নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আত্মশুদ্ধির অভিযান এক দুর্দান্ত অভিযান।ইহা এক মহাসাধনা

সুলাইমান হোসেন

আমাদের কাজ শুধু আমল করতে থাকা

সুলাইমান হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

অন্তরের বাগান;মারিফতের সবুজ বাগানে বিচরন ০১১

১৭ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৯

(পূর্বের পর্বের পর থেকে,পূর্বের পর্ব গুলো পড়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো)

৩।হিংসার পরিচয় এবং প্রতিকার।

পরিচয়:হিংসা নফসানি বড় রোগ গুলোর একটি।কারো অনুগ্রহ এবং নেয়ামত দেখে অন্তরে জ্বলার নাম হিংসা।হিংসা শয়তানের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার গুলোর একটি।

ভালোবাসার মানুষ অথবা বন্ধুর প্রতিও কি হিংসা হিংসা হতে পারে?
=যদি কারো প্রতি নফসানি বা প্রবৃত্তির কারনে ভালোবাসা থাকে,তাহলে তার প্রতি হিংসা হতে পারে,কিন্তু হাকিকি প্রেম বা আল্লাহর জন্য পারস্পপারিক ভালোবাসার মধ্যে কোনো হিংসা হতে পারেনা।

হিংসা দূর করার জ্ঞানমূলক প্রতিষেধক।
সূরা ফালাক সকাল বিকাল পাঠ করলে ইনশা আল্লাহ হিংসা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
হিংসা দূর করার জন্য এভাবে মুরাকাবা করা যেতে পারে,

"মানুষ মূলত সকলেই অভাবী।এজন্যই মানুুষের অনেককিছুর প্রয়োজন রয়েছে।যার কোনোকিছুর প্রয়োজন নেই সেই শুধু অভাবমুক্ত।তাছাড়া দুনিয়াবি কোনো নেয়ামত কেউ প্রাপ্ত হলে তার প্রতি হিংসা করা উচিত নয়।কারন আখিরাতের নেয়ামতই প্রকৃত নেয়ামত।সেই নেয়ামত অর্জনের পথ আমার জন্য খোলা রয়েছে।আমি ইচ্ছা করলে প্রতিযোগীতার মাধ্যেমে অনেক এগিয়ে যেতে পারি আখিরাতের নেয়ামতে।তাছাড়া আমাদের সকলেরই মৃত্যু হবে,আমারও মৃত্যু হবে যার প্রতি হিংসা করি তারও মৃত্যু হবে একশত বছরের ভিতরেই।একশত বছর তো খুব কম সময় ই।যেভাবেই হোক একশত বছর চলে আসবে।আমি আখিরাতের নেয়ামত ধরি,দুনিয়াতে নেয়ামত নিকৃষ্ট রা এবং কাফেররাও তো পায়।আরো বেশি পায়।যদি দুনিয়ার কোনো দাম মাওলার কাছে থাকত,তাহলে কাফেররা কেন নেয়ামত পাবে।
" কিতাবে বর্নিত আছে,পুরো দুনিয়ার দাম মাছির ডানা সমানও নয়"
"আরো বর্নিত আছে, দুই রাকাত নামাজের দাম দুনিয়ার সবকিছুর থেকেও বেশি।"

সুতরাং দুনিয়াবি কোনো বস্তুর কারনে হিংসা করা বোকামি।প্রকৃত হিংসা তো তার প্রতিই করা যাইতে পারে,যে ব্যাক্তি নামাজ পরে,সাধনা করে,জঙ্গলে চলে যায় কিছুদিনের জন্য আত্মশুদ্ধি এবং আধ্যতিক জ্ঞান অর্জনের জন্য,যেমন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হেরা গুহায় ধ্যানে মগ্ন থাকতেন।এমন কাজ যে করে তার প্রতিই হিংসা করা জায়েজ।ছুনিয়াবি ছাই ছাতার কারনে হিংসা করা নিকৃষ্ট আচরন,এবং লজ্জাজনক।

তাছাড়া যে ব্যাক্তি দুনিয়ার কোনো নেয়ামত পেয়েছে,তার প্রতি দয়া,এবং ভালোবাসা প্রদর্শন করবে।তার জন্য দোয়া করবে।মাশাআল্লাহ বলবে।

তোমাকে একদিক দিয়ে নেয়ামত না দিলেও,অন্যদিক দিয়ে পুষিয়ে দিতে পারেন।তাছাড়া কেউ কোনো নেয়ামত প্রাপ্ত হলে,সে আরো অনেক নেয়ামত থেকে বঞ্চিত ও রয়েছে।এখন তুমি হিংসা করছো এবং চাচ্ছ তার এই নেয়ামমও না থাকুক।এটা কেমন বিচার।এমন হলে তো বেচারা ফকির হয়ে যাবে।তারও নেয়ামতের দরকার এবং প্রয়োজন রয়েছে,কারন তার অভাব আছে পরিবার পরিজন আছে।

আরোও চিন্তা করবে,দুনিয়াতে যে যত বেশি নেয়ামতের মালিক ই হোক না কেন,মূলত তার অনেক অভাব ও রয়েছে,এবং আমরা সকলেই মৃত্যুর দারপ্রান্তে দাড়িয়ে আছি,যেকোনো সময় আমাদের মৃত্যু হবে।মৃত্যুর কথা বেশি বেশি চিন্তা করা এবং আলোচনা করার দ্বারা অন্তরের সব রোগ দূর হয়ে যায়।মৃত্যুর চিন্তা অন্তরের রোগের এক অমোঘ ঔষুদ।বর্তমানে মৃত্যুর চিন্তা করা সহজ,খবরে প্রতিদিনই দেখা যায়,কোথায় কে কিভাবে মারা গেলো।

এভাবে চিন্তা করলে হিংসা দূর হয়ে যেতে পারে।ইনশাআল্লাহ

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:০০

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: B-)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.