| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক
হাল ছেড়ে আজ বসে আছি একা, ছুটিনে কাহারও পিছুতে, মন নাহি মোর কিছুতে, নাই কিছুতে
কমেন্ট ব্যান, তাই কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। এত গুলা মানুষ মারা গেলো, সহ্য করতে পারছি না, আবার কিছু করতেও পারছিনা। আফসোস
হঠাৎ একটা কথা মনে পড়লো।
থারমাল ইমাজিং ডিভাইস কি কোনো কাজে লাগতে পারে জীবিত মানুষকে খুজে বের করতে?
আমার জানা নেই, কেউ যদি জানেন তবে শেয়ার করতে পারেন।
আরেকটা কথা, কিছু কাঠের লগ নিয়ে যাওয়া দরকার, এটা কংক্রিট কেটে বানানো সুরন্গের দেয়াল ঠেস দেবার জন্য, যেনো চাপা না পড়ে, যারা উদ্ধার কাজ করছেন তাদেরকে দয়া করে এটা জানান।
উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সাবাইকে আমার শ্রদ্ধা আর স্যালুট।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৫৮
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: আমারও জানা নেই, তবে ইউজ করতে পারলে ভালো হোতো মনে হয়।
ছোট ছোট গর্ত করে বিভিন্ন সেকশন চেক করে প্রায়োরিটি বেসিসে খনন চালানো ্যেতো।
২|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৫৫
আহ্নিক অনমিত্র বলেছেন: না কাজ করে। দেয়ালের ভিতরেও করে।
আর নেই তো কি হয়েছে, এতক্ষণে বাইরে আবেদন জানানো হলে নিজেরা এসে দিয়ে যেত।
কিন্তু তারা নিজেরা সাহায্য চাবেন না।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:০০
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: এক্সক্লুশান পদ্ধতিতে আমার মনে হয় খনন করা সহজ হোতো
৩|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৫৭
ম্যাভেরিক বলেছেন: হ্যাঁ, কাজে লাগতে পারে। মানুষের শরীরের তাপমাত্রা ডিটেক্ট করে মানুষের উপস্থিতি নিরূপণ করতে পারে এ ধরণের ক্যামেরা।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:০১
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: আমার তেমন কোনো ধারণা নেই, মুভিতে কিছু কিছু একশন দেখা, তাই মাথায় এলো।
৪|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:০৯
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আছে হয়ত, কিন্তু সবই খেলনা
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:১৩
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: অনলাইনে দেখলাম সাধারণটার দাম ৪০০০ ডলারের মত, অবশ্য কাস্টমাইজডটা দরকার মনে হয়, এক্সপার্টও দরকার চালানোর জন্য।
আল্লাহই ভালো জানেন কি হবে। মানুষ গুলোর জন্যই খারাপ লাগছে।
৫|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:১০
অরন্য জীবন বলেছেন: ইনফ্রারেড থার্মোমিটার নামে একটা জিনিষ আছে। বিভিন্ন ফ্যাক্টরীতে ব্যাবহার করে মেশিনের টেম্পারেচার জানার জন্য। মানুষের বডিতেও কাজ করে। দুর থেকেই এবং দেয়াল ভেদ করেও কাজ করে।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:১৬
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: থারমাল ইমাজিং ডিভাইস, এটা মনে হয়, স্ক্যান করে টেমপারেচারের ডিফারেন্স থেকে ইমেজ তৈরি করে মনিটরে শো করে।
৬|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:৪৪
ইসপাত কঠিন বলেছেন: নেই। এটি অনেক দামী। কেনার সাধ্য হয়নি এখনো।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:৫১
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: কত দামী, ৩- ৪ হাজার, বা ১০০ হাজার ডলার।
এতো টাকা খরচ হয়,এটা পারবে না, এটা কোনো অজুহাত হতে পারে না।
আমার যেটা মনে হয়, তা হোলো সরকারী ব্যবস্থাপনায় এমন কোনো লোক নেই যার এটা নিয়ে কোনো ধারণা আছে, কাজেই কিনবে কিভাবে।
৭|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ ভোর ৪:০৫
ইসপাত কঠিন বলেছেন: লেখক বলেছেন: কত দামী, ৩- ৪ হাজার, বা ১০০ হাজার ডলার।
এতো টাকা খরচ হয়,এটা পারবে না, এটা কোনো অজুহাত হতে পারে না।
আমার যেটা মনে হয়, তা হোলো সরকারী ব্যবস্থাপনায় এমন কোনো লোক নেই যার এটা নিয়ে কোনো ধারণা আছে, কাজেই কিনবে কিভাবে।
ভাই@ ট্যাংক বা এপিসিতে মনে হয় আছে এবং সেগুলো ভারী এবং পুরো ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেমের সাথে লিংকড। পদাতিক সৈনিকের ব্যাবহারের জন্য থার্মাল ইমেজ ইনটেনসিফাইয়ার অথবা ৪র্থ প্রজন্মের থার্মাল ইমেজ নাইট ভিশন গগলস নেই। আর ২য় প্রজন্মের নাইট ভিশন গগলসের দাম প্রতি পিস ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার কাছাকাছি। যেটা ইনফ্রা-রেড বেইজড। তাহলে থার্মাল এর দাম কত হতে পারে তা ভাবেন। আর এগুলো কেনার পয়সা কোথায় পাবো বলেন? হাজার ৬০ পদাতিক সৈন্যের জন্য ৩ লাখ ৯০ হাজার কে ৬০০০০ দিয়ে গুন করলে কি হবে বুঝতেই পারছেন। আর সেনাবাহিনীতে যা কেনা হয়, বাল্ক কেনা হয় যাতে অন্তত রনকৌশলগত সুবিধা পাওয়া যায়। সো, ১টা ২ টা কিনা হয় না
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ ভোর ৪:১২
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: ভাই আপনাকে ধন্যবাদ ইনফরমেশনের জন্য। আমার ধারণা ছিলো, এটলিস্ট কিছু কমান্ডো ইউনিটকে অন্তত এই ইকুইপমেন্ট দিয়ে সাজানো হয়েছে, মনে হয় ভুল। তাতে ৬০০০০ না কিনে, ১০০০ সৈন্যেকে সাজানো সহজ ছিলো, তাই নয় কি।
সেনাবাহীনি আমাদের গর্বের অংশ, তাই এদের থেকে প্রত্যাশাও বেশি।
৮|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:৩০
আহ্নিক অনমিত্র বলেছেন: কিনতে হত না, শুধু চাইলেই হত। পৃথিবীর কেউ সাহায্যের আবেদন করলে চুপ করে বসে থাকত না। মেশিন পাঠাত, এক্সপার্ট পাঠাত, সাথে আরও সাহায্য পাঠাত।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১:০৭
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: হ্যা তাই, চাইলেই হতো, যেমন সাহা্য্য গিয়েছিলো ব্রাজিলের খনি দূর্ঘটনায়। মাটিতে লিফট বসিয়ে অনেক লোককে উদ্ধার করা হয়েছিলো।
নাসা এই কাজটা করেছিলো।
৯|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৭
সাইবার অভিযত্রী বলেছেন: আহ্নিক অনমিত্র বলেছেন: কিনতে হত না, শুধু চাইলেই হত। পৃথিবীর কেউ সাহায্যের আবেদন করলে চুপ করে বসে থাকত না। মেশিন পাঠাত, এক্সপার্ট পাঠাত, সাথে আরও সাহায্য পাঠাত।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১:০৭
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: আহ্নিক অনমিত্রর সাথে একমত
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৫২
নষ্ট ছেলে বলেছেন: এইটা সম্ভবত অন্ধকারে কাজ করে। পুরু দেয়ালের ভিতরের ইমেজ নিতে পারে কিনা জানি না।