| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মেঝদা৬১
পরছি এক পাগলের পালায় মাঝ রাতে সে সূর্য ডুবায় দিনের বেলা রোজা রেখে উপোষ থাকে রাত্রি বেলায়। মসজিদে যায় নামাজ পরতে মন্দিরে গিয়া হয় পুজারী আযান বাজান লাগে না তার এক সাথে সে দুই আহারী। আল্লাহ নামে জিকির করে কালী বলে হোলী খেলায়। দিনের বেলা রোজা রেখে উপোষ থাকে রাত্রি বেলায়। গির্জায় গিয়া মির্জা মশাই মিষ্টি পায়েশ ননী খেয়ে কালী বলে ধ্যান করিয়া অঞ্জলী দেয় যিশুর পায়ে। গৌতম বুদ্ধের রথ খানি একি পথে নিত্য চালায়। দিনের বেলা রোজা রেখে উপোষ থাকে রাত্রি বেলায়। এমন পাগল ধরা ধামে থাকেনা সে একি খানে দয়াল বলে কেঁদে কেঁদে চোখের জলে বুক ভাসে। মায়ের নামে হাসি কান্না গেঁথে রাখে একি মালায়। দিনের বেলা রোজা রেখে উপোষ থাকে রাত্রি বেলায়। হিন্দু মুসলিম বৌদ্দ খৃষ্টান দেখে সেথায় একি বিধান আশা যাওয়া বেশ ভুষাতে দেহ ডাকে এক মলাটে। কোন ভেদাভেদ ভাবেনা কোহিনূর ও ভবা পাগলায়। দিনের বেলা রোজা রেখে উপোষ থাকে রাত্রি বেলায়।
নদী নালা পাহাড় পর্বত
সংগীত
নদী নালা পাহাড় পর্বত
খুঁজে ফিরি তোমারে
ভাবের ভাবুক তুমি বন্ধু
থাকো কোন মন্দিরে।
মনের মানুষ খুঁজি আমি
ঘুরি সারা দুনিয়া
যাচাই বাছাই করে বন্ধু
মন নেব মন দিয়া
স্বর্ণ যেমন যাচাই করে
কাল কষ্টি পাঁথরে।
ভাবের ভাবুক তুমি বন্ধু
থাকো কোন মন্দিরে।
সাধন ভজন জানি নাতো
শিখতে আমি চাই
মনের মত মানুষ পেলে
জানতে নেব ঠাই।
কোন সাধনে পাব তারে
বল না আমারে।
ভাবের ভাবুক তুমি বন্ধু
থাকো কোন মন্দিরে।
গুরুর বাড়ী আমার বাড়ী
মাঝে একটা বেড়া।
কোহিনূর চায় পারি দিতে
সাধন ভজন ছাড়া।
পাগল তোমার বেড়া সরাও
ধরবো তোমার পদরে।
ভাবের ভাবুক তুমি বন্ধু
থাকো কোন মন্দিরে।
©somewhere in net ltd.