| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কিরকুট
আমি মানুষ, আমি বাঙালি। আমার মানবিকতা, আমার সংস্কৃতির উপর আঘাত হানতে চাওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাওয়া প্রাণী মাত্রই আমার কাছে পিশাচ। আমার দেশের উপর আঘাত হানতে চাওয়া প্রাণীদের পালনকারী, প্রশ্রয়দানকারী মাত্রই আমার কাছে পিশাচ, রাক্ষস। হোক সে যে কোনো সাম্প্রদায়িক কিংবা ঢেঁড়স চাষ পরামর্শক।
বাংলাদেশ আবার এক বড় রাজনৈতিক মোড়ে দাঁড়িয়ে। দেশটা এখন সেই সময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে, যখন পুরনো ভারসাম্য ভেঙে পড়ে, কিন্তু নতুন কাঠামো এখনও দাঁড়ায়নি। শাসকদল পরিবর্তন, অস্থিরতা, নিরাপত্তা-চাপ আর সামনে ঝুলে থাকা নির্বাচনের অনিশ্চয়তা , সব মিলিয়ে পুরো দৃশ্যপটে এক ধরনের অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে ।
ক্ষমতার বদল, রাজনীতিতে শূন্যতা
দেশে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে একই ক্ষমতার কাঠামো ছিল। সেই কাঠামো ভেঙে যাওয়ার পর এখন একটি অন্তর্বর্তী সরকার (সাংবিধানিকভাবে অবৈধ) দায়িত্বে আছে। কিন্তু এই পরিবর্তন অনেকের কাছে আরামের হলেও বাস্তবে একটা বড় রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি করেছে। যা খানিকটা ব্ল্যাকহোলের সাথে তুলনা করা যায় ।
বর্ত্মানে পুরনো দলগুলো রাজনৈতিকভাবে বিশৃঙ্খল ও দুর্বল, নতুনরা এখনও সংগঠিত না খানিকটা দিশাহীন। এর ফলে রাজনীতিতে একটা স্থবিরতা চলছে ।
উত্তেজনা, দমন-পীড়ন এবং নিরাপত্তা-চাপ
ক্ষমতার বদলের পরবর্তী সময়টা তেমন শান্ত ছিল না। দেশজুড়ে সংঘাত, গ্রেপ্তার, প্রতিহিংসা, মব, গুজব, ভীতি সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনে একটা স্থায়ী চাপ তৈরি হয়েছে।
স্কুল-কলেজ থেকে অফিস আদালত, যাতায়াত থেকে ব্যবসা সব জায়গায় মানুষ অনুভব করছে অনিশ্চয়তা।
নির্বাচনের পথে অনিশ্চয়তা
নির্বাচন সামনে। কিন্তু নির্বাচন কোন কাঠামোয় হবে এটা এখনও স্পষ্ট না। দলগুলো নতুন নিয়ম চাইছে, পুরনো নিয়ম নিয়ে মতবিরোধ আছে, আর অন্তর্বর্তী সরকার চাপের মুখে সিদ্ধান্ত খুঁজছে।
ভোট হবে কিনা তা নয় কোন ভোট বিশ্বাসযোগ্য হবে কিনা, সেটাই বড় প্রশ্ন।
জনগণের মনোভাব আশা আর হতাশার মিশ্রণ
এই পুরো সময়টায় মানুষের মধ্যে দুই ধরনের মনোভাব দেখা যাচ্ছে।
• একটা অংশ মনে করছে পরিবর্তন জরুরি ছিল, এখনই নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার সময়।
• আরেকটা অংশ মনে করছে পরিবর্তন শুধু নাম বদলেছে, চরিত্র বদলায়নি শুধু অস্থিরতাই বেড়েছে।
তরুণরা সবচেয়ে বেশি দ্বিধায় আছে। তারা পরিচ্ছন্ন, স্বচ্ছ রাজনীতি চায় কিন্তু কোথায় সেই বিকল্প, সেটা এখনও স্পষ্ট না।
আগামী কয়েক মাস কী কী ঘটতে পারে
এই মুহূর্তে সামনের পথ তিনভাবে যেতে পারে:
০১. একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হলে নতুন রাজনৈতিক ভারসাম্য তৈরি হবে।
০২. দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা না হলে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়তে পারে।
০৩. নতুন রাজনৈতিক শক্তি উঠে এলে দেশ নতুন ধরনের রাজনৈতিক নির্দেশনা পেতে পারে।
কোন পথটি সামনে আছে, এখনো কেউ নিশ্চিত নয়।
২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:০২
কিরকুট বলেছেন: আসলে শুরুটা ঠিক না হলে ফলও ঠিক হয় না। সরকার যদি সংবিধান মেনে গঠিত হয়, তাহলে দ্রুত নির্বাচনের পথেই যাওয়া উচিত ছিল। আর যদি বলা হয় এটা এক ধরনের বিপ্লবী পরিবর্তন, তাহলে পুরনো সংবিধান মেনে শপথ নেওয়া ঠিক হয়নি।
এই দ্বন্দ্বই দেখায় যে আমরা না সংবিধানিক পথে, না বিপ্লবী পথে , কোনো পথই পরিষ্কারভাবে নিতে পারিনি। এর বড় কারণ হলো স্পষ্ট নেতৃত্ব আর সঠিক দিকনির্দেশনার অভাব।
২|
২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:০৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দেশের কোনো অভিভাবক নেই । কোনো পলিটিশিয়ান নেই যার উপর মানুষ ভরসা পায় । শেখ হাসিনা দেশের বাহিরে , খালেদা জিয়া আইসিউতে । তাদের বংশধরেরা বিদেশ বিভুইতে : কিনতু তাদের বিশাল জনসমরথন রয়েছে । খালেদা জিয়া যে ভুল করেছিলেন তারেক-কোকো দুইজনকেই পলিটিক্স এ ইনভলভ করে একই ভুল করেছেন শেখ হাসিনা পুতুল-সজিব কে নিয়ে । চিরকাল উনারা বেচে থাকবেন না । দলের হাল কাউকে না কাউকে ধরতে হবে। দলের মাঝে ছিলো না democracy। তাই নিজেদের উত্তরাধিকার ঠিক করে যাওয়া উচিত ছিলো।
কোনোমতে যে চালিয়ে নিবে দেশটা এমন কাউকে দেখছি না ।
২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:০৬
কিরকুট বলেছেন: একই সমস্যায় ভারতের কংগ্রেস পরে আছে । তারা ক্ষমতা বিকেন্দ্রিকরন না করে পরিবারতন্ত্র বেছে নিয়েছে ।
এই যুগে এটা একটা ভুল কনসেপ্ট । আর তাদের এই অপরনামদর্শি স্বিধান্তে তৃতীয় পক্ষ যারা কোণ ভাবেই রাষ্ট্রের জন্য উপযোগী না তারা ক্ষমতার চকলেটে চাটা দিয়ে দেশের ছাল বাকল খেয়ে ফেলছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:০৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নির্বাচনের পথে অনিশ্চয়তা
ভোট বিশ্বাসযোগ্য হবে কিনা, সেটাই বড় প্রশ্ন।
.............................................................................
বীজবপন যদি সঠিক ভাবে না হয়
তাহলে শক্তিশালী চারাগাছ প্রাপ্তির আশা বোকামী ।
সরকার গঠন যদি সংবিধান মোতাবেক হয়ে থাকে
তাহলে সংবিধান মতে ৩ মাসের মধ্য নির্বাচন দেয়া উচিৎ ছিলো।
আর যদি মনে করি বিপ্লবী সরকার, তাহলে
সংবিধানের অধীন শপথ নেয়া ঠিক হয় নাই,
সারা দেশে বিপ্লব ঘটায়ে, নূতন চিন্তাভাবনা প্রয়োগ করে
আমাদের দেশের পারিবারিকতন্ত্র বর্জন করে , ইউরোপ ধাচের রাজনীতির
ট্রেনে জনসাধারনকে তুলে দেয়া উচিৎ ছিলো !
হায় দূর্ভাগ্য !!! আমরা কোনটাই সঠিক ভাবে নিতে পারি নাই
আমাদের প্রাজ্ঞ নেতৃত্বর অভাবে ।