| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এমন কোন দৈববানী উচ্চারিত হয়নি- যা
মৃত্যু আর খুনের তফাৎ ঘোচাবে।
এমন কোন সংবিধান ঘোষীত নয়- যা
জন্মের অধিকার হরন করে।
কোন সে কু-চক্রী প্রথম দিয়েছে ভাগ্যলিপির দায়?
সপ্তম রাত্রি পরে ফের জেগে উঠে-
আহ, দুঃস্বপ্নের রেখাপাত হল বুঝি!
না- কথাটা একটু পরেই বলব-
উচ্ছাস আর বিষাদ দুই-ই নিজস্ব অধিকার।
যদিও ‘অধিকার’ শব্দটি যথেষ্ট আপত্তিকর!
সে কি পেরেছে বাসনার রাহুমুক্ত হতে? পারবে?
জীবনের বাণিজ্য-করন শেষে
কিছু প্রশ্ন উঠে এলে কবিতার খাতায়-
আহ, তৃপ্তির ঢেঁকুর উঠে মনে!
শিশু-বেলার বর্ণমালা ইষ্ট ওয়েষ্ট ঘুরে
মায়ের দুপুর বেলার কড়াইয়ে ফ্রাই হতে দেখি।
একজন কবির আমিত্বের স্বপ্ন
পিষ্ট হয় বাবার অস্থির পায়চারীতে।
মাসিক মাইনে হতে কাটা ইনকাম ট্যাক্স-
বিদ্যুতের বিল কিংবা সেতুর টোল নিশ্চিৎ করে কি?
না- না- না- এসব একজন কবির ভাববার কথা নয়!
সপ্তম রাত্রি শেষে এভাবেই কবিতাকে জীবনে বিলীন হতে দেখি।।
©somewhere in net ltd.