নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যের মতামত কে শ্রদ্ধা করাই গনতন্ত্র । আর অন্যের মত কে বিবেচনা না করার কারনেই বিশ্বজুড়ে আজ সন্ত্রাশ ছড়িয়ে পড়ছে। সর্বোপরি মানব সমাজে ন্যায়বিচার না থাকাতেই আজ এত অশান্তি। তাই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠাই সবার লক্ষ হওয়া উচিত।

ইনসাফ১

ইনসাফ১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গ্যান আহরন

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২২

বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের মধ্যে অন্তর্গত মৌলিক কতগুলো ধ্যান ধারনা বা ভিন্ন বিশ্বাস থাকায় আজকে ইয়াহুদি খ্রিস্টানদের হাতে নির্যাতিত হওয়া ছাড়াও নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ-ফ্যসাদে জড়িত হচ্ছে। যদি এই সব ছোট খাট মত পার্থক্য দূর করা যায় তবে মুসলিম জাতি হবে দুনিয়াতে শীর্ষ জাতী । যা কুরআনে বলেই দেওয়া হয়েছে । আর এর এক মাত্র উপায় হলো কুরআন এবং হাদস থেকে সরাসরি গ্যান অর্জন করা।

আজ অনেকেই ইসলামী গ্যানের মুল উৎস কুরআন হাদিস থেকে গ্যান আহরন না করে নিজেদের মন গড়া ধর্মীয় রিতিনিতি কে ইসলাম হিসাবে চালিয়ে দিয়ে শুধু মাত্র ব্যাক্তি স্বার্থ, সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় খমতা হাসিলের জন্যই ইসলাম কে ব্যাবসা হিসাবে ব্যাবহার করছে। এই ধরনের ধর্ম ব্যাবসায়িদের তুলনায় সমাজের সত্যকারের ইসলাম প্রচারকারীদের উপায় উপকরণ খুবই কম। ফলে সাধারণ জনগনের মধ্যে ইসলামের সঠিক রুপ অনুপস্থিত থেকে যাচ্ছে । যার কারনে আজ ধর্মীয় শ্রেণী -সংগ্রাম শুরু হয়েছে । এমন কি
কোথাও যুদ্ধ্যের রুপ নিয়েছে । যেমন শিয়া সুন্নি দ্বন্দ, আহলে হাদিস- দেওবন্দি/কওমি দ্বন্দ , আবার এদের সাথে ইসলামি রাজনিতিবিদেরও দ্বন্দ । অথচ ইসলাম শান্তির ধর্ম তাই যদি হয় তাহলে প্রশ্ন জাগে মুসলমানদের মধ্যে এত অশান্তি কেন ? এর সঠিক উত্তর হল আমরা কুরআন হাদিস উনুযায়ি নিজেদের জীবন পরিচালনা করিনা বা আমরা সত্যিকারের মুসলিম না । যেমন শিয়া মতবাদ কখন সৃষ্টি হয়েছে দেখুন- আল্লাহর রসুলের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইসলামি আইন কানুন পরিবরতিত পরিবর্ধিত হয়েছে , পরিশেষে বিদায় হজ্জের দিন আল্লাহ্‌ রব্বুলআলামিন ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিলেন এবং একমাত্র জীবন বিধান হিসাবে মনোনীত করলেন। এখন এর পর ইসলামে আর কোন যোজন-বিয়জোন হবে না। যদি কেও করে তবে সেটা কে বিদায়াত বলা হয়েছে । আর যারা এই বিদায়াতি কাজ বা আমল করবে তারা জাহান্নামি হবে । এর দলিল হাদিসে রয়েছে। তাহলে শিয়ারা জে আমল করেন ইসলামের নামে এক কোথায় সেটা বিদায়াত কারন ঐ টা সংযোজন করা হয়েছে আল্লাহর রসুলের (সঃ) মৃত্যুর অনেক পরে । অতএব মুসলমান হিসাবে আপনি অটা করতে পারেন না , করলে আপনি বিদায়আতি হবেন। এবার আসুন - আপনি নিজেকে সুন্নি ,আহলে হাদিস, দেওবন্দি, কওমি,খারেজি্‌ হানাফি এই সব উপনামে ডাক্তে পারবেন না কারন কুরআনে ছোট ছোট দলে উপদলে বিভক্ত হতে নিষেধ করা হয়েছে। কুরআন আপনাকে শুধু মাত্র মুসলিম হিসাবে পরিচয় দিতে বলা হয়েছে। অত এব অন্য নামে পরিচয় দেওয়া আপনার জন্য একথায় সুন্নতের পরিপন্থি । তাহলে শিয়া, সুন্নি ,আহলে হাদিস, দেওবন্দি, কওমি,খারেজি্‌ হানাফি এই সব উপনাম আর ব্যাবহার করতে পারবেন না । তাছাড়া কওমিরা তাদের সনদে বলেছে তাদের সমস্থ রীতিনীতি দেওবন্দের আদরশ এবং রীতিনীতি উনুযায়ি পরিচালিত হবে। দেওবন্দ কে তৈরি করেছে ? ব্রিটিশরা তাদের রাজত্ব কালে দেওবন্দের এই রিতিনিতি তৈরি করেছে এবং আল্লাহর রসুলের (সঃ) মৃত্যুর বহু পরে । আর যেহেতু আল কুরআনে বলে দেওয়া হয়েছে তোমাদের জন্য একমাত্র আদর্শ হল রসুল (সঃ) এর আদর্শ সুতারন আপনি আর কাউকে বা কোন প্রতিষ্ঠান কে আদর্শ হিসাবে গ্রহন করা হারাম। কোন কওমি ভাই যদি দ্বিমত করেন তবে দয়াকরে দেওবন্দ শব্দ টা সনদ থেকে বাদ দিয়ে লিখবেন আল্লাহর রসুল (সঃ) এর আদর্শ উনুজায়ি পরিচালিত হবে। যদি এই কথা লিখতে কেও আপত্তি জানায় তবে বুঝে নিবেন এই টা অবশ্যই সুন্নতের পরিপন্থি । এবার আসেন যারা ইসলামি রাজনীতি করে তাদের কথায় - তাদের সংবিধানে বা সনদে যদি কোথাও কোন ব্যাক্তির বা প্রতিষ্ঠানের রিতিনিতির উনুসরনের কথা বলা হয় তবে এই রিতিনিতিও পরিত্যাজ্য হবে। এবার যারা অন্যান্য রাজনীতি করে তাদের কথা - যারা কোন ব্যাক্তির আদরশের কথা বলেন বা ধর্ম নিরপেক্ষ আদর্শের কথা বলে থাকে তবে সেটাও হারাম হবে কারন । ব্যাক্তি আদর্শ এবন ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ সবই ইসলাম বিবর্জিত। যদি কোন ভুল থাকে বা সংশোধন থাকে তবে উনুগ্রহ করে কম্মেন্ট বক্সে তুলে ধরুন। একজন মুসলিম হিসাবে ইসলামি বিধান উনুজায়ি সকল ধরনের বিচার ফয়সলা করা ফরজ। কেও যদি ইসলাম থেকে রাজনীতি কাজ কর্ম বাদ দেন তবে তা হবে কুফরি করা । অতএব রাজনীতি সমাজনিতি শিক্ষানিতি পেটনিতি সব নিতিই হতে হবে আল কুরআন এবন হাদিসের নিতি উনুজায়ি ।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:২৩

সনেট কবি বলেছেন: কিছুটা পড়লাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.