| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সালটা ২০১০। যুদ্ধাপরাধীর অভিযোগে বিচারের জন্যে একের পর এক জামায়াত নেতা গ্রেফতার হতে থাকেন এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুরু হয়। কিন্তু কুকুরতো মনিবের মতোই চলবে। তেমনি জামাত-শিবিরও যুদ্ধাপরাধের বিচার কার্যক্রম বিতর্কিত করতে গোপনে ১১ টিই কৌশল নিয়ে মাঠে নামে। উঠেপড়ে লাগে তাদের মনিবদের বাঁচাতে। কারো অন্দরমহলের খবর সাধারণ মানুষের জানার কথা নয়, তেমনি বিনা কারনে পুলিশেরও জানার নয়।
কিন্তু গত ২০১০ সালের ২৫ শে আগস্ট বুধবার ফারুক (২০১০ সালের ২৭ শে জুন বিএনপি এর ডাকা হরতালের আগের রাতে গাড়িতে আগুন লাগিয়ে হত্যা করে পিকেটাররা) হত্যা মামলায় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার অভিযান চালায় পুলিশ। তখন রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে কিছু কাগজ-পত্র জব্দ করে পুলিশ। যাতে লিপিবদ্ধ পাওয়া যায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ব্যাহত করতে জামাতের ১১ টি কৌশল। মূলত এই ১১ কৌশল বাস্তবায়নের কারণেই রাজনৈতিক এবং ব্যাক্তিগত স্বার্থে কাদের সিদ্দীকির রিলেশন হয় জামায়াত-শিবিরের সাথে।
আসুন দেখি কি ছিল ১১ কৌশল: জব্দকৃত কাগজপত্র অনুযায়ী ১১ কৌশলের অন্যতম ছিল "বেসরকারী পর্যায়ের যুদ্ধাপরাধ অনুসন্ধান কমিটি" নামের একটি কমিটি করা এবং এই কমিটি তখন কাজও শুরু করে দিয়েছিল।
জামাতের এই কৌশলগুলোর সাথে কাদের সিদ্দীকির বর্তমান কর্মকাণ্ডেরও মিল রয়েছে।কারন তখন তারা ১১ কৌশল মোতাবেক মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছিলেন কিন্তু তখন (২০১০ সাল) মহাজোট সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নয় এরকম কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাকে তাদের ব্যানারে ভেড়ানোর এবং যোগাযোগের চেষ্টা (যোগাযোগ করতে পেরেছিল কি না জানিনা তবে আমার মতে তারা যোগাযোগ করেছিল এবং সফলও হয়েছিল। তা না হলে কাদের সিদ্দিকী কিভাবে সেই কাজগুলো এখন নির্ভুলভাবে করতে পারছেন) চালায়।
১১ কৌশলের নথিপত্রে আরো পাওয়া যায়, জামাত তাদের নিজেদের মত করে আওয়ামিলীগ ও এর শরিক দলগুলো এবং বামপন্থী দলগুলোর নেতা থেকে ৭৭ জনের একটি যুদ্ধাপরাধীর তালিকা করবে।
এখন বলি সম্প্রতি কাদের সিদ্দিকীতো এমনভাবেই মহাজোট ও এর শরিকদল এবং বামপন্থী দলের কয়েকজন নেতার নাম ধরে রাজাকার (এই রাজাকার বলার কারনে আমার জানামতে একজন মুক্তিযোদ্ধা তার বিরুদ্ধে মামলা করেন) বলেন এটা কি সেই কৌশলের বাস্তবায়ন নয়?
উপরের প্রশ্নের উত্তরে যারা না বলবেন তাদের কাছে বিষয়টি আরেকটু পরিষ্কার করে দিচ্ছি, জামাতের কৌশলে বলা হয় মহাজোট সরকারের সাথে তখন (২০১০ সাল) কোনো কারনে বিরোধ এরকম মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তাদেরকে নিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিষয় ইস্যু নিয়ে ঘন ঘন সেমিনার এবং আলোচনা সভা করা।আর এজন্য উদ্ধার করা নথিপত্র অনুসারে তাদের লক্ষ্য ছিল কাদের সিদ্দীকি ও শাহজাহান সিরাজ। আর এতে জামাতের নিজস্ব বিশিষ্টজনদের মধ্যে রাখা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ নজরুল, কমরেড সাইফুল হক ও ফর্হাদ মজহার।
কাদের সিদ্দীকি এবং উল্লেখিত অন্যরা এখন যে সভা-সমাবেশ ও সেমিনারে বক্তব্য দেন তাদের সেই বক্তব্যে জামাতের সেই কৌশলগুলো বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট চাপ পাওয়া যায়।
উপরের ২০১০ সালের কৌশল এবং ২০১৩ সালের কাদের সিদ্দীকি কাজ কি প্রমাণ করেনা একসময়কার বীর মুক্তিযোদ্ধা বর্তমান রাজনৈতিক এবং ব্যাক্তিগত স্বার্থে নিজের বিবেককে বিক্রি করে দিয়ে নিজ ইচ্ছায় পথভ্রষ্ট হয়েছেন?
জামাতের সেই কৌশলগুলো এমনই ছিল যা তারা এখনও বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। অনেকেই বলতে পারেন পুলিশ যেহেতু এগুলো ধরে ফেলেছিল তাহলে সে পথে হয়তো আর এগোয়নি জামাতে ইসলাম। না এটা বললে সম্পূর্ণ ভুল হবে, কারন আমার মতে জামায়াত তাদের ১১ কৌশলগুলো ১২ নাম্বার কৌশল দিয়েই প্রচার করছে এবং এর সুফলও ভোগ করেছে এবং করছে। আর এগুলোর সবচেয়ে বড় প্রমাণতো সাম্প্রতিক বাংলাদেশ।
উপরে প্রত্যেক কৌশলইতো বাংলাদেশে এখনও বাস্তবায়নে চেষ্টা চলছে।
সবশেষে বর্তমানে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি প্রীতি দেখে যে কথাটা বলতে ইচ্ছে হয় তা,
"একজন রাজাকার চিরকালই রাজাকার,
কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নন"।
২|
৩০ শে অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:৩৩
সেমিবস বলেছেন: মোঃ আনারুল ইসলাম বলেছেন: ভাই এত ব্রেন নিয়ে রাতে ঘুমান কি করে ?
৩|
৩০ শে অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:৫৩
হাসান রাহমান মারজান বলেছেন: ভাই খাটের উপর রাখা বালিশে মাথাটা দিয়ে ঘুমাই। কোনো সমস্যা হয়না ভাই।
৪|
৩০ শে অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:০৩
এই আমি সেই আমি বলেছেন: কাদের সিদ্দিকির পেটে শেখ হাসিনা লাথি মেরেছেন । তার ব্রিজের কন্ট্রাক্টারীর বারোটা বাজিয়ছেন । জামাতের মিলিয়ন ডলার বাজেটের মেগা শিকার এই বাঘায় । এই মিলিয়ন ডলারের প্রভাবেই যে বাঘায় নিয়াজির সাথে হাত মিলায় নাই সে আজ রাজাকারের সাথে গলা মিলায় ।আরও দেখুন ।
৫|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:২৪
জাভেদ৫০ বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের আগে যারা সন্ত্রাস,চুর, ডাকাত বা গুন্ডা ছিল, যুদ্ধের সময় তারা এক ঢিলে দুই পাখি মারার চেষ্টা করেছিল। একদিকে যুদ্ধ করবে আর এক দিকে লুঠতরাজ করবে বা ওনেক সন্ত্রাসি হয়ত শখের বশে যুদ্ধ করেছিল, যেভাবে সন্ত্রাসীরা এক গ্রুপ আরেক গ্রুপের সাথে ঝগড়া করে। যারা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করেছিল তারা ছিল সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা , তাদের ওনেকের নাম হয়ত মুক্তিযোদ্ধা লিস্টেও নাই। এবার বুঝতে পারেন কাদের কোন ধরনের মুক্তিযোদ্ধা
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:০৩
মোঃ আনারুল ইসলাম বলেছেন: ভাই এত ব্রেন নিয়ে রাতে ঘুমান কি করে ?