নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি একজন মানুষ, এটাই আমার বড় পরিচয়.....

কাউছার চৌধুরী

মনের আনন্দে লিখি........

কাউছার চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাদা কালো হলুদ

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:২২

অনেক ধরনের মহৎ পেশা আছে যেমন শিক্ষকতা, ডাক্তারী বা উকালতি ইত্যাদি। সাংবাদিকতা তেমনি একটি মহৎ পেশা। এক সময় বিটিভির সংবাদ দেখার জন্য সবাই বসে থাকতো। বিটিভি যাই দেখাতো সবাই তাই দেখত এবং তা দেখে সন্তুষ্ট থাকত। কোন ধরনের বিকল্প ছিল না। আজ গণমাধ্যমের সংখ্যা অগণিত। আজও প্রায় সব টিভি চ্যানেল যা দেখায় তা দেখে সন্তুষ্ট আছি-এমন একটা ভাব করি।

আমরা লক্ষ্য করলাম ভোটের দিন সকলে প্রায় সব মিডিয়া একই ধরনের সংবাদ পরিবেশন করছে। যারা সকাল থেকে টিভি চ্যানেলের সামনে বসে আছেন তাঁরা হয়ত বিষয়টি উপলব্ধি করেছেন। বস্তনিষ্ঠ সংবাদ বলতে যা বোঝায় তার অনেকটা ঘাটতি রয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খালি চোখে ধরা পড়েছে এই বিষয়টি।

আমরা যখন সাদা কে সাদা কে বলতে ভয় পাই বা কালো কে কালো বলতে সাহস দেখায় না, তখনি আমরা ধরে নেই আমাদের মেরুদন্ডে সমস্যা আছে, যা জাতীর জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু এর চেয়েও বেশি ক্ষতি হয় যখন সংবাদ নানা রকম রং মেখে ঢং করে উপস্থাপন করে হলুদ করা হয়।

আমরা প্রায় শুনি হলুদ সাংবাদিকতা। এটি আসলে কী?

হলুদ সাংবাদিকতা বলতে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকে বোঝায়। এ ধরনের সাংবাতিকতায় ভালমত গবেষণা বা খোঁজ-খবর না করেই দৃষ্টিগ্রাহী ও নজরকাড়া শিরোনাম দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করা হয়। হলুদ সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য হল সাংবাদিকতার রীতিনীতি না মেনে যেভাবেই হোক পত্রিকার কাটতি বাড়ানো বা টেলিভিশন চ্যানেলের দর্শকসংখ্যা বাড়ানো। অর্থাৎ হলুদ সাংবাদিকতা মানেই ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন, দৃষ্টি আকৰ্ষণকারী শিরোনাম ব্যবহার করা, সাধারণ ঘটনাকে একটি সাংঘাতিক ঘটনা বলে প্ৰতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা, কেলেংকারির খবর গুরুত্ব সহকারে প্ৰচার করা, অহেতুক চমক সৃষ্টি ইত্যাদি।

সংবাদ পরিবেশনে যদি এর একটি উপাদানও উপস্থিত থাকে তা বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের দাবি রাখে না।

১৯৭৯,১৯৮৬ বা ১৯৮৮ সময়ের মত আমরা এখন অতটা পিছিয়ে নেই। আমরা এখন অনেকটাই সুশিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত। আমরা সাধারণ জনগন জানি এবং বুঝি। সংবাদ উপস্থাপন বা বিশ্লেষণ বা বিশ্লেষকরা কি বুঝতে চেষ্টা করছেন তা শুরুতে ভেসে ওঠে। তখনই তাদের মানসিকতা, সাহসীকতা বা মেরুদন্ডহীনতা বা হীনমন্যতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে যা মোটেও কাম্য নয়।

জানি আপনার বলবেন আমরা অনেক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়। অনেক প্রভাবক আমাদেরকে প্রভাবিত করে। আমজনতা জানে প্রভাবক ছাড়া ক্রিয়া-বিক্রিয়া ঘটবে না। সমাজে নেতিবাচক দিক আছে বলেই ইতিবাচকের এত গুরুত্ব। চলার পথ কারো জন‍্যই কন্ঠক মুক্ত নয়। প্রেসার গ্রুপ, ৫৭ ধারা, কালো টাকা এ রকম অনেক বাধা থাকবেই। যদি বাঁধা পেয়ে থেমে যায় বা ভয় পেয়ে পিছিয়ে থাকলে সভ‍্যতার পরিবর্তন হতো না। ইতিহাস সেটাই সাক্ষ‍্য দেয়।

সংবাদ মাধ্যম বা গণ মাধ্যম হল গণতন্ত্রের হৃদস্পন্দন স্বরূপ। গণমাধ্যমের মুখ চেপে ধরলে গণতন্ত্রের হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাবে এবং আমরা উল্টো পথে হাঁটা শুরু করব।

আমরা আশাবাদী। আমরা চাই সংবাদ মাধ্যম তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাবে। সাদা কে সাদা বলবে আর কালো কে কালো।


মন্তব্য ৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫৫

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: টাকা যখন প্রধান বিষয় তখন সততা দাম কি ?
তবে সবার ক্ষেত্রে নয়।

২| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫৯

হাবিব বলেছেন:

৩| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৩৫

কাউছার চৌধুরী বলেছেন: Happy New year

৪| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: Happy new Year...

৫| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৫

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:




সংবাদে এখন কোন সততা নেই ।

যা শুধু আইওয়াশ ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.