নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলে যাব- তবু যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল।

হাবিব

বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র।

হাবিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান হবে কবে?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:২৮



আরসা প্রধানের ভাই বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছে। ঠিকানা দিয়েছে চট্টগ্রামের কোন এক এলাকার। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার দেয়া হয়েছে যাতে তারা কাঠ কেটে বন ধ্বংস না করে। অথচ রোহিঙ্গারা আগে কখনোই এই সিলিন্ডার ব্যবহার তো দূরের কথা চোখেও দেখেনি। তাই এই সিলিন্ডার থেকে কিছু দিন আগে অগ্নিকান্ডের মতো ঘটনা ঘটেছে। ভয়ে তারা ফ্রিতে পাওয়া সিলিন্ডার বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে। রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে বসে বসে তছবি পড়ছে আর ফ্রিতে খাবার খাচ্ছে। কাম-কাইজ না থাকায় রোহিঙ্গা যুবকেরা সন্ত্রাসী হয়ে উঠছে। স্থানীয় জনগনের জন্য শুধু নয় পুরো দেশের জন্য ওরা আজ হুমকি হয়ে পড়ছে। অথচ তাদের প্রত্যাবাসনে চোখে পড়ার মত কোন পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে জাতিসংঘকে আমার কাছে মনে হচ্ছে একটা নামকাওয়াস্ত সংঘঠন। তারাও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কার্যকরী কোন ভূমিকা রাখতে পারছে না। এর পেছনে মূল কারনটা কি?

রোহিঙ্গা সংকট নতুন কোন ইস্যু নয়। যুগ যুগ ধরে চলে আসছে রোহিঙ্গাদের প্রতি যুলুম নির্যাতন। সর্বশেষ রোহিঙ্গাদের যে বড় ঢল এসেছে তখন এক শ্রেণির লোক জাতি ভাই জাতি ভাই বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলছিলো। সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের জায়গা দিতে নানান প্রচারণা চালিয়েছিলো। তারা এখন কোথায়? তোদের কোন তৎপরতা তো চোখে পড়ছে না! মানবতার মা উপাধি পেতে কিংবা নোবেল পুরস্কারের আশায় কি তাহলে রোহিঙ্গাদের জায়গা দেওয়া! নিজের সন্তানদের মেরে ফেলে অন্যের সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর ফল কোনদিনই শুভ হবে বলে মনে হয় না।

কক্সবাজারবাসী আন্দোলন-মানববন্ধন করছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবসানের জন্য। দেশের কোন কোন কথিত জনগন এই বলে পরামর্শ দিয়েছিল যে রোহিঙ্গাদের কাজে লাগানো হোক। অথচ সেই রোহিঙ্গারাই আজ স্থানীয় শ্রমবাজার দখল করে নিয়ে বসে আছে। কক্সবাজারের খেটে খাওয়া মানুষ আজ দিশেহারা। কক্সবাজারের প্রকৃতি-পরিবেশ ধ্বংস হলো, রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড থামাতে প্রয়োজন হচ্ছে প্রচুর আইনশৃংখলা বাহিনী, আশ্রয়দাতারা আশ্রয় পাওয়া মানুষের কাছে জিম্মি, দেশে ছড়িয়ে পড়ছে ইয়াবা-মাদক, রোহিঙ্গা দেশের পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে যাচ্ছে, অপরাধ করছে, দোষ হচ্ছে আমাদের, দূর্ণাম কুড়াচ্ছে বাংলাদেশ। পরিনামে কি পাচ্ছে বাংলাদেশের জনগন? সবচেয়ে বড় হাস্যকর মনে হয় তখন যখন রোহিঙ্গাদের ভাসান চরে পাঠানোতে জাতিসংঘ বলে মানবাধিকার লংঘন হচ্ছে, সেখানকার পরিবেশ ভালো না- দূর্গম ইত্যাদি ইত্যাদি অজুহাতে! এই নপুংশক সংগঠন তখন কোথায় ছিলো যখন রোহিঙ্গাদের উপর হামলা হয়? কেন ওরা মুখে কুলুপ এটে বসে ছিলো? এখনো কেন মিয়ানমারকে দৃশ্যত কোন চাপ দিচ্ছে না?

তবে আশার কথা হচ্ছে আমরা রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বিসিএস পরীক্ষায় "রচনা" লেখার সুযোগ পাচ্ছি, আমাদের কিছু বেকার গ্রাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, কিছু কিছু সংগঠন বিদেশূ সহায়তায় খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকছে। করোনা কালীন সময়ে এ আর মন্দ কি!

এখনো সময় আছে। রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করতে না পারলে ফিলিস্তিনিদের মতো অবস্থা হবে বাংলাদেশের। আশাকরি সরকার এ ব্যাপারে দূরদর্শী ভূমিকা পালন করবে।

মন্তব্য ৫২ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৫২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:৩৫

জুল ভার্ন বলেছেন: জিন্দেগীতেও সমাধান হবে না।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:৩৬

হাবিব বলেছেন: আমারও তাই মনে হয়

২| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:৪৮

নতুন বলেছেন: প্রথমে বুঝতে হবে, মায়ানমার কখনোই ফিরিয়ে নেবে না।

তখন সমস্যার সমাধান হবে এদের কাজে লাগাতে হবে।

নাগরিক বানিয়ে ভালো করে পুর্নবাসন করতে হবে।

যত দেরি করবেন তত সমস্যা বাড়বে।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:২৮

হাবিব বলেছেন: এদেরকে কাজে লাগানো যেতে পারে তবে তা হতে হবে পরিকল্পিত ভাবে। তবে এদেরকে নাগরিকত্ব দেয়া কখনোই উচিত হবে বলে মনে হয় না।

৩| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:০০

সাখাওয়াত হোসেন বাবন বলেছেন: আপনি যদি নিজের স্বেচ্ছায় বিপদ কাঁধে তুলে নেন তাহলে তো অন্যকেউ আপনাকে সহায়তা করতে পারবে না । এই রোহিঙ্গারা হচ্ছে বাংলাদেশের ব্যর্থ পররাষ্ট্রনীতির ফসল । যার দায় চোকাচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ । চট্রগ্রামবাসীর উচিত বিষয়টা নিয়ে পথে নামা ।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:৩০

হাবিব বলেছেন: বাংলাদেশের খুব কম মানুষই এদের নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে। চট্টগ্রামবাসী শুধু নয়, সারাদেশে আন্দোলন হওয়া উচিত। ব্যর্থ পররাষ্ট্রনীতি আমাদের আজীবন ভোগাবে।

৪| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:০২

সাসুম বলেছেন: ১ম কথাঃ মায়ানমার এদের ফিরিয়ে নিবেনা, সো এই বিশাল অংশ কে সবার আগে খোজা করন কর্মসূচীর আওতায় আনতে হবে। মিলিটারি স্টাইলে এক ফ্যামিলি এক্টার বেশি বাচ্চা নিতে পারবেনা, এমন বাধ্যতামূলক করতে হবে, একের বেশি বাচ্চা নিলে সবাইরে ধরে সশ্রম কারাদণ্ড।

২য় কথাঃ এই বিশাল সক্ষম জনগোষ্ঠী কে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়ানোর কোন মানে নেই। তাদের কে কাজে লাগাতে হবে। দেশে এখন প্রচুর লোক দরকার, কাজ করানোর জন্য। রাস্তা বানানো থেকে গারমেন্টস এ সুইং, বসিয়ে খাওয়ানোর চেয়ে তাদের কে সেসব কাজে লাগিয়ে দেশের কর্মঘন্টা বাড়াতে হবে।

৩য় কথাঃ তাদের কে কোন ভাবেই সংরক্ষিত এলাকা থেকে বাংগালি দের সাথে মিক্স করা যাবেনা। তাদের ডেটাবেইজ এবং ফুটপ্রিন্ট কন্ট্রোল করতে হবে। কঠোর পেপার ডকুমেন্টস এবং ভার্চুয়াল ডকুমেন্টস এর আওতায় নিয়ে আসতে হবে।


এবং নতুন ভাইঃ ভুলেও এদের কে নাগরিক বানানো যাবেনা। বরং আলাদা ডকুমেন্টস দিয়ে আমাদের সরকারের উচিত এই অলস বসে থাকা কর্মক্ষম লোকদের থেকে কাজ বের করে আনা।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:৩৩

হাবিব বলেছেন:




১) আপনার পরামর্শ ঠিক আছে তবে এদের মধ্যে যে ধর্মীয় গোরামী আছে তা সবার আগে দূর করতে হবে। মুখ দিলে আল্লাহ আহার দিবে নীতি থেকে সরানো খুব সহজ হবে না।

২) মূল ধারার লোকদের সাথে না মিশিয়ে আলাদা কারখানা করা যেতেই পারে। তবে বিদেশী দাতা সংস্থারা এটা হতে দেবে বলে মনে হয় না। কারণ সব সংস্থার অনুদান বন্ধ হয়ে যাবে। তবে আপনার এই পরামর্শ মানতে পারলে আমরাই লাভবান হব।

৩) আপনার সাথে শতভাগ একমত

৫| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:০৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: হাবিব,




রোহিঙ্গা সংকট কোনদিনই কাটবেনা কারণ এর পোছনে সম্ভবত ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রয়েছে পরাশক্তিধরদের, চলছে দাবা খেলা। রোহিঙ্গারা ফেরৎ গেলে সে দাবাটি আর খেলা সম্ভব হবে না।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:৩৪

হাবিব বলেছেন: চীনাদের বিশাল পরোক্ষ মদদ আছে তা নিশ্চিত।

৬| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:১৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: এদেরকে কোন দিন ফেরত পাঠানো যাবে বলে আমার মনে হয়না সুতরাং এদেরকে কাজে লাগাতে হবে। @ ব্লগার সাসুম এর সংগে আমি একমত।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:৩৫

হাবিব বলেছেন: ব্লগার সাসুম-এর মতো করে আমাদের দায়িত্বশীল লোকজন ভাবে না।

৭| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:২৬

রোকসানা লেইস বলেছেন: সমস্যাটা বিষফোঁড়ার মতন রয়েই যাবে মনে হয়। কেটে পরিস্কার করার সুযোগ নাই।
মানবতাবাদী, এনজিও, বিশ্বনেতা অনেকে রোহিঙ্হার পক্ষে কিন্তু বাংলাদেশের সমস্যা নিয়ে কেউ উচ্চবাচ্য করে না। অনেক কিছু মিলে গোবলেট অবস্থা।
সাসুম ভালো ধারনা দিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশে মনে হয় না সম্বব হবে তাদের ডেটাবেইজ এবং ফুটপ্রিন্ট কন্ট্রোল করা।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:৩৭

হাবিব বলেছেন: খাল কেটে কুমির আনে অনেকে কিন্তু বাংলাদেশ খাল না কেটেই কুমীর এনেছে। এখন দেশী সব মাছদের ধ্বংস করে দিচ্ছে ওরা।

৮| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:৪৫

নতুন বলেছেন: @ মাসুম ভাই।

নাজিরা এই ভাবেই শুরু করে ছিল।

আপনি যখন ডাকতের হাতে পড়বেন তখন ডাকাতের হাতে সব দিয়ে বেচে থাকাই বুদ্ধিমত্তাটার পরিচয়।

ঐ সময়ে ডাকাত কে সেযে অন‍্যায় করতেছে বোঝানোর চেষ্টা করে সময় নস্ট করা ঠিক না। বরং তাতে জীবনের ঝুঁকি আছে।

বাংলাদেশ এই চালে হেরে গেছে, এখন কিভাবে এই ক্ষতি পুরণ করা যায় সেই কাজ শুরু করতে হবে।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৩৯

হাবিব বলেছেন: রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটা টেকসই পরিকল্পনা দরকার। সরকারের নীতি দেখে মনে হয় না তারা রোহিঙ্গাদের নিয়ে ভাবছে।

৯| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ১২:৫২

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: রোহিঙ্গা সংকট সমাধান হওযার তেমন কোনো আলামত দেখতে পাই না।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৪০

হাবিব বলেছেন: এরা দিন দিন আমাদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।

১০| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ১:০৪

অপু তানভীর বলেছেন: আজ থেকে ২০ বছর পরে এরাই হয়ে যাবে দেশে অন্যতম বড় সমস্যা । এদের জনসংখ্যা যে হারে বাড়তেছে এমন একটা অবস্থায় আসবে যে এদের নিয়ন্ত্রন করা কষ্ট হয়ে যাবে । বলা যায় না এটা বিদ্রোহ করে বসতে পারে । বিদ্রোহ দমন না করা গেলে অবস্থা কি হতে পারে সেটা বুঝি আর বলে দেওয়ার দরকার নেই ।

সবার আগে প্রয়োজন জন্মহার নিয়ন্ত্রন করা ! তারপর এই জনসংখ্যাকে কাজে লাগানো । কাজ কর্ম না করলে এরা জনসংখ্যা বাড়িয়েই চলবে । এদের বসিয়ে বসিয়ে খাওয়ানোর কোন মানে নেই ।

কিন্তু কাজ কর্ম আসবে কোথা থেকে? যেখানে নিজ দেশের মানুষেরাই কাজ পাচ্ছে না সেখানে এদের কাজ দিবে কিভাবে?

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৪১

হাবিব বলেছেন: বিদেশী সংস্থার অর্থানয় যতদিন থাকবে ততদিন এরা যাবে বলে মনে হয় না।

১১| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ১:৩৯

ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: তবে আশার কথা হচ্ছে আমরা রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বিসিএস পরীক্ষায় "রচনা" লেখার সুযোগ পাচ্ছি, আমাদের কিছু বেকার গ্রাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, কিছু কিছু সংগঠন বিদেশূ সহায়তায় খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকছে। করোনা কালীন সময়ে এ আর মন্দ কি!


অনেক কিছু তা পায়া গেছি; আর কি লাগে?

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৪২

হাবিব বলেছেন: আমরা এখন বসে বসে তসবি জপবো............

১২| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:৫৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আশু কোন সমাধান নেই ভাই, লক্ষণও দেখা যাচ্ছেনা।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৪২

হাবিব বলেছেন: যারা সমাধান করবে তাদের পকেট ভারী

১৩| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:৫৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মানবতার আম্মাজান বহু চেষ্টা করেও শান্তির নোবেল পুরস্কারটা পেলো না। জাতি হিসাবে এটা আমাদের ব্যর্থতা। তবে আম্মাজানের উচিত সেই শোক ভুলে গিয়ে একটা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ধরে এগুনো। সাদরে গ্রহন করা কুটুম যেহেতু এসেই গিয়েছে, আর এরা যেহেতু সহসা যাবে না; তাই এদের নিয়ে স্বল্প মেয়াদী, মধ্যম মেয়াদী আর দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার কৌশলপত্র প্রনয়ন করা।

স্বল্প মেয়াদীঃ প্রথমেই এদের জন্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম গ্রহন করা উচিত। যেভাবে এগুচ্ছে, তাতে অচিরেই এরা কোটি ছাড়িয়ে যাবে। ঘরে বসে থাকা রোহিঙ্গা প্রাপ্তবয়স্কদের প্রধান বিনোদন হলো সেক্স। ভ্যাসেক্টমী আর লাইগেশানের কর্মসূচি হাতে নেয়া খুবই জরুরী।

মধ্যম মেয়াদীঃ এদেরকে ফ্রী খাওয়ানো বন্ধ করে রোজগারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়া। এদের পরিচয় পত্র ট্র্যাকিং করার ব্যবস্থা করা যাতে এদের চলাফেরা সীমিত আর নজরদারীর মধ্যে রাখা যায়। এদের যথাযথ শিক্ষার ব্যবস্থাও করা দরকার।

দীর্ঘ মেয়াদীঃ দেশের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখার একটা প্ল্যান তৈরী করা। চীন-মার্কিন প্রাধান্য বিস্তারের এই সময়ে বাংলাদেশের ভূমিকার বিনিময়ে এই সমস্যা সমাধানে একটা দর কষাকষির সূচনা করা আর সেটা বাস্তবায়নের জন্য আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী মহলে লবিয়িং করা। আরাকান আর্মিকে গোপনে সহযোগিতা করা যায় কিনা, সেটাও ভেবে দেখা দরকার।

এদেরকে নাগরিকত্ব দিলে আমাদের খেলার মতো আর কোন কার্ডই থাকবে না। আন্তর্জাতিক মহলও আমাদের আভ্যন্তরীণ ব্যাপার বলে মুখ ফিরিয়ে নিবে। কাজেই সেই চিন্তা না করাই ভালো।

তবে, বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, এদের নিয়ে সরকারের কোন নির্দিষ্ট পরিকল্পনাই নাই। সরকার ''গোলেমালে যায় যদ্দিন'' নীতিতে চলছে। তাদের মেইন ফোকাস এখন বড় বড় প্রোজেক্ট হাতে নেয়া আর চুরি করা। সবচেয়ে বড় ভয়, ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম না আমাদের হাতছাড়া হয়ে যায়!! প্রচুর আন্তর্জাতিক যড়যন্ত্র চলছে। সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকেও এই দিকে সক্রিয় করা উচিত, আর ''ভিতরের খবর'' বের করার চেষ্টা করা উচিত। দেরী হওয়ার আগেই কি সরকার কি এসব দিকে নজর দিবে?

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৪৪

হাবিব বলেছেন: আপনি দারুণ বলেছেন। তবে মনে হচ্ছে না সরকার এদের জরুরী প্রত্যাবসানের কথা ভাবছে। যাদের উপর প্রত্যাবাসনের দায়িত্ব তাদের পকেট হয়তো গরম থাকে। তাই সাধারণের কথা ভেবে দেখেন না তারা

১৪| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৩:৩৫

নীল আকাশ বলেছেন: রোহিঙ্গা সংকট কোনদিনও সমাধান হবে না। এটা এখন ঐ এলাকায় বিশাল ব্যবসায় পরিনত হয়েছে। কত বিশাল ব্যবসা সেটা কক্সবাজারের হোটেলগুলিতে খোজ নিলেই বুঝা যায়। শত শত বিদেশি এর নাম ভাঞিয়ে লূটপাট করে খাচ্ছে, সরকারী দলের লোকজন খাচ্ছে, আইন শৃ**বাহিনী খাচ্ছে। ডীম পারা মুরগী কী কেউ জবাই দেয়? দিতে দিবে?

মানবতার আম্মাজান বহু চেষ্টা করেও শান্তির নোবেল পুরস্কারটা যে পেলো না এটা নোবেল কমিটির ব্যর্থতা।
এইজন্য সারাদেশে মিনিমাম সাতদিন শোক দিবস পালন করা উচিত।

নিজেই হাসিমুখে পাছার কাপড় উঁচু করে দিলে ফ্রীতে আরেকজন ******* দিবেই। এটাই জাগতিক নিয়ম। শুধু আমাদের আ-যুক্ত বা'লের সর**র এটা বুঝতে পারে না।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৪৬

হাবিব বলেছেন: রোহিঙ্গাদের এনআইডি, পাসপোর্ট করে দিয়ে দিয়ে ভালোই ইনকাম হচ্ছে কারো কারো। অনেকেই এদের উছিলায় খাচ্ছে । কর্তাব্যক্তিদের পকেট ভারী, প্রয়োজনে তারা উন্নত দেশে পাড়ি দিবে। মরে মরুক জনগন, তাদের কি?

১৫| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৪:০৪

মোগল সম্রাট বলেছেন: সংকট নিরষণে আপনার কোন শক্তিশালি দিক নির্দেশনা আছে? নাকি সোনাভানের কেচ্চা মুখস্ত কইরা এইখানে উগরাইতে আইছেন?

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৪৭

হাবিব বলেছেন: ধন্যবাদ

১৬| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৪:৪১

নতুন বলেছেন: ৯৯৯৯লেখক বলেছেন: এদেরকে কাজে লাগানো যেতে পারে তবে তা হতে হবে পরিকল্পিত ভাবে। তবে এদেরকে নাগরিকত্ব দেয়া কখনোই উচিত হবে বলে মনে হয় না।

আমাদের দেশের নাগরিকত্ত দিলে সরকারের কোন খরচা নাই যেই কারনে উন্নত বিশ্বের সরকার দিতে চায় না।

আমাদের দেশে পরিকল্পিত ভাবে এদের কাজে লাগেবেন? ( দেশে পরিকল্পনা করে কিছু করা যায়?)

আমিও নাগরিকত্ব দিতে চাইনা।( দেশার জন্য আবেগের দিক থেকে) কিন্তু এটা ছাড়া অন্য কোন উপায় আছে বলে আমার মাথায় এসছে না।( বাস্তব সমাধানের চিন্তা করে)

প্রথমত আগে সমস্যাটার বর্তমান পরিস্থিতি বুঝার চেস্টা করুন। সেটা হইলো এই ১৫ লাখ মানুষ আমাদের দেশ থেকে ফেরত যাবেনা।

আমরা এই চালে হেরে গেছি। এখন কান্না করে লাভ নাই।

এরা দেখতে আমাদের মতন, এরা দ্রুত বাংলা শিখে নেবে। কয়েক বছর পরে এদের বাঙ্গাদেশীদের থেকে আলাদা করতে পারবেনা না।

এদের আলাদা নম্বার/ কার্ড বানিয়ে নিয়ন্ত্রনের চিন্তা আমাদের দেশে সম্ভব না।

এনজিও আর বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা এদের নিয়ে মিলিওন ডলার বানিজ্য করবে তাই তারা চাইবে এই সমস্যা টিকে থাক। বিদেশী সাহাজ্যের লোভেও আমাদের রাজনিতিক নেতারা এই সমস্যার সমাধান চাইবেনা। সমস্যা থাকলেই এইসব কীটেরা বেশি সুবিধা করে।

তাই সমাধান হবে।

১) এদের পূনাঙ্গ লিস্টি বানিয়ে নাগরিক্ত দিয়া।
২) এদের কারিগরী শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
৩) এদের পরিবার পরিকল্পনার আয়ত্বে আনা।
৪) দেশের বাইরে যেতে চাইলে তাদের বিদেশে কাজের জন্য পাঠানোর জন্য সাহাজ্য করা।
৪) যেই সব ালপাকনারা এদের দেশে জায়গা দেবার জন্য কান্না কাটি করেছিলো তাদের বাড়ীতে একটা করে পরিবার দিয়ে দেওয়অ। X( X( X( X(

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৪৯

হাবিব বলেছেন: ১ নম্বর সুপারিশ ব্যতিত আর সবগুলো মানা যেতে পারে। তবে রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা আইডি কার্ড থাকা উচিত বলে আমি মনে করি।

১৭| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৪:৫৫

জোভান আহমেদ বলেছেন: যারা সমাধান করবে, তারাই সমস্যাটা ঝুলিয়ে রেখেছে ইচ্ছা করে। সমাধান হয়ে গেলে নাকি তাদের রোজগার কমে যাবে।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৪৯

হাবিব বলেছেন: আপনার পর্যবেক্ষন একদমই ঠিক আছে

১৮| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:০০

জুন বলেছেন: আপনি যে কি বলেন হাবিব স্যার! এই সোনার ডিম পারা হাস দিয়ে কত মানুষের লাখ লাখ টাকা আয় হচ্ছে, এর মধ্যে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার কথাই ধরুন যারা বাংলাদেশে তাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে এসেছিল বলে অফিস গুটিয়ে ফেলছিল। এখন আবার তারা সোৎসাহে ময়দানে ঝাপিয়ে পরেছে আর লক্ষ লক্ষ টাকা মুল বেতন ছাড়াই প্রতিদিন সাড়ে চার হাজার টাকা ডিএসএ পাচ্ছে। তো এই রোহিঙ্গাদের কি এই সব সুযোগ সন্ধানীরা সহজে ফেরত যেতে দিবে?

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৫১

হাবিব বলেছেন: আপা, এই জন্যই তো সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। আমাদের কর্তা ব্যক্তিরা সবাই পজিটিভ মাইন্ডের। এরা রোহিঙ্গাদের সমস্যা মনে না করে তাদেরকে সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন।

১৯| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:০৬

জটিল ভাই বলেছেন:
এক চোখে যা সমস্যা, অন্য চোখে তা আশীর্বাদ।
প্রিয় স্যার, জটিলবাদ।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৫২

হাবিব বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। বেশ ভালো বলেছেন।

২০| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১১:২৯

সোবুজ বলেছেন: চীনারা ইসলাম ধর্মকেই একটা সন্ত্রাসী মতবাদ মনে করে।যতদিন মিয়ানমারে চীনের সার্থ থাকবে ততদিন এদের ফেরত পাঠানো সম্ভব হবে না।অন্য চিন্তা করতে হবে।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৫৩

হাবিব বলেছেন: এই সহজ কথাটি অনেকেই বুঝেন না। চীনা চালে যারা একবার ফেসে গেছে তাদের আর বেরুবার পথ নেই।

২১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১২:১৫

এমজেডএফ বলেছেন: মানবতার দোহাই দিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিচের ছবিটি দিয়ে বিশেষ করে 'মুসলিম' ও 'ইসলাম' শব্দ দুটি ব্যবহার করে অনেকেই সেদিন বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশের মানুষের সহানুভুতির জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছিলেন। সেদিন শেখ হাসিনা মানবতা না দেখালে তিনি আজ বাংলাদেশের সব তৌহিদী মুসলমানদের চিরশত্রু হতেন।


আপনার এই পোস্টে যারা আজ শেখ হাসিনার মানবতা নিয়ে মসকরা করছে তাদের অনেকেই সেদিন মানবতাবাদীদের দলে ছিলেন। আজ সময়ের সাথে এরা বোল পাল্টিয়েছে। পল্টিবাজ বাঙালি!

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৫৫

হাবিব বলেছেন: যারা সে সময় সহানুভূতির কথা বলে বলে মুখে ফেনা তুলেছিল তাদের প্রত্যেকের পরিবারে রোহিঙ্গাদেরকে ভাগ করে পাঠানো হোক।

২২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২২ ভোর ৪:২২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: রোহিঙ্গা এখন মেম্বার চেয়ারম্যান হচ্ছে। যখন এমপি মন্ত্রী হবে নোবেল পাবে তখন। :D

২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৭:৫৫

হাবিব বলেছেন: হা হা হা........ নোবেল পাবার সংবাদের অপেক্ষায় রইলাম

২৩| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:২৫

জ্যাকেল বলেছেন: এই পোস্টটি লেখক নিজে সরিয়ে ফেলেছেন, বিস্তারিত জানতে পোস্টটির লেখকের সাথে যোগাযোগ করুন।

মসজিদ নিয়ে আপনার পোস্ট সরানোর কারন ঠিক বুঝলাম না। স্বাধীন মত প্রকাশে আপনাকে কে বাধা দিল?

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ রাত ১১:৪৯

হাবিব বলেছেন: পোস্টটি নিয়ে ধর্মপ্রাণ(!) মুসুল্লিদের মাঝে বিতর্ক সৃষ্টি হবার সম্ভাবনা ছিলো

২৪| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:০৫

ইমরান আশফাক বলেছেন: বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা যদি আরও আগে থেকে বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হতো তাহলে এই নাক্কারজনক পরিস্হিতির সম্মূখিন হতে হতো না। খালেদা জিয়া এসে শেখ হাসিনার মিগ-২৯ কেনার উদ্যোগ বানচান করে দিল ৮টি মাত্র ডেলিভারী পাওয়ার পর, মোট ৩২টি কেনার কথা ছিল। দ: কোরিয়ার কাছ থেকে মোট ৩টি অত্যাধুনিক ফ্রিগেট কেনার কথা ছিল কিন্তু প্রথমটি ডেলিভারী হবার পর ডিলটি বিএনপি বরবাদ করে দেয়। বার্মা খুবই নিখুতভাবে আমাদের প্রতিটা চাল খেয়াল করছিল এবং যেই মাত্র সুযোগ পেলো অমনি তা কাজে লাগিয়ে ফেললো। যদি আমাদের হাতে ৩২টি মিগ-২৯ জংগী বিমান থাকতো ও সমুদ্রে অত্যাধুনিক কয়েকটি ফ্রিগেট দাপিয়ে বেড়াতো তাহলে বার্মা রোহিংগাদের ঠেলে দেয়ার আগে বার বার চিন্তা করতো।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ রাত ১১:৫১

হাবিব বলেছেন: মিয়ানমার চিকন বুদ্ধির খেলা খেলছে, এর মধ্যে রসদ জুগিয়েছে চীন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ দক্ষতার পরিচয় দেয়নি।

২৫| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১২:৩০

রিফাত হোসেন বলেছেন: ইমরান আশফাক সাহেব, মিগের ভয়ে মগরা আচলের নিজে দৌড় দিত না। ওদের উপর চীনের হাত আছে।
আপনার কাছে কি মনে হয় বাংলাদেশের উপর কোন দেশের হাত আছে!
ভারতকে মনে করলেও ভুল হবে। ভারত প্রয়োজনে সাথে আছে। কিন্তু তাদের প্রয়োজনে বিনিময় করতে চাইবে সর্বোচ্চ। আমাদের প্রয়োজনে নয়।
পাবর্ত্য চট্টগ্রামের শান্তি বাহিনীর সাথে নতুন করে রোহিঙ্গা যোগ হল। শান্তি বাহিনী বিলুপ্ত মনে হলেও আদতে তারা এখন অন্য খোলস পরে আছে।

সামরিক সামরিক করলে হবে না, নিজেদের মূল্য আন্তর্জাতিকভাবে বাড়াতে হবে। কূটনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে হবে। অস্ত্র না থাকলেও এটা দিয়েও মোকাবেলা করা যাবে। ধীরে দীরে শক্তি বাড়িয়ে প্রতিঘাত করা যাবে, তবে এর আগে নয়।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ রাত ১১:৫২

হাবিব বলেছেন: আপনার প্রতিটি কথাই যুক্তিযুক্ত

২৬| ২৩ শে মার্চ, ২০২২ রাত ১১:৩৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: আহমেদ জী এস বলেছেন: "রোহিঙ্গা সংকট কোনদিনই কাটবেনা কারণ এর পোছনে সম্ভবত ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রয়েছে পরাশক্তিধরদের, চলছে দাবা খেলা। রোহিঙ্গারা ফেরৎ গেলে সে দাবাটি আর খেলা সম্ভব হবে না" - আমি তার সাথে একমত। প্রকট এ সমস্যাটি নিয়ে আপনি ভেবেছেন, আপনার নিজস্ব ভাবনাগুলো জোরালো ভাষায় এখানে উপস্থাপন করেছেন, এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

২৯ শে মার্চ, ২০২২ সকাল ১১:২৫

হাবিব বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ ভাইয়া, পোস্ট পাঠ এবং মন্তব্যের জন্য।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.