| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন নকিব
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।
নাগরিকের অপমান ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির সংকট: ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ঘটনা
ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ছবিটি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।
ক্রিকেটার নাঈম হাসানের সঙ্গে পুলিশের আচরণ নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগের ভেতরে গভীরভাবে জমে থাকা এক বিকৃত সংস্কৃতির প্রতিফলন, যেখানে নাগরিকের মর্যাদা সমান নয়, বরং পরিচিতি ও প্রভাবের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, বিমানবন্দর থেকে ফেরার পথে নাঈম হাসান পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয় এবং থানায় নিয়ে অপমানজনক পরিস্থিতির মুখে ফেলা হয়। পরে কিছু পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার ও তদন্তের ঘোষণা দেওয়া হলেও, প্রশ্ন থেকেই যায়, এটি কি বাস্তব জবাবদিহি, নাকি জনমত সামাল দেওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া?
মূল সমস্যা ব্যক্তিগত আচরণ নয়, বরং ক্ষমতা প্রয়োগের একটি কাঠামোগত ব্যর্থতা। অনেক ক্ষেত্রেই আইন প্রয়োগ আইনের সীমার মধ্যে থাকে না, বরং ক্ষমতার প্রদর্শনে পরিণত হয়। নাগরিককে সন্দেহভাজন বানানোর আগে ন্যূনতম আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণও উপেক্ষিত হয়।
এই ঘটনা আলোচনায় এসেছে কারণ ভুক্তভোগী একজন জাতীয় ক্রিকেটার। কিন্তু একই ধরনের আচরণের শিকার প্রতিদিন অসংখ্য সাধারণ মানুষ, যাদের কোনো গণমাধ্যম কাভারেজ থাকে না, কোনো জবাবদিহিও তৈরি হয় না।
এটাই রাষ্ট্রীয় সমতার সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা। আইন সবার জন্য সমান বলা হলেও বাস্তবে তার প্রয়োগ সমান নয়। পরিচিতি ও অবস্থান অনেক সময় নিরাপত্তা নির্ধারণ করে দেয়, যা সরাসরি আইনের শাসনের পরিপন্থী।
প্রতিবার একই ধাঁচের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তদন্ত হয়, কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়, এরপর বিষয়টি ধীরে ধীরে চাপা পড়ে যায়। কিন্তু কাঠামোগত পরিবর্তন হয় না। ফলে একই ঘটনা বারবার ঘটে।
এখন আর ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়াই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন ক্ষমতা প্রয়োগের সীমা নির্ধারণ এবং কঠোর, স্থায়ী জবাবদিহি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
নাঈম হাসানের ঘটনা তাই শুধু একটি অভিযোগ নয়, এটি রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির ব্যর্থতার স্পষ্ট প্রমাণ। যেখানে নাগরিকের নিরাপত্তা পরিচিতির ওপর নির্ভর করে, সেখানে আইনের শাসন কার্যত দুর্বল হয়ে পড়ে।
এই বাস্তবতা পরিবর্তন না হলে, এমন ঘটনা শুধু পুনরাবৃত্তিই হবে না, বরং রাষ্ট্রীয় ন্যায়বিচারের বিশ্বাসযোগ্যতাকেই আরও প্রশ্নবিদ্ধ করবে।
২|
১৩ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: লালখান বাজারের মতো জায়গায় এই ঘটনা ভাবা যায় ? কত গিয়েছি এই এলাকায় ।
৩|
১৩ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৮
মায়াস্পর্শ বলেছেন: বাংলাদেশ পুলিশের ৩০ ভাগ হচ্ছে পেশাদার ছিনতাইকারী, ২০ ভাগ কিডন্যাপার, ১০ ভাগ চোর, ১০ ভাগ ব্ল্যাকমেইলার, ২০ ভাগ মাদক চোরাচালানকারী এবং মাদকসেবী, আর বাকি ১০ ভাগ অমানুষ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬
রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের দেশে পুলিশদের ব্যবহার ভালো না।
অতি কুৎসিত।