| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ মাহতাব হোসেন
বললে বিশ্বাস করবেন না। তারপরেও বলছিঃ আমি চরম টাইপের ভাল ছেলে।
রাত ১২ টা ১৩ মিনিট। মোবাইল টা হটাৎ করিয়া বাজিয়া উঠল।
আহমদ সাহেব মোবাইল টা হাতে তুলিয়া দেখিলেন মিজু কল করিয়াছে। মিজু হচ্ছে আহমদ সাহেবের ভাতিজা। এত রাত্রি বেলা মিজু’র কল করিবার কথা না। নিশ্চই কোন সিরিয়াস বিষয়। টেনশন টেনশন ভাব নিয়ে কল টা রিসিভ করিলেন। মিজু কোন কথা বলছে না। আহমদ সাহেব মিজু মিজু বলে ডাকিতে থাকিলেন কিন্তু ওপাশ থেকে মিজুর কোন শব্দ আসছে না। হটাৎ কল টা কাটিয়া গেলে আহমদ সাহেব আরো বেশি টেনশনে পড়িয়া গেলেন।
তিনি সাথে সাথে মিজুকে কল দিলে তিনি মিজু’র মোবাইল বন্ধ পাইয়া টেনশন টা আতংকে রুপ নিল।
আহমদ সাহেব সাথে সাথে মিজু’র মাকে কল করিয়া বেপারটা জানাইয়া দিলেন।
কথা শুনে মিজু’র মা এর তো মাথা নষ্ট হইবার উপক্রম হইল। তিনি সাথে সাথে মিজু’র সকল বন্ধুদের বাসায় এবং বন্ধুদেরকে কল দেয়া শুরু করিলেন। কিন্তু মিজু’র কোন খবর পাহিলেন না।
ওদিকে আহমদ সাহেব উনার দুই বড় ছেলেকে কল দিয়া বলিলেন মিজু’র খবর নেয়ার জন্য।
যখন রাত ১২ টা ১৩ তখন মিজুর অবস্থাঃ
মিজু আড্ডা শেষ করিয়া একটা রিক্সাতে চড়িয়া বাসায় ফিরছে। বেটারি চালিত রিক্সা বলে খুব দ্রুত চলছে। মিজু তার ভাই তৌহিদকে কে কল করিয়া বলিল বাসার সামনে থাকার জন্য। এই কথা বলে মিজু পকেটে মোবাইল টা ঢুকাইয়া রাখিবার সময় আঙ্গুলের চাপ পড়িয়া আহমদ সাহেবের কাছে কল চলিয়া গেল । তাহার মোবাইলে চার্জ মোটেও ছিল না বিধায় একটু পর তার মোবাইল টা বন্ধ হইয়া গেল।
এই একটা কলের কারনে এতগুলা মানুষ যে টেনশনে ভুগিল তা মিজুর জানা ছিল না জানার কথাও না। সে তৌহিদের সাথে আরো কিছু সময় আড্ডা দিয়ে চায়ের দোকানে চা-টা খেয়ে যখন বাসায় ফিরল তখন সবাই মিজুকে পাইয়া হইচই শুরু করিয়া দিল। মিজু নিজেই অবাক হইয়া গেল, কি বেপার ? তাহারে নিয়া এত উত্তেজনা কিসের ?
মিজুর কাছ থেকে সব কাহিনী শুনার পর ধীরে ধীরে সবার টেনশন কমিয়া গেল।
এই কাহিনীটা আজ একটু আগেই ঘটিয়া গেল আমার জীবনে। এই গল্পে আহমদ সাহেব হচ্ছেন আমার শ্রদ্ধেয় চাচা (সৈয়দ আহমদ হোসেন) এবং মিজু হইলাম আমি নিজেই।
½ Life
©somewhere in net ltd.