| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় ৫ লাখ ৯৪ হাজার শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া উদ্বেগজনক। আরও আশ্চর্যের বিষয়, শুধু ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়েই ফেল করেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।
প্রশ্ন হচ্ছে, এই ব্যর্থতার দায় কি শুধু শিক্ষার্থীদের?
ইংরেজি আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। আর আইসিটি আধুনিক বিশ্বের অপরিহার্য দক্ষতা। অথচ বছরের পর বছর পড়াশোনা করেও আমাদের অনেক শিক্ষার্থী এই দুটি বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না।
তাহলে কি আমাদের শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতিতে ঘাটতি রয়েছে? পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতার অভাব, নাকি কোথাও আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের ঘাটতিও আছে? নাকি আমাদের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাই এখনো মুখস্থনির্ভর?
সমাধান খুব কঠিন নয়, প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন।
ইংরেজিতে মুখস্থ Grammar-এর চেয়ে Reading, Writing, Listening ও Speaking-এর বাস্তব অনুশীলন বাড়াতে হবে। আইসিটিতে শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, হাতে-কলমে প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু পরীক্ষায় পাস করানো নয়; একজন শিক্ষার্থীকে বাস্তব জীবনের জন্য দক্ষ করে গড়ে তোলা।
আমাদের ভাবতে হবে—শিক্ষার্থী শিখতে ব্যর্থ হচ্ছে, নাকি আমরা তাকে শেখাতে ব্যর্থ হচ্ছি?
দোষারোপ নয়, আত্মসমালোচনা ও কার্যকর পরিবর্তনই পারে এই সংকট থেকে উত্তরণের পথ দেখাতে।
২|
০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২৯
নতুন বলেছেন: আমাদের ভাবতে হবে—শিক্ষার্থী শিখতে ব্যর্থ হচ্ছে, নাকি আমরা তাকে শেখাতে ব্যর্থ হচ্ছি?
যারা দায়েত্বে আছে তারা দায় ঠেকা কাজ করছে তাই শিক্ষার্থীদের শিখাতে ব্যর্থ, শিক্ষকরা শিক্ষা দিচ্ছেন না সেটা নিয়ন্ত্রনে ব্যার্থ্য ![]()
৩|
০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩০
নতুন বলেছেন: If you fail to plan, you plan to fail
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: লেখা-পড়ায় অনেক কষ্ট। কিন্তু লেখা-পড়া করে আশানুরূপ লাভ হয় না। সেজন্য লেখা-পড়ায় এখন আগ্রহ অনেক কম। বিনা লেখা-পড়ায় টাইট পরীক্ষা হলে পরীক্ষার্থী হাত-পা ছেড়ে ফেল করে। ঘটনা স্রেফ এটা।