| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শিরোনাম হী ন কিছু লেখা
১২ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৩৯
আত্মশুদ্ধি কি?
অন্তরকে পবিত্র করে,দুনিয়া এবং দুনিয়ার মধ্যকার ভালোবাসা দূর করে আল্লাহর ভালোবাসা দিলে বসানোর নাম হলো আত্মশুদ্ধি।
মুজাহিদা,বা সাধনা কি?
দুনিয়াতে আমাদেরকে মুজাহিদা বা সাধনা করার জন্য পাঠানো হয়েছে,সাধনা করার সময় ততক্ষন যতক্ষন দুনিয়াতে জীবন আছে।যে যতবেশি সাধনা,কষ্ট,মুজাহিদা করবে সে ততবেশি ফল লাভ করবে।সুতরাং দুনিয়ার ভালোবাসা দূর করে দুনিয়ার মালিকের ভালোবাসা হৃদয়ে বসানোর জন্য যে কষ্ট করা হয়,তাকেই সাধনা বলে,
কবি বলেন,
আপনি নিজেকে এত সস্থা কেন বানিয়েছেন,
আপনাকে পাওয়ার সাধনা আরো বড় হোক।
এই কথার অর্থ হলো,খুব অল্প কিছু কাজ করলেই তাকে পাওয়া যায়,অথচ তার সন্তুষ্টি এবং ভালোবাসা এত বড় জিনিস যে,আরো বড় এবং কঠিন পথ রাখা উচিত ছিলো।
এক আশেক বলেন,
যদি আমি জানতাম,আগুনের সমুদ্র পারি দিয়ে তাকে পাওয়া যাবে,তাহলে আমি আগুনের সমুদ্রের মধ্যে লাফিয়ে পড়তাম।
আরেক আরিফ বলেন,
(রুমমেটের কারনে ভুলে গেলাম,মনোযোগ সরিয়ে দিয়েছিলো,মনে পরলে কমেন্ট লিখব)
মুশাহিদা কি?
মুজাহিদা বা সাধনার পরে মুশাহিদার হালত আসে।এটা এত বড় হালত যে, যার হাসিল হয়,তার প্রতি হিংসা হয়।
কেউ মুশাহিদার স্থরে না গিয়ে,মুশাহিদার অবস্থা লিখতে পারেনা।আমি কিভাবে লিখব?বুযুর্গদের কিতাবে যা পেয়েছি তাই লিখে দিচ্ছি।
মুশাহিদা হলো,সুক্ষ্ণ অনুভূতি,যা ক্বলবের মকামে পৌঁছালে হাসিল হয়।(আহা!!এই বিষয়টা খুবই নির্জন স্থানে বসে লেখার বিষয় ছিলো,কিন্তু রুমমেট দের উৎপাতের কারনে লিখতে পারলাম,মনের মধ্যে খুবই ব্যাথা এবং দুঃখ পেলাম।আমার অন্তরে সবসময় লেখার অবস্থা আসেনা,এখন এসেছিলো,কিন্তু রুমমেটদের উৎপাতে সব নষ্ট হয়ে গেলো।হৃদয়ের ব্যাথা হৃদয়েই থেকে গেলো।)
এইসমস্ত কথা নফস এবং শয়তানের দুশমন!
লেখার সময় রুমমেটরা এদিক সেদিকের কথা বলতেছিলো,আমাকে ডাকতেছিলো মাঝে মধ্যে,এজন্য লিখতে পারলামনা,হৃদয়ের ব্যাথা হৃদয়েই থেকে গেলো।
২. ১২ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:২৬০
যা হোক,এখন একটু নিরিবিলি আছি,কিন্তু মন থেকে আত্মশুদ্ধি বিষয়ক অনেক দামি দামি কথা উধাও হয়ে গেছে।এলোপাথাড়ি কিছু নিচে লিখে দিচ্ছিি,
মুশাহিদা,
যতবেশি মুজাহিদা করবে,ততবেশি মুশাহিদা হবে,
মুশহিদা হলো দুনিয়াতেই তাকে একপ্রকার দেখা,
এই দেখা চর্ম চক্ষুতে নয় বরং অন্তরের চক্ষুতে,
মুশাহিদা হলে,হালতটা ঠিক এমন হবে,
যেদিকে ফিরাই আঁখি, সেদিকে তোমায় দেখি,
কুরআনের ভাষায়,আইনামা তুআল্লু,ফাছাম্মা ওয়াজহুল্লাহ
এটা অন্তরের উঁচু পর্যায়ের একটি অবস্তা,এখানে শাহেদের মনোযোগ স্থায়ী হয়ে যায়।এখানেও শয়তানের ধোঁকা থেকে নিশ্চিত হওয়া ঠিক নয়,কারন শয়তান এই অবস্থায় ধোঁকা দিতে পারে।প্রাথমিক সময়ে বিদ্যুতের মতো ক্ষনিকের জন্য মুশাহিদার হালত অন্তরে আসে,সাধনা মুজাহাদা অব্যহত রাখলে মুশাহিদা অন্তরে স্থায়ী হযে যায়।
অন্তর কি?
অন্তর হলো একটি খোলা যুদ্ধের ময়দান,যেখানে,নফস এবং শয়তানের সাথে বিবেকের যুদ্ধ সদা চলতে থাকে, একে ওপেন ওয়্যার বলে।এই যুদ্ধ রুহকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়।সবাই চায় রুহকে নিজের করে নিতে।রুহ একটি মুক্তার মতো জিনিস,বরং তার থেকেও অনেক দামি।
রুহকে কেন্দ্র করে বিবেকের সাথে নফস এবং শয়তানের যে যুদ্ধ হয়,এটাকে জিহাদে আকবর বলা হয়।
৩. ১২ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:২৭০
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আমার "অনন্ত প্রেম" বইটি সম্পূর্ণ হলে,আমার আর্কাইভে আপলোড করার নিয়ত আছে,আগ্রহী পাঠকরা এখান থেকে বইটি ডাউনলোড করতে পারবেন।অনন্ত প্রেম হলো একটি কাব্যগ্রন্থ যা এখোনো সম্পূর্ণ হয়নি,এর জন্য যেই সাধনা করা দরকার তার কিছুই করতে পারিনি,এজন্য অনেক সময় লাগবে বলে মনে হয়।যাহোক দোয়া করবেন যেন আমি বইটি উত্তমভাবে বরকতের সহিত সম্পন্ন করতে পারি,
৫. ১২ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:০১০
আমার "অনন্ত প্রেম" বইটি সম্পূর্ণ হলে,আমার আর্কাইভে আপলোড করার নিয়ত আছে,আগ্রহী পাঠকরা এখান থেকে বইটি ডাউনলোড করতে পারবেন।অনন্ত প্রেম হলো একটি কাব্যগ্রন্থ যা এখোনো সম্পূর্ণ হয়নি,এর জন্য যেই সাধনা করা দরকার তার কিছুই করতে পারিনি,এজন্য অনেক সময় লাগবে বলে মনে হয়।যাহোক দোয়া করবেন যেন আমি বইটি উত্তমভাবে বরকতের সহিত সম্পন্ন করতে পারি,
৬. ২২ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১৪
মন্তব্য সমূহ:
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মোহাবিষ্ট হয়ে পাঠ করলাম লেখাটি । যে কথা বলতে হৃদয় ব্যকুল , তাকে আটকাটে রূম মেটেরা করেছে ভুল ।
যাহোক লেখাটি যেন একজন অনুসন্ধানী আত্মার অন্তর্গত যাত্রার এক গভীর স্বীকারোক্তি যেখানে দুনিয়ার মোহ
ত্যাগ করে অন্তরের পরিশুদ্ধি ও পরম প্রিয়ের সন্ধানই মূল লক্ষ্য হয়ে উঠেছে। আমার দৃষ্টিতে এটি শুধু একটি
বর্ণনা নয়, বরং এক ধরনের আত্মার ডায়েরি, যেখানে সাধনা, মুজাহিদা এবং মুহাসিবার স্তরগুলো ধীরে ধীরে
উন্মোচিত হয়েছে।
প্রথমেই আধ্যাত্মিকতা র যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত সরল কিন্তু গভীর দুনিয়ার ভালোবাসা থেকে মুক্ত
হয়ে আল্লাহর ভালোবাসা হৃদয়ে প্রতিষ্ঠা করা। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লক্ষণীয় আপনি দুনিয়াকে অস্বীকার
করেননি, বরং দুনিয়ার অতিরিক্ত আসক্তি থেকে মুক্তির কথা বলেছেন। এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটাই প্রকৃত আধ্যাত্মিকতার
মর্ম।
মুজাহিদা বা সাধনা অংশে জীবনের একটি কঠিন বাস্তবতা উঠে এসেছে । এই পথ সহজ নয়। যতদিন জীবন আছে,
ততদিন সংগ্রাম আছে। পোস্টের লেখার ভাষায় বোঝা যায়, সাধনা কোনো বাহ্যিক কাজ নয় এটি এক অন্তর্গত
যুদ্ধ,নিজের নফস, ইচ্ছা ও দুর্বলতার বিরুদ্ধে অবিরাম লড়াই। লেকাটির কথাগুলি এই সত্যকে আরও স্পষ্ট করেছে,
প্রিয়তমকে পাওয়া সহজ নয়, বরং তার জন্য নিজের সত্তাকে ভেঙে গড়তে হয়।
এরপর যে উপলব্ধি তুলে ধরা হয়েছে খুব অল্প কিছু কাজ করলেই তাকে পাওয়া যায় এখানে এক গভীর আক্ষেপ
ও আত্মসমালোচনা লুকিয়ে আছে। মানুষ জানে কী করতে হবে, তবুও করে না। এই দ্বৈত অবস্থাই মানুষের সবচেয়ে
বড় ট্র্যাজেডি। এই অংশটি ামাকে নিজের ভেতরে তাকাতেও বাধ্য করে।
আরিফদের উক্তিগুলো লেখাটিকে এক উচ্চতর স্তরে নিয়ে গেছে। বিশেষ করে আগুনের সমুদ্র এর উপমা, এটি প্রেমের
তীব্রতা ও আত্মবিসর্জনের প্রতীক। সত্যিকার ভালোবাসা কখনো আরামদায়ক নয়; তা জ্বালায়, পুড়ায়, কিন্তু সেই
পুড়েই মানুষ শুদ্ধ হয়।
মুশাহিদা অংশে এসে লেখাটি যেন এক নীরব বিস্ময়ে থেমে যায়। এখানে ভাষা প্রায় অক্ষম হয়ে পড়ে। লেখাটিতে
স্বীকার করা হয়েছে এই অবস্থাকে শব্দে প্রকাশ করা যায় না। এটি অনুভবের বিষয়, উপলব্ধির বিষয়। এই অংশের
আন্তরিকতা খুব স্পষ্ট কোনো কৃত্রিমতা নেই, বরং এক ধরনের অসহায় সৌন্দর্য আছে, যেখানে হৃদয়ের কথা ভাষার
সীমা অতিক্রম করতে চায়।
লেখাটিতে কোনো দার্শনিক জটিলতা নেই, কিন্তু আছে গভীর সত্য। এটি শুধু শিক্ষা দেয় না, বরং ধীরে ধীরে
তাকে ভাবতে শেখায়। আমার মত একজন সাধারন পাঠকের দৃষ্টিতেও বলা যায়;
এই লেখা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আধ্যাত্মিকতা কোনো তত্ত্ব নয়, এটি একটি পথ;
মুজাহিদা কোনো শব্দ নয়, এটি একটি সংগ্রাম;
আর মুশাহিদা কোনো বর্ণনা নয়, এটি একটি নীরব সাক্ষাৎ।
এই লেখাটি তাই পড়া শেষ হয় না বরং হৃদয়ের ভেতর থেকে তার যাত্রা শুরু হয়।
আর এই গভীর উপলব্দি হতেই লিখে গেলাম একটি কবিতা :-
অন্তরের পথিক আমি
দুনিয়ার রঙিন মেলা ফেলে
নীরব এক পথে হাঁটি আমি
বুকের ভেতর জাগে এক ডাক
ফিরে আয়, হে পথভ্রষ্ট প্রাণী।
আলো নয়, খুঁজি আলোর উৎস
শব্দ নয়, খুঁজি নীরব ভাষা
ভালোবাসার ভিড়ে হারিয়ে গিয়ে
খুঁজি এক অনন্ত ভালোবাসা।
নিজের সাথেই যুদ্ধ করি
নফসের সাথে প্রতিদিন লড়াই
হাসির আড়ালে কান্না লুকিয়ে
আত্মার দরজায় কড়া নাড়াই।
কে বলে পথটি সহজ খুব?
আগুনের সাগর পাড়ি দিতে হয়
প্রেম যদি সত্যি জাগে অন্তরে
নিজেকেই তখন হারাতে হয়।
তবুও জানি এক ফোঁটা অশ্রু
একটি নিঃশ্বাস, একটি ডাক
খুলে দিতে পারে সেই দুয়ার
যেখানে নেই কোনো ফাঁক।
মুহূর্ত আসে সব থেমে যায়
শব্দ হারায়, থাকে শুধু অনুভব
সেই নিঃশব্দ সাক্ষাতে আমি
হারাই, আবার পাই নিজস্ব রূপ।
এ পথের শেষ কোথায় জানি না
তবু হেঁটে যাই নিরবধি
কারণ জানি এই হারানোর মাঝেই
লুকিয়ে আছে চির অর্জন ধনটি।
ঈদ শুভেচ্ছা রইল
২২ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭১
লেখক বলেছেন: ঈদ মোবারক।এম এ আলী ভাই।মুজাহাদা মুশাহিদা,ফানাফিল্লাহ,বাকাবিল্লাহ,অথবা আউলিয়াদের জীবনী নিয়ে আপনি পোস্ট দিলে,সেখানে আমি এসব বিষয় আলোচনার সুযোগ পাবো,যতটুকু জানি,তাই আপনার নিকট থেকে পোস্ট কামনা করছি।ধন্যবাদ সুন্দর মন্ত্যব্য করার জন্য অনুপ্রাণিত হলাম
৭. ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩০
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: জীবনকে আমি সঠিক পথে চালাতে চাই,
জীবনের অর্থ সঠিক পথে লুকায়িত আছে।
এই পথ যদি সত্য না হয়,তাহলে কোন পথ সত্য?
হে বিবেকবান,প্রবৃত্তির অনুসরন সত্য হয় কিভাবে?
আমি সঠিক পথ খুঁজতে চেয়েছি,এজন্য সাধনা করেছি।
আমার লেখা প্রত্যেক সত্যসন্ধানির জন্য রুহের খোরাক (বানিয়ে দিন,আয় আল্লাহ)
আয় পরোয়ার,আমার লেখায় নূর দান করুন,
যেন সেই নূরের আলোয় সবাই আলোকিত হয়।
আয় আল্লাহ, আমাকে আর আমার নিকটবর্তী দূরবর্তী প্রিয়জনদেরেক,যাবতীয় অনিষ্ঠতা থেকে রক্ষা করুন।
আপনার সন্তুষ্ঠি এবং ভালোবাসা দিয়ে আমাদের হৃদয়কে সজীব সতেজ করুন।
আমাকে আমার আব্বা আম্মাকে আমার ছোট ভাই হাবিবুর রহমানকে আমার বোন তাহমিনা এবং তার পরিবারকে আমার আত্মীয়সজনকে আমার সর্বাধিক প্রিয় ব্লগার নজসু কে এবং ড.এম এ আলী ভাইকে এবং সমস্ত মুমিন মুসলমাদেরকে মাফ করে দিন,দুনিয়া আখিরাতের যাবতীয় কল্যানসমূহ দান করুন।
আর আমার দাদা দাদি নানা নানিকে মাফ করে দিন,তারা কবরের মধ্যে শুয়ে আছে।নিশ্চই আপনি দয়ালুদের মধ্যে সর্বাধিক দয়ালু।আপনার দয়া সবকিছুই বেষ্ঠন করে আছে।আয় পরোয়াদীগার, আয় আল্লাহ দোয়াখানি কবুল করুন।সল্লাল্লাহু আলা সায়্যিদিনা রসূলিহিল কারীম।
৮. ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬০
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আল্লাহুম্মা সল্লি আলা সায়্যিদিনা হাবিবানা মুহাম্মাদি উঁ ওয়া আলা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদ
৯. ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪০
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: শের ০১
আমার হৃদয়কে নূরের আলোয় আলোকিত করুন,
আমার হৃদয়কে ভালোবাসায় পরিপূর্ণ করুন।
শের ০২
আমাকে আপনার থেকে আধ্যাতিক উনস দান করুন,
পুরো পৃথিবীকে নূর এবং উনস দিয়ে ভরপূর করুন।আয় আল্লাহ।
শের ০৩
অন্তর থেকে সন্দেহ সংশয় দূর করে দিন,
মুনাফেকি থেকে আমাদিগকে মুক্ত করুন।
©somewhere in net ltd.