নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched - they must be felt with the heart---Helen Keller

জুন

ইবনে বতুতার ব্লগ

জুন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ওয়াট সাকেত বা সোনার পাহাড়, ছবি ব্লগ

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৪১

ব্যাংককের আকাশ ছোয়ার চেষ্টায় ওয়াত সাকেত বা গোল্ডেন মাউন্ট
পুর্ব ব্যাংককের ঐতিহাসিক এলাকার একটি অন্যতম আকর্ষন ওয়াট সাকেত যা গোল্ডেন মাউন্ট টেম্পল নামে পরিচিত। সবুজ বনানী ঘেরা কৃত্রিম পাহাড়ের উপর নির্মিত ওয়াট সাকেতকে দেখতে পুন্যার্থী ছাড়াও বিদেশী পর্যটকরাও আসে নিয়মিত। এক ব্যতিক্রমী নকশায় নির্মিত লোহা প্রাসাত আর বিশাল দোলনা-ওয়ালা ওয়াত সুথাত থেকে ৫ মিনিটের হাটা পথ এই ওয়াত সাকেত এই তিনটি স্থাপনা যা আপনি একদিনেই দেখে নিতে পারবেন।
সিড়ির পাশে পাথরের উপর ওয়াত সাকেত যা গোল্ডেন মাউন্ট এর নাম লেখা


মাথাপিছু ৫০ বাথ টিকিট কেটে সিড়ির গোড়ায় এসে দম নিলাম। ৩৪৪ টা সিড়ির ধাপ পেরিয়ে পৌছাতে হবে গোল্ডেন মাউন্টের চুড়ায়। মাটি থেকে ৮৮ মিটার উচু চুড়াটি ছিল শতাব্দী জুড়ে ব্যংককের আকাশসীমায় সর্বোচ্চ পয়েন্ট। সাম্প্রতিককালে দুটো বিল্ডিং তাঁর এই গৌরবকে ক্ষুন্ন করেছে একটি কিং পাওয়ার মহানাখন আরেকটি আইকন সিয়াম।
ডান দিকে ব্যাতিক্রমী নকশার কিং পাওয়ার মহানাখন ব্যাংককের আকাশ ছুয়ে আছে

৩৪৪ টা সিড়ির ধাপ পেরিয়ে পৌছাতে হবে গোল্ডেন মাউন্ট এর চুড়ায়

যাই হোক দম নিয়ে সিড়ির দিকে পা বাড়াতেই ডান দিকে পাথরের গায়ে লেখা সিড়ির সংখ্যা আর তাঁর উপরে তিনটি বিখ্যাত বাঁঁদর যা কানে শোনে না, চোখে দেখে না, মুখে বলে না । এক পা এক পা করে আমি একাই উঠছি, আমার সহ পর্যটক উঠবেন্না কারন এত সিড়ি বাইতে তাঁর কষ্ট হয়।

লতানো গাছে ছাওয়া সিড়ি দিয়ে উঠে যাচ্ছি মন্দির চুড়ায়

সিড়ির দুধারে নানা রকম মুর্তি তারই একটি ব্রোঞ্জের এই পৌরানিক ড্রাগন

নীচে পুরোনো ব্যংকক শহর

পাহাড়ের গায়ে ব্রোঞ্জে খোদাই করা ওয়াত সাকেত

মাঝে মাঝে থেমে ছবি তুলছি সেই আয়ুথিয়া আমলে তৈরি প্রাচীন মন্দি্র। তবে পরবর্তীতে চক্রী বংশের রাজা প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম রামার হাত ধরে এর প্রভুত সংস্কার হয়েছিল। বেড়েছিল উচ্চতা যা ৮৮ মিটার। থাই ঐতিহ্যবাহী নকশায় নির্মিত ওয়াট সাকেত কিন্ত কৃত্রিম পাহাড়ের উপর যা বহুদুর থেকেও দেখা যায়। শ্রীলংকা থেকে আনা গৌতম বুদ্ধের কিছু নিদর্শন এখানে রয়েছে যেমন হাড়, চুল দাত ।
এই ঘন্টায় শব্দ করলে তা সৌভাগ্যশালী হবে বাজনাদারের জন্য

উপরে উঠছি আর টুং টাং ঘন্টার ধ্বনি কানে আসছে । সেই শব্দ অনুসরন করে উঠে যাচ্ছি লাল চওড়া চওড়া ঘোরানো সিড়ি বেয়ে যার জন্য এতগুলো ধাপ পেরোতে কষ্ট হয়নি। ৩১৮ নম্বর সিড়ির সাথে আছে একটি কাফে যেখানে এক কাপ কফি খেয়ে পরের ধাপ গুলো ওঠার শক্তি জোগাড় করতে পারেন। এছাড়াও আছে পথের পাশে মজার মজার কিছু মুর্তি আর বড় বড় ঘন্টা যা বাজ্বালে বাজনাদারের জন্য নাকি সৌভাগ্য নিয়ে আসে।

অশথ গাছের নীচে ছোট্ট বুদ্ধের মুর্তি রয়েছে গোটা কয়েক

শায়িত বুদ্ধ, বুদ্ধধর্মীরা বিশ্বাস করে এটা তাঁর মৃত্যুশয্যা

সেই ঘন্টা বাজিয়ে ছবি তুলতে তুলতে অবশেষে মুল মন্দিরে হাজির হোলাম যেখানে শায়িত আছেন গৌতম বুদ্ধ । মাথার দিকে রয়েছে অশোক গাছ যার নীচে ধ্যান করে গৌতম বোধি প্রাপ্ত হয়েছিলেন, এই জন্য অশোক গাছ বুদ্ধদের কাছে পুজনীয়।
ছোট ছোট ঘন্টা যা বাতাসের ঘায়ে অবিরাম টুং টুং করে বেজেই চলেছে,

মুল মন্দিরের চারিদিকের কার্নিশে ঝোলানো রয়েছে ছোট ছোট ঘন্টা যা বাতাসের ঘায়ে অবিরল টুং টুং করে বেজেই চলেছে, সেই সুর চারিদিকে ছড়িয়ে পরছে এক মিহি কাপন তুলে যা আমাদের হৃদয়ের তন্ত্রীতেও ঘা দিয়ে যাচ্ছে।
রাতের বেলা আলোকজ্জ্বল হয়ে ওঠে এই স্বর্ন মন্দির, আর নীচে ঝোলানো অশথ পাতায় মনের ইচ্ছা পুরনের জন্য লেখা

উপরে যে বিশাল চত্বর সেখানে অনেকে বড় বড় শিলাপাথরে খোদাই করা বুদ্ধের বানী পড়ছে কেউ বা নীরবে প্রার্থনা করছে আর কেউ কেউ শুধুই বসে বসে পাশেই ছাওপ্রায়া নদী থেকে হু হু করে ভেসে আসা ঠান্ডা বাতাসে প্রান জুড়িয়ে নিচ্ছে সেই সাথে চারিদিকের দৃশ উপভোগ করছে। আমি ছিলাম শেষের দলে।
উপরের খোলা চত্বরে

বুদ্ধ ধর্মের কোন পৌরানিক চরিত্র নাম জানিনা

প্রার্থনারত একটি মেয়ে

পাহাড় চুড়োয় ওয়াত সাকেতের আংগিনায়

লাল রঙের চওড়া চওড়া ঘোরানো সিড়ি ধীরে ধীরে নেমে আসি মাটিতে

আফগানিস্তানের বিখ্যাত বামিয়ান গুহা যা তালেবানদের হাতে ধ্বংস হয়েছিল তারই একটি মডেল তারা বানিয়ে রেখেছে

কোন এক প্রাচীন মন্দিরের আর্চওয়ের সামনে ব্লগ লেখিকা

সব ছবি আমার তোলা, মহানাখন বিল্ডিং নেট আর শুধু শেষেরটা সহপর্যটক তুলেছে :)
ভাবছি থাইল্যান্ড ভ্রমন নিয়ে একটা বই লিখবো যাতে থাকবে সব খুটিনাটি ঘুরঘুর

মন্তব্য ৬৭ টি রেটিং +২০/-০

মন্তব্য (৬৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: শুভেচ্ছা স্বাগতম
জুনআপুকে দেখলুম :`>

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:১৯

জুন বলেছেন: কেন পুই পাহাড়েও একটা ছবি ছিল আমার ঢাবিয়ান ।
প্রথম মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ । ওয়াট সাকেতে যাইবেন কিনা তাতো বললেন না !!
ভাবছি বই লিখবো :)

২| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৪৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার ছেলে কি এখনো সেখানে?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৪৭

জুন বলেছেন: জী সব যোগাযোগ বন্ধ।

৩| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:২২

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: সুন্দর সব ছবি সহ চমৎকার ভ্রমণবয়ান, ভালো হয়েছে।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:২১

জুন বলেছেন: ভালোলেগেছে জেনে অনেক ভালোলাগা রইলো জলদস্যু :)

৪| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: ছবি গুলো দেখে ভালো লাগলো।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:২৫

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ রাজীব নুর সাথে থাকার জন্য ।

৫| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:১০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বৌদ্ধ মনাস্ট্রিতে ঢোকার আগে এই ঘন্টা না বাজালে প্রবেশাধিকার পাইনি। উত্তর ভারত সহ ভূটানের ফুন্টশেলিংএ আমার এই অভিজ্ঞতা হয়েছিল আপু। আপনাকে আগেও একবার বলেছিলাম। বরাবরের মতো আপনার বর্ননা ও ছবিগুলো খুব ভালো লেগেছে।+
পোস্টে লাইক।

শুভেচ্ছা জানবেন।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:০৩

জুন বলেছেন: পদাতিক আপনার অভিজ্ঞতাটি আগেও একবার বলেছিলেন আমার পোস্টে । তবে ভুটানে বিশেষ করে ক্লক টাওয়ারের কাছে যে বিশাল মনেষ্ট্রি আছে সেখানে আমাকে কেউ ঘন্টা বাজাতে বলে নি কিন্ত আমি স্বতোপ্রনোদিত হয়ে ঘন্টা বাজিয়েছি, তারপর চাকাও ঘুরিয়েছি ;)
আমার লেখার সাথে সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ।
আপনার তমোময়ী শেষ করেন তারপর একবারে পড়বো :)

৬| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:২৬

সোহানী বলেছেন: পাহাড়ের নাম কেন সোনার পাহাড়? ৩৪৪ টা সিঁড়ি পার হবার জন্য আমার মতো বৃদ্ধদের জন্য কি ব্যবস্থা??

যাহোক, ঘুরে আসলাম আপনার সাথে। যাবো নিশ্চয় কোন একদিন। দেশে থাকতে দু'বার থাই ট্যুর মিস করেছিলাম অফিসের ঝামেলার জন্য। অবশ্য ভালোই হয়েছে যে অফিসিয়াল ট্যুরে নিজের মতো করে ঘুরা যায় না। যখন যাবো তখন স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াবো।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:১৫

জুন বলেছেন: ৩৪৪ টা সিঁড়ি পার হবার জন্য আমার মতো বৃদ্ধদের জন্য কি ব্যবস্থা??
সোহানী এমন কোন ব্যাবস্থা তো নজরে পরে নি । তবে সিড়ির ধাপগুলো এত চওড়া দেখেছেন তো ছবিতে যে কখন ৩৪৪ সিড়ি পার হয়েছি খেয়ালই করতে পারি নি :)
আপনার ভাই এর প্রায়শই অফিসিয়াল ট্যুর বা রিজিওনাল ওয়ার্কশপ থাকে ব্যাংককে, আমি সাথে গিয়ে একা একা মনের মত ঘুরি। এখনতো থাকিই তাই দুজনে মিলেই ঘুর ঘুর করি ।
আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ রইলো
আর পাহাড়ের নাম সোনার পাহাড় এই জন্য যে পুরো মন্দিরটি সোনালী রঙের যা রাতের আধারে ঝলমল করে উঠে ।
ছবিটি দেখুন নেট থেকে নিয়েছি

৭| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ২:২৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সুন্দর সুন্দর ছবি।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:৫৮

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ নেওয়াজ আলি :)

৮| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ভোর ৬:০১

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: ৩৪৪ সিঁড়ি উঠার পর থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে তো ? =p~

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:০২

জুন বলেছেন: আছে তো বিশুদ্ধানন্দ ৩১৮ নম্বর সিড়ির সাথে ক্যাফে !! বাজনাদার ঘন্টার পরের প্যারেতেই :-*
দাড়ান ছবি দেই দেখেন আমার মোবাইলে তোলা :)
মন্তব্য দিয়ে সবসময় উৎসাহিত করেন তাঁর জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে ।

৯| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৯:৫৭

ইসিয়াক বলেছেন: সুন্দর পোস্ট।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৩

জুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইসিয়াক আপনাকে এসেছেন বলে ।

১০| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:১৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর।+

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৪

জুন বলেছেন: সুন্দর বলার জন্য অশেষ ধন্যবাদ সেলিম আনোয়ার ।

১১| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৩৮

জোবাইর বলেছেন: ওয়াট সাকেত বা সোনার পাহাড় নাম দেখে মনে করেছিলাম পাহাড়ে সোনার খনি আছে! পোস্ট পড়ে জানলাম সোনালী রঙের মন্দিরটির জন্যই সোনার পাহাড় নাম। তথ্যসহ চমৎকার ছবির জন্য ধন্যবাদ।

ছবির ক্যাপশন টিপস: সামুর পোস্টে কোনো ছবি দিলে ছবির লিঙ্কের পরে অটোমেটিকভাবে একটা লাইন ব্রেক হয়। তাই লাইন ব্রেক দিয়ে ক্যাপশন লিখলে ক্যাপশনটি ছবি থেকে একটু দূরে চলে যায়!
সমাধান: লাইন ব্রেক না দিয়ে ছবির লিঙ্কের পাশেই ক্যাপশন লিখতে পারেন। যেমন:-
https://s3.amazonaws.com/somewherein/June-1632114115_xlarge.jpg সোনালী রঙের মন্দির

থাইল্যান্ড ভ্রমণ নিয়ে বই লেখার উদ্যোগের জন্য অগ্রিম অভিনন্দন! আমি অনেক বছর আগে ব্যক্তিগত কাজে একবার ঝটিকা সফরে ব্যাংকক গিয়েছিলাম। দৌড়ের ওপরে ব্যাংককের আশেপাশে ঘুরে দেখেছিলাম। সব স্মৃতি এখন মনে নেই। হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে ভবিষ্যতে থাইল্যান্ড ভ্রমণ করতে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। এরমধ্যে আপনার বই প্রকাশিত হলে তো আর কথাই নেই, হাতের মুঠোয় থাইল্যান্ড ভ্রমণের জীবন্ত গাইড পেয়ে যাবো।

বই প্রকাশের ব্যাপারে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি ভ্রমণ সংক্রান্ত বইয়ে আকর্ষণীয় সাইটগুলোর রঙিন ছবি অবশ্যই থাকতে হবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে প্রকাশকেরা রঙিন ছবি দিয়ে বই ছাপাতে চাই না। কারণ এতে খরচ বেশি পড়ে, বইয়ের দাম বেড়ে যায়। প্রকাশকদের পছন্দ - কোনো ধরনের ছবি ডায়াগ্রাম ছাড়া ২০০-৩০০ পৃষ্টার বই। এগুলো বিক্রিও হয় বেশি, আবার লাভের পরিমাণও বেশি। এক হাজার পৃষ্টার ওপরে ছবি-ডায়াগ্রামসহ আমার নিজের লেখা কয়েকটি বইয়ের পান্ডুলিপি আছে যেগুলো প্রকাশকেরা ওদের টাকায় ছাপাবার ঝুঁকি নিচ্ছে না। তাই আপনার বইয়ের ফাইনাল পান্ডুলিপি তৈরি করার আগে প্রকাশকের সাথে আলাপ করে সব বিস্তারিত জেনে নিন। অন্যথায় পরিশ্রম করে পান্ডুলিপি তৈরি করার পর ছাপাতে গিয়ে হতাশ হতে হবে।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো, ভালো থাকুন।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৪

জুন বলেছেন: প্রথমেই আপনাকে জানিয়ে রাখি আন্তরিক ধন্যবাদ জুবাইর । আপনার পরামর্শ মত আমার ছবির ক্যাপশনগুলো ঠিক যায়গায় আনতে পেরেছি । যার ফলে পোস্টের সৌন্দর্য্য বহুগুনে বেড়েছে বলেই মনে করি :)
বই প্রকাশের ব্যাপারে আপনার কথাগুলো খুবই গুরুত্বপুর্ন । এখন সব কিছুই কম্পিউটারের মাধ্যমে আমাদের হাতের মুঠোয়। সেখানে রঙ্গিন ছবি সহ নানা রকম সাম্প্রতিক টিপস দেয়া থাকে। সেখানে আমার সন্দেহ হয় যে আমার সাদামাটা লেখাগুলো পড়ার পাঠক আছে কি না ? দ্যু একজন প্রকাশক আমাকে বলেছে পান্ডুলিপি তৈরি করে দিতে কিন্ত সেটা আমার কাছে অনেক পরিশ্রমের মনে হয় আর আমার এত সময়ও নেই । তাই চিন্তা ভাবনা পর্যন্তই সীমিত আছে । আর আপনি কিন্ত অনেকদিন হয় লেখালেখির মধ্যে নেই । এখানেতো লিখতে পারেন নাকি ? তাড়াতাড়ি কিছু লিখেন :)
আবারও ধন্যবাদ সাথে শুভকামনা রইলো।

১২| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:১৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: প্রথমত : চমৎকার যতসব ছবি; অনেক ভালোলাগা রইলো।
দ্বিতীয়ত : আপনার ছবি যখন দিলেন তাহলে কেন ইচ্ছে হবে কালো ছবিটি দিলেন; এর জন্য গোস্বা করলাম :(

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩০

জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ দেশ প্রেমিক বাংগালী ।
সাদাকালো ছবি যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ এইটা জানেন তো :`>
ভালো থাকুন সব সময় ।

১৩| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৩২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: সুন্দর।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩১

জুন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে :)

১৪| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৫০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: চমতকার ভ্রমণ ব্লগ। আমি যে কবে ভ্রমণ করমু :(

থ্যাংকিউ আপু

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:৪৯

জুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কাজী ফাতেমা ছবি। মনের ইচ্ছে থাকলে অবশ্যই যেতে পারবেন :)

১৫| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৫৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন,




এযে দেখি সোনার পাহাড়ে সোনার কৈন্যা, আমাদের সামুব্লগের থাই এম্বাসেডর। :P
বই লিখবেন বলেছেন, তা আপনি কি ওখানের ঘন্টা বাজিয়ে ছিলেন ? অশ্বত্থ পাতায় ইচ্ছে পুরণের কথা লিখে এসেছিলেন তো ?

ইচ্ছে পুরণ হোক ..................

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:০৩

জুন বলেছেন: আহমেদ জী এস,
সোনার কৈন্যা বইলা লজ্জা দিলেন মনে হয় :``>>
আমি হইলাম যারে বলে মাটির কৈন্যা #:-S
বই লিখলে আপনি একটা কিনবেন আগে কথা দেন তারপর চিন্তা ভাবনা করবো :)
মজার একটি মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে।

১৬| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৪৭

শেরজা তপন বলেছেন: অবশেষে আপনার চেহারা মোবারকের দর্শন পেলাম! আমি প্রীত ও অভিভুত- কেননা আমার কল্পনার সাথে বেশ খানিকটা মিলে গেছে :)

কখন যে আপনার পোষ্টটা চোখের ফাঁক গলে বেরিয়ে গেছে টের পাইনি। আমি ভয়ানক রকমের দৌড়ের মধ্যেও একটা পোস্ট দিয়ে ফেঁসে গেছি- কারো লেখা দেখবার সুযোগ পাইনি।

আপনার পোস্ট পড়া মানে একরকম ঘুরে ফিরে নিজের চোখেই দেখা!

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:১৪

জুন বলেছেন: আপনি সব সময় দৌড়ের উপর থাকেন শেরজা তপন! তো আপনার কাজটা কি? উসাইন বোল্টের মত সারাক্ষণ দৌড়ের উপর :-* মুজতবা আলীর পোস্টে মন্তব্যের উত্তর দিতে গিয়েও এই কথা বলছেন দৌড়াইতেছি :(
যাক কি আর করবেন তারপর ও আশাকরি আপনার সরব উপস্থিতি :)
অনেক ভালো থাকুন আর লিখে যান আমাদের জন্য আপনার গবেষণালদ্ধ লেখাগুলো। মানে আমার মত ফাকিবাজি না :`>

১৭| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৩৬

রাকু হাসান বলেছেন:

অবশ্যই খুব সুন্দর । আমি তো ভেবেছিলাম ৯০-৯৫ বছর বয়স হবে জুন আপুর । :) হাহাহা
বই লেখার সিদ্ধান্তটি আামার ভালো লেগেছে। এবং যদি লেখেন তাহলে পাঠক প্রিয়তা পাবার সম্ভবনা অনেক বেশি । এর চেয়ে কত কম ভ্রমণ করে ,কম অভিজ্ঞতায় বই লেখার সাহস করছে অনেকেই । বেরও করেছে।
শুভকামনা আপনার জন্য । সামনে বই মেলায় তাহলে ?

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:১৭

জুন বলেছেন: ৯০/৯৫ ই আপনি ঠিকই ধরেছেন রাকু হাসান B-)
যারাই আমার বই লেখার সিদ্ধান্তকে সমর্থন দিবে তাদের প্রত্যেককে দুইটা করে বই কিনতে হবে, নইলে এই বই এর বোঝা নিয়ে কই যাবো :-/
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, অনেক দিন পর আমার ব্লগে আপনাকে দেখে অনেক ভালোলাগলো। শুভকামনা সবসময়।

১৮| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৪৩

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: ছবিতে আপনাকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি না - ঝাপসা দেখাচ্ছে।
আমারও কি চোখে সমস্যা হয়ে গেলো নাকি আপনার মতন ? নাকি 'শেরজা তপনের' শুঁড়িখানার পোস্ট পড়ার কারণে ঝাপসা দেখছি ? :P

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:২১

জুন বলেছেন: আমার পোস্টই হোক আর শেরজা তপন এর শুড়িখানাই হোক বিশুদ্ধানন্দ আপনি কি জানেন না ছবি যত বিদঘুটে হোক আর ঝাপসাই হোক বিচারকের মানদন্ডে সেটাই ফাস্টো ;)
এই জন্যই এই ছবিটি চয়ন করেছি বুঝেছেন :)
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সাথে শুভকামনা জানবেন।

১৯| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:৩১

ওমেরা বলেছেন: সবগুলো ছবিই থুব সুন্দর হয়েছে ।৩৪৪ টা সিড়ি শুনেই ভয় লাগছে, কিন্ত সিড়িঁ নেই,১১৫ মিটার উঁচু পাহাড়ের উপরে এক দৌড়েই তো গেলাম গত শনিবারে। একটুও মিথ্যা কিন্ত বলি নাই আপু । :D

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৩১

জুন বলেছেন: আপনার বয়স কম এক দৌড়ে পাহাড়ে উঠেছেন। অল্প বয়সে আমরাও এক দৌড়ে সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ের মাথায় উঠতাম। এখন এই বেতো পা নিয়ে এমন ভাবলে বিস্মিত হই ওমেরা :)
তবে ওয়াত সাকেতের ৩৪৪ সিড়ি হলেও সিড়িগুলো যেমন চওড়া তেমনি ধাপগুলোও ছোট ছোট, যাতে বয়স্ক পুন্যার্থীদের উঠতে কষ্ট না হয়।
মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

২০| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:১৫

জুল ভার্ন বলেছেন: অসাধারন সুন্দর ছবির সাথে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা মুগ্ধ করেছে। প্লাস।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৩২

জুন বলেছেন: মন্তব্য সাথে প্লাসের জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকুন সব সময়।

২১| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:১৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এতো পাহাড় থাকতে কৃত্রিম পাহাড়ের উপরে কেন মন্দির? আপনার ছবি যখন দিলেনই এতো অস্পষ্ট ছবি কেন দিলেন! :)

বৌদ্ধরা মনে হয় নাস্তিক। গৌতম বুদ্ধ তো মানুষ ছিলেন। যদিও বৌদ্ধরা তাকে ভগবান বুদ্ধ বলে।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৪১

জুন বলেছেন: ব্যাংকক শহরের ভেতরে কোন পাহাড় নেই, এটা মুলত নদী বিধৌত পলিমাটির উপর গড়ে ওঠা শহর। পাহাড় বেশিরভাগ চিয়াং মাই, চিয়াং রাইতে। আর সেখানেও অনেক বৌদ্ধ মন্দির আছে। যেমন চিয়াং মাই এর দই সুথেপ রাজকীয় মন্দির। অবশ্য থাইল্যান্ডের সমস্ত মন্দিরের রক্ষাকর্তা বা মালিক থাই রাজা।
ঝাপসা ছবিই কই দেখলেন? এগুলোকে ঝাপ্সা বলে না বলে আর্টিস্টিক :`>
বৌদ্ধরা নাস্তিক না, তারা তাদের ধর্মে অনেক অনেক ডিভোটেড। তাদের ধর্মে যেগুলো বিধিনিষেধ আছে তা অধিকাংশ সাধারণ জনগণ মেনে চলে। আমার পরিচিত থাই মেয়েটি যেমন ধর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে বলে "আই এম স্ট্রং বিলিভার অফ মাই ফেইথ"। কিন্ত মেয়েটি অনেক অনেক আধুনিক,ফ্যাশনেবল আর শিক্ষিত। মাল্টিন্যাশনালে অনেক হাই পোস্টে চাকরি করে।
বুদ্ধ তো মুর্তি পুজা পছন্দ করে নাই বলেই তো নিজ ধর্ম থেকে বেরিয়ে এসেছিল এখন সেই বুদ্ধই পুজিত হচ্ছে গড বলে। একেই বলে কপালের ফের B-)
সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে সাথে শুভকামনা সবসময়।

২২| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:১৫

জ্যাকেল বলেছেন: বুদ্ধ শান্তির প্রতিক তাই থাইল্যান্ডে অশান্তি কম হয়। ছবিগুলা খুব ভাল হয়েছে।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:০৬

জুন বলেছেন: ইদানীং অশান্তি হচ্ছে এরশাদের মত এক সামরিক নায়ক যিনি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় বসে আছেন তার বিরুদ্ধে। এই আন্দোলনে কলেজ ইউনিভার্সিটির ছাত্ররাই জড়িত। তারা প্রকৃত গনতন্ত্রের দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে জ্যাকেল।
ধন্যবাদ আপনাকে।

২৩| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৫৮

রাফখাতা- অপু তানভীর বলেছেন: ৩৪৪ টা সিড়ির কথা শুনে ভাবছিলা শেষ পর্যন্ত উঠতে পেরেছিলেন কিনা । কিন্তু পরে দেখা গেল যে না পেরেছেন ।

হিংসা মিশ্রিত ডাবল লাইক দিলাম পোস্ট । ;)

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:২৭

জুন বলেছেন: ৮৮ মিটার উচু ওয়াট সাকেতে আমি চটপট উঠে পরলাম আর আমার সহ পর্যটক জানালো সে এত উচুতে উঠতে পারবেনা। কিন্ত ভুটানের টাইগার নেষ্ট মনেস্ট্রি যা ৮০০ মিটার উচু তার উপর পাহাড় বেয়ে উঠতে হয় সেখানে সে গাইড আর ছেলেকে নিয়ে উঠে গেল দুরদার করে। আমি নীচে গাড়িতে বসে রইলাম :(
অয়াট সাকেতে ৩১৮ নম্বর সিড়ির সাথে একটা ক্যাফেও আছে। অবশ্য টাইগার মনেস্ট্রিতেও অনেক বড় আর খোলামেলা ক্যাফে আছে যেখানে সবাই বসে রেস্ট নিয়ে উপরে উঠে।
হিংসা করা ভালো নয় অপু :)

২৪| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৫৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ধর্ম পালন করার পরও নাস্তিক হতে পারে। বৌদ্ধরা কোন ঈশ্বরে (সৃষ্টিকর্তা) বিশ্বাস করে না তাই তাদেরকে নাস্তিক বলেছি। নাস্তিক মানে যে ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না। বৌদ্ধকে তারা সম্ভবত সৃষ্টি কর্তা বলে না। বৌদ্ধধর্ম মুলত একটি ঈশ্বরবিহীন ধর্ম। তবে ওদের অনেক দল আছে। বেশীরভাগ দলই ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না। তাই বলা চলে এরা মুলত নাস্তিকতায় বিশ্বাস করে।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:৩৪

জুন বলেছেন: বৌদ্ধরা কোন গড আছে বলে বিশ্বাস করে না। তারা গৌতম বুদ্ধকে তাদের পথ প্রদর্শক মনে করে এবং তার বানীকে অনুসরণ করে চলে। আর সেই বানীগুলোতো মানব কল্যানের জন্যই রচিত। তারা নিজেদের বুদ্ধের অনুসারী বলে থাকে।
আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ আরেকবার এসেছেন তার জন্য :)

২৫| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৩৭

রাকু হাসান বলেছেন:

যারাই আমার বই লেখার সিদ্ধান্তকে সমর্থন দিবে তাদের প্রত্যেককে দুইটা করে বই কিনতে হবে, নইলে এই বই এর বোঝা নিয়ে কই যাবো
ওকে নিব :) তবু বই লিখুন । আচ্ছা থাইল্যান্ডে মিয়ানমার বিরোধী মনোভাব কেমন ?

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:৩৬

জুন বলেছেন: বই কিনবেন বাহ শুনেই অনেক খুশী লাগছে রাকু হাসান :)
মিয়ানমারকে পছন্দ করেনা আর তার প্রধান কারন থাইল্যান্ডের আয়ুথিয়া পিরিয়ডে বার্মার ক্রমাগত আক্রমণ এবং শেষের অভিযানে থাইদের জৌলুশপুর্ন রাজধানীকে ধ্বংসস্তুপে পরিনত করেছিল। এমনকি একই ধর্মের উপাসক হয়েও অসংখ্য বৌদ্ধ মুর্তি ও মন্দির ধ্বংস করেছিল।
সস্তা লেবারের জন্য থাই ব্যাবসায়ীরা বিশেষ করে বিভিন্ন ফ্যাক্টরি, ফিশ প্রসেসিং কারখানা, হোটেল, শপিং মল ও কাচা বাজারের লেবার হিসেবে মিয়ানমার শ্রমিকদের ডিমান্ড আছে।অবশ্য এসব ক্ষেত্রে ক্যাম্বোডিয়া আর লাওসের গরীব মানুষরাও আসে প্রচুর। থাইরা দেশের আয়তন অনুযায়ী লোক সংখ্যা কম তাই এই ধরনের কাজ তারা করতে চায় না,তাই মালিকরা অল্প মজুরীতে তারা মিয়ানমার লাও শ্রমিকদের উপর নির্ভর করে।
আরেকবার এসেছেন তার জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকুন সব সময়।

২৬| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:০৪

নীল আকাশ বলেছেন: ৩৪৪ সিঁড়ি উঠার কথা শুনে কিছুটা ভয় পেয়েছি।
ছবিগুলি খুব সুন্দর লেগেছে। প্রানবন্ত ছবি। ১৩ নাম্বার ছবিতে (চত্ত্বরের ছবিতে) কি কৃত্রিম ঘাস? বেশি সবুজ লাগছে ।

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:৩৯

জুন বলেছেন: না নীল আকাশ ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আসলে এত চওড়া করে ঘোরানো আর ধাপগুলোও ছোট ছোট।
আসল ঘাস না, কৃত্রিম ঘাস কিন্ত এত পরিস্কার আর নরম যে আপনি বুঝবেন না আসল না নকল।
মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা।

২৭| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ২:২১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আপনি থাইল্যান্ড ভ্রমণ নিয়ে বিনা দ্বিধায় গল্পে গল্পে ভ্রমণ কাহিনী ও ভ্রমণের যাবত্বীয় তথ্য উপাত্ত লিখতে পারেন। আপনার বইয়ের জন্য অগ্রিম শুভ কামনা রইলো। এবং অবশ্যই অবশ্যই আপনার একটি বইয়ের কপি আমি সংগ্রহ করবো।

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৪৯

জুন বলেছেন: জী ঠাকুর মাহমুদ ভাবছি ছোট ছোট টিপস সহ বেড়ানোর কিচ্ছা থাকবে। তবে একটা কথা কি জানেন সেটা হলো আমি দুনিয়ার আলসে। এই ব্লগেই এতদিন আছে আর কোন কিছুতে লেগে থাকা আমার ধাতে নেই :(
দোয়া করেন যেন এই ব্যাপারে সফল হই।
আপনিও কিছু লেখেন্না ইদানীং। লিখেন লিখেন ব্লগটা জমিয়ে রাখেন :)

২৮| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:১৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




বই লেখা একবার শুরু করুন - শেষ হবে আপনার আপন গতিতে। মূল বিষয় আপনার লেখালেখি শুরু করা। আজকে আমার নতুন পোস্ট আছে “মাংস পোলাও” পড়ে দেখতে পারেন।

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৪

জুন বলেছেন: পড়ে মন্তব্য করে এসেছি ঠাকুর মাহমুদ। অনেক ভালো লেগেছে গল্প + বাস্তব ঘটনাটি ।

২৯| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:২৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সোনার পাহাড় !!! ছবিতে সে নামের সার্থকতা পূর্ণ করেছে। সাথে আপনার বর্ণনা, চমৎকার এক ভ্রমণ হয়ে গেলো আমাদের। শীরই বেয়ে উঠার কথায় তো দম নিতে হচ্ছে :P তবে চমৎকার এই ঘণ্টার গম্ভীর ঢং ঢং খুব কানে আসছে।

দারুণ এক ভ্রমণের জন্য ধন্যবাদ আপু।

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৫

জুন বলেছেন: তোমাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ মনিরা সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য :)

৩০| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:২৫

হাবিব বলেছেন: আমার মন্তব্য খুঁজে পাচ্ছি না কেন??

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৯:৩৩

জুন বলেছেন: হাবিব স্যার আপনি আসলে আমার এই পোস্টে আসেনই নাই তাই মন্তব্য খুজে পাচ্ছেন না। কথা হলো গত কিছু দিন হলো আমি ঘন ঘন কয়েকটি পোস্ট দিয়েছি যা আমার বর্তমান স্বভাবের বাইরে। তাই হয়তো আপনি কনফিউজড :(
যাকগে তবু যে এসেছেন তার জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে।

৩১| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৩১

নীল-দর্পণ বলেছেন: ৩৪৪ স্টেপ শুনেই পা ব্যথা হয়ে গেল! বান্দরবানের স্বর্ন মন্দিরে উঠতে এমন উপরে যেতে হয়েছিল। সেখানে সিড়ি ছিল নাকি এমনি রাস্তা ধরে উঠতে হয় ভুলে গেছি! মাত্র ২০১৪ সালের স্মৃতি অথচ এখন মনে করতে পারছি না!
যাহোক আপনার ছবি এবং বর্ননা বরাবরের মতই সুন্দর ।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৫৬

জুন বলেছেন: ভালো আছেন নীল দর্পন? অনেক দিন পর পর উকি দিয়ে যান :)
না বান্দরবান এর বুদ্ধ ধাতু জাতি বা স্বর্ন মন্দিরের উচ্চতা মাত্র ৬০ ফিট বা ১৮ মিটার। আমি দেখে এসেছি সেই মন্দিরকে। আর ওয়াট সাকেত ৮৮ মিটার উচু। বুঝেন এই বুড়ি বয়সে আমি কই সিড়ি বেয়ে উঠেছি ;)
অনেক অনেক ভালো থাকুন আর সাথে থাকুন। শুভকামনা সবসময়ের জন্য।

৩২| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:০১

নীল-দর্পণ বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। গত ১২ তারিখ দু'জন কন্যা সন্তানের মা হয়েছি। তাদের নিয়েই এখন ব্যস্ততা বেশি। ব্লগে লম্বা বিরতির অন্যতম কারন ছিল তারা, তারা আসার আগে পুরোটা সময় নানান রকম শারিরীক জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। দোয়া করবেন আমার কন্যাদের জন্যে। ভালো থাকবেন । :)

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:১৩

জুন বলেছেন: অভিনন্দন নীল দর্পন। একসাথে দুই কন্যার জননী হওয়া তো সৌভাগ্যের লক্ষ্মণ। মেয়েদের যেমন বাবা মায়ের প্রতি টান আর ভালোবাসা এটা ছেলে সন্তানের মাঝে কমই থাকে। আমার এক খালার তিন মেয়ে, তিন দেশে থাকে। একজনের পর একজন ফোন করছেই, কেমন আছে কি করছে? বাবা মাকে নিয়ে সারা দুনিয়া ঘুরিয়ে এনেছে। মেয়েরা অনেক মমতাময়ী। আমার আন্তরিক ভালোবাসা আর দোয়া থাকলো আপনার মেয়েদের জন্য।

৩৩| ০৩ রা অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৫:৫৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: শেষের ফুটুখানা আপেনের নাকি? আমি তো মনে করছি, আপনে অনেক বয়স্ক একজন!! এখন দেখি ইয়াং একজন!!! ঘটনা কি? পিলাস্টিক সার্জারী করছেন......নাকি এমনে এমনেই!! ৩৪৪ ধাপ সিড়ি বাওয়া আমার কথারই যৌক্তিকতা প্রমাণ করে!!! :-B

কৃত্রিম পাহাড় দেইখা ভালো লাগলো বেশী। আমাগো ঢাকা শহরেও এমন পাহাড় করন দরকার। দেশে আসল পাহাড় তো কাইটা সমান কইরা ফালাইতাছে..........এখন নকল পাহাড়ই সই, কি কন!! ব্যাংককের স্কাইলাইন দেখি সেইরাম। আপনের তোলা ছবিগুলিও সেইরাম। তয়, আপনের চেয়ে দুলাভাইয়ের ছবি তুলনের হাত ভালো; এইটা কইতেই হইবো। :P

০৫ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:১৪

জুন বলেছেন: আপনার মন্তব্য দেখে আমি মুগ্ধ, মৌলি চিনি দেইখা কি আমারে বুড়ি ভাবছিলেন নাকি :``>> শোনেন মানুষ বলে বুড়ারে বুড়া কইতে নাই তাই সেই থিওরিটাই প্রয়োগ করছেন মনে হয় =p~
ওরা খুব সৌন্দর্য প্রিয় জাতি। প্যাকেজিংকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে যা অনেক সময় ক্রেতাকে কিনতে প্রলুব্ধ করে। এর কৃতিত্ব থাই রাজ পরিবারের।
এরপর থিকা বিনা দাওয়াতেই আইসেন বার বার যাইয়া দাওয়াত দিলে ভালো দেখায় না। এতে আপনার মন্তব্য সংখ্যাও বাড়ে যা ঠিক না /:)
:P

৩৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৭

মিরোরডডল বলেছেন:




থ্রি মাঙ্কিজ আমার পছন্দ :)
জুনাপু ঘণ্টা বাজাওনি ?
আমারতো ঘণ্টা দেখলেই বাজাতে ইচ্ছে করে ।
জুনাপুকেতো দেখে ফেললাম,
এখন কি হবে !!! :)


আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.