নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আত্মশুদ্ধির অভিযান এক দুর্দান্ত অভিযান।ইহা এক মহাসাধনা

সুলাইমান হোসেন

আমাদের কাজ শুধু আমল করতে থাকা

সুলাইমান হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

অন্তরের বাগান :মারিফতের সবুজ বাগানে বিচরণ ০১৮

২৪ শে মে, ২০২৬ ভোর ৬:২২


কৃপনতা র প্রতিকার

কৃপনতা নফসানি ভয়ংকর রোগগুলোর একটি।কৃপনতার বিপরিত হলো দানশীলতা।কৃপনতা নিন্দনীয়,কিন্তু মিতব্যায়ীতা পছন্দনীয় একটি গুন।
কৃপনতা মূলত কি?
কৃপনতা নফসের একটি রোগ,যা দানশীলতা,মেহমানদারী ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসা করাতে হয়,সমস্ত মানুষের নফসের মধ্যেই কৃপনতা রয়েছে।এটা মানব প্রবৃত্তির আদি রোগ।
কিভাবে বুজতে পারব নফসের ভিতর থেকে কৃপনতা দূর হয়েছে?
যখন নাকি সৎকাজে দান করতে,মন প্রফূল্য থাকবে,মনে কোনো প্রকার জটিলতা অথবা বাঁধা থাকবেনা,দান করে মনে কষ্ট লাগবেনা,বরং আরো ভালো লাগবে তখন বুঝতে পারবে কৃপনতা রোগ অন্তর থেকে দূর হয়েছে।
কিতাবে রয়েছে,দানশীল লোক আল্রাহর প্রিয়,মানুষের ও প্রিয়,জাহান্নাম থেকে বহুদূরে রয়েছে,আর কৃপন আল্লাহর নিকট অপছন্দনীয়,মানুষের নিকটেও অপছন্দনীয়, জাহান্নামের নিকটবর্তী রয়েছে।"
অথবা বর্ণনাটা এরকম ও হতে পারে,কৃপন ব্যাক্তি আল্লাহ থেকে দূরে,মানুষ থেকেও দূরে, জাহান্নামের নিকটবর্তী।
আর উদার,দানশীল ব্যাক্তি আল্লাহর নিকটবর্তী,মানুষের ও নিকটবর্তী জাহান্নাম থেকে দূরে।"

"অসৎকাজে খুব বেশি কৃপনতা করো,
ভালোকাজে গতি বাড়িয়ে দাও,
কারন প্রতিটা ভালোকাজই একেকটি সদকা।"
"যখন কারো বাসায় মেহমান আসে,
উক্ত মেহমান মেজবানকে নিষ্পাপ, মাসুম বানিয়ে দেয়।"
"মেহমানকে মূলত আল্লাহই প্রেরন করেন,
বান্দার উপর দয়া এবং রহমত সরূপ।"

"যে ব্যাক্তি মেহমানের হক,উত্তমরূপে আদায় করে,
সে বহু বৎসরের সাধনা,অল্পসময়ে সম্পন্ন করে।"

"মুমিন তার দানশীলতা দ্বারা এত দূরে চলে যায়,
যে জায়গা পৃথিবী থেকে অনেক আলোকবর্ষ দূরে।"

"দান করার পর যে ব্যাক্তি খোঁটা দেয়,
সে আসমান থেকে জমিনে পরে যায়।"

কেমন দানশীলতা উত্তম?
দান করার পূর্বে অন্তরের দিকে দেখবে,অন্তর কি বলে?যদি দান করার পর খোঁটা দেওয়ার আশংকা থাকে তাহলে দান করবেনা।অথবা গ্রহিতাকে মানষিক কোনো কষ্ট দেওয়ার আশংকা থাকলে দান না করে বিরত থাকাই উত্তম।তরিকতের সালিকরা অন্তরের বিশেষ অনুমতি বুঝতে পারলে দান করে থাকেন,অন্তরের অনুমতিকে আল্লাহর সাহায্য অথবা ইলহাম মনে করা যেতে পারে।এতে ক্ষতির আশংকা থাকেনা।এতে যে দান করা হয়,তা হয় অন্তর থেকে দান,এবং তা খুবই বরকতময় হয়।এজন্য নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লামের একজন সাহাবীর একমুষ্টি দান অন্যদের পাহাড় পরিমান দান করার চাইতেও বেশি সওয়াব,এবং ওজনদার।অনুরুপ আধ্যতিক সাধকদের অল্পদানও অন্যদের বেশি দানের থেকেও পাওয়ারফুল।

দান করার ক্ষেত্রেও অন্যন্য ক্ষেত্রের মতো মধ্যবর্তী পথ অবলম্বন করা উত্তম।মধ্যবর্তী পথ অবলম্বন করাই নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নত।
এর অর্থ হলো,হাত একেবারে খুলে দিবেনা,আবার একেবারে আবদ্ধ করেও রাখবেনা।কারন একেবারে খুলে দিলে,নিঃস হয়ে যেতে পারো,আর আবদ্ধ করে রাখলে কৃপন হয়ে যাবে।

রব্বানা তাক্বব্বাল মিন্না,ওয়াগফিরলানা,ওয়ার হামনা,আনতা খইরুর রহীমীন।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.