| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দুনিয়ার লোক যখন বলিউডের #me too ক্যাম্পেনিং-এ রথী-মহারথীদের যৌন হেনস্থার খবর জানার পর ছি: ছি: করছেন ঠিক তখনই কোরিওগ্রাফার সরোজ খানের সুরে সুর মেলালেন ‘ভাবীজি ঘর পর হ্যায়’ ধারাবাহিকের নায়িকা শিল্পা শিন্দে। কিছুদিন আগেই তিনি যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন ওই ধারাবাহিকের প্রযোজক সঞ্জয় কোহলির বিরুদ্ধে। গতকাল আচমকাই সেই অবস্থান থেকে ৩৬০ ডিগ্রি সরে বিস্ফোরক মন্তব্য শিল্পার, ‘এই ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ ধর্ষক নন। যা হয় তার সবটাই ঘটে নিজের ইচ্ছেয়!’
শুধু এই-ই নয়। নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে তনুশ্রী দত্তের মুখ খোলা নিয়েও বেকায়দা মন্তব্য করেছেন টেলি দুনিয়ার এই অভিনেত্রী। তাঁর যুক্তি, ‘সময়ে মুখ বন্ধ রেখে সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর মুখ খুলে লাভ কী? এতে আদৌ কোনও লাভ হয়? আমার মনে হয় লাভ হয় না। যখন ঘটছে তক্ষুণি মুখ খোলো। তাহলে বিচার পাবে। নইলে নয়। পরে পুরো ব্যাপারটাই কদর্য কৌতুকে পরিণত হয়। শুধুশুধু ইন্ডাস্ট্রির বদনাম রটে। সব জায়গাতেই ভালো-খারাপ আছে। তার মানে সবাই খারাপ, এটা কিন্তু নয়।’ এরপরেই নিজের হয়ে শিল্পার সাফাই, ‘আমার সঙ্গে যৌন হেনস্থা হয়েছে। যখন হয়েছে তখন সবাই আমায় চুপ করিয়ে রেখেছিল। আজ আর কাদা ঘেঁটে লাভ কী? এই যে তনুশ্রী এত কথা বলছেন, সিনটার থেকে কোনও সাহায্য পাবে ভেবেছেন? পুরোটাই গট-আপ কেস।’
এরপরেই এবিষয়ে শিল্পা বাস্তব উদাহরণ, ‘অনেক সময়েই মিটিংয়ে দেখেছি, নিউ কামাররা খাটো পোশাক পরে এসেছেন। কারণ জানতে চাইলে তাঁদের স্মার্ট উত্তর, মিটিংয়ে এভাবেই আসতে হয়! ওঁদের মাথায় কীভাবে যেন ঢুকে গেছে, গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে সারাক্ষণই গ্ল্যামার ছড়িয়ে পরিচালক-প্রযোজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হয়। প্রতিভার কোনও দামই নেই! আপনি যদি নিজের চারপাশে গণ্ডি টেনে রাখেন তাহলে কেউ হাজার চেষ্টা করেও আপনাকে ছুঁতে পারবে না। এবার আপনি কোনটা মেনে চলবেন? সবটাই আপনার হাতে।’
©somewhere in net ltd.