নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জুয়েল তাজিম

জুয়েল তাজিম

অলস হবেন, তো হতাশা পাবেন। শুরু করুন,শেষ হবেই। সামনে এগোতে থাকুন, পথ কমবেই।

জুয়েল তাজিম › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুসলিম বিদ্বেষী সুলতানা কামাল

০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৩:২৪

ভাস্কর্যটি অপসারন করে আনেক্স বিল্ডিঙের সামনে পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। হেফাজত ক্যান সবাই বুঝেছে তাতে যে লাউ সেই কদু হয়েছে !! শ্যাম ও আছে কূল ও রয়েছে !! মারহাবা।

মাঝখানে এসে সুলতানা কামাল তার মুর্খতার দারুন পরিচয় দিয়ে গেলেন নিউজ ২৪ টকশোতে । তিনি বলেছেন “ভাস্কর্য না থাকলে মসজিদও থাকার দরকার নেই, এটিও অপসারণ করা হোক”

এই মূর্খ মহিলা কি অপসারিত ভাস্কর্যটিকে পূজা করতেন। তারা মূর্তিকে ভাস্কর্যের সাথে মিলাবে না। কিন্তু মসজিদের সাথে ভাস্কর্যের সমতা চাইবে, নাউজুবিল্লাহ। এই মুর্খ মহিলার মাথায় গোবর ছাড়া আর কিছুই নেই মনে হয়।

কোর্টের মসজিদে মানুষ নামাজ আদায় করে থাকেন। অন্যদিকে এ ভাস্কর্যের কেউ পূজা করে না সেখানে।সুতরাং ভাস্কর্য না রাখলে মসজিদও থাকবে না দাবিটা সুলতানা কামাল এর গোবর ভর্তি মাথা থেকে ছাড়া আর কোথাও হতে আসতে পারে না !!! ঐ ভাস্কর্য যদি সুলতানা কামালের দেবী মূর্তি হয়ে থাকে তবে তিনি হাই কোর্ট এলাকায় একটি মন্দির স্থাপনের দাবি করার পাশাপাশি ঐ মন্দিরে ভাস্কর্যটি মূর্তি হিসেবে রাখার দাবি করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে সরাসরি সমজিদে আক্রমন করলেন অতচ এই ভাস্কর্যটি অপসারনে মসজিদের কোন ভুমিকা ছিল না।


সুলতানা কামালের এই মূর্খতার পরে আপনারা যারা ভাস্কর্যটি মূর্তি নয় স্রেফ ভাস্কর্য আর এটি ন্যায়বিচারের প্রতীক হেসেবে সুপ্রিম কোর্টে স্থাপন করা হয়েছে বলে আসছিলেন তাদের বক্তব্য ও মিথ্যা প্রমান হল। আমি বুঝিনা এত মুর্খতা নিয়ে কিভাবে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক হয়েছেন সুলতানা কামাল। এই মুহূর্তে দেশে কত বড় বড় ইস্যু রয়েছে কথা বলার, অতচ সব বিষয়ে মুখে কুলুপ দিয়েছেন আর কথা বলছেন সস্থা ভাস্কর্য অপসারনের অযুহাতে মসজিদ অপসারনের দাবিতে। আসলে সুলতানা কামালের উদ্যেশ্য ভাস্কর্য বা মূর্তি নয় তার আসল উদ্যেশ্য হচ্ছে ইসলামকে হেয় করা, যে কোন ভাবে এই দেশের শান্ত প্রিয় মুসলমানদের উস্কে দিয়ে যাতে আবার জঙ্গি জঙ্গি করে লাফাতে পারে সেই খেয়ালেই আছেন তিনি।কারন এ রকম উল্টা পাল্টা কথা বললে বাংলাদেশের শান্ত প্রিয় ধর্মপ্রাণ মানুষ রাস্তায় নামে। আর এই রাস্তায় নামাকে সুলতানা কামালরা নাম দেন জঙ্গি।

মন্তব্য ৩১ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩১) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৮

প্রথমকথা বলেছেন: সুলতানা কামাল ঠিক বলেননি, আর উনার মতো লোকের মুখে এই কথা সত্যি লজ্জাজনক। তার বক্তব্য প্রত্যাহার করা অনুরোধ করছি।

০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৩:৫০

জুয়েল তাজিম বলেছেন: তা তিনি করবেন বলে মনে হয় না। যদি করেন তো ভাল।

২| ০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশে বুদ্ধিমান মানুষ খুবই কম, সুলতানা কামাল, মুহিত, ড: আলী আকবর চৌধুরী, আপনি, এরা সবাই মোটামুটি কমবুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন।

০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৩:৫২

জুয়েল তাজিম বলেছেন: হা হা হা, খালি পেটে হাসতে পারছি না গাজী সাব। তবে আপনি ন্যাহ্য কথাই বলিছেন। আপনি চাইলে আজক মুহিতের বাজেট ট্যাঁ থামাতে পারতেন !!

৩| ০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:১১

অপরাজিত এয়ারবোর্ন বলেছেন: এরা হলো বুদ্ধিজীবি নামধারী উটকো ঝামেলা।

০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:১৮

জুয়েল তাজিম বলেছেন: রাষ্ট্র এদেরকে পুষে রাখবে, বিতাড়িত করবে না কখনো

৪| ০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:১৩

খরতাপ বলেছেন: সুলতানা কামালের স্বামীর নাম সুপ্রিয় চক্রবর্তী। বিবাহের পর তিনি হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করলেও বাবার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে নাম পরিবর্তন থেকে বিরত থাকেন।তিনি যখন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন, তখন তার নাম ঘোষণা করা হয় 'সুলতানা চক্রবর্তী'। তার একমাত্র কন্য দিয়া চক্রবর্তী একজন ধর্মনিষ্ঠ হিন্দু।

০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:১৯

জুয়েল তাজিম বলেছেন: হিন্দু বিয়ে করেছে জানতাম , কিন্তু ডিটেইল জানতাম না। ধন্যবাদ আপনাকে

৫| ০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:১৭

অপরাজিত এয়ারবোর্ন বলেছেন: ভালো একটা তথ্য দিলেন তো খরতাপ ভাই। একারনেই তার মন মানসিকতা এরকম ইসলামবিদ্বেষী।

৬| ০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


মুহিতের বাজেট হলো উনার ভাই ও বন্ধুদের ব্যবসা করার জন্য প্রজেক্ট সৃস্টি; উনি বাজেটের মানুষ নন, উনি সিলেটের জমিদার।

৭| ০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৮

চাঁদগাজী বলেছেন:

"সুলতানা কামালের এই মূর্খতার পরে আপনারা যারা ভাস্কর্যটি মূর্তি নয় স্রেফ ভাস্কর্য আর এটি ন্যায়বিচারের প্রতীক হেসেবে সুপ্রিম কোর্টে স্থাপন করা হয়েছে বলে আসছিলেন তাদের বক্তব্য ও মিথ্যা প্রমান হল। "

-স্যরি, আপনাকে কমবুদ্ধিমানদের লিস্টে নিয়েছি উপরের বাক্যের জন্য; সুলতানা কামাল কোনভাবে সমাজের সবার মুখপাত্র নন; উনারা এনজিও পেনজিও করে সামনে এসে গেছেন, না হয় গার্মেন্টস'এর কেরানী হতেন।

০২ রা জুন, ২০১৭ সকাল ৯:৪৭

জুয়েল তাজিম বলেছেন: সুলতানা কামাল অবশ্যই মূর্তি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। আমাকে কমবুদ্ধিমানদের লিস্টে নিয়েছেন সেটা আপনার উদারতা। আমাদের গার্মেন্টসেই ২০ হাজার লোক কাজ করি একসাথে , কিন্তু সুলতানা কামালের মত একজন কেরানী ও নেই আমাদের।

৮| ০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৮

দ্যা ফয়েজ ভাই বলেছেন: একটা কথাই বুঝি না,যেখানে ন্যায়বিচার নাই সেখানে ন্যায়বিচারের প্রতীক নিয়ে এত্ত লাফালাফি কেন???
১০%লোকের কারণে ক্ষুদ্র একটা ব্যাপার নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়।

০২ রা জুন, ২০১৭ সকাল ৯:৫৯

জুয়েল তাজিম বলেছেন: গ্রিক পুরানে বলে, আদিতে ছিল পরম শূন্যতা। কোন পুরুষের সংস্পর্শ ছাড়াই গেইয়া (পৃথিবী) গর্ভবতী হন, জন্ম নেন ইউরেনাস (আকাশ)। এবার ইউরেনাস তার জননীকে গর্ভবতী করেন। মাতা পুত্রের সঙ্গমে জন্ম নেন ১২ টাইটান। ৬ ভাই ৬ বোন। তাদের একজন থেমিস। থেমিসের পেটে ছয় সন্তান পয়দা করেছেন জিউস। দেবরাজ। জিউস রাজহাঁস সেজে স্পেনের রাণীকে রেপ করেছেন। শুধু রাণী নন, নারী হলেই তুষ্ট ছিলেন গ্রীক পুরানের বিগ বস জিউস। জিউসের বাপ ক্রনাস । ক্রনাস করেছিলেন কী, নিজের বাপের অণ্ডকোষ কেটে দিয়ে তাকে দেবরাজ পদ থেকে সরিয়ে দেন। একজন নাগরিক হিসেবে থেমিসের মূর্তি দেখতে চাইব সোনাগাছি বা দৌলতদিয়ার সেই প্রবেশ পথে। দেখলেই শক্তি বাড়বে। গ্রিক দেবতারা খালি করতেন আর করতেন। দেবতারা মানবী রেপ করেন, দেবিরা মানব শিকার করেন। ষাঁড়ের সাথে কী কী করেন! এই পৌরাণিক আখ্যান জানা থাকলে যৌনাঙ্গ নির্ভর গ্রিক পুরান নিয়ে কেন পাগলামো করলেন মৃণাল হক?

৯| ০১ লা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১১

নতুন নকিব বলেছেন:



খরতাপ,
হাটে হাড়ি ভেঙ্গে দিলেন তো!

ধন্যবাদ,
তাজিম, সুন্দর উপস্থাপনা।

ভাল থাকবেন।

১০| ০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ৮:৩৯

ঘুড্ডির পাইলট বলেছেন: ভাই এই সুলতানা কামালের একটা ঘটনা বলি। ব্লগারদের একটা সেবা কর্মসুচীতে বকশিস দাবী করে না পেয়ে খেপে খুপে এক টিভি চেনেল মিথ্যা একটি তিন পর্বের প্রতিবেদন করে।

পরিত্যাক্ত শিশুদের সরকার হেফাজতে চিকিৎসা ও খাদ্য দেওয়াকে তারা শিশু চুরি হিসাবে দেখায় ।

অই প্রতিবেদনে এই সুলতানা কামালও বক্তব্য দিছিলো । কতো বড় ননসেন্স সে ।

০২ রা জুন, ২০১৭ সকাল ১০:০২

জুয়েল তাজিম বলেছেন: জ্ঞান পাপী এরা।

১১| ০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ৯:১০

প্রশ্নবোধক (?) বলেছেন: সকলের কমেন্ট দেখে লগিন না করে পারলাম না। সম্ভবত যারা এটাকে স্থাপন করেছেন, তারা ভাল করেই জানতেন যে এটা নিয়ে তীব্র আন্দোলন হবে বা হৈচৈ হবে। হয়তো তাদের আশা পুরোপুরি মেটেনি। এটা স্রেফ ভাষ্কর্য হলে যাদুঘরেই বেশি শোভা পেত। তা না করে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদলতের সামনে স্থাপন করে বলা হচ্ছে যে, ইনিই হলেন ন্যায়বিচারের প্রতিক। এবং আস্তে আস্তে বৃহৎ জনগোষ্টী মুসলিমদের বিশ্বাস করতে হবে গ্রীক দেবীই হলেন ন্যায়বিচার।

একদম সত্য ছাড়া কারও ধর্মীয় বিষয়ে এলোমেলো বক্তব্য মিথ্যাচার, উ্দ্দেশ্যপ্রণদিত,এবং সুদুর পরিকল্পনাকৃত। এধরনের বিকৃত ব্যক্তিত্বদের সরাসরি দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় আনা উচিত।

সুলতানা কামাল ননসেন্স নন। উনি ভাল করেই জানেন কোন উদ্দেশ্যে কি বলছেন।

০২ রা জুন, ২০১৭ সকাল ১০:০০

জুয়েল তাজিম বলেছেন: গ্রিক পুরানে বলে, আদিতে ছিল পরম শূন্যতা। কোন পুরুষের সংস্পর্শ ছাড়াই গেইয়া (পৃথিবী) গর্ভবতী হন, জন্ম নেন ইউরেনাস (আকাশ)। এবার ইউরেনাস তার জননীকে গর্ভবতী করেন। মাতা পুত্রের সঙ্গমে জন্ম নেন ১২ টাইটান। ৬ ভাই ৬ বোন। তাদের একজন থেমিস। থেমিসের পেটে ছয় সন্তান পয়দা করেছেন জিউস। দেবরাজ। জিউস রাজহাঁস সেজে স্পেনের রাণীকে রেপ করেছেন। শুধু রাণী নন, নারী হলেই তুষ্ট ছিলেন গ্রীক পুরানের বিগ বস জিউস। জিউসের বাপ ক্রনাস । ক্রনাস করেছিলেন কী, নিজের বাপের অণ্ডকোষ কেটে দিয়ে তাকে দেবরাজ পদ থেকে সরিয়ে দেন। একজন নাগরিক হিসেবে থেমিসের মূর্তি দেখতে চাইব সোনাগাছি বা দৌলতদিয়ার সেই প্রবেশ পথে। দেখলেই শক্তি বাড়বে। গ্রিক দেবতারা খালি করতেন আর করতেন। দেবতারা মানবী রেপ করেন, দেবিরা মানব শিকার করেন। ষাঁড়ের সাথে কী কী করেন! এই পৌরাণিক আখ্যান জানা থাকলে যৌনাঙ্গ নির্ভর গ্রিক পুরান নিয়ে কেন পাগলামো করলেন মৃণাল হক?

১২| ০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ১১:০৫

ধ্রুবক আলো বলেছেন: এই মহিলা দেশের জন্য জাতির জন্য পৃথিবীর জন্য বিপজ্জনক।

১৩| ০২ রা জুন, ২০১৭ দুপুর ১২:২০

thissibrahim বলেছেন: সুলতানা কামাল চক্রবর্তী =p~

১৪| ০২ রা জুন, ২০১৭ দুপুর ২:২৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এরা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ।

১৫| ০২ রা জুন, ২০১৭ দুপুর ২:৩৬

এ আর ১৫ বলেছেন: সুলতানা কামাল কি প্রেক্ষিতে কি বলেছে সেটা নিচের ভিডিও লিংকে গেলেই বুজতে পারবেন । ভিডিওটির ১০ তম মিনিট থেকে এই প্রসংগে কথা উঠেছে যেখানে সাম্প্রদায়িক মুফতি দাবি করেছে আদালত প্রাঙ্গনে কোন ধর্মের কিছু থাকতে পারবে না , তখন সুলতানা কামাল বলেছে --- তাহলে আদালত প্রাঙ্গনে মসজিদ ও থাকতে পারবে না( কারন মসজিদ একটা ধর্মের কোন কিছু )।
এই ভিডিওতে মুফতি সাহেবের যে মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে তাতে তিনি বলতে চাচ্ছেন থেমিস দেবির মুর্তি একটা বিশেষ ধর্মের প্রতিক ( যদিও সে দাবি কেউ মানেনি সবাই বলেছেন ওটা একটা ভাষ্কর্য এবং ওটাকে কেউ পুজা করে না ) ,----- এই ধরনের প্রেক্ষাপটে যখন মি: মুফতি বলে বসেন আদালত চত্বরে কোন ধর্মের কোন কিছু থাকতে পারবে না তখন সুলতানা কামাল পালটা যুক্তি দেখান যদি আদালত প্রঙ্গনে কোন ধর্মের কোন কিছু থাকতে পারবে না তাহলে মসজিদ ও থাকতে পারবে না । ( এখানে উল্লেখ্য মুফতি সাহেব ভাষ্কর্যটা কে কোন ধর্মের কোন কিছু হিসাবে দাবি করেন । )
লিংক ------ LINK LINK LINK :) :) :)

এই ব্লগের লেখকের মতে মুফতি সাহেবের সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষী নহেন যদিও তিনি দাবি করেন আদালত প্রাঙ্গনে কোন ধর্মের কোন কিছু থাকতে পারবে না কিন্তু পাল্টা উত্তরে সুলতানা কামালের কমেন্টাটা প্রমাণ করে তিনি ইসলাম বিদ্বেষী । আদালতে যদি কোন ধর্মের কোন কিছু থাকতে না পারে ( মুফতি সাহেবের মতে ) তাহোলে তো তার দাবি অনুযায়ি আদালত প্রাঙ্গনে মসজিদ থাকতে পারেনা , মসজিদ কি কোন ধর্মের কোন কিছু না ?????? এই বিষয়টা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেবার জন্য একজনকে ওনারা ইসলাম বিদ্বাষী রুপে সার্টিফিকেট দেওয়া শুরু করেছেন !!!!!!!!

০৩ রা জুন, ২০১৭ সকাল ১০:২৬

জুয়েল তাজিম বলেছেন: ভিডিও টি আমি মনোযোগ দিয়ে দেখেছি।সুলতানা কামালকে নতুন ভাবে চেনার প্রয়োজন মনে করি না, ওনাকে সবাই চেনে।
সূরা ক্বাফিরুনে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন, লা কুম দ্বীনিকুম ওয়ালিয়াদিন। আল্লার একথাটি আল্লা বিশ্বাসীদের জন্য বিরাট শিক্ষা। ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদে এ আায়াতের কি প্রভাব আছে সেটা জ্ঞানী ব্যক্তিরা ভাল জানেন। সুপ্রিম কোর্টে ভাস্কর্য স্হাপন নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে। বিতর্ক সমালোচনায় কিছু কিছু অশ্লিষ শন্দ ও ভাষা ব্যবহার একজন মুসলমান হিসাবে আমাকে ব্যথিত ও লজ্জিত করেছে। এ সকল ভাষাবিদের কারনে ইসলামের শান্তির সুবাতাস প্রবাহিত হবে বলে আমি মনে করি না। । । সুলতানা কামাল একজন আইন বিশারদও বটে। তিনি এদেশের সাধারন মানুষের চেয়ে জ্ঞানের পাল্লায় অনেক উপরে। এদেশে মুসলিম, হিন্দু, খৃষ্টান,বৌদ্ধ সহ অনেক ধর্মের অনুসারী বসবাস করি। পৌরানিকতায় অনক ধর্মানুসারী আছেন এদেশে।
গ্রিকদেবীর কোন ধর্মসঅনুসারী এদেশে আছে বলে কখনই শুনি নি। সুলতানা কামাল এবং তার সাথে সহমত পোষনকারী অনেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে গ্রীক দেবীকে মিলিয়েছেন। এটা কিভাবে মেলে আমি বুঝি না। সুলতানা কামাল যেভাবে বলেছেন কি উদ্দেশ্যে বলেছেন সেটা প্রত্যেকে তার মতো ব্যাখা করবেন। যতক্ষন তিনি সুস্পষ্ট না করেন। আমার বিবেচনায় তিনি আজকে সকল ধর্মের সমানাধিকারের ভিত্তিতে মূর্তি পূনস্হাপনের পক্ষে। নচেৎ মসজিদ ইদগাহও থাকবে না। এ কথার দ্বারা তিনি ইচ্ছাকৃত বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন নচেৎ আমার ধারনায় তিনি যে মেধাবী উকিল সেটাকে ভুল প্রমান করেছেন। কারন সুলতানা কামাল আপনি জানেন বর্তমানের বাংলাদেশ কোন ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট নয়। বর্তমানে এখানে সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে ( কিছু কুচক্রীদের কারসাজী ছাড়া)। তাই বলে রাষ্ট্র সকল ধর্মকে সমান মর্যদা দেয় নি। বর্তমান বাংলাদেশে সংবিধান স্বীকৃত রাষ্টধর্ম একমাত্র ইসলাম। সংবিধান সর্বোচ্চ আইন। সংবিধান যেখানে একটি ধর্মকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে সেই আইন বলবৎ রেখে আপনি নিজের দাবী প্রচার ও প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতে যেয়ে সংবিধানিক আইন লংঘিত হয় কিনা সেটা ভেবে দেখবেন। আপনার কথার মাধ্যমে মুসলমাদের অনুভূতিতে আঘাত না করে সংবিধানিক আইনে ধর্ম নিরপেক্ষতা পূনস্হাপনের দাবী নিয়ে মাঠে নামে জনমত সৃষ্টির চেষ্টা করলে নিজের ইমেজটা বজায় থাকতো।গ্রীক দেবীর মূর্তি যিনি বানিয়েছেন এবং যারা এর সমর্থনে মাঠ গরম করছেন, তাদের অন্য কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নে তৎপর কিনা, সেটা সচেতনভাবে ভেবে দেখবেন সবাই। আমার বিশ্বাস থেকে আমি বলবো গ্রীকদেবী বাংগালী সংস্কৃতির অংশ নয়।

১৬| ০২ রা জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৪

নতুন নকিব বলেছেন:



অবশেষে এই ব্লগের একমাত্র মূর্তিপ্রিয় মহান মুফতীর(!) আগমন লক্ষ্য করছি!

শাক-পাতা, ত্যানা-কাথা সব কিছু পেচিয়ে তিনি মূর্তিকে জায়েজ করতে জীবনপাতেও রাজী!

১৭| ০২ রা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৮

জুয়েল তাজিম বলেছেন: সূরা ক্বাফিরুনে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন, লা কুম দ্বীনিকুম ওয়ালিয়াদিন। আল্লার একথাটি আল্লা বিশ্বাসীদের জন্য বিরাট শিক্ষা। ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদে এ আায়াতের কি প্রভাব আছে সেটা জ্ঞানী ব্যক্তিরা ভাল জানেন। সুপ্রিম কোর্টে ভাস্কর্য স্হাপন নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে। বিতর্ক সমালোচনায় কিছু কিছু অশ্লিষ শন্দ ও ভাষা ব্যবহার একজন মুসলমান হিসাবে আমাকে ব্যথিত ও লজ্জিত করেছে। এ সকল ভাষাবিদের কারনে ইসলামের শান্তির সুবাতাস প্রবাহিত হবে বলে আমি মনে করি না। । । সুলতানা কামাল একজন আইন বিশারদও বটে। তিনি এদেশের সাধারন মানুষের চেয়ে জ্ঞানের পাল্লায় অনেক উপরে। এদেশে মুসলিম, হিন্দু, খৃষ্টান,বৌদ্ধ সহ অনেক ধর্মের অনুসারী বসবাস করি। পৌরানিকতায় অনক ধর্মানুসারী আছেন এদেশে।
গ্রিকদেবীর কোন ধর্মসঅনুসারী এদেশে আছে বলে কখনই শুনি নি। সুলতানা কামাল এবং তার সাথে সহমত পোষনকারী অনেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে গ্রীক দেবীকে মিলিয়েছেন। এটা কিভাবে মেলে আমি বুঝি না। সুলতানা কামাল যেভাবে বলেছেন কি উদ্দেশ্যে বলেছেন সেটা প্রত্যেকে তার মতো ব্যাখা করবেন। যতক্ষন তিনি সুস্পষ্ট না করেন। আমার বিবেচনায় তিনি আজকে সকল ধর্মের সমানাধিকারের ভিত্তিতে মূর্তি পূনস্হাপনের পক্ষে। নচেৎ মসজিদ ইদগাহও থাকবে না। এ কথার দ্বারা তিনি ইচ্ছাকৃত বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন নচেৎ আমার ধারনায় তিনি যে মেধাবী উকিল সেটাকে ভুল প্রমান করেছেন। কারন সুলতানা কামাল আপনি জানেন বর্তমানের বাংলাদেশ কোন ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট নয়। বর্তমানে এখানে সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে ( কিছু কুচক্রীদের কারসাজী ছাড়া)। তাই বলে রাষ্ট্র সকল ধর্মকে সমান মর্যদা দেয় নি। বর্তমান বাংলাদেশে সংবিধান স্বীকৃত রাষ্টধর্ম একমাত্র ইসলাম। সংবিধান সর্বোচ্চ আইন। সংবিধান যেখানে একটি ধর্মকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে সেই আইন বলবৎ রেখে আপনি নিজের দাবী প্রচার ও প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতে যেয়ে সংবিধানিক আইন লংঘিত হয় কিনা সেটা ভেবে দেখবেন। আপনার কথার মাধ্যমে মুসলমাদের অনুভূতিতে আঘাত না করে সংবিধানিক আইনে ধর্ম নিরপেক্ষতা পূনস্হাপনের দাবী নিয়ে মাঠে নামে জনমত সৃষ্টির চেষ্টা করলে নিজের ইমেজটা বজায় থাকতো।গ্রীক দেবীর মূর্তি যিনি বানিয়েছেন এবং যারা এর সমর্থনে মাঠ গরম করছেন, তাদের অন্য কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নে তৎপর কিনা, সেটা সচেতনভাবে ভেবে দেখবেন সবাই। আমার বিশ্বাস থেকে আমি বলবো গ্রীকদেবী বাংগালী সংস্কৃতির অংশ নয়।

১৮| ০২ রা জুন, ২০১৭ রাত ৮:১৫

মো: নাজমুল ফরাজী বলেছেন: সব প্রমান হ‌য়ে গেল। কে কি চায়!

১৯| ০৩ রা জুন, ২০১৭ দুপুর ২:৪১

এ আর ১৫ বলেছেন: আপনি নিজে দাবি করেছেন সুলতানা কামাল নাকি ইসলাম বিদ্বাষী এবং সেটার পক্ষে কিছু কথা লিখেছেন যেটার সাথে সুলতানা কামালের বক্তব্যের কোন সম্পর্ক নেই । আপনি দাবি করেছেন আপনি নাকি মুল ভিডিওটি দেখেছেন কিন্তু আমার মনে হয় আপনি মুল ভিডিও না দেখে এই ব্লগ লিখেছেন । এবার দেখুন সুলতানা কামালের বক্তব্য নিচের লিংকে সেটা আপনারা সৃষ্ঠি করেছেন !!!!!!!

Sultana Kamal's explanation

০৩ রা জুন, ২০১৭ দুপুর ২:৫৬

জুয়েল তাজিম বলেছেন: তর্ক ছিল মুর্তি আর ভাস্কর্য নিয়ে, মুফতি সাহেব বলছিলেন মুর্তি আর সুলতানা কামাল বলেছেন ভাস্কর্য। ভাস্কর্য বা মুর্তি থাক বা না থাক সুলতানা কামাল কিভাবে বলেন যে মসজিদ থাকতে পারবে না। মুফতি সাহেব একজন মুসলমান হিসেবে অবশ্যই মুর্তি বা ভাস্কর্য থাকবে না বলবেন, সুলতানা কামাল যদি মুসলিম হয়ে থাকেন তবে তিনি কিভাবে মসজিদ থাকবে না বললেন। সুলতানা কামাল একজন মুসলিম বিদ্বেষী বলেই তিনি মসজিদ থাকতে পারবেনা বলতে পেরেছেন।

০৩ রা জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:০৯

জুয়েল তাজিম বলেছেন: * হেফাজত বলে নাই কোন মন্দিরে মূর্তি থাকতে পারবে না,
* হেফাজত বলে নাই পূজা মন্ডপের সকল মূর্তি গুড়িয়ে দিতে হবে,
* হেফাজত বলে নাই হিন্দুরা মূর্তি পূজা করতে পারবে না।
.
হেফাজত শুধু বলেছে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে গ্রিক দেবীর মূর্তি থাকতে পারবে না, কারণ সুপ্রিম কোর্ট কোন সম্প্রদায়ে নয়, এটা সকল জাতির, সকল সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠান।
.
কিন্তু তার জবাবে সুলতানা কামাল চক্রবর্তী বলেছেন, "মূর্তি - ভাস্কর্য না থাকলে, বাংলাদেশে মসজিদ থাকাও উচিত নয়।"
.
তাহলে বলুন, এখানে কে সাম্প্রদায়িক??? কে উস্কানিমূলক কথা বলছে??
.
মূর্তি যদি স্থাপন করতে চাও, তাহলে মন্দির বানিয়ে স্থাপন করো, তাতেও হেফাজতের আপত্তি থাকবে না, কিন্তু প্রকাশ্য স্থানে মূর্তি কেন??
.
আর হেফাজত তো কোন সম্প্রদায়ের পূজ্য মূর্তির বিরুদ্ধে বলেনি, বলেছে অপূজ্য মূর্তি বিরুদ্ধে, এর বিপরীতে সুলতানা চক্রবর্তী কেন মুসলিমদের প্রার্থনার স্থান মসজিদ উঠিয়ে দেওয়ার কথা বলবে??? এত বড় স্পর্ধা সে কোথায় পেল??

২০| ০৩ রা জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:১৬

এ আর ১৫ বলেছেন: আপনি মনে হয় ভিডিওতে বাংলায় বলা সুলতানা কামালের কথার অর্থ বুঝতে পারছেন না সে জন্য তার বক্তব্য লিখিত ভাবে দিলাম --
টকশোর আলোচনার প্রসঙ্গে সুলতানা কামাল বলেন, ‘‘সে দিনের টকশোতে হেফাজতের একজন ছিলেন। সেখানে প্রশ্ন উঠেছিল, সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় ভাস্কর্য থাকলে আপত্তিটা কিসের? তিনি (হেফাজতের প্রতিনিধি) বলেছিলেন, ‘এটা মূর্তি, ধর্মীয় স্থাপনা। কোর্ট এলাকায় কেন ধর্মীয় স্থাপনা থাকবে?’ এটি ছিল তার কথা। তখন তার জবাবে বলেছি, ‘আমিও আপনার কথায় একমত। আমিও মনে করি, কোর্ট এলাকায় কোনও ধর্মীয় স্থাপনা থাকা উচিত না। মূর্তি যেমন ধর্মীয় স্থাপনা, তেমনি মসজিদও। আপনার কথা অনুযায়ী সেখানে মসজিদও তো থাকা উচিত না। এটা আমি বলে ফেলেছি ঠিকই। কিন্তু তার এই কথার পরিপ্রেক্ষিতেই। কথাটা এভাবেই হয়েছে।’’
এবার আপনার প্রশ্ন ---
১) । মুফতি সাহেব একজন মুসলমান হিসেবে অবশ্যই মুর্তি বা ভাস্কর্য থাকবে না বলবেন,

জী মুফতি সাহেব শুধু মুর্তি ( যেটা তার মতে ধর্মীয় স্থাপনা ) নয় অন্য কোন ধর্মীয় স্থাপনা আদালতের চত্বরে থাকার বিরুধী , সুতরাং তিনি ধর্মীয় স্থাপনা মসজিদ আদালত প্রাঙ্গনে রাখার বিরুধী ।

২) সুলতানা কামাল যদি মুসলিম হয়ে থাকেন তবে তিনি কিভাবে মসজিদ থাকবে না বললেন

মুফতি সাহেব মুসলমান হয়ে যখন দাবি করলেন আদালত মুর্তি নামক ধর্মীয় স্থাপনা সহ অন্য কোন ধর্মীয় স্থাপনা থাকতে পারবে না তার মানে সেখানে মসজিদ নামক ধর্মীয় স্থাপনা ও থাকতে পারবে না তখন তার সাথে ঐক্য মত পোষন করে সুলতানা কামাল কি অন্যায় করলেন ??? আপনার প্রশ্ন করা উচিৎ ছিল মুফতি সাহেব কেন মুসলমান হয়ে ধর্মীয় স্থাপনা মুর্তি সহ মসজিদ সব ধরনের ধর্মীয় স্থাপনা উচ্ছেদ করতে চাচ্ছেন ।

৩) সুলতানা কামাল একজন মুসলিম বিদ্বেষী বলেই তিনি মসজিদ থাকতে পারবেনা বলতে পেরেছেন।

সুলতানা কামাল মুসলিম বিদ্বেষী কারন তিনি মুসলিম বিদ্বেষী মুফতির বক্তব্যের সাথে একমত হয়ে বলেছেন আদালত চত্বরে কোন ধর্মীয় স্থাপনা থাকতে পারবেনা । তারমানে আসল ইসলাম বিদ্বেষী মুফতি সাহেব কারন তিনি কোন ধর্মীয় স্থাপনা আদালত চত্বরে রাখার বিরুধী তার এই অভিপ্রায়ের সাথে যেহেতু সুলতানা কামাল একমত তাই তিনি ও ইসলাম বিদ্বেষী .

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.