নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched - they must be felt with the heart---Helen Keller

জুন

ইবনে বতুতার ব্লগ

জুন › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার পাখীরা (ছবি ব্লগ সাথে কিছু কিছু কথা)

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৫৫


নীরব নিঝুম মধ্য দুপুরে বারান্দার গ্রীলে ভাবুক দোয়েল

পাখীদের প্রতি আমার গভীর ভালোবাসার কথা ব্লগের অনেকেই জানেন। খাঁচায় বন্দী নয়, স্বাধীন খোলা আকাশে উড়ে বেড়ানো পাখিদের কথাই বলছি। আমার বারান্দার এক কোনে তাদের জন্য খানাপিনা অর্থাৎ তাদের উপযোগী খাবার আর পানি দেয়া থাকে। সারা দিনমান ধরে চলে সেখানে তাদের আনাগোনা। আমি লুকিয়ে লুকিয়ে ওদের মান- অভিমান, ঝগড়া- ঝাটি, ভাব-ভালোবাসা সব দেখি । একটু যদি টের পায় আমি তাদের দেখছি ওমনি ফুরুৎ করে উড়ে যায় পাশের নির্মিয়মান ভবনের স্টিলের রডে যেখানে আগে ছিল নিবিড় গাছপালায় ঘেরা একখন্ড জমি ।


মিষ্টি সুরে দোয়েল পাখী গাইছে বসে গান, সেই সুরেতে জুড়িয়ে গেলো সবার মন প্রান


দোয়েল পাখির ছানা, শুরু হলো তার নতুন পৃথিবী চেনা

বুলবুলিটি অপেক্ষায় আছে ঝুটি শালিক কখন খেয়ে দেয়ে উড়াল দেবে



হায় হায় এবার তো দেখছি ভাত শালিকের আগমন


শালিক বলে বুলবুলি আয় আমরা দুজন মিলে লুকোচুরি খেলি


ইশ ওরা যে কখন যাবে ! থাক আমি নাহয় উপরেই বসে থাকি ততক্ষন


যাক বাবা সবাই গেছে, কি নোংরা করে গেছে চারিদিক। ঠিক আছে আমি না নেমেই উপর থেকে উবু হয়ে খেয়ে নেই ।


"ও তুমি এসেছো ! আসো আসো গিন্নী তাড়াতাড়ি গাপুসগুপুস খেয়ে নেই, আবার কে কখন চলে আসে"


"খেয়ে-দেয়ে ঝিমুনি লেগে গেলো দেখছি !" গ্রীলে ঝিম ধরে থাকা বুলবুলি


বিশ্রাম শেষে উড়ে যাচ্ছে জোড়া বুলবুলি


"মানুষ আমাদের একজনকে দেখলে সবসময় বলে ওয়ান ফর সরো" :(


"যাক বাপু তুমি এসেছো। জানোতো বৌ মানুষ আমাদের দুজনকে একসাথে দেখলে বলে " টু ফর জয়" :)


" ক্যা? ক্যা ? ক্যা বলে তাদের দেখলে মানুষ টু ফর জয় বলে!" চোখ পাকিয়ে করকরে গলায় বলে উঠলো ঝুটি শালিক


" ব্যপার কি গিন্নী ! তোমার কি কথা কান দিয়ে যায় না ! শুনলে ঐ হাড় হাভাতে শালিকটা কি বলে গেলো !"


রেগে কাইঁ হয়ে ওঠা কর্তার কথা শুনে গিন্নি বলে ' রাখো বাপু ওদের আজেবাজে কথা, আমরাই হোলাম মানুষের আসল সুখের কারন'


কাঠ শালিকের জোড়া, খাচ্ছে থোরা থোরা। না না মোটেই না, দেয়ার আগেই সাবাড়, দৌড়ে আনি আবার


ব্যাপার কি আমাদের আর লোকজন কোথায় উদবিগ্ন কাঠ শালিক, কারন তারা সবসময় সাত আটজন মিলে ঝাঁঁক বেধে আসে


"কি ব্যপার কর্তা মশাই ঘরের ভেতর লোকজন কাউকে দেখতে পাচ্ছো নাকি"? টবের পেছন থেকে উকি দেয়া টিয়ার প্রশ্ন। " যাই বলো আমার কিন্ত ভয় করছে, যদি ধরে ফেলে। সেদিন ঐ বড় বট গাছ থেকে দুষ্ট লোকেরা আমার সই আর তার কর্তাকে ধরে নিয়ে গেল। শুনেছি ওদের নাকি পাখিওয়ালাদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে


"না না ভয় নেই, আসো, আসো এরা মনে হয়না খারাপ মানুষ। কতদিন ধরেইতো আমাদের খাওয়াচ্ছে"। উকি মেরে টিয়া দেখে নিল বাসায় কেউ আছে নাকি "


" মনে হয় কেউ নেই্‌, খেয়ে নেই ভালো করে, দেখেছো কত্তা আমরা যা পছন্দ করি তাই প্রতিদিন তিনি দিচ্ছে কিন্ত"


"তুমি খাও, আমি পাহারা দিচ্ছি" কর্তামশাইকে ভরসা দিলো গিন্নী


" ভয় নেই, আসো আমরা দুজনে মিলেই খাই"


" কেরে ? আবার কে শব্দ করলো! " খাবার থেকে মুখ তুলে বলে ওঠে ভীত টিয়া পাখি !


না গো মনে হয় কেউ নেই :)


এবার শোনাই এক কাক আর এক বুলবুলি পাখির গল্প



"কি ব্যপার আজ দেখছি নচ্ছার বুলবুলিটা এখনো আসেনি"! ইতি উতি চাউনি দুষ্টু কাকের


"এই যে হুজুর আমি এসে পরেছি, তা আমি কি এই বাটি থেকে কিছু খাবো "? কাকের কাছে আর্জি বুলবুলির ?


"কই কিছু বলছেন না যে! " মৌন কাক বাবাজীর কানের কাছে বুলবুলির আকুল আবেদন


"ঠিক আছে আপনি একাই পেটপুরে খেয়ে নিন, আমার আর খাবার দরকার নেই "। অভিমানী বুলবুলির কথায় লজ্জা পেয়ে মুখ ঘুরিয়ে নিল কাক মহাশয়

আসলো যখন কাঠঠোকরা পাখি, ঝুটি শালিক বলে এবার আমি ভাগি !

যাক বাপু গেছে দুষ্ট শালিক, এখন আমি পুরো খাবারের মালিক

বাক বাকুম পায়রা--- মাথায় দিয়ে টায়রা, বুনো পায়রা


বুনো পায়রা

আমার চব্বিশ ঘন্টার মেহমান হলো এই চড়ুই এর দল, সারাক্ষন এই থালার উপরেই তাদের লাফানো ঝাপানো আর হুটোপুটি লেগেই আছে।


আকাশে উড়ে বেড়ানো স্বাধীন এই পাখীদের সমস্ত ছবি আমার মোবাইলে আমার তোলা । নেট অথবা কাচের আড়াল থেকে তোলা বলে পরিস্কার লাগছে না ।
সামহ্যোয়ারইন ব্লগের এই দুর্দিনে ছবি ব্লগ দিতে পেরে আনন্দিত আমি ।

মন্তব্য ১১৫ টি রেটিং +৩৭/-০

মন্তব্য (১১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
একা শালিকে দু:খ বাড়ায়
দুই শালিকে সূখ - -
তিন শালিকে আশায় থাকি
কখন আসে বন্ধুর হাতের চিঠি!

এখনতো চিঠি নেই! কি হপে! :(


দারুন দারুন ছবিতায় অনন্য গল্প কথা... দারুন লাগলো :)

++++++++++++

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৭

জুন বলেছেন: প্রথম মন্তব্যকারীর দারুন লাগায় অনুপ্রানিত হোলাম ভৃগু । সাথে আছেন অনেকদিন আরো ম্যালা দিন থাকবেন সেই প্রত্যাশা রইলো কিন্ত :)
অজস্র ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা ।

২| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২৭

মা.হাসান বলেছেন: ব্লগের দুর্দিনে ছবি দিতে পেরে আপনি যেমন আনন্দিত, পেয়ে আমরাও আনন্দিত।

ছবির সাথের নাটকের সংলাপগুলো সেরের উপর সোয়া সের।
পাখিদের প্রতি আপনার ভালোবাসার কথা অনেকের জানা থাকলেও আমার ছিল না।
আপনার জন্য গান- https://www.youtube.com/watch?v=tvtJPs8IDgU- জনি মিচলের ভারসনের চেয়ে এটাই আমার ভালো লাগে বেশি।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:২১

জুন বলেছেন: আপনার মন্তব্য পেয়েও ভীষন আনন্দিত মা হাসান ।
আপনার দেয়া গানটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ :)

৩| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: দারুন পোস্ট

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০১

জুন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ কাজী ফাতেমা ছবি ।
অনেকদিন পর আপনাকে দেখে ভালোলাগছে :)

৪| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: পাখিদের ছবি
মান, অভিমান, খাওয়া-দাওয়া বিশ্রাম সবই ভাল লাগলো।++++++

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

জুন বলেছেন: আপনার মন্তব্য পেয়েও অনেক ভালোলাগলো মোঃ মাইদুল সরকার
আর প্লাস এর জন্য ধন্যবাদ অনেক ।

৫| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪২

ম্যাড ফর সামু বলেছেন: দারুণ সুন্দর পাখি ব্লগ, অনেকদিন পর ব্লগে ঢুকে পাখিদের গল্প শুনে মনটা পাখির মতই উড়ু উড়ু হয়ে গেলো। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি উপহারের জন্য।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৩৫

জুন বলেছেন: দারুণ সুন্দর পাখি ব্লগ, অনেকদিন পর ব্লগে ঢুকে পাখিদের গল্প শুনে মনটা পাখির মতই উড়ু উড়ু হয়ে গেলো।
আপনার এমন আন্তরিক মন্তব্যে আমিও আকাশে উড়ে নিলাম খানিক্ষন সামুপাগলা ০৭ :)
অশেষ ধন্যবাদ আমার পোষ্টটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য ।

৬| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪৪

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: এই প্রকৃতি প্রেমই আপনাকে করেছে মহীয়সী। সুন্দর পোস্ট।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৪১

জুন বলেছেন: এই প্রকৃতি প্রেমই আপনাকে করেছে মহীয়সী। মাহমুদুর রহমান সুজন এমন একটি মন্তব্যের জন্য চির কৃতজ্ঞ রইলাম । মহীয়সী কি না জানি না তবে পশু পাখি গাছপালা ভালোবাসি অনেক ।

৭| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:১৪

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: আরে আরে আরে, কী চোখ জুড়ানো দারুন ছবি ব্লগ! সবগুলো ছবিই তো ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখার মতো। সাথে ক্যাপশন গুলোও অসাধারণ। পাখি, শিশু, ফুল আর ল্যান্ডস্কেপ আমার প্রিয় ছবির তালিকায় সব সময় ওপরের দিকে থাকে।

অসংখ্য ধন্যবাদ বোন জুন। এরকম আরও ছবি ব্লগ চাই।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৪১

জুন বলেছেন: সবগুলো ছবিই তো ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখার মতো। সাথে ক্যাপশন গুলোও অসাধারণ।
আহ হেনা ভাই আপনার এমন চমৎকার এক মন্তব্য সাথে আপনার ছোট গিন্নি পিচ্চি নয়নতারার নিক ছবিটি মন ভালো করে দিয়ে গেলো শেষ বসন্তের উদাসী হাওয়ার মতই এক লহমায় । নয়নতারা দেখছি মাশাআল্লাহ বড় হয়ে গেল হ্যা হেনা ভাই ? ওকে আমার আদর দেবেন ।
ছবি ব্লগ দিতে ভালো লাগে আমারো । আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ আন্তরিক পাঠে ।
শুভকামনার সাথে সুস্থ থাকুন সবসময়ের জন্য ।

৮| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:২৫

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: আমার আম্মু আমাদের ভাত কম দিয়েও, কাক-শালিক- চড়ুইকে ভাত দেয়। :D
কিন্তু আপু, আপনার বাসায় টিয়া আসলো কিভাবে??! কি খাওয়ানওদের??

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৪৯

জুন বলেছেন: আমার আম্মু আমাদের ভাত কম দিয়েও, কাক-শালিক- চড়ুইকে ভাত দেয়।
হা হা হা তাই নাকি ! আসলে পাখীদের প্রতি তোমার আম্মুর কতখানি মায়া এতেই বোঝা যায় ।
ভাত কম খাওয়াই ভালো প্রান্ত ;)
টিয়ার জন্য আমরা ওদের খাবার যেমন গম ধান ভুট্টা আরো কি কি শস্য মিশিয়ে দোকানে বিক্রি করে । বলা যায় কবুতরের খাবার । তবে মাঝে মাঝে ওরা ফল বিশেষ করে নরম কলা পছন্দ করে ।এখানে ছবি দিলাম ওদের আমরা কি খেতে দেই । এর সাথে ভাত আর চাউলও দিয়ে থাকি । কারন শালিকরা ভাত পছন্দ করে আর বুলবুলি ফল, চড়ুই এর জন্য চাউল আর ধান ।

৯| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:২৬

নজসু বলেছেন:




দোয়েল পাখি দোয়েল পাখি
মিষ্টি সুরে উঠলো ডাকি,
বুকটি সাদা, পিঠটা কালো
দোয়েল পাখি দেখতে ভালো।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৫২

জুন বলেছেন: যাক বাবা আমার দোয়েল পাখির ছবির সৌজন্যে সুজন সাহেব সুন্দর একটি কবিতা রচনা করে ফেল্লো দেখা যাচ্ছে :)
তিন পাখিতেই শেষ করলেন দেখছি :-* এতে বাকি পাখিরা মাইন্ড করতে পারে তো নজসু /:)
B-)

অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো আপনার জন্য :)

১০| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:২৭

নজসু বলেছেন:




ছোট সোনা তুলতুলি,
কথা কয় বুলবুলি।
হাসে সোনা খুলখুলি,
সোনা পাখি তুলতুলি।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:১৮

জুন বলেছেন: বাহ বাহ দারুন কবিতা বুলবুলিকে নিয়ে । এটা শুনতে পেলে আমার বুলবুলিরা অনেক খুশি হতো সুজন ।
আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে ।

১১| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:২৯

নজসু বলেছেন:




ওরে আমার শালিক পাখি
রং ছড়ানো দিনে,
কষ্টে আমার দিনটা কাটে
একলা বান্ধব বিনে।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

জুন বলেছেন: সুজন,
দারুন দারুন সব কবিতা লিখে আমার পোষ্টকে অন্যমাত্রায় নিয়ে গেলেন দেখছি :)
আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন সাথে শুভকামনা রইলো।
সব সময় সাথে থেকে উৎসাহিত করবেন এই প্রত্যাশা থাকলো।

১২| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৩৪

নজসু বলেছেন:




আপা,
তোমার পোষ্টের সবগুলো পাখি নিয়ে একটা একটা করে ছোট্ট ছড়ায় কমেন্ট করতে ইচ্ছে করছে।
সময়ও তো অতো নেই। :(

অপরাগতায়, এক শব্দে বলি চমৎকার।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০২

জুন বলেছেন: আপনি বলছেন চমৎকার.
একথায় আছে অমতকার!!
:)
পরে সময় হলে বাকি পাখিদের নিয়েও একটু লিখবেন। নইলে ওরা হয়তো মাইন্ড করতে পারে ;)
হা হা হা। অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানবেন প্রিয় ব্লগার :)

১৩| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:০৮

নীল আকাশ বলেছেন: জুন আপু,
আপনিও দেখি আমার মতো আরেক পাখীপ্রেমিক।
এই লেখা সোজা প্রিয়তে। পাখীদের আমি খুবই পছন্দ করি। কাক ছাড়া আমার প্রায় সব প্রিয় পাখীদের নিয়ে এসেছেন এখানে আপনি।
ছবি আর তার সাথে পরিপূরক লেখা খুবই মানানসই হয়েছে।
আপনি আমার ঘুঘু পাখির বসত গড়ি লেখাটা পড়েছেন??
পাখীদের প্রতি আপনার এই প্রেমের জন্য আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল!!

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

জুন বলেছেন: নীল আকাশ
আপনার লিংক ধরে ঘুঘু পাখির বাসা বাড়ি দেখে এসেছি। অনেক ভালোলাগলো যে আপনার বাসায় তারা বাসা বেধেছিল। পাখিদের আমি অনেক ভালোবাসি তবে খাচায় বেধে রাখা পাখি না। আমি যেই বুড়ো লোকটার থেকে বিশেষ করে কলা কিনি সে যখন শুনেছে আমি স্বাধীন পাখিদের জন্য কিনি। তখন থেকে সে আমার কাছ থেকে অর্ধেক দাম রাখে। বলে "মা তোমার মত আমিও পাখি ভালোবাসি"। শুনে আমার মনটা ভীষণ ভালোলাগায় ভরে উঠলো।
আমার লেখাটি আপনার পছন্দ হয়েছে জেনে অনেক ভালোলাগলো। মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা।

১৪| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


এক সময় ছিলো, ধান পাকলে টিয়া পাখি আসতো দলে দলে; দলে হাজারেরও বেশী থাকতো; ওরা বসেই ধানের ছড়া কেটে নিয়ে যেতো; জমিতে ২/৩ বার বসলে, চাষীর অবস্হা শেষ।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:১৭

জুন বলেছেন: : চাঁদগাজী
প্রথমেই আমার ধন্যবাদ জানবেন পোস্টটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য। আমরা জানতাম "বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দিবো কি সে"। টিয়ার কথা জানতাম না। তবে একসময় কিছুদিনের জন্য সাভারে ছিলাম, সেখানে কয়েকটি সূর্যমুখী ফুলগাছ বুনেছিলাম। সেই ফুল ফোটার সাথে সাথে টিয়ার ঝাক এদ্র বীজগুলো ছিরেখুরে খেয়ে যেতো।
সেদিন ভারতীয় পত্রিকায় পড়লাম মাদকাসক্ত টিয়ার ঝাক উড়ে এসে আফিম এর জন্য বোনা পপি ক্ষেত থেকে পপির বীজ খেয়ে সাবার করছে। পাখি হত্যা অপরাধ তাই চাষীরা কিছু করতে পারছে না। কতৃপক্ষের কাছে কান্নাকাটি করছে।
কিন্ত চাঁদগাজী সাহেব আপনি আমার পোস্ট নিয়ে একটি অক্ষরও বলেন নি কিন্ত :)
তারপরেও ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য।

১৫| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: আজই যোহরের নামাযে যাবার আগে কোকিল এবং কোকিলের ডাক নিয়ে লেখা একটা ছোট্ট পোস্ট, যেটা আমি গত পরশুদিন লিখেছিলাম, সামুতে প্রকাশ করে যাই। তখন তাড়াহুড়োয় খেয়াল করি নি, কিন্তু ফিরে এসে দেখি, তার আগেই আপনি এমন একটা চমৎকার ছবি ব্লগ পোস্ট করেছেন। আমি তো বহু চেষ্টা করেও একটা কোকিলের ছবি দিতে পারলাম না। আপনি এত এত সুন্দর ছবি কেমন করে পোস্ট করলেনো?
পাখি আমারও প্রিয়। প্রিয় একটি বিষয়ে লেখা এই পোস্টে দশম প্লাস + রেখে গেলাম।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:২৩

জুন বলেছেন: সহজ সরল সাবলীল ভাষায় লেখা আপনার পোস্ট পড়ে মন আমার কেমন অচেনা আশংকায় ব্যথাতুর হয়ে উঠলো। কোকিল হয়তো সাময়িক বিদায় নিচ্ছে বসন্তের সাথে সাথে। আমরাও হয়তো এক অজানা গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ধাবিত হচ্ছি প্রতি মুহুর্তে। বিদায় জানায় এক সেকেন্ড আগের ক্ষনটিকে।
আমার পোস্টটি আপনার পছন্দ হয়েছে জেনে খুব খুশী হয়েছি খায়রুল আহসান।
ভালো থাকবেন সব সময়ের জন্য। শুভকামনা রইলো।

১৬| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: খুব ভালো। সুন্দর।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:২৪

জুন বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ সদা সর্বদা উৎসাহিত করার জন্য রাজীব নুর।

১৭| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
সুন্দর একটি ধারাবাহিক টেলিছবি দেখলাম।
খুবই সুন্দর।
+++

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:২২

জুন বলেছেন: সুন্দর বলেছেন সাজ্জাদ হোসেন। ধারাবাহিক টেলিছবি। খুব ভালোলাগলো শুনে। আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন সাথে রইলো শুভকামনা।

১৮| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০২

গড়ল বলেছেন: অসাধারণ, খুব ভালো লাগলো দেখে।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:২৩

জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ভালোলাগা গড়ল :)

১৯| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

হাবিব স্যার বলেছেন: পাখির প্রতি ভালোবাসার অনন্য নিদর্শন আপনার পোস্ট।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৩৬

জুন বলেছেন: আপনাকেও জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ লেখাটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য।

২০| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ছবিগুলো চমৎকার......ততোধিক চমৎকার আপনার পাখী-কথন!
আপনি না বললে তো বুঝতামই না যে, এগুলো নেট অথবা কাচের আড়াল থেকে তোলা।
অত্যন্ত ভালো কাজ করছেন। পাখীরা আপনাকে খাস দিলে দোয়া করছে। এই দোয়ায় কোন ভেজাল নাই।

এটা কি ব্যাংককে, নাকি ঢাকায়?

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:২১

জুন বলেছেন: পাখীরা আপনাকে খাস দিলে দোয়া করছে। এই দোয়ায় কোন ভেজাল নাই।
এইটা শুইন্না পরানডা জুড়ায় গেলো ভুয়া মফিজ। মানুষের দোয়ায় ভেজাল আছে এইটাই হইলো শেষ কথা ;)

ছবি আর লেখনী ভালোলাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভুয়া মফিজ । লেখালেখিতে সব সময় উৎসাহিত করেছেন, করছেন এবং ভবিষ্যতেও করবেন সেই প্রত্যাশা করি । আপনাদের উৎসাহই আমার চলার পথের প্রেরনা । আচ্ছা বেশি সিরিয়াস উত্তর দিয়ে ফেলি নাইতো আবার ;)
কাচের ভেতর থেকেই তুলেছি তবে এডিট করেছি কিছু কিছু । না ব্যংকক না ঢাকার বাসাতেই তোলা ।
হা হা হা সাথে থাকুন সাথে থাকুন আর করুনাধারার মফিজকে বোল্ড আউট করে দিন এই বলে "সব মফিজ মফিজ না " :P

শুভকামনা রইলো

২১| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

সাহসী সন্তান বলেছেন: খুবই সুন্দর পোস্ট! ছবি গুলাও ভাল হইছে...

শুভ কামনা রাশি রাশি!

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:২৩

জুন বলেছেন: পোস্ট ভালোলাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ সাহসী সন্তান । শুভেচ্ছা জানবেন ।

২২| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার মত আমরাও আমাদের ঝুল বারান্দার একটি কোণে পাখি আপ্যায়নের উন্মুক্ত ব্যবস্থা রেখেছি। সারাদিন ধরে সেখানে কিছু খাদ্য আর জলের ব্যবস্থা থাকে। যে কোন পাখি যে কোন সময় এসে সেগুলোর সদ্ব্যবহার করে যেতে পারে। এবং প্রতিদিন ওরা তা এখন প্রায় নিয়ম মাফিক করেও।
আপনার বারান্দা-কোণে কত কত পাখি আসে! আমদেরটাতে আসে শুধু তিন প্রকারঃ শালিক, বুলবুলি আর চড়ুই। এদের মধ্যে চড়ুইদের চঞ্চলতা আর খাওয়া দেখতেই আমার বেশী ভাল লাগে। খাওয়ার পরে ওরা ওদের ছোট্টো চঞ্চু এপাশ ওপাশ ঘষে কি সুন্দর করে মুছে নিয়ে ফুরুৎ করে উড়ে যায়। ওরা জলপান করে মাত্র তিন ঢোক, যে জায়গায় শালিক ও বুলবুলিরা করে সাত/আট ঢোক।
আমরা বুড়োবুড়ি দু'জন এসব দেখি আর আমাদের নাতনি আনায়াকে খুব মিস করি। ও যখন আমাদের বাসায় ছিল, তখন পাখিদের জন্য এ আয়োজনটা ছিল না। এখন ভাবি, ও থাকলে কত্ত মজা পেতো! :(
আমার বাসার সামনের কয়েকটি গাছে শত শত টিয়াপাখি বাস করে। কিন্তু ওরা মনে হয় ভিআইপি, এখনো পর্যন্ত ওরা আমাদের এ আমন্ত্রণে সাড়া দেয় নি। ওদের জন্য আপনি কী কী খাবার ছড়িয়ে রাখেন?
আজ দুটো কাককে দেখলাম অন্য পাখিদের জন্য রাখা খাবার খেয়ে যেতে, এই প্রথম কাক এলো। আমি মোটেও বর্ণবাদী নই, তবুও কাকের আগমনে কেন যেন খুশী হতে পারি নি।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২৮

জুন বলেছেন: আপনার মত আমরাও আমাদের ঝুল বারান্দার একটি কোণে পাখি আপ্যায়নের উন্মুক্ত ব্যবস্থা রেখেছি।
শুনে খুব খুশী সাথে ভালোও লাগলো খায়রুল আহসান । চিন্তা করবেন না আপনাদের এলাকায় যখন এত গাছপালা আর পাখি আছে তখন ওরা অবশ্যই আসবে ধীরে সুস্থে । আপনি তো দেখছি আমার মতই ওদের পর্যবেক্ষন করেন । কতটুকু পানি খায় কেমন করে ঠোট পরিস্কার করে এসব । প্রথম প্রথম আমার হাসবেন্ড এসব নিয়ে মাথা ঘামায়নি আর এখন আমার চেয়েও বেশি । খাবার বিশেষ করে ফল শেষ হওয়ার আগেই দৌড়ে বাজারে যায় । খেতে দেয় , সুন্দর করে ডাল বেধে দেয়া ছাড়াও তাদের খাবারের পাত্র শেষ হওয়া মাত্র খাবার দেয়, পানি দেয় ।
টিয়া পাখির জন্য কবুতরের খাবার এবং কলা বা পেপে দিয়ে দেখতে পারেন । আমার বাসায় ওরা শস্যদানা যার ছবি দিয়েছি প্রান্তের মন্তব্যে সেটাই পছন্দ করে । অনেক্ষন ধরে বসে বসে খায় । মাঝে মাঝেতো ঝাক বেধে আসতো , কিন্ত পাশের প্লটে বিল্ডিং ওঠায় দু একটার বেশি আসে না । ওরা মনে হয় সব সময় পালানোর পথকে চিনে রাখে । এখন ঐ নির্মিয়মান ভবনের জন্য পথটি সরু হয়ে গেছে । ফলে তাদের সাথে সাথে আমাদেরো দম বন্ধ হয়ে আসছে ।
আপনার নাতনী আনায়া সত্যি মজা পেত , আমরা বুড়োবুড়িরা যেখানে পাচ্ছি । ভালো আছেতো আনায়া ?
কাক আমাদের এখানেও আসে । ওদের আচরনটা পর্যবেক্ষন করবেন দেখবেন মজাই লাগবে । ধুর্ত চাহনী আছে বটে কিন্ত সাংঘাতিক রকম নিজ গোত্রের প্রতি সহানুভুতিশীল। ওরা প্রতিদিন সকালে আসে আমার না খাওয়া সেদ্ধ ডিমের কুসুম সহযোগে একটা রুটি খাবার জন্য । ভেঙ্গে টুকরা টুকরা করে দেই । একা যদি কেউ আসে কা কা করে ডাকতেই থাকবে তার সংগী সাথীরা না আসা পর্যন্ত । আরেকটি জিনিস আমি লক্ষ্য করেছি কাকের ভেতর সেটা হলো একটি কাক যতটুকু পারে ততটুকু তাড়াতাড়ি মুখে নিয়ে নেয়া । তারপর সাথীরা আসলে মুখ থেকে বের করে ভাগ করে খায় । এটা মা আর বাচ পাখীদের মধ্যে সাধারনত হয়ে থাকে কিন্ত একই বয়সী কাকের সাথে এমন আচরন আমাকে সত্যি বিস্মিত করে । ওদের কাছ থেকে মানুষের অনেক কিছু শেখার আছে খায়রুল আহসান , বিশেষ করে নিস্বার্থ আচরন আয়ত্ব করা :)
অনেক কিছু লিখে ফেললাম প্রিয় বিষয় পেয়ে । আবারো ধন্যবাদ রইলো দ্বিতীয়বার আসার জন্য । সাথে থাকুন সবসময় । শুভেচ্ছা নিরন্তর ---

২৩| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৪৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন,




বাহ..... আপনি তো দেখছি পাখির মা! ;)

ছবিতে ছবিতে পরম্পরা রেখে বেশ সুন্দর একটি গল্প শানিয়ে গেলেন। অভিনব সংকলন তো বটেই এবং একজন নিঃশব্দ পর্য্যবেক্ষকেরও দিনলিপি।

পাখির মা ভালো থাকুক, তার ঘর-গেরস্থালী আরও আরও পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠুক- তার বারান্দা ঘিরে থাকুক এমন চির বসন্তে...............

++++++++++++

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৩২

জুন বলেছেন: বাহ..... আপনি তো দেখছি পাখির মা!
আমিও বলছি বাহ ভারী সুন্দর একটি নাম দিয়েছেন দেখছি আমার
পাখীদের মত নিস্বার্থ হতে পারলেতো ভালোই লাগতো আহমেদ জী এস :)
ছবিসহ আমার লেখাটি আলোয় ঝলমলিয়ে উঠলো আপনার ছোট্ট কিন্ত আন্তরিক এক মন্তব্যে ।
দোয়া করবেন পাখির মা ও তার আশেপাশের সব্বাই যেন ভালো থাকে সাথে আপনিও ভালো থাকুন সেই প্রার্থনা আমারো থাকলো ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো । ভালো থাকুন মন মননে ।

২৪| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:০১

করুণাধারা বলেছেন: যেমন ঝকঝকে ছবি, তেমন মনকাড়া ক্যাপশন! ছবিগুলো দেখে একেবারেই মনে হচ্ছে না, কাঁচ বা নেটের পেছন থেকে মোবাইল দিয়ে তোলা!! ক্যাপশনগুলো ছবিগুলোকে অর্থবহ করে তুলেছে।

এই শহরে এখনো এত পাখি আছে! এই ছবি ব্লগ না দেখলে জানাই হতো না। নাকি এটা ঢাকা শহরের ছবি না?

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৯

জুন বলেছেন: করুনাধারা,
লেখা আর ছবি আপনার ভালোলেগেছে জেনে ভীষণ আনন্দিত হোলাম। আমিও অবাক হয়েছি এডিটের পর ছবিগুলো দেখে। অতটা বোঝা যাচ্ছে না ঘোলাটে ভাবটা। এটা ঢাকা শহরেরই ছবি :)
গত দুদিনের ঝড়ে মনে হয় অনেক পাখি মারা গেছে কারন দুদিন ধরে অত ঝাক বেধে পাখিরা আসছে না । খুব খারাপ লাগছে ভেবে।
অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো। শুভেচ্ছা ঝোড়ো সন্ধ্যার।

২৫| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার পাখি প্রীতি আর পাখিদের জন্য খোলা লঙ্গর খানার কথা আগেই জানা ছিল।
আপনার দেখাদেখি আমি একবার চেষ্টা করেছিলাম। শালিক,বুল্বুলি আর চড়ুই ছাড়া কেউ আমার আতিথেয়তা গ্রহন করেনি।
ছেলের আনন্দের জন্য করেছিলাম, ছেলে একটু বড় হয়ে যাওয়ায় লঙ্গর খানাটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
আপনার আজকের ছবি গুলি দেখে আবার চালু করার ইচ্ছা হচ্ছে।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

জুন বলেছেন: আবার শুরু করেন গিয়াস লিটন দেখবেন এতে এক অন্যরকম আনন্দ আছে। তবে ধৈর্য্যহারা হলে চলবে না। লেগে থাকতে হবে বুঝলেন? আমার লেখাটি পড়ে মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানবেন।

২৬| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫৪

বলেছেন: পাখির সাথে আরেক পাখির সখ্যতায় ভালোলাগা +++

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

জুন বলেছেন: ল বলেছেন: পাখির সাথে আরেক পাখির সখ্যতায় ভালোলাগা
ভালোই বলেছেন ল :) সত্যি বলতে কি পাখিদের আমি অনেক ভালোবাসি।
মন্তব্যে ধন্যবাদ অনেক অনেক।

২৭| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:০৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ওয়াও! চমৎকার পোস্ট। ++++
তবে আপু শালিকের সঙ্গে আমার ফটোটা দেওয়া কিন্তু উচিত হয়নি। আপনি আমাকে আগ্রহভরে ডাকলেন, আমি পাশে দাঁড়ালাম একবারও আপনাকে কা কা বলে বিরক্ত করিনি । অমনি আপনি আমাকে ক্যামেরা বন্দি করলেন এবং ব্লগেও দিয়ে দিলেন।

অফুরান শুভেচ্ছা জানবেন।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১৪

জুন বলেছেন: পদাতিক মন্তব্যের উত্তর দিতে দেরী হলো বলে মনে কিছু নেবেন না আশা করছি। সংসারের রাজ্যের কাজ সামলে আমাদের নারী জাতির ব্লগিং। বুঝতেইতো পারছেন।
কিন্ত ভাই আমি আপনার এই কথাটার অর্থ বুঝতে পারছি না শালিকের সাথে আপনার ছবি! তবে কাকের ব্যপারটায় মজা পেলাম। আপনার নাম বুলবুল নাকি ;)
মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। সাথে থাকবেন সব সময় সেই প্রত্যাশা রইলো :)

২৮| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:৪১

মুক্তা নীল বলেছেন:
অসাধারণের চেয়েও অসাধারণ আপনারা এই ভালোলাগা ও ভালোবাসার পাখিপ্রেম। খুবভালো লেগেছে। সেই সাথে একটা একটা করে পাখি গুলোর জন্য মনভূলানো ক্যাপশন। ইচ্ছে করছে
২৫ টি পাখির জন্য ২৫ টি লাইক দেই।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৪৫

জুন বলেছেন: ২৫ টি পাখির জন্য ২৫ টি লাইক দেই।
আপনার এই কথায় আমি দারুন খুশী হয়েছি, মনে হচ্ছে আমার ছবিগুলো দেয়া স্বার্থক। আমার মনে হয় পাখিগুলো যদি বুঝতে পারতো তাহলে ওরাও আমার মত খুশি হতো মুক্তা নীল।
আন্তরিক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

২৯| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:৫৩

সোহানী বলেছেন: ওরে ওরে কি দারুন সব পাখি কাব্য কথার ছড়াছড়ি সাথে তাদের সেলফি...... ওওও না না সেলফি না !!! ওটাতো তাদের প্রিয় সাথীর তোলা ছবি!!!!!

মনকাড়া ডায়ালগ সাথে ছবি লিখাটিকে অন্য মাত্রা এনেছে, অসাধারন।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৫৮

জুন বলেছেন: সোহানী সোহানী আপনার মন্তব্য না পেলে আমার লেখাটাই যে অসম্পূর্ণ থেকে যায় তা আপনি জানেন কি? এত আন্তরিক ভাবে কথাগুলো বলেন মন খুশিতে ভরে ওঠে। আমার অনুরোধ থাকলো আপনার মেয়ে আমাদের ভাগ্নীকে ছবিগুলো দেখাবেন যেন বিদেশি পাখির সাথে সাথে দেশের পাখিদেরও চিনে :) আমি জানি আপনি তার ত্রুটি রাখছে না। তারপর ও বললাম।
অনেক ভালো থাকুন, শুভকামনা সকালের।

৩০| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:০২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: দিনভর আপনার রঙিন, সুরেলা সব অতিথিদের গুঞ্জন শুনে শুনে আমার শুস্ক গদ্যে বলা পোস্টের শুভেচ্ছাও যে আপনার কেমন লাগবে সেই দুর্ভাবনা মাথায় নিয়ে শংকিত চিত্তেই বলছি পোস্টের ফটোগুলো সবই খুবই পরিষ্কার এসেছে ।আপনার অতিথিরা যে তাদের হোস্টকে খুব পছন্দ করে সেটা ফটো দেখেই বুঝলাম । মনে হলো কোনো ফটো তুলতেই আপনার তাড়াহুড়া করতে হয়নি । অতিথিরা হোস্টকে অঢেল সময় দিয়েছে তাদের ফটো তুলতে ! বুলবুলি আর টিয়ার ফটোগুলো দেখে কেন যেন খুব ভালো লাগলো ।অনেকদিন পর বুলবুলি পাখির ফটো দেখলাম আসলে। যাক ব্লগ নিয়ে এই এতো অশান্তির মধ্যেও আপনার ভ্রমণ পোস্টগুলো আবার অরিজিনাল ফর্মে পাওয়া যাবে ভেবেই শান্তি শান্তি লাগছে । ভালো থাকবেন ।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৬

জুন বলেছেন: মলাসইলমুইনা বলেছেন: দিনভর আপনার রঙিন, সুরেলা সব অতিথিদের গুঞ্জন শুনে শুনে আমার শুস্ক গদ্যে বলা পোস্টের শুভেচ্ছাও যে আপনার কেমন লাগবে না না কোন চিন্তা করবেন না প্রিয় ব্লগার, পোস্ট পাব্লিশ করার সাথে সাথেই আপনার বুদ্ধিদীপ্ত সাথে মজার এক মন্তব্যের জন্য কতটা প্রতীক্ষায় থাকি তা নিশ্চয় আপনি কিছুটা হলেও অনুধাবন করতে সক্ষম :)
ছবি তুলতে তারাহুরো করিনি তবে নিয়মিত আসে ওরা আর আমিও সুযোগ পেলেই তাদের ছবি তুলি। সেখান থেকে বেছে সাজিয়েছি এই ব্লগ। তবে ছবিতে ব্যবহৃত টিয়াগুলো অনেকক্ষণ ছিল তাই আমিও মনের মত তাদের বিভিন্ন ভংগিমার ছবি তুলতে পেরেছি।
আপিনি ঠিকই বলেছেন, ছবি আবার ব্যবহার করতে পারবো লেখায় ভেবে খুবই ভালোলাগছে মলাসইল্মুনা।
শুভকামনা রইলো দ্বিপ্রহরের। ভালো থাকুন অনেক । নতুন লেখা নিয়ে আসুন শীঘ্রই।

৩১| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:৪৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: দারুন।ইস ! আমি যদি একখান জঙ্গল বানাইতে পারতাম ! পাখি দিয়া ভইরা ফেলতাম !

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৯

জুন বলেছেন: আর সেই জংগলে আপনি জেনরে নিয়া লতা ধইরা ঝুলতে থাকতেন আর যেই চিৎকার করতেন তাতে বনের পাখি সব পালিয়ে বাচতো টারজান ;)
মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

৩২| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:১৫

তারেক ফাহিম বলেছেন: ওয়াও পাখিদের ভালোবাসার এক অনন্য নিদর্শন আপনার পোষ্ট।

মন ভালো করে দেয়ার মত পোষ্ট।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫১

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ তারেক ফাহিম কারন আপনার মন্তব্যটিও মন ভালো করে দেয়ার মতই যে :)
শুভেচ্ছা সবসময়।

৩৩| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:২১

নীলপরি বলেছেন: ভীষণ সুন্দর পোষ্ট । +++++

শুভকামনা

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৩

জুন বলেছেন: অনেক ভালোলাগা নীলপরি আপনার জন্যও :)

৩৪| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪৫

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: আমার খুব ইচ্ছা একটা টিয়া পাখির বাচ্চা হ্যান্ডফিড করে বড় করি...। কিন্তু পাখির দোকান থেকে পাখি কেনা খুব খারাপ, তাই মন চাইলেও পারছি না :|
আপনার প্রতিউত্তরটির জন্য ধন্যবাদ, সামনে কাজে লাগতে পারে ;)

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৭

জুন বলেছেন: না না প্রান্ত কখনো খাচায় পাখি পুষবেন না। আমার পাশের ফ্ল্যাটের ভদ্রলোক এক ঘর বোঝাই খাচা বন্দী পাখি পালে। ওরা যখন দেখে আমার পাখিরা কি স্বাধীন ওরা যে তখন কাচের ভেতর থেকে কি চিৎকার আর আকুলি বিকুলি করতে থাকে। আমার ভীষণ মায়া লাগে ওদের জন্য। আপনি আমার মতই খাবার দিয়ে দেখো ওরা আস্তে আস্তে আসবে। হয়তো একদিন হাত থেকেও খাবে :)
মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা প্রান্তর জন্য।

৩৫| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪

অন্তরা রহমান বলেছেন: আয়রে পাখি লেজ ঝোলা, খোকাকে নিয়ে কর খেলা - একসময় আমার ছেলের প্রিয় ছড়া ছিল। আজকে এই ব্লগ তাকে দেখানোতে সে সবগুলো পাখিকেই এক ধাক্কায় চড়ুই বলে ঘোষণা করে দিল। যাক গে। দারুণ ছবিতায় আর কবিতায় গল্প বলে গেলেন। দারুন লাগলো। মুগ্ধতা জানিয়ে গেলাম।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

জুন বলেছেন: স্বাগত জানাই আমার ব্লগে অন্তরা রহমান। আপনার ছেলেকে আমার লেখাটি দেখিয়েছেন জেনে অনেক খুশী হয়েছি। ছোট্ট বাবুদের কাছে সব কিছুই এক। বড় হলে সে নিশ্চয় সব আলাদা করতে শিখবে। ওকে আমার আদর জানাবেন। আর আমার পোস্টটি দেখা ও ভারী সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন।

৩৬| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

সুমন কর বলেছেন: গুড, ছবি এ্যাড করতে পেরেছেন। সুন্দর পোস্ট !

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২২

জুন বলেছেন: আসলেও সুমন কর ভালো লাগছে ছবি দিতে পেরে। তবে সামুর ভালোর জন্য আমি তা মেনে নিতে রাজী ছিলাম বইকি। সামু আগের ফর্মে ফিরে আসুক সেই প্রত্যাশা রইলো।

৩৭| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৭

নাসির ইয়ামান বলেছেন: পাখিকে খাবার না দিয়ে,মানুষকে খাওয়ান। ওরা আল্লাহর সৃষ্টজীব কোথাও না কোথাও খাবার পেয়ে যাবে!

মানুষকে খাওয়ানোই হলো মানবতা ও চরম স্বার্থকতা এবং পূণ্যের কাজ।
'সবার উপরে মানুষ সত্য','তাহার উপরে নাই'!

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২৮

জুন বলেছেন: স্বাগত আমার ব্লগে নাসির ইয়ামান। আপনার মাঝে মানবিকতা বোধ দেখে খুব ভালোলাগলো। তবে এসব কথা বলা উচিত না আমার তারপরও যখন বললেন তখন বলি আমি তিনটি পরিবারের খরচ বহন করি।
আর
পাখিকে খাবার না দিয়ে,মানুষকে খাওয়ান এটা না বলে বলুন মানুষের সাথে সাথে পশু পাখিদেরও খেতে দিন। ওদের চাহিদা কিন্ত খাবারটুকুই। ভেবে দেখেন মানুষের মত বস্ত্র বাসস্থান চিকিৎসা এই সব নেই কিন্ত । ভালো থাকুন। শুভকামনা রইলো।

৩৮| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:০১

আফসানা মারিয়া বলেছেন: পাখিদের গল্পগুলো মজার। বিশেষ করে টিয়া পাখিরটা। আমিও একদিন পাখির মতো উড়ে যাবো আকাশে।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১৩

জুন বলেছেন: স্বাগতম আমার ব্লগে আফসানা মারিয়া। গল্প নয় সত্যি কিন্ত :)
পাখির মত উড়তে পারলেতো ভালোই হতো, আমিও ফুরুত করে নীল আকাশে উড়ে উড়ে বেড়াতাম।
মজার মন্তব্যটির জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

৩৯| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩২

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনি নিজেই একটা পাখি। এক আকাশ থেকে অন্য আকাশে। আপনার মত বৈচিত্র্যময় জীবন আর কয়জনের হয়?

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৩৭

জুন বলেছেন: ডার্কম্যান
প্রথমেই আমার শুভেচ্ছা নিন পোস্ট পাঠ ও মন্তব্যের জন্য। এক আকাশ আর আরেক আকাশ কি করে হয় বলুনতো!! আকাশতো একটিই, বিরাট বিশাল মহাশূন্য পর্যন্ত বিসতৃত। আহা কেমন জানি অন্য গ্যালাক্সির আকাশ :)
অশেষ ধন্যবাদ ও শুভকামনা সবসময়ের জন্য।

৪০| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


পাখী নিয়ে পোষ্ট, আপনি পাখী ভালোবাসেন, এটা মানুষের মানবিক দিক।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৩৯

জুন বলেছেন: ছোট ছোট কথিকায় আপনিও আপনার মানবিক দিকটি ফুটিয়ে তোলেন যা পড়তে আপনার রাজনৈতিক পোস্টের চেয়েও বেশি ভালোলাগে চাঁদগাজী।

৪১| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: বাহ অনেক সুন্দর পোস্ট, এখনতো গ্রামেও টিয়া পাখি দেখা যায় না।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:২৫

জুন বলেছেন: গ্রামের টিয়া পাখি সব লোভী মানুষের হাতে ধরা পরে খাচায় বন্দী তারেক মাহমুদ।
মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

৪২| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পাখী নিয়ে সুন্দর পোষ্ট ।
সরাসরি প্রিয়তে ।
পোষ্ট টি পাঠের সাথে পাখী নিয়ে আমার প্রিয় শিল্পী
সতিনাথের একটি গানের কথা মনে পরে যায়
গানটি শুনা যাকনা একটু এখানে
পাখিটার বুকে যেন তীর মেরো না

আরো বলা যায়
খুলে দাওনা সব কটি জানাল ওরা আসবে
......
মন খুলে হাসবে খেলবে উঠান তলে
বাগিচার ডালে ডালে আর ঘরের চালে ।

শুভেচ্ছা রইল

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:২৮

জুন বলেছেন: এই গানটি আমারও অনেক প্রিয় ডঃ এম এ আলী ভাই। একসময় এইসব গান আমাদের দিনরাতকে রঙিন করে তুলেছে। এখন বাদ্যযন্ত্রের আড়ালে সুর আর বানীকে খুজে পাওয়াই দুস্কর।
আমার পোষ্টটি ভালোলাগা ও প্রিয়তে নেয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে।
বৈশাখের শুভেচ্ছা আপনার জন্য :)

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৩০

জুন বলেছেন: ওহ আরেকটি কথা, আপনার শেষ পোস্টটি দেখতে পাচ্ছি না যে! ওটাতে আমি একটি মন্তব্যও করেছিলাম।

৪৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:২০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: এত এত পাখির মেলা !!!
তোমার অতিথি আপ্যায়নে জুড়ি নেই দেখছি।
অনেক অনেক সুন্দর কথামালায় সাজানো ছবি ব্লগ।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৪০

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা তোমার জন্যও মনিরা। আমরা যারা ফেসবুকে নেই তাদের জন্য একটু ক্ষন সময় দিও ব্লগে :)

৪৪| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ সুন্দর প্রতি উত্তরের জন্য । হ্যাঁ আমার সাম্প্রতিক দেয়া একটি পোষ্টে আপনি খুবই সুন্দর একটি মন্তব্য করেছিলেন, আমি তার একটি জবাবও দিয়েছিলাম । মনে করেছিলাম সেটা হযতবা আপনার গোচরীভুত হয়েছে , এদিকে সেটাকে আরো একটু মডিফিকেশনের জন্য ড্রাফটে নিয়ে যাওয়ার কথা আপনাকে বলা হয়নি , অনেক বড় গলতি হয়ে গেছে , এর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি ।

উল্লেখ্য যে নিউজিল্যান্ডে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা ও তৎসস্ক্রান্ত বিষয়াবলি নিয়ে সহব্লগার বিদ্রোহী ভৃগুর একটি পোষ্টে মন্তব্য করতে গিয়ে আবেগ তারিত হয়ে কিছু কথা বলতে গিয়ে দেখি কথা শুধু বেড়েই যাচ্ছে । তাই মনে হয়েছিল মন্তব্যের পরিধি দৃষ্টিকটুভাবে বড় না করে এ বিষয়ে একটি পৃথক পোষ্ট দিয়ে দেই । সে প্রেক্ষাপটেই পোষ্টটি দেয়া হয়েছিল । তবে ফানাফিল্লাহ ও বাকাবিল্লাহ এর মত একটি বিষয়ে পোষ্ট দেয়ার পরে নীজের সাথে নীজেই যুদ্ধে হেরে গেছি । কেবলই মনে হচ্ছিল দুনিয়াধারী বহুবিদ কাজে যার নীজেরই গলতি হয়ে যায় ও অহেতুক কাজ হতে নীজেই যেখানে বিরত হতে পারছিনা এখনো, তখন এ বিষয়ে কোন কথা বলার নৈতিক অধিকার আমি এমহুর্তে রাখিনা আর সবচেয়ে বড় কথা হলো এ বিষয়ে আমার নীজেরই জ্ঞানের প্রচুর সীমাবদ্ধতা আছে । তাই পোষ্টের মডিফিকেশনের চাইতে আমার নীজেরই প্রচুর মডিফিকেশন প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে হল । ইত্যাকার বিবিধ কারণে পোষ্টটিকে ড্রাফটে নেয়া হয়েছে, এখন সেখান হতে সেটাকে ফিরিয়ে আনার মত মনের যোর পাচ্ছিনিা । জানিনা কোন্‌ দিন আল্লা সে তৌফিক দিবেন । আমার জন্য দোয়া করবেন ।

শুভেচ্ছা রইল

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১০

জুন বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন ডঃ এম এ আলী। নিজের ভেতর দ্বিধা থাকলে আগে তার থেকে মুক্ত হওয়াই বাঞ্চনীয়। আশাকরি আরেকটি সুন্দর লেখা নিয়ে শীঘ্রই আমাদের মাঝে হাজির হবেন। সেই অপেক্ষায় :)

৪৫| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: ভীষণ ভীষণ আনন্দ পেলাম এমন অভিনব একটি পোস্ট পড়ে। পড়া ও স্ক্রল করার সময় সারাক্ষণ মুখে হাসি লেগে ছিল। :D


এই ভাত শালিকগুলো আমার ছোটকালে বেশ শখের ছিল। সকালবেলা উঠানে কয়েকজোড়া মুক্ত ভাত শালিক (আমি ডাকতাম শারক পাখি) ও ঘুঘুর ভাতের উপর লুটোপুটি খাওয়া এখনও চোখ বন্ধ করলেই দেখতে পাই। নিয়মিত আসত বাড়িতে, বিশেষ করে শীতকালে।

চমৎকার মন ভালো করে দেওয়া একটি ছবিময় পোস্টের জন্য রাশি রাশি শুভেচ্ছা জুন'পার জন্য।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১৫

জুন বলেছেন: আমার কেন জানি মনে হয়েছিল এই পোস্টটি আপনার ভালোলাগবে আখেনাটেন। আমার মনে হয় এখনো আপনার বাড়িতে অনেক পাখি আসে। একজন আমাকে একবার বলেছিল তাদের গ্রামের বাড়ির ফলগুলো পাখি আর কাঠবিড়ালি খেয়ে ফেলে। তাই তারা নেট দিয়ে ঢেকে রাখে, থালা পিটিয়ে শব্দ করে। আমি বলেছিলাম থাকনা ওদের ও তো কিছু হক আছে আমাদের ফলে।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ মন ভালো করা এক মন্তব্যের জন্য।
পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা রইলো।

৪৬| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০২

নাসির ইয়ামান বলেছেন: জুনাপা,আল্লাহ আপনাকে শান্তিতে রাখুন!

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

জুন বলেছেন: আমিন।

৪৭| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:০০

আমি তুমি আমরা বলেছেন: কাকও আসে দেখা যাচ্ছে।

চমৎকার এই ছবি ব্লগে ভাল লাগা রইল।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

জুন বলেছেন: অনেকদিন পর আমার ব্লগে আপনাকে দেখে খুব ভালোলাগলো আমি তুমি আমারা।
আশাকরি ভালোই আছেন।

৪৮| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ছবি + লেখা দুটোই ভালো লেগেছে :)
আমার ব্লগে দাওয়াত রইলো :)

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:১১

জুন বলেছেন: ছবি + লেখা দুটোই ভালোলাগার জন্য অশেষ ধন্যবাদ আর্কিওপটেরিক্স ।

এখুনি যাচ্ছি আপনার ব্লগ বাড়ীতে দাওয়াত খেতে :)

৪৯| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:২৭

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: এতো দেখছি পাখির হাট, দারুণ! দারুণ!! পাখিদের এমন সেবায় মনে খুবই তৃপ্তি পাওয়া যায়।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৭

জুন বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন সাদা মনের মানুষ।
অনেক ভালোলাগে পাখিদের সাহচর্যে :)
মন্তব্যে আন্তরিক ধন্যবাদ।

৫০| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৪৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: তুমি কি আমার পোস্টগুলো দেখতে পাও না :((

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:১৩

জুন বলেছেন: এই গরমে মাথা নষ্ট, চোখে ঝাপ্সা দেখি আর্কিওপটেরিকক্স :(
কখন কে কি পোস্ট দিতেছে কিছুই টের পাই না,
যখন যেটা সামনে থাকে সেখানেই ঢু মারি :`>
আর আপনার এই ভাবে নোটিফিকেশন দেয়ার সিস্টেমটা অনেক পছন্দ হইছে। একলাফে ৯৯ থিকা ১০০ :P

৫১| ০৪ ঠা মে, ২০১৯ রাত ১২:১৫

রাকু হাসান বলেছেন:

ছবি এবং ছোট ছোট বাক্য দিয়ে এত সুন্দর কিছু বলা যায় এই প্রথম জানলাম । বেশ ক দিন আগেই পড়েছিলাম লেখাটা । খুব ভালো লাগছে । ছবি গুলো তুলায় সৃজনশীলতার ছাপ স্পষ্ট । অসাধারণ ছবি তুলেন । মুগ্ধতা রইলো পোস্টে । জুন আপু ভালো থাকুন ।

০৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:২৩

জুন বলেছেন: রাকু হাসান
এত আন্তরিক একটি মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার পাওনা। বিশেষকরে আমার ছবি তোলার দক্ষতা ও কাব্য প্রতিভার প্রশংসা করার জন্য B-) আগে পড়লেও পরে এসে কিছু বলতে ভুলে যান নি তার জন্য আবারও এক দফা ধন্যবাদ। সাথে থাকবেন সবসময়।
শুভকামনা সবসময়ের জন্য।

৫২| ০৫ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১:৩৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপনিতো অবশ্যই জানেন যে থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্নের অভিষেক অনুষ্ঠান শনিবার সকালে শুরু হয়েছে। শুনেছি থাই সেনাবাহিনী ঘিরে রেখেছে উৎসবের কেন্দ্রস্থল। পেছনের জানালা দিয়ে হলের মূল আনুষ্ঠানিকতা দেখার অনুমতি মিলেছে সাধারণ মানুষের। প্রতীকী অর্থে সাধারণ মানুষ থেকে স্বর্গীয় এক পুরুষে পরিণত হবেন নতুন রাজা।এরপর নয় স্তরবিশিষ্ট ছাতার নিচে আসন গ্রহণ করবেন রাজা রামা এক্স। সেখানে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হবে ৭ দশমিক ৩ কেজি সোনা দিয়ে মোড়ানো বিজয়ের মুকুট যার শীর্ষে রয়েছে ভারত থেকে আনা হীরা। থাইল্যান্ডের বেশির ভাগ মানুষ প্রথমবারের মতো অভিষেক অনুষ্ঠানের সাক্ষী হতে যাচ্ছেন। আপনার সুবাদে আমরাও সুন্দর সচিত্র বিবরনসহ সাক্ষি হতে চাই ।জাঁকালোভাবে আয়োজিত এ অভিষেক অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টিকারী মহুর্তগগুলি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোয় সম্প্রচারের কারনে এখানে বসে তার কিছুটা দেখার সৌভাগ্য হলেও তাতে দেখার পুরা তৃপ্তি আসেনি। আপনার সুলেখনীতে সচিত্রভাবে জমকালো দৃশ্যগুলি উঠে আসলে অনেক ভাল লাগবে বলে মনে করি ।

শুভেচ্ছা রইল

০৬ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:২৩

জুন বলেছেন: আমার উপর এতটা আস্থা রাখার জন্য ভীষণ খুশি হয়েছি ডঃ এম এ আলী। আসলেই যেমন প্রচন্ড রোদ, পারদের মাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুয়েছে তেমনি নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা চারিদিক। তারপর ও চেষ্টা করবো আপনার অনুরোধ রাখতে। একটু ধৈর্য্য ধরতে হবে যে :)

৫৩| ০৯ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৫৭

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: দারূন পাখির ছবিগুলো।

১০ ই মে, ২০১৯ সকাল ৮:৪৫

জুন বলেছেন: স্বাগত আমার ব্লগে মেঘ প্রিয় বালক।
আমার স্বাধীন পাখীদের ভালোলাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৫৪| ১২ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭

নীল-দর্পণ বলেছেন: খুবই ভালো লাগল পাখিদের দেখে। শুনেছিলাম যাদের মন নরম তাদের বাসায় নাকি পাখি বাসা করে। তাহলে যারা এরকম খাবারের আয়োজন করে তাদের কথা তো বলার অপেক্ষাই রাখে না।
আমাদের বারান্দায় নতুন একটা গাছের চারা উঠাতে যে কী কসরত করত হয় চড়ুই এর জন্যে। নতুন কচি গাছ উঠলেই খেয়ে ফেলে! আবার এদের কিচিরমিচির ভালো লাগে।

১২ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫০

জুন বলেছেন: আমি যাদের কাছ থেকে পাখিদের জন্য ফল কিনি তারাও খুশি হয়ে বলে " আফা সবার বাসায় চাইলেও পাখি আসে না, আপনের মনডা ভালো "। তারাও পাখিদের প্রতি মমতায় বেশ কিছুটা দাম কমিয়ে রাখে।
আপনার মত আমার বোনেরও একই অবস্থা। টবে ধনেপাতা বুনেছিল। চারা গজানোর সাথে সাথেই চড়ুই এর পেটে। ও পাখিদের খেতে দিতো। ওর বারান্দায় সারাদিন পাখিদের হুল্লোড় লেগেই থাকতো।
অনেকদিন পর পর পুরনো মানুষের দেখা পাওয়াটা যে কত আনন্দের। আবার ফিরে আসুন নিয়মিত হয়ে। ভালো থাকুন। শুভকামনা সতত।

৫৫| ২৯ শে মে, ২০১৯ সকাল ১০:১৯

ওসেল মাহমুদ বলেছেন: পাখপাখালীর সচিত্র সুলেখা টি প্রিয়তে নিলাম ! আমার সকালটাই যেন পাখীময় কিচিরমিচিরের মাঝে প্রাণবন্ত হয়ে উঠলো !ধন্যবাদ চমৎকার ডকুড্রামাটি শেয়ার করার জন্য ! অনেক অনেক শুভকামনা !
+++++++++++

৩১ শে মে, ২০১৯ সকাল ৮:০৩

জুন বলেছেন: আমার প্রিয় পাখীদের প্রিয়তে নেয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ ওসেল মাহমুদ । এরা আমার একগুচ্ছ অক্সিজেন এই ইট পাথরের শহরে । আপনার জন্যও একরাশ শুভকামনা রইলো ।

৫৬| ২৩ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৫০

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: এত ভাল লাগলো। খুব ভাল মানুষ আপনি। স্রষ্টা আপনার ভাল করুক।

২৪ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

জুন বলেছেন: আপনার আশীর্বাদে ধন্য আমি । আমার প্রিয় পাখীদের নিয়ে লেখাটি পড়েছেন কষ্ট করে তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে রিম সাবরিনা জাহান ।
উল্লেখ্য সাবরিনা আমার ছোট বোনের নাম :)

৫৭| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৩১

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: অসাধারন পোষ্ট।
এই ছবি গুলো তোলার জন্য যে ধৈর্য দরকার, তা আমার নেই।
অসাধারন।

১৩ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পোষ্টটি দেখেছেন আর তা জানিয়েও গেছেন উদার ভাই :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.