নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

“কলিমদ্দিকে আবার দেখা যায় ষোলই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বাজারের চা স্টলে। তার সঙ্গীরা সবাই মুক্তি, সে-ই শুধু তার পুরনো সরকারি পোশাকে সকলের পরিচিত কলিমদ্দি দফাদার।”

কলিমুদ্দি দফাদার

“ঘুরছি আমি কোন প্রেমের ই ঘুর্নিপাকে, ইশারাতে শিষ দিয়ে কে ডাকে যে আমাকে”

কলিমুদ্দি দফাদার › বিস্তারিত পোস্টঃ

আধা রাজাকারি পোষ্ট ......

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:৫৬


আমি স্বাধীন বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেছি। আমার কাছে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, বা পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে আজকের বাংলাদেশের তুলনা—এসব নিয়ে কোনো আবেগ বা নস্টালজিয়া নেই। আমি জন্মগতভাবেই স্বাধীন দেশের নাগরিক, কিন্তু জীবনের পরতে পরতে যা প্রত্যক্ষ করেছি, তাতে এই 'স্বাধীনতা' নিয়ে প্রশ্ন জাগে?

জন্মলগ্ন থেকে বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের প্রতি সরকারের বঞ্চনা, লাঞ্ছনা, সীমাহীন দুর্নীতি, এবং অর্থ-পাচার—এগুলো কি পূর্বের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগ বা পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণেরই একটি চলমান ও তিক্ত ধারাবাহিকতা নয়? আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো, আজকের বাংলাদেশ কেবল নামেই স্বাধীন। কিন্তু এই জাতি কখনো প্রকৃত স্বাধীনতা ও মুক্তির স্বাদ অর্জন করতে পারেনি। আসলে, সময়ের পালাবদলে স্বাধীন বাংলা ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলতে থাকা মনস্তাত্ত্বিক স্নায়ুযুদ্ধের এক অবাধ বিচরণ ভূমি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এদেশের সরকার ও প্রায় ৫২ বছর ধরে এই দুই দেশের কাছে নিজেদের স্বাধীনতা বন্ধক রেখে কার্যক্রম চালিয়েছে। স্বাধীনতার এতগুলো বছর পরেও শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, মানব উন্নয়ন, কিংবা উদ্ভাবন—গর্ব করার মতো এমন কোনো ভিত্তি আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছিল আকস্মিকভাবে। গোটা জাতি বা দেশের মানুষ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য মোটেই প্রস্তুত ছিল না। আর এই অপ্রস্তুত থাকার কারণেই এর সূচনালগ্ন থেকে এদেশের গণতন্ত্র তথা রাজনৈতিক অঙ্গন ছিল সবসময় অস্থির। পাশাপাশি এই অস্থিরতার মূল কারণ হিসেবে আমার মনে হয়, মুক্তিযুদ্ধ ও দেশ গঠনের সঙ্গে যুক্ত মানুষগুলো অনেকেই সু-শিক্ষিত ও আধুনিক মনস্ক ছিলেন না।

উদাহরণস্বরূপ, আমাদের একজন ব্লগার "চাঁদগাজীর" কথাই ধরা যাক। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু সুশিক্ষিত আধুনিক মানুষ নন। উনি গ্রামে গরু চরিয়েছেন, ছাগলকে ঘাস খাইয়েছেন, ফসল উঠার সময় ধান কেটেছেন, গভীর রাতে যাত্রাপালা দেখে ঘরে ফিরেছেন। হুট করে সংঘটিত ৯ মাসের একটি সশস্ত্র সংগ্রামের পর একটি স্বাধীন দেশের পলিসি মেকারে বনে গেছেন। অর্থনীতি, কূটনীতি, বৈশ্বিক রাজনীতি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্ব-ব্যবস্থা, এবং জটিল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকার ফলে হার্ভার্ড পড়া কিসিঞ্জারের সাথে কূটনীতিতে তার পেড়ে ওঠার কথা নয়। ফলাফল একাত্তর-পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্ভিক্ষ, বাকশাল এবং শেষ পর্যন্ত শেখের মৃত্যুর মতো ট্র্যাজেডি। অথচ দেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী এই চরম সংকটকালে দেশ পরিচালনার ভার নেওয়া উচিত ছিল সুশিক্ষিত, আধুনিক চেতা এবং দূরদর্শী লোকজন যেমন ব্লগার খায়রুল আহসান, ডঃ আলী, শ্রাবণধারার এবং পরবর্তীতে তাদের উওরসুরী জুল ভার্ন ও ভুয়া মফিজদ্বয়। ২৪-এর 'টোকাইয়ের' মতো ৭১-এ ও দেশ পড়েছিল চাঁদগাজীদের মতো 'রাখালদের' হাতে।‌ টোকাই-রাখাল মিলে অভ্যুত্থান আর স্বাধীনতা লাড্ডু খেয়ে শেষ করে ফেলেছে।

এই পেরা সম্পন্ন ব্যক্তিগত মতামত। শত চড়াই-উৎরাই পার করে দেশ স্বাধীনের পর শেখের উচিত ছিল ভারতীয় বাহিনীকে দেশে আরো কয়েক বছরের জন্য কোনো চুক্তির মাধ্যমে রেখে দেওয়া।দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নিশ্চিত না করে, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা না ভেবে, একটি ধর্ম-নিরপেক্ষ সংবিধানের ভিত শক্ত না করে, এবং দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা তৈরি না করেই ভারতীয় সেনাবাহিনীকে এভাবে দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়াটা একদমই উচিত হয়নি। সিঙ্গাপুরের স্থপতি 'লি' স্বাধীনতার পরও ব্রিটিশ সরকারকে অনুরোধ করেছিলেন, যাতে ব্রিটিশ বাহিনী আরও কিছুদিন সিঙ্গাপুরে অবস্থান করে। কারণ 'লি' জানতেন, বিশ্ব তখন পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের এক শীতল যুদ্ধে লিপ্ত। এই প্রেক্ষাপটে সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য স্থিতিশীলতা ছিল প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য।

বাংলাদেশ সেই দূরদর্শিতা দেখাতে পারেনি। ফলস্বরূপ, স্বাধীনতার ফসল ঘরে তোলার আগেই আমরা এক গভীর সংকটে নিমজ্জিত হয়েছিলাম, যার ধারাবাহিকতা আজও চলমান। প্রকৃত স্বাধীনতা তাই এই জাতির কাছে আজও এক অধরা স্বপ্ন।

মন্তব্য ৩৩ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:২০

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: আপনার পর্যবেক্ষন অতি চমৎকার। তবে একটা বিষয়ে দ্বিমত পোষন করছি তা হলো স্বাধীনতার পর ভারতীয় সৈন্যদের রেখে দেওয়া। ভারতীয় সৈন্যরা এমন কিছু নেই যে তা লুট করে নিয়ে যায়নি, সিরামিকে প্লেট পর্যন্ত চুরি করে নিয়ে গেছে। ওদের কিছু দিন রাখলে সিকিম হয়ে যেতাম।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৪২

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি জানতাম ভারতীয় সৈন্যবাহিনী রেখে দেওয়ার বিষয়ে একটি বিতর্ক হবে। এজন্য একটি চুক্তির কথা বলেছি পাশাপাশি সিংগাপুরের বিষয়টি উল্লেখ করেছি। বৃটিশদের মতো আধিপত্য আর দেশগুলো কলোনি করে রাখার মতো কোন শক্তি হয়তো এখন বিশ্বে আসে নাই। তারা ও কিন্তু চুক্তি করা মেয়াদের পুর্বেই সিংগাপুর ছেড়ে চলে গিয়েছে। কারন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরবর্তী শাসন ব্যবস্থায় কলোনি থেকে সৈন্য রেখে লুট করা অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান ছিল না।

৭১ এর ভারত নিজে একটি দরিদ্র দেশ। বৈদেশিক ঋণ আর সাহায্য নিয়ে তাদের চলতে হতো। বাংলাদেশের মতো সদ্য স্বাধীন হওয়া একটি দেশ তা ও অর্থনৈতিক ভাবে ভংগুর ভারতের রাজ্যে বানিয়ে নেওয়ার মতো বোঝা নিতে পারতো না। সিকিমের বাস্তবতা আর বাংলাদেশ বাস্তবতা এক নয়; আর্থ সামাজিক অবস্থা এবং লোকেশন দুই দিক দিয়ে। স্বাধীনতার পর পর এদেশের জনসংখ্যা প্রায় ৭ কোটি। এমন একটা দেশের কব্জায় হয়তো ভারত নিতে পাড়তো কিন্তু তাদের অর্থনীতি এবং সামরিক শক্তি ইহা গিলতে পারতো না......

২| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:২২

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ভারত কি আমাদের স্বাধীনতার জন্য এসেছিল? না তারা এসেছিল পাকিস্তানকে দুভাগ করতে, দূর্বল করতে। সেটা ইদানিং মোদি ও তার আমলাবর্গের কথায় ফুটে উঠেছে।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৫৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

ঘরে আগুন লাগলে বালতি ভরতি পানি নিয়ে কে আগে আসবে সেটা মুখ্য বিষয়, সেই আগুনে আলু পোড়া দিয়া কে খাবে ওইটা বিষয় না। ভারত নিয়ে আপনার একটু জ্বালা আছে সেইটা জানি কিন্তু এইটা ও সত্যি ভারতের সাহায্যে ছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিষয়টি কিছুটা অস্পষ্ট! স্বাধীন বাংলাদেশের সারাবিশ্বে জনমত সৃষ্টি, পশ্চিমা মিডিয়ার তুলে, বে অফ বেঙ্গল সোভিয়েত সাবমেরিন পাঠানো ইহা কিন্তু সবকিছু ভারতের কুটনৈতিক দক্ষতা। পাকিস্তানে, আমেরিকা, সৌদি, চায়না কে হারিয়ে স্বাধীন হবো স্বয়ং বাংলাদেশের কতো শতাংশ মানুষ তখন‌ বিশ্বাস করতো? আওয়ামীলীগ,‌শেখ মুজিব সহ বাংলার এমন‌ কোন‌ ফিগারের দক্ষতা ছিল না তখন এইসব বিষয় ডিল বা বহি: বিশ্বে তুলে ধরার মতো।

তবে আপনি‌ ও ঠিক আছেন। যেমন‌ আমাদের ব্লগার কামাল নাকি ১৯৫৮ সালে কলকাতার আকাশবাণী রেডিও চ্যানেলের হরিপদ বাবুর অনুষ্ঠান শুনে মুক্তির স্বাদ জেগেছে। :p

৩| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৫৭

অরণি বলেছেন: সুন্দর বিশ্লেষণমূলক লেখা।

শুনেছি চাঁদগাজী নাকি রক্ষীবাহিনীতে যোগদান করার পর ডাকাতি করতো।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:০৮

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

নারায়ণগঞ্জে ওসমান, টাংগাইলে কাঁদের সিদ্দিকী, ফেনীর হাজারী পরিবার চাঁদাগাজীদ্বয় ডাকাত, ভুমি দস্যু, মানুষের সম্পদ লুণ্ঠনকারী। এরা দিনে-দুপুরে স্কুল-কলেজ ঘর-বাড়ী থেকে সুন্দরী মেয়েদের তুলে এনে "গনি মতের" মালের ভোগ করতো। পাকিস্তান বাহিনী ৯ মাসে এতো অত্যাচার করেনী এরা ৭১-৭৫ পর্যন্ত এদেশে মানুষের যেই অন্যায়-অবিচার করেছে।

শেখ ৭৫ এই পাপের কাফফারা দিয়েছে নিজের জীবন দিয়ে।

৪| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:০৭

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ঠিক আছে যদি ধরে নেই ভারত আমাদের সত্যিকার অর্থেই স্বাধীনতার জন্য এসেছিল তাই বলে কি আমাদের জীবন দিয়ে, গোলামী করে তার প্রতিদান দিতে হবে যত দিন পৃথিবী নামক গ্রহটা আছে তত দিন?

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:২৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

গোলামি বলতে আপনি কি বুঝেন? তিস্তার পানি, সীমান্ত হত্যা অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপ এগুলি কি গোলামি নাকি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অনৈক্য ও কূটনৈতিক ব্যর্থতা আর দুর্বল অর্থনীতির ফলাফল‌? ভারতে দশ ট্রাক অস্ত্র পাঠানো নিয়ে আপনার অভিমত কি? ২০০১ এ‌ বিএনপি সরকার আসার পুর্বে প্রকাশ্য ভারত কবে কোন দলকে এভাবে নগ্ন সমর্থন দিয়েছেন?

মুসলিম ঐক্যর প্রতিক পাকিস্তান কিন্তু প্রতিবেশি দেশ আফগানিস্তান কয়েকবার এয়্যার স্ট্রাইক করেছে। হিন্দু অধ্যুষিত ভারত এই হামলা চালালে কি হইতো সেটাই মাঝে মাঝে ভাবি?

৫| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:১৭

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: কর্ণেল অলি আহমেদের চেয়ে বড় দেশপ্রেমিক তো আমি আপনি না। দেখেন তিনি কি বলেন।





১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৪৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

বিএনপি এক বহিষ্কৃত মুক্তিযোদ্ধার জামাতে যোগ দেওয়া নিয়ে কুতুব সাহেব পোষ্ট নিশ্চয়ই দেখেছেন।
এই মুক্তিযুদ্ধা আমার-আপনার থেকে ও বেশি দেশ প্রেমিক।

৬| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:২৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: টোকাই শব্দটা আওয়ামী বয়ান। এরা সব ইউনিভার্সিটি ছাত্র! হাদী ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স এর টিচার। সবাই কোনো না কোনো সরকারি- বেসরকারি ইউনিভার্সিটি ছাত্র। তারা করাপশন করলেই কি টোকাই হয়ে যাবে নাকি? ধরলাম আগে ভাত খেতে পারতো না এখন পোলাও মাংস খায়। কিন্তু মানুষের কি সারাজীবন একরকম যাবে নাকি?

তাদের মনোভাব, মতবাদ ও আচরণ নিয়ে সমালোচনা করা যেতে পারে। তবে এভাবে ঢালাও ভাবে সবাইকে টোকাই বলা ঠিক না।


১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:০৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
কুতুব সাহেব আপনার মতামত কে আমি সম্মান করি।‌ টোকাই শব্দটি আওয়ামীলীগ বলছে বলে কি এর কোন‌ গ্রহনযোগ্যতা থাকবে না এটা কি কোন লজিক হলো? জুলাই আন্দোলনের আমি ও তো একজন অনলাইন যোদ্ধা :p. আমার অনেক কলিগ, বন্ধু-বান্ধবের অংশগ্রহণ আছে। তারা সবাই কি টোকাই? ঢালা ও ভাবে তো সবাইকে বলছি না, আন্দোলন ও ১৫০০ রক্তের উপর দাঁড়িয়ে যারা রাতের মধ্যেই নিজের ভাগ্য বদল করেছে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে টোকাই বলেছি। সেটা আপনি ও নিজে ও ভালো জানেন।

কেরানিগঞ্জ থেকে ভাড়া করা লোক দিয়ে জুলাই যোদ্ধা আসিফ মাহমুদ নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছে; দেখেছেন নিশ্চয়ই। ইহা হচ্ছে এখন অবস্থা ও জনপ্রিয়তা। বুয়েটের এক ছেলেকে দেখছি বাইক রাইড করে খায় (ছোট করে বলছি না) ইহা বাঙালির সামাজিক অবস্থা। নুরু, হান্নানেরা ডিউতে যে বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করেছে রাজনীতি যদি তাদের রুজি-রুটি না হতো কি করে জীবন চালাতো ইহা উপরওয়ালা ভালো জানেন?

৭| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:১৪

ধূসর সন্ধ্যা বলেছেন: শেখ যদি ভারতীয় বাহিনীকে রেখে দিত তবে তার সাগরেদরা তো দেশে এতো সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করতে পারত না। ভারতীয় বাহিনী থাকলে শেখ হাতে পূর্নাঙ্গ ক্ষমতাও আসত না। তিনি পূর্নাঙ্গ ক্ষমতা হাত ছাড়া করতে চান নি। ভারতীয় বাহিনীর দরকার ছিল না, যদি সেই সময়ে শুরু থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাস দমনে বাধা দেওয়া না হত, তাহলে আরো দ্রুত দেশ স্থিতিশীল হত, আওয়ামীলীগের সন্ত্রাস ও চোরাচালানি বন্ধ হত। সেনাবাহিনী যতবার অভিযানে চালিয়ে সন্ত্রাসী ধরেছিল তাদের সবই ছিল আওয়ামীলীগ। সেই সময়ে আওয়ামীলীগের চেয়ে বড় সন্ত্রাসী আর কেউ ছিল না। সেই সন্ত্রাস কমেছে ৭৫ এর আগস্টে।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:৪১

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

আপনার বিশ্লেষণ যথেষ্ঠ যুক্তিযুক্ত। যুদ্ধের পরবর্তী ৭৫ পর্যন্ত আওয়ামী নেতাকর্মী অপকর্ম, লুটপাট বেশ প্রসিদ্ধ। সাবেক মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী মোজাম্মেল নাকি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ধর্ষক এবং তাকে আর্মি ধরার পর শেখের নির্দেশ ছেড়ে দেওয়া হয়। এমনটাই শুনেছি, সত্যি-মিথ্যা যারা ছিলেন তারা বলতে পারবেন।

তবে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ও তখন নানা কারনে বিভক্ত ছিল। শেখ মুজিব সেনাবাহিনী কে সোভিয়েত রেড আর্মির মতো বানাতে চেয়েছিলেন। এতে নাকি কর্নেল ওসমানী, শহীদ জিয়া সহ অনেকেই বাধা দেন। নতুন দেশ, সংবিধান ও রাষ্ট্রকাঠামো ঠিক না থাকার কারনে বহির্মুখী চাপে হজবরল অবস্থার মধ্যে ছিল, যা আজ পর্যন্ত ঠিক হলো না......

৮| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:১২

কামাল১৮ বলেছেন: প্রথম থেকে গনতন্ত্র থাকলে আমরা ভারতের সমপর্যায়ে থাকতাম।গনতন্ত্র না থাকা আমাদের প্রধান সমস্যা।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:৪২

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

সঠিক! তবে আপনার কি মনে হয় ভারতীয় বাহিনী আরো কিছুদিন থাকলে ভালো হইতো?

৯| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:৪৬

কামাল১৮ বলেছেন: লেখা চোরাগলিতে হারিয়ে গেছে।ব্লগারদের লেখার মাঝে ডুকিয়ে।লেখা আর বৃহত পরিসরে নাই।
গরু চড়ানোর সাথে আধুনিক চিন্তার কোন দ্বন্দ্ব নাই।
নরডিক দেশের অনেকেই গরু চড়ায় তারাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আধুনিক জাতি।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:৪৬

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

গরু চড়ানোর সাথে আধুনিক চিন্তার কোন দ্বন্দ্ব নাই।
নরডিক দেশের অনেকেই গরু চড়ায় তারাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আধুনিক জাতি।


এই জিনিস আপনারা মানেন তো? আব্রাহামিক ধর্মের নবী-রাসুলগন মরুভূমিতে মেষ পালক/রাখাল
বানায়া বাম দলগুলো ই কত মকারি করে?

১০| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:২৮

কু-ক-রা বলেছেন: উহা (কলিমুদ্দি দফাদার) একটি ছাগল মাত্র। ২য় বিশ্বযুদ্ধত্তোর ব্রিটিশ বাহিনী আর ৭১ উত্তোর ভারতিয় বাহিনী উহার নিকট একই রকম বিষয়। উহার মগজে বড় ধরণের সমস্যা আছে।

১১| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১২:১৭

মাথা পাগলা বলেছেন: মুজিব সাহেব দেশপ্রেমিক, কিন্তু তাঁর কূটনৈতিক বুদ্ধি কম ছিলো এ ব্যাপারে আমার সন্দেহ নাই। বাংলাদেশ দখলের কোন ইচ্ছা ভারতের ছিলো না। নিজেদের দেশে গ্যাঞ্জম যাতে না লাগে তাই বাধ্য হয়েছে। যুদ্ধ শেষে ৫~৬ মাসের মধ্যে তারা সমস্ত সেনা দেশে ফেরত নিয়ে আসে। কিছু ফকিন্নী বলবে পাক্কিরা যেসব হীরা-জহরত দিয়েছিলো সেগুলো লুট-পাট করার জন্য ভারত বাংলাদেশে এসেছিলো, কিন্তু এরা জীবনেও বলবে না তখন কতো কোটি মানুষ ভারতে শরনার্থী হিসেবে ছিলো।

চাঁদগাজী বাদে অপরপক্ষের যেসব দেশপ্রেমিকের নাম বলেছেন তাহারা লীগের উপর সিলেক্টিভ রাগে স্বেচ্ছায় অন্ধত্ব বরণ করেছেন। তাদের সাথে লীগের বাটপারি নিয়ে আলোচনা করেন সারাদিন আলচনা করতে পারবে কিন্তু যেই মুহুর্তে বর্তমান সরকার নিয়ে কিছু বলবেন ঘুরে ফিরে হাসিনার কথা চলে আসবে। যেখানে গত দেড় বছরে দেশে লীগের কোন ছায়া নাই আর যা পরিস্থিতি নেক্সট এক দশকে আসবে কিনা সন্দেহ আছে। কিন্তু সকাল-বিকাল সব দোষ হাসিনার বলে বগল বাজাবে।

ভবিষ্যতে দেশের পরিস্থিতি অবনতির জন্য এসব দেশপ্রেমিকরা ইলিয়াস-পিনাকীদের মতোই দায়ী থাকবে।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:১০

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
শেখ মুজিবের দেশপ্রেম নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলি নাই। জৈনক ব্লগার চাঁদগাজীর উদাহরন টি একটি উপমা মাত্র। কিন্তু বাস্তবে শুরু থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে/ সরকারে গুরুত্বপূর্ণ পদে এই ধরনের কিছু মানুষ বসে আছেন, এই ধারা এখনো চলমান। মতিয়ার চৌধুরী, তোফায়েল আহমেদ,‌আবদুল হামিদ ওনারা বর্ষিয়ান নেতা, দেশের ক্রান্তিকালে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে তাঁদের অবদান আছে। কিন্তু একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, অর্থনীতি, বৈশ্বিক রাজনীতি বুঝার জন্যে তারা ঠিক কতটুকু যৌগ্য?

"Dhuradhar" একটি ছবি দেখার পর "অজিত দোভালের"- ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার উইকিপিডিয়া তে ক্যারিয়ারের বিস্তারিত দেখলাম। এই ক্যালিবারের কোন আমলা/উপদেষ্টা বাংলাদেশে আছে বা আমরা এমন কোন যৌগ্য ব্যাক্তিত তৈরি করার ম্যাকানিজম আছে বলে মনে হয় না। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এখানেই অনেক পিছিয়ে যুদ্ধ তো অনেক পরের ব্যাপার।

১২| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১২:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার পোষ্টটা আধা রাজাকারি পোষ্ট কতোটা হয়েছে জানি না, তবে টক-ঝাল-মিস্টি পোষ্ট হয়েছে, কোন সন্দেহ নাই। :)

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছিল আকস্মিকভাবে। আপনার এই কথাটা ঠিক আছে। শেখ মুজিব তো স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করে নাই। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য আন্দোলন করেছিল। মনে করেন, '৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর যদি নিয়মতান্ত্রিকভাবে শেখ মুজিব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে পারতো, তবে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতো। তাহলে ২৫শে মার্চের গণহত্যা হতো না। ফলে আশা করা যায় পূর্ব-পশ্চিমের বৈষম্য কমে আসতো, আর পাকিস্তান অখন্ড থাকতো।

যাই হোক, ঘটনা সেইভাবে ঘটে নাই, ফলে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল আর আমরা স্বাধীন হয়েছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই ছিল একটা ''বৈষম্যমুক্ত দেশ'' গড়া। পরবর্তীতে সেটা তো হয়-ই নাই, বরং একটা ব্যবসার সম্মুখীন হয়েছে জাতি.......মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। এসব তো আপনার জানাই আছে!! ফলে হতাশার কথা যেসব লিখেছেন, সেসব এই ব্যবসারই লজিকাল কনসিকোয়েন্স!!! ;)

গোটা জাতি বা দেশের মানুষ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য মোটেই প্রস্তুত ছিল না। আর এই অপ্রস্তুত থাকার কারণেই এর সূচনালগ্ন থেকে এদেশের গণতন্ত্র তথা রাজনৈতিক অঙ্গন ছিল সবসময় অস্থির। পাশাপাশি এই অস্থিরতার মূল কারণ হিসেবে আমার মনে হয়, মুক্তিযুদ্ধ ও দেশ গঠনের সঙ্গে যুক্ত মানুষগুলো অনেকেই সু-শিক্ষিত ও আধুনিক মনস্ক ছিলেন না। এই কথাগুলো একেবারে বেঠিক না, কিন্তু তর্কসাপেক্ষ এবং লম্বা আলোচনা। তবে দেশ যে যোগ্য নেতৃত্বের হাতে না পড়ে ধান্ধাবাজদের হাতে পড়েছিল, তাতে কোন সন্দেহ নাই। আপনার পরের কথাগুলো বেশ মজার। পড়ে আনন্দ পেয়েছি। :P

শত চড়াই-উৎরাই পার করে দেশ স্বাধীনের পর শেখের উচিত ছিল ভারতীয় বাহিনীকে দেশে আরো কয়েক বছরের জন্য কোনো চুক্তির মাধ্যমে রেখে দেওয়া। এইটা কি কইলেন? এইটা আবেগ থেকে বলা? ম্যাপ দেখেন। তাইলে জিও-পলিটিকালি বুঝতে পারবেন, বাংলাদেশ ভারতের জন্য কতোটা গুরুত্বপূর্ণ। সেভেন-সিস্টার্স নিয়ে ভারতের আজকের যেই মাথাব্যথা, এইটার একমাত্র দাওয়াই হলো বাংলাদেশকে কব্জা করা। ভারতীয় বাহিনী দেশে আরো কয়েক বছরের জন্য থাকলে তারা এই দেশটাকে নিজেদের দেশ বানিয়ে ফেলতো।

উদাহরন যেটা দিয়েছেন সেটাও অদ্ভুত। আপনাকে বুঝতে হবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সিঙ্গাপুর-বৃটিশ বাস্তবতা আর '৭১ পরবর্তী ভারতীয়-বাংলাদেশ বাস্তবতা পুরাই আলাদা। একটার সাথে আরেকটার তুলনাই হয় না। আপনার এই তুলনা দেখে ''ফাইড়া-ফুইড়া যাওয়া'র একটা কৌতুক মনে পড়লো। জানলে মিলায়ে নিয়েন!!!! =p~

না জানলে অবশ্য কিছু করার নাই। এইটা একটা ডার্টি জোক, ব্লগের খোলা আবহাওয়ায় বলা যাচ্ছে না। স্যরি!!!

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:০৯

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ঘটনা হইলো আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনার উপর কিছুটা ক্ষুব্ধ। দেশে চলমান রাজনৈতিক সংকট ও এ সমাধান নিয়ে আপনার দিক নির্দেশনা মুলক কোন পোষ্ট নাই‌। তাই আমার ভক্তকুল তাল-দিশা হারায়া নিজের মতো যুক্তি দাঁড়া করায়ে ভারত প্রেমে মজে আছি। আর এই সরকারের কর্মকাণ্ডের ভারত বিরোধীতা শুধু মুখে মুখে। বাস্তবিক অর্থে এর কোন কার্যকরিতা দেখছি না। তাই আমার মতো একাংশ ধরে নিয়েছে ভারত বিরোধিতা হয়তো শুধুমাত্র রাজনৈতিক ভোটব্যাঙ্কে। আক্ষরিক অর্থে চতুর্দিকে দিয়ে ঘেরা একটি দেশের বিপক্ষে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়ে ও কিছুটা সন্দিহান। ন্যাটো যোগ না দেওয়ার শর্তে ইউক্রেনের শান্তি চুক্তির খবর দেখেছেন হয়তো। এই কয়েক বছর যুদ্ধ এতো প্রাণহানি, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের আসলে মানে টা আর কি যদি এখন নিজ দেশের ভুখন্ডের বিনিময়ে শান্তি চুক্তিই করা লাগে? আমেরিকা-ইইউ মতো দেশের সাহায্য যেখানে রাশিয়ার কোল থাকা ইউক্রেনিদের ভাগ্য বদলাতে ব্যার্থ?

শেখ মুজিব তো স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করে নাই। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য আন্দোলন করেছিল। সাদেক হোসেন এক ভিডিও তে আমি ও এমন বলতে শুনলাম। যাইহোক আমি তো মুক্তিযুদ্ধ দেখি নাই, তবে আমি ও শেখের জায়গায় থাকলে হয়তো সেইটা চাইতাম। একটি দেশের মধ্যে থেকে অখন্ডতা বা স্বাধীনতা চাওয়া রাষ্ট্রদোহিতার শামীল। ২৪ এর আন্দোলনের সময় এই লুপের কথা ই বলি না! জৈনক এক সমন্বয়ক সার্জিস আলম আন্দোলন চলাকালে বলেছিল ইহা শুধুমাত্র কোটা আন্দোলন আর ছাত্রদের আন্দোলন। তৃতীয় পক্ষের কোন রাজনৈতিক স্বার্থ তারা সমর্থন করে না। আবার মির্জা ফখরুল ইহা শুধু ছাত্র আন্দোলন বলে পরবর্তীতে ৪০০ জনের তাঁদের কর্মী মারা যাওয়ার তালিকা নিয়ে হাজির.....

এইটা কি কইলেন? এইটা আবেগ থেকে বলা? ম্যাপ দেখেন। হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ। এটা শুইনা খুব মজা লাগলো। তবে আমি হতাশ। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, বিহার আর আসাম অথবা বাংলা ভাষাভাষীদের নিয়ে একটি দেশ গঠন করা প্রয়োজন ছিল। ৪৭ এ এই অর্ধেক বাংলা আর সর্বোপরি ৭১ এ স্বাধীনতা পেয়ে এই অঞ্চলের একক শক্তি আঁকারে প্রকাশ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার খবর হয়ে গেছে। তাই আমার মনে হইছে যেহেতু দেশ স্বাধীন তাই ভারতকে বিরক্ত না করে, বাংলাদেশের সাধারণ জনগনের জীবনযাপন উন্নয়ন শিক্ষাদীক্ষা মৌলিক চাহিদার মতো বিষয়গুলো নিয়ে মনোযোগ হওয়া বেশি প্রয়োজন। আপনি দেখেন, শুধু মাত্র একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় পালা-বদলের মতো একটি বিষয় সুরাহা না করার মতো সামান্য বিষয় নিয়ে এতো মানুষের প্রাণ, রাজনৈতিক অস্থিরতায় সেই জন্মলগ্ন থেকেই। আর পরাশক্তি এই সুযোগের সৎ ব্যবহার করে ফায়দা লুটে নিচ্ছে। তাই এক প্রকার বিরক্তি আর হতাশা-নিরাশা নিয়ে বল্লাম দেশ যখন স্বাধীন হয়েছে তখন ভারতীয় চাওয়া-পাওয়া আর তাদের কে খুশি রেখেই এদেশের মানুষের ভাগ্য লিখা বা সংবিধান করা প্রয়োজন ছিল। সাধারন মানুষ এখন শান্তি চায়......

১৩| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:২১

হাইজেনবার্গ ০৬ বলেছেন: পোস্টের নাম, সাথে বিয়ে বাড়ির ছবি, ধোনগাজির উদাহরন ,আপনার ইন্ডিয়ান পেম ;) দেইখা পোস্টা কঠিন হয়া গেছে আমার জন্য। দফার কথা বার্তায় ছফা মনে হলেও আবার মনে হ্য় হিরো আলম কথা কইতাছে =p~

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:১৩

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

দুই নৌকা পা চলা ভালো দাদু! আমার মন আবার কচু পাতার পানির মতো‌, কখনো কারে ভালে, কি মন চায় নিজেও কইতে পারি না। এখন ভারত প্রেমে মজে আছি, দেখি পরে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কই যাইয়া থামে? :p

১৪| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৪১

শ্রাবণধারা বলেছেন: প্রথমত, আপনার পোস্টটা মোটেও আধা-রাজাকারি নয়। এটা একেবারেই নিখাদ স্বদেশপ্রেমী পোস্ট!

আপনি যে বিষয়টি নিয়ে লিখেছেন, সে বিষয়ে আলোচনার সমস্যাগুলো নিয়ে আমি বরং বলি। মূল সমস্যা হলো তথ্য-প্রমাণের ঘাটতি। তুলনার জন্য বলি, আপনি যদি কখনো ইউটিউবে নোম চমস্কির আমেরিকান পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে লেকচারগুলো শোনেন, তাহলে দেখবেন কত বিপুল পরিমাণ ডিক্লাসিফাইড রেফারেন্স তিনি উল্লেখ করেন। আমেরিকা বিষয়ে তার জন্ম থেকে যে পরিমাণ তথ্য-প্রমাণ আছে, তার দশ হাজার ভাগের এক ভাগ তথ্যও বোধহয় ভারত-পাকিস্তান পররাষ্ট্রনীতি, স্নায়ুযুদ্ধ ও বাংলাদেশ প্রসঙ্গে নেই। ফলে এ বিষয়ে আপনি যত কিছু ভারত-পাকিস্তানের পক্ষে-বিপক্ষে শুনবেন, তার প্রায় পুরোটা পিনাকিয় ও ইলিয়াসিয় আলোচনা। এগুলোর ভেতরে টাউট ও ধর্মান্ধদের জিহাদি জোশ ছাড়া বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা একফোঁটাও নেই।

তারপরও জাতি হিসেবে আমাদের ব্যর্থতার এবং আপনার উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর কিছু বিশ্লেষণ পাওয়া যায় আহমেদ ছফার লেখায় ও তার গুরু আব্দুর রাজ্জাকের ইন্টারভিউতে (এই অসম্ভব জ্ঞানী মানুষটি জীবনে একটি বইও লেখেননি), পাশাপাশি বদরুদ্দিন উমর ও সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর লেখায়।

মুক্তিযুদ্ধ ৯ মাসে শেষ হলেও স্বাধীনতা প্রাপ্তি আকস্মিক নয়। যুদ্ধের বিজয়টি আকস্মিক, কিন্তু স্বাধীনতার জন্য যে মূল্য দিতে হয়েছে, তা অত্যন্ত বেশি। এই মূল্যটা বোঝার জন্য ব্লগার অপু তানভীর কদিন আগে আনোয়ার পাশার "রাইফেল রোটি আওরাত" বইটির যে লিংক দিয়েছেন, সেখান থেকে পড়ে দেখতে পারেন। এটি মুক্তিযুদ্ধের এক অসাধারণ দলিল, সাথে পিছনের অর্থনৈতিক, স্বাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যাখ্যাটাও অনেকটা আছে।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩০

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
একদম ইন্টেলেকচুয়াল জ্ঞানী মানুষের মতো একটি মন্তব্য করলেন। প্রশংসা করে আর বেশি উৎসাহ দিবো না :p

প্রথমত, আপনার পোস্টটা মোটেও আধা-রাজাকারি নয়। এটা একেবারেই নিখাদ স্বদেশপ্রেমী পোস্ট! স্বাধীন বাংলাদেশে ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমার মতামত কিছুটা বিতর্কিত তাই ইহাকে আধা-রাজাকারী বলেই বিশ্লেষণ করলাম। সারাদেশে তথা ব্লগ জুড়ে এখনো এন্টি ভারতীয় একটি ধারা চলছে, সেখানে জনগণের প্লাস উপেক্ষা করে এমন কিছু বলা শুলে চড়ানোর মতোই। তারপর আপনি কিছুটা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি, যারা হরতো আমকে জানেন-বুঝেন কোন দল বা দেশের দাসত্ব করার জন্যে নয় গোটা দেশের শান্তি শৃঙ্খলা তথা মানুষের কল্যাণের জন্যই এমন চাওয়া‌।

আমেরিকা বিষয়ে তার জন্ম থেকে যে পরিমাণ তথ্য-প্রমাণ আছে, তার দশ হাজার ভাগের এক ভাগ তথ্যও বোধহয় ভারত-পাকিস্তান পররাষ্ট্রনীতি, স্নায়ুযুদ্ধ ও বাংলাদেশ প্রসঙ্গে নেই। চমৎকার একটি বিষয়বস্তুর উদাহরন দিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা এর পুর্বের প্রেক্ষাপট নিয়ে নিরপেক্ষ সর্বজনীন সম্মত কোন লেখকের বই আছে কিনা আমার জানা নেই। রাজনৈতিক পালাবদলে সাথে সাথে সবাই সরকার কে খুশি রেখে নিজ আদর্শের জায়গা থেকে ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছেন। একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে গেলে হয়তো কয়েকটি বই সম সাময়িক গন মাধ্যমের দেখে সিদ্ধান্ত আসতে হবে।

ইলিয়াস-পিনাকি ন্যারেটিভ দিয়ে নয়, আমি স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ অবস্থা দিয়ে বুঝার চেষ্টা করলাম। ৭১-৭৫ পরবর্তী দেশে অরাজকতা, সহিংসতা, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র এটাতো সত্য ও বাস্তবতা। তার মানে তো‌ এই দাঁড়ায় সেই সময়কার রাষ্ট্র যন্ত্রের সাথে যুক্ত কারোই বিষয়গুলো বুঝার মতো দক্ষতা ছিল।

"বার্নি হোয়াইট স্পনারের" বই "পার্টিশন" এর উপর একটি পডকাষ্ট শুনেছিলাম। সেখানে তিনি ব্যাখা করেছিলেন ভারতের স্বাধীনতা ছিল খুবই সুস্পষ্ট এবং কাংখিত। কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দ স্বাধীন ভারতের রুপরেখা ও সংবিধান রচনা বিষয়গুলো বৃটিশ-ভারতীয় এক্সপার্টদের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তৈরি করেছেন। এজন্য ভারতের গনতন্ত্র এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর। অপরদিকে তিনি উল্লেখ করেন পাকিস্তানের স্বাধীনতা ছিলো কিছুটা অস্পষ্ট ও নড়বড়ে।‌ জিন্নাহ একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র কাঠামো রুপরেখা দিয়ে যেতে পারেনি। ফলাফল পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক হস্তক্ষেপ। বাংলাদেশের আকস্মিক স্বাধীনতা ও শেখ হত্যার বিষয়গুলো আমার ঠিক এমন ই মনে হয়। দেশ স্বাধীন হয়েছে ঠিকই কিন্তু রাষ্ট্র কাঠামোর মজবুত ভিক্তি তিনি করে দিয়ে যেতে পারেনি। ৭২ এর সংবিধান, বিসমিল্লাহ নাকি ধর্মনিরপেক্ষ এইসব বিষয় নিয়ে ক্যাচাল লেগেই আছে। তাই পক্ষান্তরে বলেছিলাম দেশ যখন স্বাধীন হয়েছে শেখ তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যদি ও দেশের ভিক্তি মজবুত করে দিয়ে যেতেন....

১৫| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: জনাব, আপনার কি চুলকানি রোগ আছে?
চাঁদগাজী সম্পর্কে উলটা পালটা কথা বলা বন্ধ করুন। উনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। উনারা বংশগত ভাবে ধনী। শিক্ষিত পরিবার। যার সামনে দাঁড়ানোর যোগ্যতা নেই, অনলাইনে তাকে যা খুশি তা বলা যায়। এটাই আজকের দুনিয়ায় বড় সমস্যা।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৩

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

রাজীব নুর আপনাকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
চাঁদাগাজি আমার প্রিয় ব্লগার। ওনাকে ভালোবেসে কিছু কথা লিখেছি
ইহা আপনি বুঝতে পারেননি। অযথাই পাগলামো বন্ধ করুন।

১৬| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:১৬

আলামিন১০৪ বলেছেন: আমি একটা বিষয এখনো জানতে পারি নাই, মুজিবের নিকট কেন ইয়াহিয়া ক্ষমতা হস্তান্তর করে নাই?

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:০৪

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

শেখ ছিল ইন্ডিয়ার চর, ইয়াহিয়া মনে করছে শেখের সাথে ভারতের দহরম-মহরম চলতেছে।
তাই ক্ষমতা দেয় নাই। :p

১৭| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:২৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার দিক-নির্দেশনা মুলক পোষ্ট!!!! মজা নেন নাকি? আমি কোথাকার কোন তালেবর যে আমার দিক-নির্দেশনার জন্য লোকজন অপেক্ষা করবে? এই ব্লগে জাতিকে দিক-নির্দেশনা দেওয়ার হেডম একমাত্র গলুভাই ওরফে আউলিয়া সাবই দেখাইতে পারে!!!! =p~

আসলে ডিসেম্বর মাসে আমি পেশাগত কারনে প্রচন্ড ব্যস্ত থাকি। সেইসাথে ব্লগ বিষয়ে কিছুটা বিতৃষ্ণা প্রায়শঃই মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। সব মিলায়ে পোষ্টানো হয় না। পরিস্থিতি অনুকূলে আসলেই চেষ্টা করবো। তবে সেটা যে রাজনৈতিক পোষ্টই হবে, এমন কোন কথা নাই।

এই সরকারের বিএনপি মনোনীত কতিপয় উপদেষ্টা আর ভারতঘেষা সফট আওয়ামীপন্থী উপদেষ্টাদের দাপটে ড. ইউনুস কোনঠাসা। গোদের উপর বিষফোড়ার মতো সেনাপ্রধান তো আছেই। এদের কারনেই ভারতের ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া বেশীরভাগ সময়েই সম্ভব হয় না। অবশ্য ড. ইউনুসের দূর্বল ব্যাক্তিত্বও বেশ খানিকটা দায়ী। এইজন্যই আমি পাচ বছরের জন্য জাতীয় সরকার করে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ায়ে তারেক জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী আর ড.ইউনুসকে রাষ্ট্রপতি করার পক্ষে। এতে সাপও মরতো, লাঠিও ভাঙতো না; অর্থাৎ তারেকও ক্ষমতায় আসতো, আবার ড. ইউনুসের আন্তর্জাতিক কানেকশানকেও কাজে লাগানো যেতো। কিন্তু কে শোনে কার কথা!!!! B-)

আক্ষরিক অর্থে চতুর্দিকে দিয়ে ঘেরা একটি দেশের বিপক্ষে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়ে ও কিছুটা সন্দিহান। বাংলাদেশের তো তাও একদিকে সমুদ্র আছে, পৃথিবীতে এমন আরো কিছু দেশ আছে যারা আক্ষরিক অর্থেই বৃহৎ শক্তি দিয়ে চতুর্দিক ঘেরা। তারপরেও তারা সমতার ভিত্তিতে মান-ইজ্জৎ নিয়ে টিকে আছে। আমাদের কিছু রাজনৈতিক দলের মেরুদন্ডহীনতা আর দাস মনোবৃত্তি ঘোচাতে না পারলে অবস্থার উন্নতি হওয়া কঠিন। একজন রাষ্ট্রনায়কের হঠকারী সিদ্ধান্ত কিভাবে একটা দেশকে ধ্বংস করে দেয়, তার সমসাময়িক উদাহরন হলো ইউক্রেইন। দেখা যাক, কোথাকার পানি কোথায় গড়ায় শেষ পর্যন্ত।

মির্জা ফখরুলের কথা আর বইলেন না। এই ডায়াপার পড়া বদমাইশ বুইড়া রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবে, মন্ত্রী হবে.............ভাবলেই আমার মেজাজ খারাপ হয়!!! X(

বাংলা ভাষাভাষীদের নিয়ে একটা দেশ গঠন করার চেষ্টা তো হয়েছিলোই একটা সময়ে। কিন্তু ধর্মীয় বিভাজনই সেটা হতে দেয় নাই। সেসব বলে আর এখন লাভ নাই। আর বর্তমানের কথা যদি বলেন.........ভারতকে তো আমরা আগ বাড়ায়ে বিরক্ত করি না, তারাই আমাদের সাথে পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আর নির্লজ্জ বেহায়াপনা দেখতে দেখতে খানিকটা প্রতিক্রিয়া কেউ দেখালে তাকে বা তাদেরকে একেবারেই দোষ দেয়া যায় না। '২৪ এর ৫ই অগাষ্টের পর থেকে আজ পর্যন্ত বিএনপির বুইড়াগুলা যদি হারামীপনা না করতো, তাহলে আজ বাংলাদেশ সঠিক পথেই থাকতো। আগামী নির্বাচনে যদি এরা হারে, তাইলে আমি মিলাদ দিবো...........এই আপনেরে কয়ে রাখলাম!!! B:-/

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৫৪

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

আমার দিক-নির্দেশনা মুলক পোষ্ট!!!! মজা নেন নাকি? না মজা লমু কেন! আপনার লেখা আবার আমার কাছে টম হ্যাঙ্কস আর জর্জ ক্লুনির ছবির মতো লাগে। তাই আর কি? :p

যাক দেশের রাজনীতি আর পরিবর্তন নিয়ে আমার আর কোন চাওয়া-পাওয়া চিন্তা ভাবনা নাই। তাই অযথাই এইসব নিয়ে সময় নষ্ট করিডোর। তবে দেশের মানুষ বিশেষ করে ঢাকাবাসী স্টুডেন্ট তথা "জেন জির" উপর মহাবিরক্ত। এরা হয়ে গেছে এখনো বাপ-মা খেদানো পোলাপানের মতো। রাস্তা ব্লক আর আন্দোলনের যেন এক স্বর্নযুগ চলছে এখন আর এর ভুক্তভোগী ঢাকায় বসবাস করা লোকজন রা ......

ডঃ ইউনূস এর কার্যক্রম নিয়ে শুধু বলবো_
"দুষ্টের শিরোমণি লংকার রাজা
চুপি চুপি খাঁও তুমি চানাচুর ভাঁজ"

উনার গ্লোবাল ইনফ্লুয়েন্স ইমেজ দেশের কাজে লাগবে এমনটি ই তো প্রত্যাশা করেছিলাম।‌ কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ওনাকে নোবেল লরিয়েট থেকে বাংলাদেশের অনির্বাচিত সরকার প্রধান হিসেবে বেশি ট্রিট করছে পশ্চিমারা। যুক্তরাজ্য সফরে প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ পাইলো না আবার আই এম এফ নাকি লোনের কিস্তি দিচ্ছে না.... ওনার আর রাষ্ট্রপতি হওয়ার খায়েশ আর দেশের উন্নতির প্রত্যাশা করিয়া কোন লাভ। মান ইজ্জত যতটুকু আছে নির্বাচন দিয়ে ভালোই ভালোই গা-ঢাকা দেওয়া উওম। এতে ওনার সম্মান বাঁচলো ভবিষ্যতে গ্রামীন ব্যাংক প্রতিষ্ঠানের ইট ও থাকলো। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি হইলে জুলাই আন্দোলন নিয়ে ডিপস্টেট ও পশ্চিমের তার কলকাঠি নাড়ার বিষয়গুলো আরো শক্ত ভিক্তি পাবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.