নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জুয়েল তাজিম

জুয়েল তাজিম

অলস হবেন, তো হতাশা পাবেন। শুরু করুন,শেষ হবেই। সামনে এগোতে থাকুন, পথ কমবেই।

জুয়েল তাজিম › বিস্তারিত পোস্টঃ

পাহাড়ের নীরবতায় এক সিজদার ঠিকানা: গ্যাংটকের আঞ্জুমান ইসলাম মসজিদ

১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:১৮



পাহাড়ের শহর গ্যাংটক। চারদিকে সবুজ পাহাড়, মেঘের আনাগোনা, আঁকাবাঁকা রাস্তা আর দূরে নীলচে পাহাড়শ্রেণি—প্রকৃতি যেন এখানে প্রতিটি সকাল ও বিকেলকে আলাদা করে সাজিয়ে রাখে। ভারতের সিকিম রাজ্যের রাজধানী এই শহরটি যেমন পর্যটকদের কাছে সৌন্দর্যের জন্য আকর্ষণীয়, তেমনি এর ভেতরে রয়েছে নানা জাতি, ভাষা, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের সহাবস্থানের এক অনন্য গল্প। সেই বহুত্বের শহরে মুসলমানদের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঠিকানা হলো আঞ্জুমান ইসলাম মসজিদ।

গ্যাংটকের আরিথাং এলাকায়, জাতীয় মহাসড়ক ৩১এ-এর পাশে অবস্থিত এই মসজিদটি দূর থেকেই চোখে পড়ে। পাহাড়ের ঢালে সবুজের মধ্যে সাদা-সবুজ রঙের মসজিদটির মিনার ও গম্বুজ যেন গ্যাংটকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে একটি আলাদা দৃশ্য তৈরি করে। মসজিদের চারপাশে পাহাড়ি সবুজ, নিচে শহরের ব্যস্ততা আর দূরে মেঘে ঢাকা পাহাড়—সব মিলিয়ে এখানে নামাজ পড়ার অভিজ্ঞতাও যেন অন্যরকম। ঐতিহাসিক সূত্রে মসজিদটির অবস্থান আরিথাংয়ের NH-31A এলাকায় এবং এটি গ্যাংটকের মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

এই মসজিদের ইতিহাসও কম আকর্ষণীয় নয়। প্রচলিত ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, মসজিদটির সূচনা ১৯৪২-৪৩ সালের দিকে। প্রথমদিকে এটি কাঠ দিয়ে নির্মিত হয়েছিল। লাদাখ থেকে আসা মুসলিম ব্যক্তি সাবিলা সরদারের নাম এই মসজিদের প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। স্থানীয় শাসকের কাছ থেকে জমি সংগ্রহ করে তিনি এখানে মসজিদ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলে ঐতিহাসিক সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়।

সময়ের সঙ্গে গ্যাংটক বদলেছে, শহর বড় হয়েছে, পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে, বদলেছে মানুষের জীবনযাত্রাও। কিন্তু আঞ্জুমান ইসলাম মসজিদ তার ধর্মীয় গুরুত্ব ধরে রেখেছে। ২০১৩ সালের একটি প্রত্যক্ষ প্রতিবেদনে গ্যাংটকের মুসলিম সম্প্রদায় সম্পর্কে বলা হয়েছিল, শহরে প্রায় ১০ হাজার মুসলমান বসবাস করতেন। একই প্রতিবেদনে সিকিমের বিভিন্ন এলাকায় মুসলমানদের বসবাস এবং গ্যাংটকের মসজিদকে কেন্দ্র করে তাদের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করা হয়।

আজ স্থানীয় মুসল্লিদের বর্ণনায় গ্যাংটক শহরে প্রায় ১০ হাজার মুসলমানের বসবাস এবং আঞ্জুমান ইসলাম মসজিদে জুমার নামাজে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার মুসল্লির সমাগমের কথা জানা যায়। সংখ্যাটি সরকারি সাম্প্রতিক জনগণনা দিয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা না গেলেও, এই তথ্য মসজিদটির স্থানীয় মুসলিম সমাজে ব্যাপক গুরুত্বের একটি ধারণা দেয়। ২০১১ সালের জনগণনা-ভিত্তিক তথ্যে গ্যাংটক শহরের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩.১৪ শতাংশ মুসলিম ছিল।

এই মসজিদের সবচেয়ে হৃদয়ছোঁয়া বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হলো—এখানে মাইকে আজান দেওয়া হয় না। পাহাড়ি শহরের পরিবেশ, স্থানীয় বাস্তবতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে মসজিদে মাইকের মাধ্যমে উচ্চস্বরে আজান প্রচলিত নয়। অথচ আজানের শব্দ না থাকলেও নামাজের সময় হলে মুসল্লিদের উপস্থিতিতে কোনো ঘাটতি দেখা যায় না। সময়ের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া মুসল্লিরা নামাজের সময় জানেন, প্রয়োজন অনুযায়ী একে অন্যকে জানান এবং ঠিক সময়ে মসজিদে এসে হাজির হন।

এ যেন ইবাদতের এক নীরব সংস্কৃতি—কোনো উচ্চ শব্দ নেই, শহরের ওপর কোনো চাপ নেই, কিন্তু নামাজের সময় হলে পাহাড়ের বিভিন্ন পথ ধরে মানুষ মসজিদের দিকে এগিয়ে আসে। বাইরে থেকে দেখলে হয়তো বোঝার উপায় নেই, ভেতরে কত মানুষ আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জুমার দিন অবশ্য দৃশ্যটি সম্পূর্ণ বদলে যায়। সাধারণ দিনের তুলনায় শুক্রবার মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লিদের উপস্থিতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জুমার নামাজে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার মুসল্লির সমাগম হয়। মসজিদের ভেতরের জায়গার পাশাপাশি আশপাশের অংশও মুসল্লিদের উপস্থিতিতে পূর্ণ হয়ে ওঠে। বিভিন্ন পেশার মানুষ—ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, শ্রমজীবী, দোকানদার, পর্যটনসংশ্লিষ্ট কর্মীসহ নানা শ্রেণির মুসলমান শুক্রবার এক কাতারে দাঁড়ান। পাহাড়ি শহরের এই দৃশ্যটি গ্যাংটকের মুসলিম সমাজের ঐক্য ও সামাজিক বন্ধনের একটি সুন্দর প্রতিচ্ছবি।

রমজান মাসে আঞ্জুমান ইসলাম মসজিদের পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এখানে খতম তারাবি অনুষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ রমজানের পুরো মাসজুড়ে তারাবির নামাজে কোরআন শরিফ খতম করার আয়োজন থাকে। প্রতিদিন রাতে মুসল্লিরা মসজিদে সমবেত হন। দিনের ব্যস্ততা শেষে পাহাড়ি রাতের নীরবতার মধ্যে দীর্ঘ তারাবির নামাজে দাঁড়িয়ে কোরআনের তিলাওয়াত শোনেন। একজন পর্যটকের কাছে এটি হয়তো একটি ধর্মীয় স্থাপনা; কিন্তু স্থানীয় মুসলমানের কাছে রমজানের রাতে এই মসজিদ তার পারিবারিক ও সামাজিক জীবনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

একটি মসজিদ শুধু নামাজের জায়গা নয়; সেটি টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত অর্থ, ব্যবস্থাপনা এবং মানুষের অংশগ্রহণ। আঞ্জুমান ইসলাম মসজিদের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নেই। মসজিদের দৈনন্দিন পরিচালনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে একাধিক খরচ—খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালনের সম্মানী, সুইপারের পারিশ্রমিক, বিদ্যুৎ বিল, পানির খরচ, পরিচ্ছন্নতা, মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণসহ নানা আনুষঙ্গিক ব্যয়।

এই ব্যয় মেটানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন স্থানীয় মুসল্লিরাই। ব্যবস্থাপনার তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবারের কালেকশন মসজিদের নিয়মিত ব্যয়ের একটি প্রধান উৎস। এর পাশাপাশি স্থানীয় মুসল্লিদের ব্যক্তিগত অনুদানও মসজিদের পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অর্থাৎ একটি পাহাড়ি শহরে মুসলিম সম্প্রদায়ের এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি মূলত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

ঐতিহাসিকভাবে মসজিদটি পরিচালনার জন্য Anjuman-e-Islamia নামের একটি সংগঠন গড়ে ওঠার তথ্য পাওয়া যায়। ২০১৩ সালের একটি প্রতিবেদনে সংগঠনটিকে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল এবং মসজিদ ও স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের কার্যক্রম জনসাধারণের অনুদানের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

বর্তমান ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও মসজিদটি আনজুমানভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয় বলে ঐতিহ্যবিষয়ক সূত্রে উল্লেখ রয়েছে। সিকিম সরকারের ২০১৯ সালের এক প্রতিবেদনে গ্যাংটকের জামা মসজিদে মুখ্যমন্ত্রীর সফরের সময় মাওলানা, সভাপতি, সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ আছে। এটি মসজিদ ও মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামোর উপস্থিতির প্রমাণ দেয়।

মসজিদের এই ব্যবস্থাপনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো স্থানীয় মানুষের দায়িত্ববোধ। কেউ নিয়মিত দান করেন, কেউ শুক্রবারের কালেকশনে সহযোগিতা করেন, কেউ রক্ষণাবেক্ষণের কাজে পাশে দাঁড়ান। আবার কেউ হয়তো নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ, পানি, পরিচ্ছন্নতা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজন মেটাতে সাহায্য করেন। ফলে মসজিদটি শুধু একটি কমিটি বা কয়েকজন ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং এটি একটি বৃহত্তর মুসলিম কমিউনিটির সম্মিলিত দায়িত্ব।

সিকিম সরকারের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানবিষয়ক ব্যবস্থাপনাতেও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে সরাসরি হস্তক্ষেপ না করার নীতি উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের Ecclesiastical Affairs Department মূলত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বাহ্যিক প্রশাসনিক বিষয় দেখাশোনা করে এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ না করার কথা জানিয়েছে।

গ্যাংটকের সৌন্দর্যের সঙ্গে এই মসজিদের অবস্থানও বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো। শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে, ফলে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় তাকালেই পাহাড়ের স্তর, মেঘের ভেলা এবং সবুজের নানা оттенন চোখে পড়ে। কখনো মেঘ এসে শহরকে ঢেকে দেয়, আবার কিছুক্ষণ পর সূর্যের আলোয় পাহাড়ের গায়ে নতুন রং ফুটে ওঠে। সরু পাহাড়ি রাস্তা, কাঠ ও কংক্রিটের বাড়ি, ছোট ছোট দোকান, পাহাড়ের ঢালে বসতি—সবকিছু মিলিয়ে গ্যাংটকের নিজস্ব একটি চরিত্র রয়েছে।

এই সৌন্দর্যের মধ্যেই আঞ্জুমান ইসলাম মসজিদ যেন একটি শান্ত সাদা স্থাপত্যচিহ্ন। মসজিদের মিনারগুলো যখন সবুজ পাহাড়ের ওপরে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকে, তখন মনে হয় পাহাড়ের শহরের বুকেও মানুষের বিশ্বাসের একটি নিজস্ব ঠিকানা রয়েছে। দূরে পাহাড়, সামনে শহর আর মাঝখানে মসজিদের গম্বুজ—দৃশ্যটি একই সঙ্গে নান্দনিক ও অর্থবহ।

মসজিদটির বিশেষত্ব এখানেই যে, এটি গ্যাংটকের অন্য ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এই বহুধর্মীয় শহরের সামগ্রিক বৈচিত্র্যের অংশ হয়ে আছে। সিকিমের সরকারি ব্যবস্থাপনাতেও বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সহাবস্থানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তবে আঞ্জুমান ইসলাম মসজিদকে শুধু ‘গ্যাংটকের একটি মসজিদ’ হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত গুরুত্ব ধরা পড়বে না। এটি একটি দীর্ঘ অভিবাসী মুসলিম ইতিহাসের স্মারক। কর্মসংস্থানের সন্ধানে বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ এসে গ্যাংটকে বসতি গড়েছেন; তাঁদের পরবর্তী প্রজন্ম এই পাহাড়ি শহরকেই নিজেদের ঘর হিসেবে গ্রহণ করেছে। ২০১৩ সালের প্রত্যক্ষ প্রতিবেদনে এই অভিবাসী মুসলিম সমাজের নানা পেশা ও জীবনযাত্রার কথাও উঠে এসেছে।

একসময় কাঠের ছোট মসজিদ থেকে শুরু হওয়া যে পথচলা, আজ তা একটি দৃশ্যমান ও সক্রিয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ হয়, জুমায় বিপুল মুসল্লির সমাগম হয়, রমজানে খতম তারাবি হয়, আর মসজিদের প্রতিটি প্রয়োজন মেটাতে স্থানীয় মুসল্লিরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ান।

সবচেয়ে সুন্দর বিষয়টি হয়তো এই—মাইকে আজান না হলেও নামাজ থেমে থাকে না। পাহাড়ের শহরে উচ্চস্বরে কোনো আহ্বান ছড়িয়ে না পড়লেও মুসল্লিরা জানেন কখন তাঁদের রবের সামনে দাঁড়ানোর সময়। শুক্রবারে হাজারো মানুষ একত্র হন, রমজানের রাতে কোরআনের তিলাওয়াতে মসজিদ মুখর হয়, আর প্রতিদিনের খরচ চলে মানুষের ছোট-বড় সহযোগিতায়।

গ্যাংটকের পাহাড়, মেঘ আর সবুজের ভেতরে তাই আঞ্জুমান ইসলাম মসজিদ কেবল একটি স্থাপনা নয়—এটি একটি সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, আত্মপরিচয়, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং কয়েক প্রজন্মের স্মৃতির ঠিকানা।

পাহাড়ের শহরে আজানের শব্দ হয়তো মাইকে ভেসে যায় না; কিন্তু নামাজের ডাক পৌঁছে যায় মানুষের হৃদয়ে। আর সেই ডাকে সাড়া দিয়ে পাহাড়ের বিভিন্ন পথ পেরিয়ে মানুষ যখন মসজিদের দিকে আসে, তখন আঞ্জুমান ইসলাম মসজিদ হয়ে ওঠে গ্যাংটকের মুসলমানদের জন্য শুধু একটি উপাসনালয় নয়—একটি ঘর, একটি মিলনস্থল এবং বিশ্বাসের এক নীরব ঠিকানা।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.