেরিয়ে এসে আবার শুরু করেছে। এই জায়গাটায় এসে মানুষের মধ্যে দুইটা মত শোনা গেছে। একদল বলছে এটা নির্বুদ্ধিতা, আরেকদল বলছে এটা সাহস। কিন্তু দুটোর কোনোটাই তার কাজে আসেনি। কারণ বাংলাদেশে নির্বুদ্ধিতা আর সাহস দুটোরই পরিণতি মাঝে মাঝে একই হয়, বিশেষত যখন একটা পুরনো ভিডিও সঠিক সময়ে সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছে যায়।
এখানেই আসল ঘটনার শুরু । পুলিশ সুপার নিজেই বলেছেন ভিডিওটা পুরনো। কিন্তু আজকে কেন ভাইরাল হলো, কার মোবাইল থেকে ছড়াল, কোন গ্রুপে আগে পাঠানো হলো, এই প্রশ্নগুলো তদন্তে আছে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশে এই ধরনের তদন্তের পরিণতি সম্পর্কে আলাদা করে কিছু বলার নেই, পাঠক নিজেই অনুমান করতে পারবেন। যে মানুষটা ভিডিও ছড়িয়েছে সে হয়তো জানত কী হবে। হয়তো জানত না। হয়তো জানত এবং সেটাই চেয়েছিল। এই তিনটা সম্ভাবনার মধ্যে কোনটা সত্যি সেটা হয়তো কোনোদিন জানা যাবে না, কারণ যে জানত সে এখন আর বলার অবস্থায় নেই।
শামীমকে নিয়ে এখন দুইটা ভাষ্য চলছে। একদল বলছে সে ভণ্ড পীর ছিল, পরিণতি সে পেয়েছে। আরেকদল বলছে সে সুফি সাধক ছিল, তাকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে। দুইটা দলই আসলে একই কাজ করছে, একটা মৃত মানুষকে লেবেল দিয়ে আসল প্রশ্নটা এড়িয়ে যাচ্ছে। আসল প্রশ্ন হলো সে যা-ই হোক না কেন, বিচার ছাড়া একটা মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলার অধিকার কার আছে। ২০২১ সালেই মামলা হয়েছিল, আদালত ছিল, জেল ছিল। সেই প্রক্রিয়াটা চলতে দিলে কী এমন ক্ষতি হতো সেটা কেউ জিজ্ঞেস করছে না।
মজিদ উপন্যাসের শেষে বেঁচে ছিল। লেখক তাকে মারেননি কারণ মজিদরা মরে না, তারা রূপ বদলায়। শামীম মরে গেছে কারণ সে মজিদ ছিল না, সে ছিল মজিদের একটা নকল যে মূল চরিত্রের সবচেয়ে দরকারি গুণটাই রপ্ত করতে পারেনি। কিন্তু এই মৃত্যুতে যা তৈরি হয়েছে সেটা হলো একটা প্রমাণিত পদ্ধতি। একটা পুরনো ভিডিও ভাইরাল করো, মব তৈরি হবে, কাজ শেষ। আদালত লাগবে না, প্রমাণ লাগবে না, রায় লাগবে না। পরের বার এই পদ্ধতি কার উপর ব্যবহার হবে সেটা এখনো ঠিক হয়নি, তবে পদ্ধতিটা প্রস্তুত আছে।
কুষ্টিয়ার সেই কথিত পীর গণপিটুনিতে নিহত- যুগান্তর
নেচে-গেয়ে লাশ দাফনের পর সেই ‘ভণ্ডপীরের’ আরেক ভিডিও ভাইরাল- বাংলা ট্রিবিউন
অবশেষে সেই ‘ভণ্ড পীর’ শামীম গ্রেফতার- dhaka post
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:১৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মব একটা ডিজিসে পরিণত হয়েছে ।
২|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:২৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: "হরে শামীম হরে শামীম" বলে নাচত।
......................................................................
বলতে হয় আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে
কার বলার কী আছে ?
নটে গাছটি মুড়ালো আমার গল্পটি ফুরালো !!!
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ![]()
৩|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫৭
সাইফুলসাইফসাই বলেছেন: হুম
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:১০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
৪|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২২
আলামিন১০৪ বলেছেন: এই লেখায় আপনার যুক্তি অকাট্য, বলতেই হবে।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:১১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
৫|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৮
হুমায়রা হারুন বলেছেন: লালসালুর সাথে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে লেখাটির উপস্থাপন চমৎকার হয়েছে।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:১১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
৬|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:২৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
লেখাটির বিশ্লেষন যতার্থ হয়েছে ।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:১৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ধন্যবাদ ।
৭|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫
কাবিল বলেছেন: এই ঘটনা আকীদার বিপর্যয় ও সমাজের আত্মিক বিভ্রান্তির এক করুণ প্রতিফলন।
সত্যের পথে বিচ্যুতি যেমন ভয়াবহ, তেমনি বিচারও হওয়া উচিত সংযম ও প্রজ্ঞার আলোকে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ ও হেদায়েত দান করুন।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:১৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ ও হেদায়েত দান করুন।
৮|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার যুক্তি এবং তুলনাগুলো সঠিক নয়। মজিদকে কোনো ইসলামিস্ট জঙ্গি পিটিয়ে হত্যা করেনি, বরং গ্রামের সাধারণ, দরিদ্র মুসলিমরা ছিল তার ভুক্তভোগী। এখানে শামীমই ভুক্তভোগী, আর জঙ্গিরা মজিদের ভূমিকায়।
সাঁওতালরা সাঁওতাল পরিচয়ে করে, বাউলরা বাউল পরিচয়ে করে - এটা একেবারে বাজে কথা। একজন মানুষের পরিচয় কখনোই একমাত্রিক নয়। শামীম মুসলিম হয়েও তার আউল-বাউল বা অন্য পরিচয় বা বিশ্বাস থাকতে পরে। মুসলিম পরিচয় নিজেই বহুমাত্রিক। মুসলমানদের মধ্যে শিয়া আছে, কাদিয়ানী আছে, মাজারপূজারী আছে, এমনকি নাস্তিকও আছে। এটা অন্য ধর্মের ক্ষেত্রেও সত্য। আপনি-আমি যে ধরনের মুসলিম তার সাথে জোহরান মামদানি বা আইসিসির কৌঁসুলি কাদিয়ানী করিম খানের ধর্মীয় বিশ্বাস সম্পূর্ন ভিন্ন হতে পারে। আপনার এই গ্রাম্য জঙ্গিগুলা তো পরলে করিম খানকেও পিটিয়ে মেরে ফেলবে।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:২১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শামীম বহু আগেই তৌহিদি জনতার টারগেট ছিলো; সে বুঝতে পারে নি , হাওয়া এখন কোনদিকে বইছে । বাংলাদেশে হাজারো মজিদ রয়েছেন যারা ক্ষমতার সাথে সমঝোতা করে টিকে রয়েছেন। শামীমের উচিত ছিলো জান নিয়ে বেচে থাকতে হলে মজিদের মতো ক্ষমতাসীন দের সাথে চলা ।
মজিদের ইসলাম আর শামীমের ইসলাম একই ইসলাম । এখানে জোহরা মামদানির উদাহরণ টিকবে না ; মজিদ যেমন সহজ সরল মানুষকে বোকা বানিয়েছে , ক্ষমতাসীনদের রাগায়নি ঠিক একই কাজ শামীম করলে আজ বেচে থাকতো ।
৯|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:১৭
নতুন বলেছেন: কোন ধর্ম ই তো মানুষ হত্যা সমর্থন করেনা।
এইযে তাওহীদি জনতার নামে যারা মানুষ মারছে তারা কোন ধর্মের অনুসরন করে?
আমাদের দেশের জনগন এতোই অন্ধ হয়ে গেছে যে পথে ঘাটাও যদি কেউ নাস্তিক বা ধর্মঅবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে মেরে ফেলে কেউই প্রতিবাদ করতে এগিয়ে আসবেনা বরং তারাও একটা আঘাত করতে এগিয়ে যাবে।
ঐ পীরের দরগায় যারা আক্রমন করেছে তারা বেশির ভাগই বয়সে পোলাপাইন।
এই হত্যার পেছনে অবশ্যই অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:২২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বিএনপিকে চাপে রাখাই আসল উদ্দেশ্য ।
১০|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
আলামিন১০৪ বলেছেন: মুসলমানদের মধ্যে শিয়া আছে, কাদিয়ানী আছে, মাজারপূজারী আছে, এমনকি নাস্তিকও আছে।
বাহ শ্রাবণধারা বাহ! কে মুসলিম তা কি আপনি নিধারণ করবেন? যারা আল্লাহকে ছাড়া অন্য কিছুর উপাসনা করে তারা মুসলিম? যারা আল্লাহর কোরআন নিয়ে মসকরা করে তারা মুসলিম?
নাস্তিকও বাদ দিলেন না দেখি...তসলিমা তো লজ্জা পাবে।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ ও হেদায়েত দান করুন।
১১|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:১০
শ্রাবণধারা বলেছেন: @ আলামিন১০৪, আপনার সাথে কথা বলা বিপজ্জনক, কেননা আপনি একজন জংগি মনোভাবাপন্ন মানুষ। অতএব আমার বক্তব্য আপনার কোন কাজে লাগবেনা।
মুসলিম পরিচয় মূলত জন্মসূত্রে গড়ে ওঠে। একজন মুসলিম পরিবারে জন্ম নিলে সে সেই পরিচয়ের অংশ হয়ে যায়। কে কতটা ধর্ম পালন করে এবং কিভাবে করে, সেটা পরিমাপের কোনো বাস্তব উপায় বা প্রযুক্তি নেই। আমরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অংশ। এই অন্তর্ভুক্তি চাইলেও অস্বীকারও করা যায় না। কেউ ধর্ম পালন না করলেও তার সামাজিক পরিচয় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় না।
এই ব্লগেই মুসলিম পরিচয়ের মধ্যেও কেউ বিশ্বাসী, কেউ সংশয়বাদী, কেউ ধর্মপালন করেন, কেউ আধ্যাত্মিক বা সুফি ভাবধারার হতে পারেন। এই বৈচিত্র্যের মধ্যেই সমস্যা তৈরি হয় তখন, যখন কিছু মানুষ অন্যকে কাফের আখ্যা দিয়ে কতল করার জন্য ঝাপিয়ে পড়ে।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি ধরমের নামে বিজনেস করবেন ; আপনার বিজনেস যত প্রসার হবে মানুষের হিংসা বেড়ে যাবে । যত মাসিক একটা চাদা ক্ষমতাসীন দের দেয়া হয় তবে বিজনেস করে গেলেও কেউ কিছু বলবে না ।
১২|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪
মাথা পাগলা বলেছেন: আশা করি সরকার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়ানো যায়।
@শ্রাবণধারা
সাধারণ মানুষ এভাবে প্ল্যান করে কাউকে কুপিয়ে মারার মতো মানসিকতা রাখে না। যারা এমন কাজ করে, তারা আগে থেকেই উগ্র চিন্তাধারায় ছিল - এই কাজগুলোর মাধ্যমে পুরোপুরি জঙ্গি হয়ে যায়।
বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে একটা বিশাল অংশের মানুষ যারা মনে করে ইসলাম ছাড়া পৃথিবীতে আর কোন ধর্ম থাকার অধিকার নেই। হালকা ট্রেনিং, উস্কানি পেলেই এরা জঙ্গি হয়ে যাবে।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তৌহিদি জনতা বলে কিছু নেই । এটা মিডিয়ার কারসাজি ।
১৩|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬
নিমো বলেছেন: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে হয়তো স্বল্প সময়ে পোস্ট দেয়া যায়, কিন্তু তা গভীট হয় না। আর মন্তব্যেও প্রতিফলন থাকেনা। আপনাকে পৃরচুর পড়তে হবে। আপাতত জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি – সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এই বইটা পড়ুন।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যে কোনো বিষয় জানা না থাকলে বা না দেখা থাকলে সেটা পেইড এআই ইউজ করেও লিখা যায় না । কারো বই পড়ার আপাতত সময় নেই । সিরাজুল সাহেবের লেখা পড়ি খবরের কাগজে এলে । আপনি যদি শামীমের মতো হন বেচে থাকতে হলে সবাইকে খুশি করে আপনাকে বিজনেস চালিয়ে নিতে হবে ।
।
১৪|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:১৭
নতুন বলেছেন: মজিদের ইসলাম আর শামীমের ইসলাম একই ইসলাম । এখানে জোহরা মামদানির উদাহরণ টিকবে না ; মজিদ যেমন সহজ সরল মানুষকে বোকা বানিয়েছে , ক্ষমতাসীনদের রাগায়নি ঠিক একই কাজ শামীম করলে আজ বেচে থাকতো ।
এই জিনিসটাই সাধারন মানুষ বোঝে না।
পীর, মুরিদ,মাজার সবই ধান্দা মাত্র।
প্রতিটা পীর মাজার আয়ের একটা অংশ পেশী শক্তি ম্যানেজের পেছনে খরচা করে। মাজার বড় হয়ে গেলে তাদের নিজেস্ব লোকেরাই ভেতর থেকে মেনেজ করে তখন বাইরের মানুষ আর সুবিধা করতে পারেনা।
দুনিয়াতে ধর্মের নামে ব্যবসা আর রাজিনিতি ই সবচেয়ে লাভজনক।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:১৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শুরুতে ভেবেছিলাম চরমোনাই পীর কে টেনে শামীম রেজার সাথে সংযোগ ঘটাবো। পরে ভাবলাম না বেয়াদবি হয়ে যাবে । ![]()
১৫|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২০
নতুন বলেছেন: শামীম রেজা ব্যবসাটাকে স্কেল আপ করতে পারেনাই। ভালো কলসালটেন্ট পাইলে উনিও চরমোনাইয়ের মতন বিক্ষাত হইয়া যাইতো।
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৫৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এভাবে বলবেন না । ![]()
১৬|
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪
নিমো বলেছেন: আপনি যদি শামীমের মতো হন বেচে থাকতে হলে সবাইকে খুশি করে আপনাকে বিজনেস চালিয়ে নিতে হবে ।
ইসলাম সহ সব ধর্মই বিজনেস, আলাদা করে মজিূ, শামীমের দোষ কোথায়?
১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৫৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দোষ আছে । সে ক্ষমতাহীনের ইসলাম ধরে বসে আছে ।
১৭|
১৩ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪৪
রাজীব নুর বলেছেন: যেই শালারা তাকে হত্যা রেখেছে, এদের বিচার হওয়া উচিৎ।
ভারতের কেরালাতে আমি নিজে দেখেছি, মৃত মানুষকে নেচে গেয়ে বিদায় দেওয়া হচ্ছে। এমনকি নাচ গান করার জন্য লোক ভাড়া পাওয়া যায়। আর যারা নাচ গান করে তারা প্রচুর মদ খেয়ে নেয়।
১৩ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৩৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভারতের কেরালাতে আমি নিজে দেখেছি, মৃত মানুষকে নেচে গেয়ে বিদায় দেওয়া হচ্ছে। এমনকি নাচ গান করার জন্য লোক ভাড়া পাওয়া যায়। আর যারা নাচ গান করে তারা প্রচুর মদ খেয়ে নেয়।
আমিও দেখেছি।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:০৮
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: তাকে প্রয়োজনে যাবজ্জীবন জেলে পুরে রাখা যেত। কিন্তু মবোক্রেসি যেভাবে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে, তা কঠোরভাবে দমন করা না গেলে এমন দিন আসবে, আপনি-আমি যেখানে-সেখানে, কারণ-অকারণে-তুচ্ছ কারণে মবের শিকার হয়ে মারা যাব। খুবই খারাপ লক্ষণ।