নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সবাই যখন নীরব, আমি একা চীৎকার করি \n--আমি অন্ধের দেশে চশমা বিক্রি করি।\n

গিয়াস উদ্দিন লিটন

গিয়াস উদ্দিন লিটন › বিস্তারিত পোস্টঃ

খ্যাতিমানদের রম্য কথন -২

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:১১

হুমায়ুন আহমেদ



‘ই্সকুল খুইলাছেরে মওলা ই্সকুল খুইলাছে’

একবার স্কিনের সমস্যায় এক স্কিন স্পেশালিস্টের কাছে যেতে হল হুমায়ুন আহমেদকে।চেম্বারে গিয়ে দেখেন হুলুস্থূল ব্যাপার-একেবারে ‘ইস্কুল খুইলাছেরে মওলা ইস্কুল খুইলাছে’ অবস্থা। গোটা পঞ্চাশেক রুগী বসে আছে।হুমায়ুন আহমেদের সিরিয়াল হল একান্ন। বসে আছেন তো বসেই আছেন।হুমায়ুন আহমেদের একটু লজ্জা লজ্জাও লাগছে। কারণ ডাক্তারের বিশাল সাইন বোর্ডে লেখা ‘চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ’। হুমায়ুন আহমেদের কেবলি মনে হচ্ছে সবাই বোধ হয় উনাকে শেষের রোগের রুগী বলেই ভাবছে।

প্রধান অতিথি

একদল ছেলে এসে একদিন হুমায়ুন আহমেদ স্যারকে ধরল প্রধান অতিথি হতে হবে।হুমায়ুন স্যার এক কথায় রাজি হয়ে গেলেন। ওদের বলে দিলেন নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে আমি উপস্থিত থাকব। চারটার সময় যাবার কথা। স্যার অবশ্যি চারটার সময় গেলেন না। প্রধান অতিথি বিশেষ অতিথি এদের একটু দেরীতে উপস্থিত হতে হয় এটাই নিয়ম।

তিনি কুড়ি মিনিটের মত দেরী করলেন। অনুষ্ঠান তখন শুরু হয় নি। কিন্তু কি সর্বনাশ! ডায়াসে প্রধান অতিথি বিশেষ অতিথি দু’জনই উপস্থিত। একি কাণ্ড! তিনি কি করবেন ভাবছেন।
উদ্যোক্তাদের একজন এগিয়ে এসে নীচু গলায় বলল, আপনি হচ্ছেন স্যার স্ট্যান্ডবাই প্রধান অতিথি। আসল জন না এলে আপনাকে বসিয়ে দিতাম।
: বলো কি তুমি?
: কি করবো স্যার বলেন। কেউ কথা রাখে না। বলে আসবে কিন্তু আসে না। এই জন্য স্ট্যান্ডবাই রাখতে হয়। আসেন স্যার এক কাপ চা খান। চা না খেলে বুঝব আপনি রাগ করেছেন।

হুমায়ুন আহমেদ চায়ের দোকানে গেলেন। সেখানে আরেকজন স্ট্যান্ডবাই বিশেষ অতিথি বিমর্ষ মুখে বসে আছেন। হুমায়ুন আহমেদকে দেখে মুখ কালো করে বললেন, আমি একা এলে একটা কথা হত। স্ত্রী এবং ছোট শালী নিয়ে এসেছি, এদেরকে কি বলি? আপনি বলুনতো ভাই?
হুমায়ুন আহমেদ উনাকে কি বলবেন তিনি নিজেও স্ত্রীকে নিয়ে এসেছেন। জীবনের প্রথম প্রধান অতিথি আর স্ত্রী সেটা দেখবে না, তা কি হয়?

অসহায় এক্সট্রা

এফডিসিতে ঘুরাঘুরি করা কিছু মানুষের পরিভাষিক নাম এক্সট্রা। যে কোন রোল এরা দু;শ টাকার বিনিময়ে করে দেন। আগুনের পরশমণি ছবিতে দু;জন এক্সট্রা দরকার। সমস্যা হচ্ছে পরিচালক যে ধরনের রোল এদেরকে দিয়ে করাতে চান সে রোল করতে এরা রাজী হবেন কিনা।

দৃশ্যটা এরকম- পাকিস্তানী মিলিশিয়া বাহিনীর সদস্যরা দু;জন বাঙ্গালীকে উলঙ্গ করে উঠবোস করাচ্ছে। ১৯৭১ সনের এই দৃশ্য স্বাভাবিক একটা দৃশ্য। হুমায়ুন আহমেদ ছবিতে নগ্ন দৃশ্যটি রেখেছেন সেই সময়ে আমাদের ভয়াবহ অবস্থা বোঝানোর জন্য।
দৃশ্যটা এক অর্থে প্রতীকীও বটে। বাঙালি জাতিকে এরা উলঙ্গ করে দিচ্ছে। কিন্তু কে রাজি হবে নগ্ন হয়ে অভিনয় করতে?

হুমায়ুন আহমেদ বিষয়টা ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মিনহাজকে বললেন। ছবি পাড়ায় একটা কথা প্রচলিত আছে, ব্যাবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে বাঘের দুধ চাইলে এরা তাও এনে দিতে পারে। হাতের এক আঙ্গুল কাটা এরকম কোন মানুষ যদি ছবিতে দরকার হয় এরা কাউকে টাকা দিয়ে ভুলিয়ে ভালিয়ে হাতের এক আঙ্গুল কাটিয়ে পরিচালকের সামনে হাজির করে।

মিনহাজ বললেন স্যার আমি ট্রিক্স খাটিয়ে ব্যবস্থা করছি।
‘কি রকম ট্রিক্স?’
‘ছবি পাড়ায় অনেক ট্রিক্স আছে সব আপনার জানার দরকার নাই।‘
মিনহাজ গম্ভীর মুখে দুজন অভিনেতাকে নিয়ে এল। বলল আপনারা দুজন স্যারের ছবিতে অভিনয় করতে চান?
‘জি’
‘যে কোন চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি আছেন?’
‘অবশ্যই। স্যারের ছবিতে কাজ করছি এটাই বড় কথা।‘
‘তাহলে নেন এই কাগজে লেখেন, যে কোন চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি আছি।‘
‘কাগজে লেখার দরকার কি?’
‘স্যারের কাজ কর্ম সব পরিষ্কার। আপনাকে রোল দেয়া হবে তাঁর পর আপনি বলবেন রোল পছন্দ হয় নাই। চলে যাবেন তা হবেনা। আমরা কোর্টে মামলা করে দেব।কমছে কম দু বছর জেলের ভাত খেতে হবে।‘
তারা দুজন কাগজে সই করে দিল।

মিনহাজ কাগজ দুটি পকেটে ভরতে ভরতে বলল- এখন দুজন কাপড় খুলে ন্যাংটা হয়ে যান,ন্যাংটা হয়ে শর্ট দিতে হবে।
‘তামাশা করেন কেন?’
‘নুহাশ চলচ্চিত্র তামাশা করেনা। সময় নষ্ট করবেন না- এখন ন্যাংটা হয়ে শর্ট দিয়ে পেমেন্ট নিয়ে হাসতে হাসতে বাড়ি চলে যান।‘
অভিনেতা দুজন গভীর বিস্ময় ও বেদনা নিয়ে হুমায়ুন আহমেদের দিকে তাকাল।

তাঁদের দৃষ্টিতে লেখা-আপনাকেতো ভদ্রলোক বলে মনে হচ্ছে। আইনের প্যাঁচে ফেলে আপনি আমাদের একি বিপদে ফেলছেন! ঘরে স্ত্রী আছে-পুত্র কন্যা আছে তারাওতো এই ছবি দেখবে।
হুমায়ুন আহমেদ এ দুজনের অসহায় দৃষ্টি উপেক্ষা করে গম্ভীর মুখে সিগারেট টেনে যেতে লাগলেন।


‘সাহিত্য বাসর’ আজব আসর’

হুমায়ুন আহমেদদের পাড়ায় ‘সাহিত্য বাসর’ নামে চেংড়া ছেলেপুলেদের কি যেন একটা আছে। এদের কাজ হচ্ছে দু’দিন পর পর মাইক লাগিয়ে পাড়ার সবাইকে বিরক্ত করা। গল্প পাঠের আসর, কবিতা সন্ধ্যা, ছড়া বিকেল, বৃন্দ আবৃত একটা না একটা লেগেই আছে। এসব ঝামেলা ঘরে বসে সেরে ফেললেই হয় তা করবে না। প্যান্ডেল খাটাবে, মাইক ফিট করবে- বিরাট জলসা। পয়সা কোত্থেকে পায় কে জানে। দেশ যখন বন্যার পানিতে ডুবে গেল তখন ‘সাহিত্য বাসরে’ অনুষ্ঠানের ধুম পড়ে গেল। বন্যার্তদের সাহায্যার্থে কমিক অনুষ্ঠান, বিচিত্রা অনুষ্ঠান, আনন্দ মেলা। এই পর্যায়ের শেষ অনুষ্ঠানটি হল ‘আপনার কি আছে?’

ছুটির দিন সকাল বেলায় আরাম করে দ্বিতীয় কাপ চায়ে চুমুক দিচ্ছেন হুমায়ুন আহমেদ এমন সময় সাহিত্য বাসরের দল বল উপস্থিত। সবার মুখেই হাসি। হাসি দেখেই আঁতকে উঠতে হয়। কারণ এরা সহজে হাসে না।
হুমায়ুন আহমেদ উদ্বিগ্ন হয়ে বললেন কি ব্যাপার?

: আমরা মারাত্মক একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করছি স্যার। নাম হচ্ছে ‘আপনার কি আছে?’ বন্যার্তদের সাহায্যের জন্য।
: বাহ খুব ভাল।
: একটা ইউনিক আইডিয়া। গান-বাজনা কিচ্ছু না। ফাকা স্টেজ। স্টেজের মাঝখানে একজন ভিখারী বসে থাকবে গায়ে কোন কাপড় নেই। শুধু কলাপাতা দিয়ে লজ্জাটা ঢাকা। তখন ব্যাকগ্রাউন্ডে মাইকে বলা হবে- ‘আপনার অনেক আছে। এর কিছুই নেই। একে কিছু দিন।’ তখন দর্শকদের মাঝখান থেকে একজন উঠে আসবে। সে তার মানিব্যাগ শার্ট-গেঞ্জি এসব দিয়ে দিবে। প্রচন্ড হাততালি। ব্যাকগ্রাউন্ডে মিউজিক- ‘ঐ মহামানব আসে।’ কেমন আইডিয়া স্যার?

: খুব ভাল। তোমাদের ধারণা লোকজন সব স্টেজে এসে সব খুলে দিয়ে চলে যাবে?
: শুরুতে যাবে না তবে প্রথম কয়েকজন যখন সাহস করে যাবে তখন ফ্লো এসে যাবে। আপনিতো জানেন স্যার বাঙ্গালী হচ্ছে হুজুগে জাতি। ফ্লোর উপর চলে।
: তা ঠিক।
: এখন আপনি হচ্ছেন আমাদের ভরসা।

হুমায়ুন আহমেদ মনের উদ্বেগ বহুকষ্টে চাপা দিয়ে বললেন- আমি ভরসা মানে?
: প্রথম যে মানুষটি যাবে সে হচ্ছে আপনি। এ পাড়ায় আপনার একটা ইজ্জত আছে। প্রফেসর মানুষ, প্রথম আপনি গেলে অন্য রকম এফেক্ট হবে। একটু হাইড্রামা স্যার করতেই হবে উপায় নেই।

: কি রকম হাইড্রোমা?
: সব কাপড় চোপড় আপনাকে খুলে ফেলতে হবে। তারপর আমরা আপনাকে ঠিক ভিখিরীর মত একটা কলাপাতা দিয়ে জড়িয়ে দিব। আপনি কিন্তু না বলতে পারবেন না। রিকোয়েস্ট।
হুমায়ুন আহমেদ কি করে সেই বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন সেই দীর্ঘ কাহিনী বলতে চান নি তবে অনুষ্ঠানটি শেষ পর্যন্ত কি রকম হল সেটা বলেছেন।

অনুষ্ঠান শুরু হল সন্ধ্যায়। প্রধান অতিথি চলে এলেন। ইনি একজন পেশাদার প্রধান অতিথি। সবাই একে চেনেন। ঢাকা শহরের শতকরা আশি ভাগ অনুষ্ঠানে তিনি হয় প্রধান অতিথি কিংবা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন। চমৎকার একটি বক্তৃতা দেন। যে ফুলের মালা দেয়া হয় সেটি তিনি একটি শিশুর গলায় পরিয়ে অত্যন্ত নাটকীয় কায়দায় শিশুটির কপালে চুমু খান। তখন বিক্ষিপ্তভাবে হাততালি পড়ে। যাই হোক এই প্রধান অতিথি ভদ্রলোক সম্ভবতঃ অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু সম্পর্কে আগে কিছু জানতেন না। যখন দেখলেন স্টেজে কলাপাতা গায়ে এক নেংটো ভিখারী বসে আছে তখন স্বভাবতঃই ঘাবড়ে গেলেন।

তারপর যখন মাইকে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য বলা হল তখন প্রধান অতিথি শুকনো গলায় বললেন, এসব এরা কি বলছে? হোয়াট ডু দে মিন?
হুমায়ুন আহমেদ তাঁকে সাহস দেবার চেষ্টা করলেন কিন্তু ততক্ষণে মাইকে উদাত্ত গলায় বলা হচ্ছে- ‘এবার আমাদের অনুষ্ঠানে প্রথম যিনি তার সর্বস্ব দিয়ে এক অনুপম আদর্শের সূচনা করবেন তিনি হচ্ছেন আমাদের অতি আদরের প্রধান অতিথি বিশিষ্ট সাহিত্য বোদ্ধা, অনলবর্ষী বক্তা, সমাজের বন্ধু, অভাজনের চোখের মনি-‘

প্রধান অতিথি কাঁপা গলায় হুমায়ুন আহমেদকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘দৌঁড়ে পালিয়ে যাবার কোন উপায় বোধহয় নেই?’
হুমায়ুন আহমেদ কোন উত্তর দিলেন না। সাহিত্য বাসরের কর্মীরা কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে ঠেলাঠেলি করে স্টেজে পাঠিয়ে দিল।
ব্যাকগ্রাউন্ডে গান হতে লাগল ‘ঐ মহামানব…ও…আসে।’ যে রকম আশা করা হয়েছিল সে রকম হ’ল না। বাঙালি হুজুগে জাতি হলেও এই হুজুগে তারা মাতালো না, দ্রুত মাঠ খালি হয়ে গেল। শুধু প্রধান অতিথি একটি কলাপাতায় লজ্জা নিবারণ করে ত্রিভঙ্গ মুরারী হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন।


মন্তব্য ৪৬ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৪৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:২৬

মা.হাসান বলেছেন: উনি উম্মাদে কিছুদিন সত্য রস লিখেছিলেন, এলেবেলে এবং এলেবেলে-২ নামে এগুলো প্রকাশিতও হয়েছিল। কিন্তু আপনি যেগুলোর কথা উল্লেখ করলেন তার মধ্যে স্টান্ডবাই প্রধান অতিথি ছাড়া সবগুলোই আমার কাছে নতুন। অসম্ভব ভালো লাগলো। অনেক শুভেচ্ছা।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: রসবোধ সম্পন্ন এই মানুষটার প্রচুর রসময় ঘটনা আছে।
আশা করছি আগামীতে আপনাকে আরো বেশি আনন্দ দিতে পারবো।
আপনিও শুভেচ্ছা নিন মা.হাসান ভাই ।

২| ১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০

ওমেরা বলেছেন: সবার জীবনে নানা ঘটনার রং চং থাকে , লেখকরা তাদের জীবনের ঘটনাকে সুন্দর শিক্ষনীয় বা রম্যের মত লিখে যান বলে আমরা সেটা জানতে পারি । বেশ ভালো লাগল।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:০৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সবার জীবনেই 'রং চং থাকে' । লেখকরা এটা ধরতে পারেন আমরা পারিনা।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নিন ওমেরা ।

৩| ১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


এগুলো কি আসল, নাকি গল্প?

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সব ঘটনাই বাস্তব।
পোস্টের প্রায় সকল ঘটনাই কোন পত্র পত্রিকায় না আসায় অনেকের কাছে বিষয়গুলি নতুন ঠেকছে।

৪| ১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:০৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হাহাহাহা প্রথমে স্ট্যান্ড বাই প্রধান অতিথি। চমক গুরুজি ++++

হা হা হা হা হা আপনাকে তো ভদ্রলোক বলে মনে হচ্ছে। ‌ সত্যি ভাবা যায়!!!


লাস্টেরটা হাই হাই!!! রম্য ব্যাপক খাসা হয়েছে।

অফুরান শুভেচ্ছা জানবেন।

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:১৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: একদম প্রথমটা আমি যতবার পড়ি ততবার হাসি ।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নিন পদাতিক চৌধুরি ।

৫| ১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৩০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: খিকজ :D B-)) =p~

গুণীজনের জীবন নানা রসে ভরপুর....


পোস্টে ভালো লাগা.....

১৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন আর্কিওপটেরিক্স

৬| ১৭ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৪

বলেছেন: হা হা,,

স্ট্যান্ড বাই প্রধান অতিথি। দারুণ কালেকশন +++

১৭ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন ল

৭| ১৭ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

সুমন কর বলেছেন: মজার। ভালো লাগা রইলো। +।

১৭ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন কবি সুমন কর

৮| ১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদের রসবোধ ছিল প্রখর। মানুষ হাসানোটা অতি কঠিন কাজ। ঈদের হাসির নাটকগুলোর কথা মনে পরছে।

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:১৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: উনার চরিত্র কাজের বুয়া বা রিকশাওয়ালার ডায়লগেওো।দর্শকের হাসির ফোয়ারা ফুটত।

৯| ১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৩৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: =p~ =p~ =p~
মাবুদ মাওলা =p~ =p~ =p~

১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:১৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: হাঁসেন ক্যান বুজি?

১০| ১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট টি বেশ উপভোগ করলাম।

১৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১:১৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব নুর ভাই

১১| ১৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: ও আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছি-
এরকম পোষ্ট আরও চাই।

১৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১:১৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ইনশাআল্লাহ দেব।

১২| ১৮ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:১২

সোনারবাংলা২০১৯ বলেছেন: ভালো লাগলো । তবে এক্সট্রাদের ঘটনাটা কিন্তু কষ্টেরও বটে ।

১৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১:১৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: জি খুব কষ্টের , গভীর বেদনার।

১৩| ১৮ ই মে, ২০১৯ ভোর ৪:৩৪

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদের সবগুলো কথার মধ্যে একটা কথা আমার সবচেয়ে বেশী ভালো লাগে,
ভাল লাগা এমন এক জিনিস যা একবার শুরু হলে সব কিছুই ভালো লাগতে থাকে।

১৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১:১৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চমৎকার কথা ।
ধন্যবাদ নিন মাহমুদুর রহমান

১৪| ১৮ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:৫৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: গিয়াস উদ্দিন লিটন,




হুমায়ুন আহমেদের রসবোধ না থাকলে, এতো এতো হিমুদের হলুদ পাঞ্জাবী পড়ালেন কি করে ? :||

১৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১:২২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বিশেষ প্রয়োজনে আমাকে হুমায়ুন আহমেদ পড়তে হচ্ছে। রমজানে ৯ টা বই পড়েছি।
উনার রসময় ঘটনাগুলি বার বার আনন্দ দিচ্ছে।

১৫| ১৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: গিয়াস উদ্দিন লিটন,




বিশেষ প্রয়োজনে হুমায়ুন আহমেদ পড়তে হচ্ছে? :(

প্রয়োজন - ট্রয়োজনে মানুষ বই পড়ে সিনেমা-টিনেমা বানানোর খায়েশ মাথায় চাপলে ! ;)

নাকি কেউ মাথার দিব্যি দিয়েছে ? :P
নাকি ঘরের মানুষ বলেছে - রোজা রমযানের দিনে সময় না কাটলে খামোকা আঁচল ধরে ইটিশ-পিটিশ না করে বই পড়ে সময় কাটাও, ইফতারী ঠিক সময় মতো হাজির করে দেবো....... :-P

১৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: প্রয়োজন - ট্রয়োজনে মানুষ বই পড়ে সিনেমা-টিনেমা বানানোর খায়েশ মাথায় চাপলে ! ;)
আহমেদ জী এস ভাইর মনে থাকার কথা, সিনেমাকে আমাদের দেশে 'বই' বলা হত।

১৬| ১৮ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১৫

জাহিদ অনিক বলেছেন:
দুর্দান্ত !
আপনাকে একদিন প্রধান অতিথি বানানো হবে। ;)

১৮ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৪২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: স্টান্ডবাই?

১৭| ১৮ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১০

মুক্তা নীল বলেছেন: লিটন ভাই,
আপনার রম্য লেখা গুলো অসাধারণ কেউ না হেসে পারবে না, হাসতে হবেই।

১৮ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:২৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জানবেন মুক্তা নীল।

১৮| ১৮ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১৮

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: শেষের টা বুঝলাম না =p~

১৮ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:২৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ব্লগার_প্রান্ত কোন খান দিয়ে বুঝেননি ?

১৯| ১৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬

জাহিদ অনিক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: স্টান্ডবাই?
=p~ =p~ =p~ =p~
আজ্ঞে আজ্ঞে -----------------

১৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: তারিখ জানাইয়ের, তাঁর আগেই এলাকা ছড়তে হবে =p~

২০| ১৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ তাঁর সেন্স অফ হিউমারের জন্য পাঠকের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন। আপনার এই লেখা পড়ে আনন্দ পেলাম। আরও দুই এক পর্ব হবে নাকি?

১৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সিরিজটা চলবে। হুমায়ুন আহমেদকে নিয়েও আর পর্ব হতে পারে।

২১| ২১ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৬

জুন বলেছেন: উনি যে অনেক রসিক মানুষ ছিলেন তা তার প্রথম দিকের নাটকগুলোতেই ফুটে উঠেছিল । এক একটা ক্ল্যাসিক চরিত্র সৃষ্টি ও তার জন্য সঠিক অভিনেতাদের ব্যাবহার সাথে দুঃখ দারিদ্রক্লিষ্ট অভাবের সংসারে খাটে শুয়ে থাকা ক্ষয়কাশের রোগী বাবাকে বদলে দিয়েছিলেন হাসি কৌতুক আর রম্যে ।
খুব ভালো লিখেছেন লিটন । সাথে আছি ।
+

২১ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:৩০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সেকালে ঈদের অনন্দ বাড়িয়ে দিত হুমায়ুন আহমেদের নাটক।
কাদের (আফজাল শরিফ),মামা (আলী যাকের), রহিমার মা (মাহমুদা খাতুন), আব্দুল কাদের এরা এক একজনকে হাসির এটম বোম হিসাবে পর্দায় হাজির করা হত।
সুন্দর মন্তব্য আর সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ জুন।

২২| ২১ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৫

করুণাধারা বলেছেন: অনেকদিন পর হুমায়ূন আহমেদ সম্পর্কে কিছু পড়া। ভালো লাগলো রম্য।

২২ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন করুণাধারা ।

২৩| ২২ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:০৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদের এলেবেলে বইতে আমি এই গল্পগুলি পড়েছি। আজ আবারো পড়লাম।

২৩ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমিও সেখান থেকে নিয়েছি, পার্থক্য হচ্ছে সেখানে হুমায়ুন আহমেদ কথাগুলি নিজের জবানিতে বলেছেন, এখানে আমি আমার জবানিতে কনভার্ট করেছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.