নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে গেছে। বাড়িতে হামলা হয়েছে, মন্দিরে হামলা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা চলছে। পোস্টে ঠিক কী লেখা ছিল সেটা পুলিশ বলেনি, কোনো সংবাদমাধ্যমও জানায়নি। শুধু বলা হয়েছে আপত্তিকর।

একটু খেয়াল করুন তারিখটা। ২৩ জুন। ঠিক একদিন আগে ২২ জুন প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমান চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন। ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হওয়ার কথা। শি জিনপিংয়ের সাথে বৈঠক হওয়ার কথা। দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মুহূর্তগুলোর একটাতে সরকারের শীর্ষ ব্যক্তি দেশের বাইরে। ঠিক সেই মুহূর্তে সুনামগঞ্জে আগুন জ্বলে উঠল। এটা কি কাকতালীয়? হয়তো। কিন্তু ২০২১ সালে শাল্লার হামলাটাও হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির বাংলাদেশ সফরের ঠিক আগে। সেবারও দেশজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল। সরকার বিব্রত হয়েছিল। আন্তর্জাতিক মনোযোগ সফর থেকে সরে গিয়েছিল সাম্প্রদায়িক সহিংসতার দিকে। দুটো ঘটনার টাইমিং মেলালে প্রশ্নটা এড়ানো কঠিন হয়ে যায়।

সুনামগঞ্জে এই প্যাটার্নটা নতুন না। ২০০১ সালে হয়েছে, ২০১৩ সালে হয়েছে, ২০১৬ সালে একই বছরে ছয়বারের বেশি হয়েছে, ২০২১ সালে শাল্লায় হয়েছে, ২০২৪ সালে দোয়ারাবাজারে হয়েছে, এখন ২০২৬ সালে তাহিরপুরে হলো। ২৬ বছরে কমপক্ষে ১২টি আলাদা ঘটনা, কমপক্ষে পাঁচটি ভিন্ন উপজেলায়। প্রতিটায় একই ছক। একটা ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়, জনতা জড়ো হয়, হিন্দু পাড়ায় হামলা হয়, মন্দির ভাঙে, পুলিশ হিন্দু ছেলেটাকে গ্রেপ্তার করে, হামলাকারীরা অল্পদিনেই জামিনে বেরিয়ে আসে, তদন্ত চলতে থাকে, ফলাফল আসে না।

এই ছকটা দেখে একটা প্রশ্ন আসে। হিন্দু ছেলেরা বারবার কেন একই কাজ করছে? প্রতিটা ঘটনার পর দেখা যায় পুরো গ্রাম জ্বলে গেছে, মহিলারা হাওরে পালিয়েছেন, বাড়িঘর ভেঙে ফেলা হয়েছে। এটা জেনেও একজন মানুষ সত্যিই নিজে থেকে কেন এই ঝুঁকি নেয়? যদি না নেয়, তাহলে প্রশ্ন হলো সেই স্ক্রিনশটটা কে তৈরি করে, কে ছড়ায় এবং কার লাভ?

২০২১ সালে শাল্লায় ঝুমন দাসের পোস্টকে কেন্দ্র করে ৮৯টা বাড়ি ভাঙা হয়েছিল। পরে দেখা গেল সে নবীজিকে নিয়ে কিছু বলেনি, বরং হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সমালোচনা করেছিল। মামুনুল হক তখন একটা রিসোর্টে ধরা পড়েছিলেন। ঝুমন দাস সাতবার জামিনের আবেদন করেছিল, সাতবারই নাকচ হয়েছে। ৮০ দিনের বেশি জেলে ছিল। আর যে হাজার হাজার মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে নদী পার হয়ে এসে ৮৯টা বাড়ি ভেঙেছিল, তারা অল্পদিনেই জামিনে বেরিয়ে এসেছে। সেই হামলার নেতৃত্বে কে ছিলেন জানেন? উপজেলা চেয়ারম্যান। তিনি হেফাজতেরও কেউ না। তাহলে ধর্মীয় আবেগটা আসলে কোথায় ছিল?

দোয়ারাবাজারে আকাশ দাস কারো একটা পোস্টে গিয়ে কমেন্ট করেছিল। কার পোস্টে কমেন্ট করেছিল সেটা কেউ খোঁজেনি। জানতে চায়নি কেউ তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁদে ফেলেছিল কিনা। সরাসরি গ্রামে হামলা হয়েছে, মহিলারা ধানক্ষেতে পালিয়েছেন। এতগুলো ঘটনার পর বাংলাদেশে একটাও স্বাধীন ফ্যাক্ট চেকিং উদ্যোগ দাঁড়ায়নি যেটা বলবে পোস্টটা আসল ছিল নাকি ভুয়া অ্যাকাউন্ট, হ্যাক হয়েছিল নাকি স্ক্রিনশট এডিটেড। মুক্তমনা বুদ্ধিজীবীরা যারা সব বিষয়ে কলম চালান, তারাও এই ইস্যুতে চুপ। কারণ এই প্রশ্নটা তোলা মানে অনেকের রাগের মুখে পড়া।

ধরুন পোস্টটা সত্যিই দিয়েছিল। ধরুন সত্যিই আপত্তিকর কিছু লিখেছিল। তাহলেও প্রশ্ন থাকে, সেই একজনের কাজের শাস্তি পাবে কেন তার পাশের বাড়ির বৃদ্ধ দম্পতি? কেন পাবে গ্রামের মন্দিরটা? কেন হাওরে পালাতে হবে সেই পরিবারের মহিলাদের যারা ফেসবুকই চেনেন না? ইসলামের নিজস্ব ধর্মীয় বিধান এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে অনেক আগেই।

আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের তাফসীর বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার এফ. সাঈদ এবং শেখ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল খাতিব স্পষ্ট ফতোয়া দিয়েছেন। তারা বলেছেন, ইসলামে অমুসলিমদের উপাসনালয়ে হামলা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এটা জুলুম। হানাফী মাজহাবের ইমাম আল কামাল ইবনুল হুমাম বলেছেন, হানাফী মাজহাবের সমস্ত গ্রহণযোগ্য মত নিশ্চিত করে যে কোনো উপাসনালয়, গির্জা বা ধর্মীয় স্থান ধ্বংস করা যাবে না। মালিকী ফকিহ শিহাব আদ দ্বীন আল কারাফি বলেছেন, কোনো অমুসলিমকে একটা কটু কথা বললেও আল্লাহ ও তার রাসূলের চুক্তি ভঙ্গ হয়। জাহিরী ফকিহ ইবনে হাজম বলেছেন, কোনো অমুসলিম প্রতিবেশী বিপদে পড়লে তাকে রক্ষা করতে গিয়ে মারা যাওয়াও মুসলমানের দায়িত্ব।


পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, কোনো বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝার ভার বহন করবে না। একজনের পোস্টের দায় পুরো গ্রাম বহন করবে, এটা ইসলাম কোথাও বলেনি। কুরআনে এমনকি মসজিদের আগে গির্জা এবং মন্দিরের সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। আল খাতিব বলেছেন, এই ক্রমটা ইচ্ছাকৃত, কারণ অমুসলিমদের উপাসনালয়ের সুরক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার জন্যই এটা করা হয়েছে। হযরত আবু বকর রা. যুদ্ধের সময় তার সেনাপতিদের বলে দিয়েছিলেন, উপাসনালয়ে যারা আছে তাদের ছেড়ে দাও, তাদের ধর্মপালনে বাধা দিও না।

বাংলাদেশের কোনো মসজিদের মিম্বর থেকে কখনো এই কথাগুলো বলা হয়েছে কি? বলা হয়নি। কারণ এখানে যারা বক্তব্য দেন তারা বলছেন অন্য কথা। বলছেন বাংলাদেশে কোনো মূর্তি থাকবে না। বলছেন এই বাংলায় কোনো ছয় নয় চলবে না। রাম মূর্তি নির্মাণের খবর আসতেই মঞ্চ গরম হয়ে যায়। কিন্তু পাশের গ্রামে মন্দিরে হামলা হলে পরের শুক্রবারের খুতবায় একটা নিন্দার বাক্যও থাকে না।

প্রতি শুক্রবার ফিলিস্তিন নিয়ে কথা হয়, ইসরাইল নিয়ে কথা হয়, ভারত নিয়ে কথা হয়। কিন্তু সুনামগঞ্জের হিন্দু সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কোনো খুতবা হয় না। তাদের মন্দির রক্ষার কথা কোনো মিছিলে ওঠে না। ইসলামের বড় আলেমরা যা বলেছেন আর দেশের মোল্লারা যা করছেন, এই দুটোর মধ্যে এত বড় ফারাক কেন? কারণটা সহজ। আলেমদের কথায় ধর্ম আছে। মোল্লাদের বক্তব্যে রাজনীতি আছে। জমির হিসাব আছে।

একটা কথা না বললে পুরো ছবিটা অসম্পূর্ণ থাকে। সুনামগঞ্জে বহু সাধারণ মুসলিম নিজে এগিয়ে এসে মন্দির ও মূর্তি রক্ষা করেছেন হামলাকারীদের থেকে। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিবেশীর বাড়ি পাহারা দিয়েছেন। তারাই আসলে আল কারাফির কথাটা বুঝেছেন। তারাই আল্লাহর চুক্তি রক্ষা করেছেন। কিন্তু এই মানুষগুলোর কথা কোথাও আসে না। তারা খবর হন না, মিছিলে থাকেন না, মঞ্চে ওঠেন না। তাই তাদের অস্তিত্বটা ক্রমশ অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে আর হামলাকারীদের মুখগুলোই ধর্মের প্রতিনিধি হয়ে উঠছে।

প্রতিটা ঘটনার পর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের কথা আসে, প্রতিবেশী দেশের মদতের কথা আসে, এটা আসলে একটা কৌশল। মানুষকে আসল প্রশ্ন থেকে সরিয়ে রাখার কৌশল। আসল প্রশ্নটা হলো, সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার হিন্দু পরিবারগুলোর জমি কোথায় গেছে? প্রতিটা হামলার পর কতটা সম্পত্তি হাতবদল হয়েছে? কোনো সরকার কোনো আমলে এই তথ্যটা প্রকাশ করেনি।

আওয়ামী লীগ সংখ্যালঘুদের ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করেছে। বিএনপি আমলে হামলা শুরু হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হামলা হয়েছে। দলবদল হয়, ক্ষমতা বদলায়, কিন্তু সুনামগঞ্জে হামলা থামে না। কারণ একটাই, বিচার হয় না। ২৬ বছরে একটাও না। বিচারহীনতা কোনো ব্যর্থতা না, এটা একটা বার্তা। বার্তাটা হলো, করো, কিছু হবে না।

ধর্মীয় অবমাননার প্রতিবাদ করতে গিয়ে যখন একজন নিরীহ বৃদ্ধের মন্দির ভাঙছেন, যখন একজন মায়ের ঘর জ্বালাচ্ছেন, যখন ইসলামের চার মাজহাবের ফকিহরা যেটাকে স্পষ্ট জুলুম বলেছেন সেটা করছেন, তখন আপনি আসলে কার স্বার্থ রক্ষা করছেন? ঈমানী দায়িত্ব নাকি সেই উপজেলা চেয়ারম্যানের, যার নজরে হাওরের জমি আছে? নাকি সেই অদৃশ্য হাতের, যে প্রতিবার সরকার ব্যস্ত থাকলে আগুন জ্বালিয়ে দেয়?

ইসলামের সবচেয়ে বড় আলেমরা বলেছেন অমুসলিমের উপাসনালয় ধ্বংস করা হারাম। আপনি সেই বিশ্বাসের নাম নিয়ে সেই কাজটাই করছেন। তাহলে পবিত্রতা রক্ষা হচ্ছে কোথায়? আসলে যা হচ্ছে সেটা হলো ধর্মের নাম ব্যবহার করে মানবতা ও পরম সহিষ্ণুতার মূল চেতনাকেই সবচেয়ে বড় অপমানটা করা হচ্ছে। আর সেটা করছেন আপনি নিজে।

তথ্যসূত্র ও ধর্মীয় রেফারেন্স

১. শাস্ত্রীয় ও ফিকহী উৎস: আল মাওসুআহ আল ফিকহিয়্যাহ আল কুয়েতিয়্যাহ (The Kuwaiti Encyclopedia of Jurisprudence): খণ্ড ৩৮, পৃষ্ঠা ৩৮৪ থেকে ৩৮৬। এখানে অমুসলিমদের উপাসনালয় মেরামত ও সুরক্ষার রাষ্ট্রীয় আইনি গ্যারান্টির কথা বলা হয়েছে।
২- শিহাব আদ দ্বীন আল কারাফী: আন নাওয়ার আল বুরূক ফী আনওয়া আল ফুরূক, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১৪ থেকে ১৫। অধীনস্থ অমুসলিম নাগরিকদের চুক্তি ও অধিকার রক্ষা অধ্যায়।

৩- ইবনে হাজম আল আন্দালুসী: আল মুহাল্লা, খণ্ড ৭। অমুসলিম প্রতিবেশীর সুরক্ষায় মুসলিমদের বাধ্যবাধকতা।

৪- ড. আব্দুস সাত্তার এফ. সাঈদ ও শেখ আব্দুল্লাহ আল খাতিব: আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফতোয়া বোর্ড। উৎস, IslamOnline, Fiqh Section, Fatwa ID: 5007, "Juristic View on Attacking Temples and Churches"।

৫- ইমাম বায়হাকী: সুনান আল কুবরা, খণ্ড 9, পৃষ্ঠা ৯০। প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর রা. এর সামরিক ও বেসামরিক নির্দেশনা।

৬. সমসাময়িক ও মাঠপর্যায়ের উৎস: তাহিরপুর ও শাল্লা ঘটনা: ২৩ জুন ২০২৬ এবং ১৭ মার্চ ২০২১ এর জাতীয় দৈনিকসমূহ (যেমন প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার) এবং মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর বিশেষ অনুসন্ধান রিপোর্ট।

৭- ভূমির অর্থনীতি ও সংখ্যালঘু উচ্ছেদ: অধ্যাপক আবুল বারকাতের গবেষণা গ্রন্থ, "বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক অর্থনীতি" (Political Economy of Minority Communities in Bangladesh)। এখানে শত্রু সম্পত্তি বা অর্পিত সম্পত্তি আইন এবং সাম্প্রদায়িক হামলার মাধ্যমে জমি দখলের প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

তাহিরপুরে ফেসবুকে কটূক্তির জেরে উত্তেজনা, ঘরবাড়ি-মন্দিরে হামলা- দি ডেইলি এদিন

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:১৯

অগ্নিবাবা বলেছেন: আপনারা মডারেট মুসলমানেরা ইসলামের আসল চেহারা লুকাতে আবারো কিছু মাখন মাখন মানবিক রেফারেন্স নিয়ে হাজির হলেন, খুব ভালো কথা, তবে কুতুবভাই এই ধর্মানুনুভূতির মরনরোগ আর আপনারা লুকায়ে রাখতে পারবেন না, পচাগন্ধ বের হয়ে গেছে।
আফসোস, আপনারা এইরোগ না লুকায়ে যদি ডাক্তার দেখাতেন তাহলে হয়ত এতদিন একটা সুরাহা হইত। বাংলাদেশে আর কয়টা হিন্দু অবশিষ্ট আছে যে তারা লড়বে? এইবারের লড়াই কোরান-হাদিস না জানা মানবিক মুসলমান বনাম কোরান-হাদিস জানা সহি মুসলমান। গ্যালারীতে আছি।

২| ২৫ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:২৪

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: অমুসলিমরা এই ধরনের পোস্ট কেন দেয়,না দিলে তো আর এই বিশৃঙ্খলা হয়না

৩| ২৫ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৩৬

ঢাকার লোক বলেছেন: আবু শুরাইহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত: নবী (ﷺ) তিনবার বললেন,
“আল্লাহর কসম! সে মুমিন নয়। আল্লাহর কসম! সে মুমিন নয়। আল্লাহর কসম! সে মুমিন নয়।”
তখন জিজ্ঞাসা করা হলো, “হে আল্লাহর রাসূল! সে কে?”
নবী (ﷺ) বললেন,“যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ নয়।" -সহী বুখারী
প্রতিবেশী মুসলমান হতে হবে বলেননি, প্রতিবেশী হিন্দু, মুসলিম, ক্রিস্টান, বৌদ্ধ যাই হোকনা কেন এ সবার জন্যই প্রযোজ্য !
আমাদের অনেকের ধারণা আমরা সবাই মুমিন !

৪| ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৭:৩৩

অগ্নিবাবা বলেছেন: @সুলাইমান হোসেন - বাংলদেশের অমুসলিমরা এই ধরনের ইসলাম অবমাননাকারী পোস্ট না দিলে তাদের ভাত হজম হয় না, তৌহিদি জনতার কিলগুতা না খাইলে তাদের রাতে ঘুম আসে না। উত্তর পাইছেন, খুশী তো? মাঝে মাঝে এমন ভাব লয় যে ভাজা মাছ খান উল্টায়ে খাইতে জানে না।

@ঢাকার লোক - সেই রকম মাখম মাখম হাদিস দিছেন। কিন্তু তৌহিদি জনতা হাদিস মানে না, আফসোস।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.