| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিবদমান নারীবাদী জ্ঞানকান্ডীয় ধারাগুলো পুরুষকে বলছে মানুষ হতে আর নারীকে বলছে পুরুষ হতে । ফলে এগুলোর প্রতিষ্ঠা নারীকে অসমতা এবং অবিচার থেকে রক্ষা করতে পারলেও নতুন অসমতার জন্ম দেবে।
তখন পুরুষ হবে অসমতার স্বীকার। ফলে অনিবার্যভাবে পুরুষবাদী ধারা এবং সংগ্রামের জন্মলাভ করবে।
আরেকটা ব্যাপার হল, নারীবাদী তৎপরতায় নারী ঘরের চারদেয়াল থেকে মোটাদাগে মুক্তি পেলেও নতুন করে বন্ধি হয়ে গেছে তার নিজেরই দেহের কারাগারে। এবং এটা মোটেই পুরুষের চাপিয়ে দেয়ার কারনে নয়। বরং এখানে নারী নিজেই মারাত্নকভাবে হেজেমোনাইজড। এই দিকে নারীবাদী চিন্তক এবং কর্মীদের যথেষ্ঠ মনোযোগ নেই বলে চর্চিত নির্দেশিত পন্থায় নারীর আল্টিমেট মুক্তি আদৌ সম্ভব কিনা সে ব্যাপারে সন্দেহের যথেষ্ঠ কারণ রয়েছে।
২|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:২৬
উম্মার্গগামী বলেছেন: আসলে এ কথাটি সমাজ বিশ্লেষক জিয়াউদ্দিন সরদারের। তিনি বলেন, গত শতকের নারী যদি বন্দী হয় রান্নাঘরের বন্দীশালায়, এই শতকের নারী বন্দী তার নিজের দেহের কারাগারে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫২
মাকড়সাঁ বলেছেন: নারী ঘরের চারদেয়াল থেকে মোটাদাগে মুক্তি পেলেও নতুন করে বন্ধি হয়ে গেছে তার নিজেরই দেহের কারাগারে।একটা চরম সত্য কথা বলেছেন।