নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অসামাজিক ব্লগ

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক

হাল ছেড়ে আজ বসে আছি একা, ছুটিনে কাহারও পিছুতে, মন নাহি মোর কিছুতে, নাই কিছুতে

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজকে একটা খবর পড়ে হাসতেই আছি, শুধু হাসতেই আছি, কেবল আবাল বাংগালীদের দিয়েই এটা করা সম্ভব

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:০১

"বাংলাদেশকে বিদ্যুত্ দিতে রাজি নয় দিল্লি : নদী হত্যা করে যন্ত্রপাতি নেয়ার সুযোগ করে দেয়ার প্রতিদান শূন্য"



কথা ছিল ভারতের ত্রিপুরার পালাটানায় উত্পাদিত বিদ্যুতের কিছু অংশ বাংলাদেশকে দেয়া হবে। ভারতের এ আশ্বাসেই ক্ষমতাসীন সরকার ঐতিহাসিক তিতাস নদীর মাঝে বাঁধ নির্মাণ ও আশগঞ্জে একতরফা ট্রান্সশিপমেন্ট চালুর মধ্য দিয়ে ভারতকে ওই বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণের জন্য ভারী যন্ত্রপাতি নেয়ার সুযোগ করে দেয়। সরকার সবকিছু উজাড় করে দিলেও শেষ পর্যন্ত ভারত বাংলাদেশকে ওই কেন্দ্রে উত্পাদিত বিদ্যুতের ছিটেফোঁটাও দিতে রাজি নয়। এমন তথ্যই প্রকাশ করেছেন ভারতের ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার।

বাংলাদেশসহ ভারতের কয়েকটি মিডিয়াকে দেয়া বক্তব্যে মানিক সরকার বলেছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সাড়া না দেয়ায় ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুত্ সরবরাহের পরিকল্পনা আটকে গেছে। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকার এটা কেন করছে তা আমাদের জানা নেই। আমি বিষয়টি এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাতে কোনো ফল আসেনি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভারতের ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার দক্ষিণে পালাটানায় ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে ভারতের পশ্চিমাঞ্চল থেকে ভারি যন্ত্রপাতি বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে পরিবহন করা হয়। বর্তমান সরকার অন্ধ ভারতপ্রেম থেকে ওইসব যন্ত্রপাতি পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের ঐতিহাসিক তিতাস নদীর বুকে বাঁধ দিয়ে রাস্তা করে দেয়। একই সঙ্গে নদীপথে আশুগঞ্জ পর্যন্ত বিশাল আকৃতির ওইসব যন্ত্রপাতি পরিবহনে ভারতের জন্য একতরফা ট্রান্সশিপমেন্ট চালু করে দেয়। একই সঙ্গে ভারতকে অবৈধভাবে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারেরও সুযোগ দেয়া হয়। ভারতের ওইসব যন্ত্রপাতি পরিবহনের সময় আশুগঞ্জ থেকে ভারতের ত্রিপুরা পর্যন্ত বাংলাদেশের সব সড়ক বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে।

মিডিয়াকে দেয়া বক্তব্যে মানিক সরকার আরও বলেন, ওই প্রকল্পে আমাদের শেয়ার থেকে একশ’ মেগাওয়াট আমরা বাংলাদেশকে দিতে চাই। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ত্রিপুরা সফরের পরপরই বাংলাদেশে বিদ্যুত্ রফতানির এ প্রস্তাব জমা দেয় ত্রিপুরা সরকার। কিন্তু এক বছরেরও বেশি সময় দিল্লিতে তা আটকে আছে। তারা এটা কেন করছে তা আমাদের জানা নেই। আমি বিষয়টি এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা রেখেছি। কিন্তু কোনো ফল আসেনি।





খবরের লিনক

Click This Link

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:১৮

বিভ্রান্তকারি বলেছেন: সুন্দর পত্রিকার খবর শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ!
আপনাকে আমার ছাগলটার জন্য পছন্দ হয়েছে। দেখুনতো ওর আবেদন মঞ্জুর করা যাইকিনা

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:০৫

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: তোমার বাপের ছবি সবখানে দিয়া বেড়াও কেন?
পাকি কুকুর আর ভাদা শুয়োরগুলাকে সব সময়ই লাথি ঝাটার উপর রাখা হবে।

এর পরে তোমার তেল কিভাবে বের করা লাগবে সেইটা ভালো জানা আছে, কাজেই সাবধান।

২| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:১৯

ম্যাংগো পিপল বলেছেন: ভারতের কোন দোষ নাই, তারা তাদের সার্থ দেখবে এটাই স্বাভাবিক। দোষ হলো সেই সব বাংলাদেশি কুত্তাদের, যারা আগে থেকে চুক্তি না করে দাদা দের পা চাটা শুরু করেছিল।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:০৮

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: ম্যাংগো পিপল- আপনি ঠিকই বলেছেন। আমরা এমন কিছু জারজ উত্তরাধিকার সুত্রে পেয়েছি এরা হয় ভারতের দালালী করে না হলে পাকিদের দালালী করে।
এদের খুজে খুজে এলিমিনেট করা দরকার।

৩| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:২৫

দেশপ্রেমিক পোলা বলেছেন: ভারতের ওইসব যন্ত্রপাতি পরিবহনের সময় আশুগঞ্জ থেকে ভারতের ত্রিপুরা পর্যন্ত বাংলাদেশের সব সড়ক বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। --- আমাদের মাথায় মগজের পরিবর্তে মল, আমাদের এমন পরিনতি হওয়াই উচিত।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:২৫

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: নিজের ভালো নাকি পাগলেও বোঝে, আর এদের কাজ দেখেন?

৪| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৩৫

তোমোদাচি বলেছেন: কেন্দ দেয় রাজ্যের দোষ আর রাজ্য দেয় কেন্দ্রের!
এসব ইন্ডিয়ার চালাকী।

আমাদের নেত্রীর এই চালাকী ধরার ক্ষমতা নেই!
উনি দেশের মানুষের চেয়ে ইন্ডিয়ান দাদাদের বেশী বিশ্বাস করেন!

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:২৮

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: তোমোদাচি ভাই ইন্ডিয়ানদের আমি হাড়ে মাংসে ভালো করেই চিনি। এদের সবচেয়ে ভালোটারেও আপনি নির্দিধায় শুয়রের বাচ্চা ক্যাটাগরীতে ফেলতে পারবেন।

৫| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৪৩

ভাঙ্গাচুরা যন্ত্রপাতি বলেছেন: ইন্ডিয়ার এইসব বালছাল দেখতে দেখতে অতিষ্ঠ। হারামজাদারা এক নাম্বারের ধাড়িবাজ। কেন্দ্র তিস্তা চুক্তি করতে রাজি, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য রাজী না, তাই তিস্তা চুক্তি হয় নাই। আবার ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ দিতে রাজী, কেন্দ্র বিদ্যুৎ দিতে রাজী না, তাই বিদ্যুৎ নাই। এই বালের ভন্ডামী কিসের জন্য?

এইসব রাজ্য লেভেলে আমাদের সরকার যায় কেন কথা বলতে? সরকার কথা বলবে শুধু কেন্দ্রের সাথে। কোন রাজ্য কি করলো তা দিয়া আমরা কি করব? বালের আটি বানাব?

বহুত দিছি ভারতকে। উজার করেই দিছি। অনেক ঋণ শোধ করেছি ৭১ এর। আর নয়। এখন এইসব বন্ধ করা দরকার।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৫৪

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৬| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:২২

তিক্তভাষী বলেছেন: ভাঙ্গাচুরা যন্ত্রপাতি বলেছেন: "কেন্দ্র তিস্তা চুক্তি করতে রাজি, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য রাজী না, তাই তিস্তা চুক্তি হয় নাই। আবার ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ দিতে রাজী, কেন্দ্র বিদ্যুৎ দিতে রাজী না, তাই বিদ্যুৎ নাই।"

এরপর থেকে ভারতীয়দের বিশ্বাস করা ঠিক হবে না।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৬

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৭| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:২৯

প্রকৌশলী মোঃ জুলফিকার আলী জুয়েল বলেছেন: @বিভ্রান্তকারী: আপনি আসলেই বিভ্রান্তকারী। তাই আপনার জন্য এই লিংক টা দিলাম

বিডিনিউজ২৪

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৭

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: আর বলেন না, এইসব নব্য আওয়ামী কুকুর গুলার কাজই অন্যরকম, এদের মানুষের পর্যায়ে ঠিক ফেলা ্যায় না।

৮| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৪০

আছিমভ বলেছেন: @বিভ্রান্তকারী--- মুক্তমনার অভিজিৎ...শিবশেনাদের শিস্য

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৮

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: জানা ছিলো না, ধন্যবাদ জানানোর জন্য, এদেরকে ঠিকই খুজে বের করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.