নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কবিতা, গল্প, নাটক, স্ক্রিপ্ট, রাজনৈতিক নিবন্ধ যখন যা ইচ্ছা হয় তাই লিখি । ছবি তুলি আর সিনেমা বানাই ।

জিপসি রুদ্র

কবিতা, গল্প, নাটক, স্ক্রিপ্ট, রাজনৈতিক নিবন্ধ, যখন যা ইচ্ছা হয় তাই লিখি । ছবি তুলি আর সিনেমা বানাই ।

জিপসি রুদ্র › বিস্তারিত পোস্টঃ

অশিক্ষিত কুশিক্ষিত মাদ্রাসাশিক্ষিত পশ্চাৎপদ এবং উগ্রধর্মান্ধ জাতিকে ভোটাধিকার দিলে গণতন্ত্র সুরক্ষিত হয় না ।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৫০

আওয়ামীলীগ জানে অশিক্ষিত কুশিক্ষিত মাদ্রাসাশিক্ষিত পশ্চাৎপদ এবং উগ্রধর্মান্ধ জাতিকে গণতান্ত্রিক অধিকার দিলে গণতন্ত্র সুরক্ষিত হয় না । মানে আওয়ামীলীগ জানে জনগনের গণতান্ত্রিক অধিকার "আমার ভোট আমি দিবো যাকে খুশি তাকে দিবো"- এই সুযোগ অশিক্ষিত কুশিক্ষিত মাদ্রাসাশিক্ষিত পশ্চাৎপদ এবং উগ্রধর্মান্ধ জাতিকে দিলে তারা ধর্মের লেবাসধারী রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের ভোট দিয়ে দেশের ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সমাজতান্ত্রিক নীতিকে চুদে গাঙ্গ করে দিবে । তাই আওয়ামীলীগ নির্বাচন দেয় ঠিকই কিন্তু সেই নির্বাচনে জনগণ স্বতস্ফুর্ত ভাবে ভোট দিতে পারে না । আওয়ামীলীগের নেতা কর্মী সমর্থকরা রাতের আন্ধার ককটেল ফাটিয়ে আতংক তৈয়ার করে ব্যালটবক্স ভইরা ফেলায় নইলে নিজেরা নিজেরাই ইভিএম- এ ভোট দিয়া দেয় ।

১৯৭১-এ এই দেশের প্রায় ৪০ ভাগ মানুষ দেশের স্বাধীনতা চায় নাই । কিন্তু শেখ মুজিব জাইনা গেছিলো এইদেশের গণমানুষের উপর ভর করলে দেশ স্বাধীন করা যাইবো না । কারণ শেখ মুজিব বুঝে ছিলো বাঙ্গলার মানুষকে মুক্তি দিতে হইলে তার দেশকে স্বাধীন করতেই হবে । তাই শেখ মুজিব ৪০ ভাগ জনগোষ্টির ইচ্ছাকে তোয়াক্কা না করে নিজের রাজনৈতিক জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিলো ।

আহমেদ ছফা তার রাজনৈতিক নিবন্ধে লিখেন , শেখ মুজিব যদি একাত্তরে বুদ্ধিজীবীদের কথা শুনতো তাইলে দেশ স্বাধীনই হইতোনা ।

কারণ দেশের তৎকালীন বুদ্ধিজীবীরা শেখ মুজিবকে ছবক দিয়েছিলো , দেশের চল্লিশ ভাগ জনগোষ্টির ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে শেখ মুজিবের দেশ স্বাধীন করার সিদ্ধান্ত ভুল । অথচ শেখ মুজিব দেশ স্বাধীন কইরা দিয়া প্রমাণ করাই দিছে শেখ মুজিবের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই সঠিক ছিলো ।

শেখ হাসিনা শেখ মুজিবেরই মাইয়া । তাই শেখ হাসিনা জানে এই দেশের মানুষ দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লেও ঘুষ খায় , খুন করে , ধর্ষণ করে , দুর্নীতি করে তারপরেও ইসলাম রক্ষার জন্য জীবন দেবার চায় । এই জাতির কাছে গণতন্ত্রের চাইতে ইসলামতন্ত্রই বড় । কিন্তু শেখ হাসিনা জানে আধুনিক দুনিয়াকে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের ধ্যান ধারনা থেকে বেরিয়ে এসে ধর্মনিরপেক্ষ এবং সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের দিকেই এগিয়ে যেতে হবে । তাই শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে ঢাল হিশেবে ব্যবহার করে মূলত বাঙ্গালির কাঙ্ক্ষিত মুজিববাদই কায়েম করবার চায় । কারণ মুজিববাদে আছে গণতন্ত্র , জাতীয়তাবাদ , ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সমাজতন্ত্র ।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:১৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সৃজনশীল লেখা।

২| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৫৮

অখ্যাত নবাব বলেছেন: ভাইরে! নিজের মতকে আওয়ামী লীগের মত বলে প্রকাশ করে দিলেই হয়ে যায় না।
আওয়ামী লীগ তোমার মত এই মত নিয়ে চললে এতোদিনে দেশ ধ্বংস হয়ে যেত।
ভাগ্যিস! তোমার মত কেউ এখনো আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ে নেই!
ও হ্যাঁ! তুমি ইন্ডিয়া চলে যাও! ইন্ডিয়াতে এখন হিন্দুত্ববাদ চলছে! সেখানে মোদি সাহেব অন্য সব ধর্ম কে মেরে একাই হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে! সেজন্যে সেই দেশের অর্থনীতি এখন পতনের তলে! রাজ্যে রাজ্যে দেশভাগ করার আশংকা চলছে।

আর এই বাংলাদেশ ভারতের তুলনায় এখনো হাজার গুন ভালো আছে। সকল ধর্মের মানুষ সমান সুযোগে বাস করে যাচ্ছে। এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখনো তোমাদের মত লোকদের দমন করে সব ধরনের সাম্প্রাদায়িক দাঙ্গা বন্ধ করে রাখছে।

আর হ্যাঁ! ভোটের অবস্থা এর কথা বলছো! এটা তো রাজনীতির খেলা। দেশে এমনও এক সময় ছিলো! যেখানে সারা বাংলাদেশ খুজে আওয়ামী লীগের একটা পোস্টার খুজেও পাওয়া যায় নি। হয়তো সেই পাপের শাস্তি ভোগ করছে বিএনপি ও তাদের জোট।

৩| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:৩২

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: অশিক্ষিত কুশিক্ষিত মাদ্রাসাশিক্ষিত পশ্চাৎপদ এবং উগ্রধর্মান্ধ জাতিকে ভোটাধিকার দিলে গণতন্ত্র সুরক্ষিত হয় না ।

চিন্তার বিষয় হলো গণ এবং তন্ত্রের অর্থ কী? আমরা সত্যিকারের উগ্রধর্মান্ধ হলে সেই কবে দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যেত। আমরা বলার কারণ আমিও অশিক্ষিত মুসলমান।

৪| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:৪৮

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: অশিক্ষিত কুশিক্ষিত পশ্চাৎপদ এবং উগ্র সন্ত্রাসী, রড চাপাতি হাতুড়ি হেলমেট বাহিনী ছাত্রলীগকে ভোটাধিকার দিলে গণতন্ত্র সুরক্ষিত হয়!!! ভিত্তরের হাম্বাটা এমন হড় হড় করে বের হয় শুধু বির্বোধ কিংবা নির্লজ্বদের।

গণতন্ত্রের বিলোপের সাথে, ভোটাধিকারের সাথে সাথে মানুষের লজ্জ্বাটাও এভাবে চলে গেছে???

গত কদিনে বহু আওয়ামীলীগ সমর্থকের সাথে আলাপ করলার, দেখলাম প্রায় সবাই ভোটাধিকার হীনতা ও জবাদিহীতার অনুপস্থিতি নিয়ে বেশ চিন্তিত। কিন্তু এমন নির্জজ্জ্বতা তো দেখলাম না। এরা শেখ হাসিনার চাইতেও বড় লীগার। এরাই উচ্ছিষ্ট ভোগের আশায় থাকা অংশ, নাইলে এমন বর্বর লোকে আবার ব্লগও লিখে!

৫| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:২৫

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠী থেকে ও পশ্চাদপদ মাদ্রাসা শিক্ষা থেকে কিশোর ও তরুণ সমাজকে বেরিয়ে নিয়ে আসতে হলে প্রয়োজন দরিদ্র ও এতিমদের প্রতি সরকারের সবধরণের সহায়তা প্ৰদান আর সমাজের সর্বস্তর থেকে সহানুভূতির দৃষ্টি | আপনার মতো উগ্র মানসিকতার লোকজন কখনোই এই অসহায় দরিদ্রদের মনমানসিকতা পরিবর্তনে সক্ষম হবে না | বরং আপনার মতো উগ্র স্বল্পশিক্ষিত এবং কুশিক্ষিত ব্যক্তি সমাজের ও গণতন্ত্রের জন্য চরম প্রতিবন্ধক |

৬| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:৩৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বিএনপিকে ফ্রী মাঠ ছেড়ে দিয়ে সবাই সরে গেলেও পঙ্গু অথর্ব বিম্পি জিতে আসতে পারতো না।

আওয়ামীলীগ সমর্থক ভোটার না আসার বিভিন্ন কারন আছে।
কিছু 'বালপাকনা' বুদ্ধিজীবি এটা অনাস্থা ভেবে লাফাচ্ছে।

লীগসমর্থক ভোটার না আসার নানাবিধ কারন আছে।
প্রথমত এটি একটি স্থানীয় নির্বাচন। এই নির্বাচনে কোন পট পরিবর্তন হয় না। দেশ সমাজে বড় কোন প্রভাব পরে না।

একসময় নির্বাচনের আগে বাড়িতে বাড়িতে ভোটার স্লিপ পাঠাতো, এসএমএস করতো ফোন করতো প্রার্থির লোকেরা তোসামদি করে ভোটের দিন রিক্সা ভাড়া করে ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে আসতো, চা নাস্তা খাওয়াতো। এখন এসব নেই।

এছাড়া একদিন পর এসএসসি পরীক্ষা, সন্তানের চেয়েও মা বাবাদের এটি আরো বড় পরীক্ষা। ভোটারদের ভোটের চেয়ে সন্তানের কেয়ারিং তাদের কাছে বেশী গুরুত্বপুর্ন।
এছাড়াও সরস্বতী পূজা, শুক্র শনিবার মিলিয়ে একটানা ৩ দিনের ছুটি। পরিক্ষার জন্য অনেক স্কুল ছুটি। অনেকেই দেশে চলে গেছেন।
ছুটি উপভোগ করতে সিলেট কক্সবাজার বান্দরবন। সিটি নির্বাচন এত গুরুত্ব নেই এদের কাছে।
আওয়ামীলীগ সমর্থক ভোটাররা জানে তাদের প্রার্থি এমনিতেই শক্তিশালী, সহজেই জিতবে। তাই ছুটি উপভোগ করাই ভাল।

৭| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো বলেছেন।

৮| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৩৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আওয়ামীলীগ সমর্থক ভোটার না আসার বিভিন্ন কারন আছে।

কিন্তু কিছু 'বালপাকনা' বুদ্ধিজীবি এটা অনাস্থা ভেবে লাফাচ্ছে।

লীগসমর্থক ভোটার না আসার নানাবিধ কারন।
প্রথমত এটি একটি স্থানীয় নির্বাচন। এই নির্বাচনে কোন পট পরিবর্তন হয় না। দেশ সমাজে বড় কোন প্রভাব পরে না।

একসময় নির্বাচনের আগে বাড়িতে বাড়িতে ভোটার স্লিপ পাঠাতো, এসএমএস করতো ফোন করতো প্রার্থির লোকেরা তোসামদি করে ভোটের দিন রিক্সা ভাড়া করে ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে আসতো, চা নাস্তা খাওয়াতো। এখন এসব নেই।

এছাড়া একদিন পর এসএসসি পরীক্ষা, সন্তানের চেয়েও মা বাবাদের এটি আরো বড় পরীক্ষা। ভোটারদের ভোটের চেয়ে সন্তানের কেয়ারিং তাদের কাছে বেশী গুরুত্বপুর্ন।
এছাড়াও সরস্বতী পূজা, শুক্র শনিবার মিলিয়ে একটানা ৩ দিনের ছুটি। পরিক্ষার জন্য অনেক স্কুল ছুটি। অনেকেই দেশে চলে গেছেন।
ছুটি উপভোগ করতে সবাই সিলেট কক্সবাজার বান্দরবন। সিটি নির্বাচন এত গুরুত্ব নেই এদের কাছে।
আওয়ামীলীগ সমর্থক ভোটাররা জানে তাদের প্রার্থি এমনিতেই শক্তিশালী, সহজেই জিতবে। তাই ছুটি উপভোগ করাই ভাল।

আর বিম্পিরা আসে নাই।

জনগন সবাই কামকাজে ব্যাস্ত। এটা হাসিনার ক্রেডিট।
আর বিম্ফি সমর্থক জনগন ভাল কইরা জানে এই আবাল বিম্পিরে দিয়া দেশের কোন হাতি ঘোড়া হইবো না। চুরি চামারি ছাড়া।
আর বিম্পি আসলে একটা উপকার 'জামাট প্রতিষ্ঠা পাইবে' ফাঁসির প্রতিশোধ নিতে পারবে। এতে জনুগনের কোন লাভ নাই। উপকারও নাই। তাই কামকাজে থাকাই ভালা।

আর বিম্ফি সমর্থক জনগন ভাল কইরা জানে আবাল বিম্পিরে দিয়া দেশের কোন হাতি ঘোড়া হইবো না। চুরি চামারি ছাড়া।
আর বিম্পি আসলে একটা উপকার 'জামাট প্রতিষ্ঠা পাইবে' ফাঁসির প্রতিশোধ নিতে পারিবে। এতে জনুগনের কোন লাভ নাই। উপকারও নাই। তাই কামকাজে মন দেয়াই ভালা।
আর লন্ডনে ৬৮ বছরের বুইড়া তারেকজিয়ার চিকিৎসা চলতে থাকুক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.