| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অন্তরের বাগান ২১
আজকে যা নিয়ে আলোচনা করবো,
১।গুনাহ করলে অন্তরে কালো দাগ পরে যায়।
২।কান, চক্ষু,অন্তর তিনটিকেই জিগ্যাসা করা হবে।(সূরা ইসরা —৩৬)
৩।বর্তমান জমানায় পুরোপুরি নির্ভেজাল অন্তর বানানো সম্ভব নয়,বিরল।যদি কেউ বানাতে পারে,সে অবশ্যই বিরল কাজ করেছে।
১।গুনাহ করলে অন্তরে কালো দাগ পরে যায়।
মানুষের অন্তর প্রাথমিক সময়ে সচ্ছ আয়নার মত থাকে।তার পর প্রবৃত্তির আক্রমনে যখন বিভিন্ন গুনাহ করতে থাকে,তখন তার অন্তরে একের পর এক দাগ পরতে থাকে।যদি অনুশোচনা করে, তওবা করে,এবং কষ্ট সহকারে নেক আমল করতে থাকে তাহলে অন্তরের কালো দাগ মিটে যেতে থাকে,এবং সেই জায়গায় নূর এবং নেকি দিয়ে পূর্ণ হতে থাকে।প্রতিটি শিশুর অন্তরই মারিফতে এলাহীর আলো গ্রহনের যোগ্য থাকে।কিন্তু শিশুটা বড় হওয়ার সাথে সাথে পাপকর্ম করতে থাকে এবং সেই যোগ্যতা হারাতে থাকে।কিন্তু যদি তওবা করে,নেক আমল করতে থাকে তাহলে গুনাহের কালো দাগ মিটে যেতে থাকে।
তাহলে শিশুরা মারিফত বুঝতে পারেনা কেন,এবং শিশুদের কেন মুশাহাদা হয়না?
=চমৎকার প্রশ্ন।আসলে শিশুদের মারিফত এবং মুশাহিদার প্রতি কোনো মনোযোগ এবং খেয়াল থাকেনা।তাদের শুধু খেলাধুলার প্রতিই খেয়াল থাকে।যেমন,রাত যদি না থাকতো তাহলে দিন বোঝা যেত না,অনুরুপ দুঃখ-কষ্ট না থাকলে সুখ শান্তি বোঝা যায়না।অনুরুপ বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্মুখীন না হলে অথবা হোঁচট না খেলে,কারো হুঁশ জ্ঞান ফিরেনা।শিশুরা একই অবস্থায় দীর্ঘদিন থাকে,অথবা পরিবর্তন ধীরে ধীরে হয়, এজন্য তারা মারিফত এবং মুশাহিদা বুজতে পারেনা।
কিন্তু শিশুদের প্রতি ছোটবেলা থেকে একটু যত্ন নিলে, তারা খুব কম সময়ে মারিফত এবং মুশাহিদা অর্জন করতে পারে।
যেমন-প্রতিপালন যদি এভাবে হয়—
১।শিশুদেরকে ছোটবেলা থেকেই কোনো হারাম খাদ্য দেওয়া যাবেনা।
২।সাত বছর বয়স থেকে নামাজ এবং জ্ঞান শিক্ষা দিতে হবে।
৩।নবী রসূল এবং আউলিয়াদের গল্প,(শিশুদের উপযোগী গল্প)শোনাতে হবে।
৪।অসৎ শিশুদের সাথে থাকতে দেওয়া যাবেনা।
৫।যিকিরের মজলিশে তাদেরকেও বসাতে হবে,যিকির করুক বা না করুক।
৬।সঠিক ইসলামি জ্ঞান শিক্ষা দিতে হবে।
এভাবে একটি শিশুকে গড়ে তুললে,সে অন্যদের থেকে খুব সহজেই মারিফত এবং মুশাহিদা অর্জন করতে পারে।এমন শিশুটার অনিচ্ছাতেই এগুলো অর্জন হতে পারে।অনেকের মুশাহিদা হয়,অথচ তার কোনো খবর থাকেনা।
©somewhere in net ltd.