নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ছোটবেলায় আমার জীবন বাঁধা ছিল নানা নিষেধের বেড়াজালে। রোদের যাওয়া নিষেধ, নাক দিয়ে রক্ত পড়বে; দৌড়াদৌড়ি নিষেধ, হাঁপানি শুরু হবে; ঠাণ্ডা লাগানো নিষেধ, আইসক্রিম খাওয়া নিষেধ, অজস্র নিষেধ। আমি খুব অসুস্থ থাকতাম, মা বাবা সবসময় তাই উদ্বিগ্ন থাকতেন। কত ডাক্তারের কাছে যে নিয়ে যেতেন! প্রতিবার ডাক্তারের কাছে যাবার সময় আমার কান্না শুরু হত; কারণ ডাক্তার মানেই নতুন করে আরেকবার আমার রক্ত পরীক্ষা। আমি মায়ের কোলে বসে কাঁদছি, শুকনো মুখে আব্বা বলছেন, "একটু কম ব্যথা দেবেন" আর তার মধ্যেই আমার রোগা তর্জনীর উপর ঘ্যাচাৎ করে সুঁই ঢুকে রক্ত বের করল -এটা আমার ছোটবেলার নিয়মিত ঘটনা। শুনতাম আমার রক্তের ইসিনোফিল পরীক্ষা করা হচ্ছে। অনেক ওষুধ খেতাম কিন্তু আমি সুস্থ হই নি। ওষুধ গেলানো হত জোর করে; ট্যাবলেট গুঁড়া করে তার এক অংশ চামচের আগায় নিয়ে চামচটা চিনি দিয়ে ভরে দেয়া হত, কিন্তু তাতে ওষুধের তিক্ততা কিছুই কমত না। এংগলেট সিরাপ নামে আরেকটা ওষুধ গিলে প্রতিদিন কিছুক্ষণ রোদে বসতে হত। এটা ডিমের কুসুমের মত ঘন আর স্বাদে-গন্ধে পঁচা মাছের নাড়িভুঁড়ির মত। এটা খাবার আগে পরে খুব কাঁদতাম।
আমরা থাকতাম কলোনিতে, স্কুলের সময় ছাড়া দিনের বাকি সময়টা ছোটরা কলোনির ভেতর খেলে কাটাত। প্রায় সব বাড়ীতেই চার পাঁচটা ছেলেমেয়ে, এরা ঘরে না থাকলে মায়েদেরও কিছুটা বিশ্রাম হত। বিকালে রোদ কমে এলে আমিও বেরোতাম- গোলাপ টগর, গোল্লাছুট খেলতাম বা স্লাইড চড়তাম। একদিন আমার বন্ধুরা পিকনিক করল। সবাই সেজেগুঁজে একসাথে অনেক খেলল, তারপর বাসা থেকে আনা খাবার নিয়ে সবাই ভাগ করে খেল।সারাদিন রোদে থাকতে হবে বলে আমি এই পিকনিকে যেতে পারলাম না। আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ওদের দেখতে লাগলাম, আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল ওদের সাথে থাকতে না পারায়। বয়স তখন ছয় বা সাত।
কলোনিতে দু' টা বাসায় টেলিভিশন ছিল, একটা আমাদের তিনতালায়। আব্বা বাসায় না থাকলে ক্লাস ফোরে পড়া আমার বড়ভাই মাঝেমাঝে তার কয়েকজন বন্ধুর সাথে সে বাসায় টিভি দেখতে যেত। একদিন ভাইয়ের সাথে আমিও গেলাম। আমাদের টিভির সামনে ঠাণ্ডা মেঝেতে বসতে দেয়া হল, সোফায় বসেছিলেন একজন মেহমান আর বাড়ীর লোকেরা। তারা টিভি দেখছিলেন আর গ্লুকোজ বিস্কুট চায়ের সাথে খাচ্ছিলেন। জীবনে প্রথমবার টিভি দেখা, কিন্তু আমার চোখ পড়ে রইল বিস্কুটের প্লেটে। প্লেট যখন খালি হয়েগেল তখন ভাইকে বল্লাম বাসায় নিয়ে যেতে।
আব্বার কড়া নির্দেশ ছিল আমার শরীর খারাপ হয় এমন কিছু, যেমন আইসক্রিম যেন বাসায় না খাওয়া হয়। কিন্তু একদিন রাতে হঠাৎ ঘুম ভেংগে কাউকে দেখতে না পেয়ে বিছানা থেকে নেমে পাশের ঘরে গিয়ে দেখি সবাই "কুলফিবরফ" খাচ্ছে। (ষাটের দশকের শেষের সেসময় এটা সবচেয়ে লোভনীয় আইসক্রিম, রাতের বেলা ফেরিওয়ালারা নিয়ে আসত।) কয়েকজন আত্মীয় ছিলেন বাসায় আর আব্বা আম্মা কোথাও গিয়েছিলেন- এই সুযোগে হয়ত ভাইবোনরা কুলফিবরফের স্বাদ নিতে গেছিল! আমি আকুল হয়ে কাঁদতে লাগলাম কুলফিবরফ খাবার জন্য; শেষে আমাকেও একটু খাওয়ানো হল। পরদিন ঘুম ভাঙল গলা ব্যথা নিয়ে; দুপুরের মধ্যেই এল প্রবল জ্বর! আইসক্রিম নিয়ে আমার আরেকটা স্মৃতি আছে। একদিন প্রবল কালবোশেখির ঝড় হচ্ছে, আমি জানালায় বসে দেখছি এক আইসক্রিমওয়ালা ঝড়ের মধ্যে তার আইসক্রিমের গাড়ি ঠেলে আমাদের পোর্চের দিকে আসার চেষ্টা করছে; হঠাৎ গাড়ি কাৎ হয়ে গিয়ে ঢাকনা খুলে অনেকগুলো আইসক্রিম পড়ে গেল। আইসক্রিমওয়ালা কোনমতে ঢাকনা এঁটে গাড়ি ফেলে দৌড়ে এসে পোর্চের নিচে দাঁড়াল; আইসক্রিমগুলা পড়েই রইল। আমি ছোটভাইকে ডাকলাম এ দৃশ্য দেখতে- আমাদের লুব্ধ চোখের সামনে আইসক্রিমগুলো গলে শেষ হয়ে গেল। আজো যতবারই আমি ইস্কাটন লেডিস ক্লাবে কোন বিয়েতে যাই, ততবারই বাঁদিকের কলোনিতে আমাদের ফ্ল্যাটের দিকে তাকাই আর সেই আইসক্রিম গলার দৃশ্য দেখতে পাই! এই অসুখময় শৈশব জীবনে অনাবিল আনন্দের একটা উৎস ছিল আমার- ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরীর বই। ছোটদের জন্য খুব সুন্দর ছবিওয়ালা অনেক বই ছিল, সব নতুন। সপ্তায় একদিন আব্বা আমাদের ব্রিটিশ কাউন্সিল নিয়ে যেতেন; নতুন বইয়ের গন্ধ, বইয়ের সুন্দর ছবি আর গল্প আমার জন্য দুঃখকষ্টহীন এক কল্পলোকের দুয়ার খুলে দিত। মা বা বড়বোন আমাকে বই থেকে গল্প পড়ে শোনাতেন; খুব পছন্দ ছিল বারো রাজকন্যার গল্প, হিংসুটে দৈত্যর গল্প। অসুস্থ হলে শুয়ে শুয়ে আমি বইয়ের গল্প মনে করতাম, কল্পনায় দেখতাম রাজকন্যাদের মাটির নীচের বাগান অথবা হিংসুটে দৈত্যের ফুলবাগানের। ফুলবাগানের খুব শখ ছিল আমার; আর কিছুদিন পর সত্যি সত্যি একটা ফুলবাগান পেলাম। আমার আব্বা এক জেলা শহরে বদলী হলেন যেখানে আমাদের বাসার সামনের দিকে ছিল চমৎকার ফুলের বাগান আর পেছনে ফল আর সবজি বাগান। বুড়ো মালী মহাবীর তার ছেলে রতনকে নিয়ে সারাদিন বাগানে কাজ করতেন। আমার বয়স প্রায় আট- আমি আর আগের মত অত অসুস্থ হতাম না তাই সারাদিন যখনই ইচ্ছা মালীভাইয়ের সাথে ফুলবাগানে থাকতাম। এত বড় হয়ে তখনো আমি স্কুলে যাই নি; আমি স্কুলে গেছি অনেক দেরীতে, একেবারে ক্লাস ফোরে, সাড়ে আট বছর বয়সে। আব্বা বলতেন স্কুলে গেলে আমার কষ্ট হবে, তাই এই দেরী। স্কুলে না গেলেও বাসায় মা পড়াতেন, ক্লাস থ্রি পর্যন্ত ছিল মাত্র তিনটা বই- বাংলা, অংক আর ইংলিশ। তাই পড়াশোনাটা তখন মোটেই কষ্টের ছিল না। প্রচুর অবসর, টিভি নেই- তাই আমরা সারাদিন অনেকরকম বই পড়তাম,খেলতাম আর অনেক কবিতা মুখস্থ করতাম। রাতের বেলা মা বাবা, ভাইবোন সবাই বারান্দায়- কখনো মেঘ না থাকলে আকাশে কালপুরুষ, বশিষ্ঠ, সপ্তর্ষিমণ্ডল দেখা, কখনো শুধুই গল্প। আমি সুস্থ হয়ে উঠছিলাম, তাই আমাদের সবার মনেই বেশ খুশি খুশি ভাব ছিল। কিন্তু এই খুশির দিন দীর্ঘস্থায়ী হল না। আব্বা মারা গেলেন। আমার বয়স তখন দশ বছরও পুরো হয় নি। আব্বা মারা যাওয়ায় সকলে কেন এত কান্নাকাটি করছে আমি বুঝতে পারছিলাম না। আব্বার উপর প্রচণ্ড অভিমান হল। আমি শুয়ে থাকলাম; শেষবার দেখার জন্য আমাকে সবাই ডাকতে এলেও আমি উঠলাম না। একদিন আব্বা বলেছিলেন কেয়ামতের ময়দানে সবার সাথে সবার দেখা হবে, আমি ঠিক করলাম কেয়ামতের ময়দানে আব্বাকে খুঁজে নিয়ে শক্ত করে হাত ধরে দাঁড়িয়ে থাকব!
কিছুদিন পর জানলাম যে সরকারী বাড়ি আমাদের ছেড়ে দিতে হবে, কিন্তু কোথায় যাব! অন্য একটি জেলাশহরে অবস্থিত পিত্রালয় ছাড়া নাবালক সন্তানদের নিয়ে থাকবার জন্য মায়ের আর কোন আশ্রয় ছিল না। সেখানে যাবার আয়োজন শুরু হল। এত বছরের সংসারের প্রায় সব কিছুই ছেড়ে যেতে হবে। দুটো মস্ত কাঠের বাক্সে মা তার প্রিয় ক্রকারি, শখের জিনিষপত্র আর আমাদের খেলনা ভরলেন। আমাদের আলমারি ভরা বই ভরা হল কয়েকটা কাল টিনের ট্রাংকে। কাঠমিস্ত্রি একবার কাঠ দিয়ে আমাকে একটা সুন্দর ছোট বাক্স বানিয়ে দিয়েছিলেন। বাক্সের গায়ে তালার ফুঁটো, সেটা খুলতে হত একটা লম্বা পিতলের চাবি দিয়ে। সেই বাক্সে নিলাম আমার কাপড়ের পুতুলগুলো আর মালীভাইয়ের বানানো চমৎকার একটা ফুলের তোড়া। মালীভাই এটা বানিয়ে দিয়েছিলেন নানারংয়ের কাগজের মত একরকম ফুল দিয়ে; বলেছিলেন "নানাবাড়িতে গিয়ে এই ফুল ফুলদানিতে সাজিয়ে রেখ, দেখবে তিন মাসেও ফুল শুকাবে না।" তারপর তিনমাস, ত্রিশমাস, ত্রিশবছর- আমার পুরো জীবনটাই কেটে গেল কিন্তু সেই ফুলসহ বাক্স তালাবদ্ধই রয়ে গেল, আমার শৈশবের সমস্ত আনন্দ সেই বাক্সে চিরকালের জন্য বন্দী হয়ে রইল।
নানাবাড়িতে আমরা আশ্রয় পেলাম কিন্তু নিজের বাড়ীর মতন কিছু না। সব বাক্স, ট্রাংক বন্ধই রইল; আমার, এমনকি ছোট ভাইবোনদের খেলনাও বাক্সেই থাকল। আমি একবার মাকে বললাম আমার কাঠের বাক্সটা বের করে দিতে কিন্তু মা বললেন ওটা রাখার জায়গা নেই। বইয়ের ট্রাঙ্কগুলো রাখা হল একটার উপর একটা করে, কোন বই বের করা হল না। আমি পড়ছিলাম জাহানারা ইমামের অনবদ্য অনুবাদে লরা মেরীর একটা বই- সেটা পড়ার জন্য আমার বুক ফেটে যেতে লাগল। অবশ্য এ বাসাতেও অনেক বই ছিল- মাসুদ রানা, কুয়াশা, দস্যু বনহুর, সোলেমানি খাবনামা, নীহারঞ্জন গুপ্ত আর এমন অনেক বই যা আমি জীবনেও পড়িনি। বাধ্য হয়ে সেসব বইই পড়তে লাগলাম। যাদবচন্দ্রের পাটিগণিত বলে একটা বই পেয়ে অংক করতে লাগলাম আর এটা দিয়ে শুরু হল আমার জীবনব্যাপী গণিতপ্রেম। আমরা সবাই স্কুলে ভর্তি হলাম। খুব তাড়াতাড়ি আমি শিখে গেলাম রোদ-বৃষ্টির মধ্যে হেঁটে স্কুলে যাওয়া, অসুখ করলে একসাথে দুতিনটা ট্যাবলেট গিলে খেয়ে সুস্থ হওয়া কারণ ততদিনে বুঝে গেছিলাম নিজেকে নিজেই ভাল রাখতে হবে। পরিবর্তিত এই জীবনে আমাদের ছিল অনেক অভাব, কষ্ট, আশ্রিতের হীনমন্যতা আর অপমানবোধ। কিন্তু এ থেকে আলোয় আলোয় আমাদের মুক্তি নিয়ে এল বইয়ের জগৎ। আমরা ভাইবোনেরা অনেক বই পড়তে লাগলাম; কতরকম বই, কত মানসের পরিচয়, জানলাম আমরা কেউ ফেলনা নই, জগতের আনন্দযজ্ঞে আমাদেরও নিমন্ত্রণ রয়েছে। প্রথমে নানাবাড়িতে রাখা বই পড়া শুরু করলেও পরে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রচুর ভাল বই পাই। এরমধ্যে বাংলায় অনূদিত রাশিয়ান সমস্ত বই আর সেবা প্রকাশনীর প্রকাশিত কিছু বিদেশী গল্প ছিল অনবদ্য, অতুলনীয়; আজো মনে রয়ে গেছে।
আমাদের নিজেদের একটা সুন্দর বাড়ি হল যখন আমি কলেজে ভর্তি হয়েছি তখন। নতুন বাড়িতে গিয়ে প্রথমেই খোলা হল আমাদের বইয়ের ট্রাংক - দেখা গেল ছয় বছর ধরে যে ট্রাংক সবচেয়ে নীচে ছিল তার অর্ধেক বই ড্যাম্প হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক বই রোদে শুকিয়ে নতুন করে বাইন্ডিং করা হল। বহুদিন পর আমার দেব সাহিত্য কুটিরের বই, লরা মেরীর বই পেলাম। এবার বড় কাঠের বাক্স খোলা হল- আমার, ছোট ভাইবোনের খেলনা একে একে বের হল। কিন্তু ততদিনে আমরা বড় হয়ে গেছি! আমার একটা খুব প্রিয় বিলেতি পুতুল বেরোল; নীল চোখ, গোলাপি জামা আর সাদা জুতো সব ঠিক থাকলেও দেখা গেল পুতুলের সারা গায়ে ছাতা পড়ে গেছে। আমার খুব মন খারাপ লাগছিল, এরমধ্যে এক মামা হো হো করে হেসে বললেন, "তোমার পুতুলের তো পক্স হয়েছে,ফেলে দাও, শিগগীর এটাকে ফেলে দাও।" আমি তাড়াতাড়ি বাথরুমে ঢুকে বেসিনের কল আর চোখের জল একই সাথে ছেড়ে দিলাম- কলেজে পড়া মেয়ে সবার সামনে পুতুলের জন্য কি কাঁদতে পারে ! কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে দেখলাম আমার সেই কাঠের বাক্স! দেখে অনেকদিন পর মালীভাই, ফুলের তোড়া, বাগান সব মনে পড়ল। মা কাঁচের বাসনপত্র বের করতে করতে বললেন সব গুছিয়ে পরে চাবি দিয়ে আমার বাক্স খুলে দেবেন। কিন্তু বাক্সের চাবি পাওয়া গেল না, তাই তখন বাক্স খোলাও হল না। পরেও না। কয়েকবছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় একবার বাড়ি গেছি, দেখি সেই বাক্স, তখনো তালাবন্ধ। তালা ভেংগে বাক্স খুলতে গিয়ে মনে হল, এরমধ্যে আমার শৈশব ভরা আছে, থাক এটা এভাবেই। তারপর আরো দুই দশক কেটে গেছে, জীবনের পথ অনেকটা পাড়ি দিয়ে ফেলেছি, বাক্সর কথা ভুলেই গেছি। একদিন মায়ের বাসায় গিয়ে দেখি
অনেক হাবিজাবি জিনিষের মাঝে সেই বাক্স- ফেলে দেবার আগে ভেতরে কি আছে দেখার জন্য বাক্স ভাংগার ব্যবস্থা হচ্ছে। আমি ভাংতে দিলাম না- বাক্সটা আমার বাসায় নিয়ে এলাম। এখন মাঝে মাঝে বন্ধ বাক্সটা দেখি, সেই ঝলমলে ফুলগুলো চোখে ভেসে ওঠে, আর মনে পড়ে আমার জীবনেও কিছু ঝলমলে দিন ছিল!
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৫
করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ, কাছে আসার গল্প। আপনার প্রথম মন্তব্য আমার ব্লগে, সেজন্যে আবারো ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।
২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৪৩
মলাসইলমুইনা বলেছেন: খুব ভালো লাগলো আপনার বন্দি শৈশবের গল্প | সময়গুলোকে যদি একটা শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা যেত ! আমার একটা বক্স অনেক জিনিস নিয়ে প্যাক করা আছে ঢাকায় মনে হয় দশ পনেরো বছর | নানা কারণে যাওয়া হলেও খোলা হয়নি আর বক্সটা | ভাবছি আর কখনো খুলবো না | ওখানে লুকানো কলেজ দিনের স্মৃতিগুলো | এতদিন পরে খুলে আর কি হবে !! আবারো বলছি খুব ভালো লাগলো পরে আপনার বন্দি শৈশব আমার আছে কি না একটা অমন বন্দি শৈশব !
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৬
করুণাধারা বলেছেন: ছোট করতে গিয়ে অনেকটা কেটে লিখতে হয়েছে। এটা আমার walking down the memory lane এর কিছু অংশ, পড়তে গিয়ে নিজের কাছেই খুব খাপছাড়া লাগছিল। তবু আপনার ভাল লেগেছে- জেনে ভাল লাগল মলাসইলমুইনা। ভাল থাকুন সতত।
৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:২১
কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: শৈশব বড় মধুর। আপনার ছেলেবেলার রোগশোক কি এখন কমেছে আপা? জানতে ইচ্ছে করে কোন কলনীতে ছিলেন?
শৈশবের এমন কত স্মৃতিময় বাক্স চিরতরে হারিয়ে আসি আমরা অনেকেই। আপনি ভাগ্যবতী অন্তত একটা আপনার কাছে রাখতে পেরেছেন।
অনেক ভালো লাগা। ভালো থাকবেন।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৭
করুণাধারা বলেছেন: রাজকন্যার আগমনে আমার ব্লগবাড়ি ধন্য হল। মন্তব্য পেয়ে খুব ভাল লাগল রাজকন্যা। স্মৃতি সততই মধুর, দেখছি তিতা ওষুধ খাবার স্মৃতিও ভাল লাগে।
যখন আমার জন্ম হয়, ষাটের দশকে তখন আমার মা বাবারা আজিমপুর কলোনিতে থাকতেন। আমার স্মৃতিতে আছে ইস্কাটন লেডিস ক্লাবের উলটা দিকের রূপালী নামের বিল্ডিং ; এখানে অনেকদিন ছিলাম। না, রোগ তেমন সারেনি কিন্তু আমি রোগের সাথে লড়াই করে বসবাস করা শিখেছি, সেই দশ বছর বয়স থেকেই।
শুভকামনা রাজকন্যা।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০০
করুণাধারা বলেছেন: আরেকটা ধন্যবাদ লাইক দিয়ে অনুপ্রেরণা দেবার জন্য।
৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:২৩
আখেনাটেন বলেছেন: অানন্দ-বেদনার আবেশ জাগানিয়া কিছু স্মৃতি খনি থেকে তুলে পাঠককে জানিয়ে দেওয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। ছোটকালের বহু ঘটনা আছে যা কখনই ভোলা যাবে না। ক্ষণে ক্ষণে উঁকি দেয় মনের গহীন কুঠিরে। চাইলেও এড়িয়ে যাওয়া যায় না।
এগুলোই হয়তবা বেঁচে থাকার চিরসঞ্জীবনী।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৭
করুণাধারা বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আখেনাটেন, মন্তব্য আর লাইক দিয়ে অনুপ্রেরণা দেবার জন্যে।
অনেকদিন আগে সত্যজিৎ রায়ের বইয়ে পড়েছিলাম উনি আড়াই বছর বয়সের ঘটনা মনে করতে পারেন। অদ্ভুত লেগেছিল, কিন্তু এখন দেখছি বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতির পরদা সরে যেতে থাকে, ভুলে যাওয়া দূর অতীতের অনেক কিছু স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আমারও তেমন অনেক কিছু মনে পড়ল, ইচ্ছা হল শেয়ার করতে। ঠিকই বলেছেন, এগুলোই বেঁচে থাকার চিরসঞ্জীবনী।
ভাল থাকুন।
৫| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৫৮
জাহিদ অনিক বলেছেন:
এরমধ্যে আমার শৈশব ভরা আছে, থাক এটা এভাবেই। - বাক্সবন্দী শৈশবঃ নামকরণের সার্থকতা এখানেই।
করুনাধারা, আপনার নামটা যেমন একটা বিরহ আবহাওয়া সৃষ্টি করে তেমনি আপনার শৈশব স্মৃতিই কিছুটা বিরহ আবহাওয়া সৃষ্টি করল।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩
করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ জাহিদ অনিক, মন্তব্য এবং লাইক দুয়ের জন্যই।
আমার শৈশব স্মৃতি শুধু বিরহ না, দুঃখেরও। আপনি দারুন কবিতা লেখেন, আপনার মন্তব্য পড়ে আপনার জন্য এই কবিতাটা। কবি বোধহয় আবুল হাসান, ঠিক মনে করতে পারছি না।
দুঃখ আমার সোনার শিকল
কন্ঠে পরা আছে
দুঃখ আমার গভীর প্রণয়
বুকের মধ্যে নাচে।
----------
----------
দুঃখ আমার ---
আমার ঘরেই ঘর
দুঃখ সেতো শীতলপাটি
ঘুমাই তারি পর।
সুখ যে আমার আকাশকুসুম
খুঁজে বেড়াই তারে
এটুকুই মনে আছে। ভাল থাকুন জাহিদ অনিক।
৬| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:২৭
খায়রুল আহসান বলেছেন: "আমার জীবনেও কিছু ঝলমলে দিন ছিল" - শেষটা খুব ভাল লাগলো।
আবার আসবো আপনার এ পোস্টে। আপাততঃ ভাল লাগার কথাটুকু জানিয়ে গেলাম। + +
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫২
করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ খায়রুল আহসান, আপনার মন্তব্য আমার জন্য অনুপ্রেরণা, লাইকের জন্য কৃতজ্ঞতা।
একসময় যে ঘটনাগুলো ছিল কষ্টের, আজ মনে হয় বহুদূর থেকে সেই ঘটনার ছবি দেখছি, দেখতে দেখতে মনে হয় কোন দুঃখ নয়, এগুলো কেবল অভিজ্ঞতা। আমার লেখা খাপছাড়া, তাই কিছুটা দ্বিধার সাথে লিখেছি। আপনার ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল।
ভাল থাকুন।
৭| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৩
রাজীব নুর বলেছেন: অতীত দিনের সৃতি ভাবতে ভালো লাগে।
রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলি- বাজিল বুকে সুখের মতো ব্যথা।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
করুণাধারা বলেছেন: চমৎকার কোট করেছেন রাজীব নুর, এই একটি বাক্যে আপনি আমার মনের কথা বলে দিয়েছেন।
মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা, ভাল থাকুন সতত।
৮| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
বেয়াদপ কাক বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে পুরোটা পড়লাম। মুগ্ধতা।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯
করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ বেয়াদপ কাক মন্তব্যের জন্য। আমার ব্লগে স্বাগত।
মুগ্ধতা কিসে? মুগ্ধ হবার মত ঘটনা ছিল কিছু? তবে সেই কুলফিবরফ খেলে নিঃসন্দেহে মুগ্ধ হতেন।
ভাল থাকুন সতত।
৯| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
বেয়াদপ কাক বলেছেন: না কোনো ঘটনার জন্য মুগ্ধতা নয়, মুগ্ধতা আপনার লেখনীর।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩
করুণাধারা বলেছেন: আমার লেখনীর প্রশংসা শুনে আরেকটা স্মৃতি- আমি এসএসসিতে বাংলা ১ম পত্রে পেয়েছিলাম ৩৪, পাশ মার্ক ছিল ৩৩। খুব মন খারাপ হয়েছিল। যদি জানতাম আমার লেখাকেও কেউ ভাল বলবে!
লাইকের জন্য আরেক দফা ধন্যবাদ।
১০| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
জুন বলেছেন: করুনাধারা আপনার জীবনের সাথে কেমন যেন মিল খুজে পেলাম আমার । মায়ের ক্যান্সার ধরা পড়ার পর বাবার কর্মস্থল থেকে ঢাকায় চাচা প্লাস খালুর বাসায় এক বছরের জন্য আশ্রয়। একদা আমাদের সেই হাসিখুশী সুখী পরিবারের সেখানেই সমাপ্তি। সে জীবনে আপনার মত আমারও বইই ছিল একমাত্র সাথী । লরা মেরীর লিটল হাউজ তো ছিলই সাথে আপনার মতই রাশিয়ান উপকথা, দেব সাহিত্য কুটিরের যত বই এর সাথে ইংরাজীতে সিন্ডারেলা, স্নো হোয়াইটের কমিকসগুলো । বড় হয়ে নীহার রঞ্জন আর আশুতোষে মন।
ভালোলাগলো অনেক শুধুমাত্র আপনার অসুস্থতার কথাটি ছাড়া। এখন ভালো আছেন তো ?
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:১১
করুণাধারা বলেছেন: জুন, আপনার মন্তব্যটি মন ছুঁয়ে গেল, আর ভাল লাগল আমার জীবনের ঘটনার সাথে আপনার জীবনের ঘটনার মিল দেখে। আপনার সাথে আমার আরেকটি মিল আছে, আমার বাবারও ক্যান্সার হয়েছিল। এগার মাস বেঁচে ছিলেন। ক্যান্সার ধরা পড়ার পর আমাদের যে কষ্টের দিন গেছে তা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না। আমি মাত্র একটি বাক্যে শেষ করেছি কারণ সেই দিনগুলোর কোন বর্ণনা দেবার ভাষা আমার নেই।
সুন্দর ছবিওয়ালা রাশিয়ান বইগুলো আর পাওয়া যায় না। খুব ভাল লাগত। সাহিত্য-জ্ঞান আমার অল্প, তাই খুব জানতে ইচ্ছা করে ছোট বড় সবার জন্য সাহিত্যের এমন ভাণ্ডার আর কোন ভাষায়য় আছে কিনা।
আমার অসুখ এখনো আছে, কিন্তু আমি ভাবি এটুকু অ-সুখ নিয়ে না ভেবে জীবনে আর যা যা পেয়েছি, চোখ, হাত, পা আর সুস্থ মন- তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত। আমি তাই করছি।
ধন্যবাদ জুন, মন্তব্য আর লাইকের জন্য। ভাল থাকুন।
১১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৫
ওমেরা বলেছেন: আমার আম্মুর যখন ক্যানসার ধরা পরে আমি ফোনে খুব কান্না করছিলাম আম্মু তখন বলেছিল কাঁদ কেন , সবাইকেই মরতে হবে এ জীবনটাতো ক্ষণস্থায়ী জানই ! তোমরা দুনিয়াতে ভালভাবে আল্লাহর আদেশ - নিষেধ মেনে চলবে তাহলে আমরা আবার জান্নাতে একত্রে থাকতে পারব ।
খুব সুন্দর করে লিখেছেন আপু শৈশব স্মৃতি । ধন্যবাদ আপু ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:২৫
করুণাধারা বলেছেন: আপনার আম্মু একেবারে ঠিক বলেছিলেন। পবিত্র কোরআন শরীফে আল্লাহ কয়েকটি আয়াতে বলেছেন ইমানদার এবং সৎকর্মশীল সন্তানেরা বেহেশতে তাদের ইমানদার পিতামাতার অনুগামী হবে। হয়ত আপনি পড়েছেন, তবু আমি এই সংক্রান্ত আয়াতগুলো এখানে উল্লেখ করছি। সুরা রা'দের ২৩, সুরা মুমিনের ৭-৮, সুরা ত্বুরের ২১ এবং সুরা ইনশিক্কাক্কের ৯ নং আয়াত।
ধন্যবাদ মন্তব্য ও লাইকের জন্য। খুব ভাল থাকুন ওমেরা।
১২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:১৭
আহমেদ জী এস বলেছেন: করুণাধারা ,
খুব করুন রসে ভেজানো ঝলমলে এক শৈশবের দিনগুলোকে বাক্সবন্দী করে ফেলেছেন অবলীলায় ।
মাঝে মাঝে সে বন্ধ বাক্সের ঢাকনা খুলে দেখা , নিজের হারিয়ে যাওয়া শৈশবের পুতুল দিন , কিছু মুখ , কিছু স্মৃতি ।
চমৎকার্-ই শুধু নয় , এ যেন নিজেকে দেখা সময়ের আয়নায় ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৩৮
করুণাধারা বলেছেন: পিছন ফিরে দেখার মত অবসর আমার অনেক আছে, তাই ফিরে দেখলাম; দেখলাম দূর থেকে দেখার ফলে একধরনের নির্লিপ্ততা নিয়ে দেখা যায়, আনন্দ-বেদনা সব মিলেমিশে চমৎকার এক ছবি। সেটাই আঁকার চেষ্টা করেছি। আপনার মন্তব্য আমার জন্য মস্ত অনুপ্রেরণা। অজস্র ধন্যবাদ, এবং কৃতজ্ঞতা লাইকের জন্য। ভাল থাকুন।
১৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:১১
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কলনীতে থাকা, ঝলমলে দিন ...
গ্লুকোজ বিস্কুট,
কুলফি বরফ/আইসক্রিম।
ছোটকালের মারাত্মক মজার এক আইসক্রিম। মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৪
করুণাধারা বলেছেন: ঠিকমত মনে করাতে পেরেছি কি হাসান কালবৈশাখী, সেই আংগুরের ছবিওয়ালা গোলাপি প্যাকেটের গ্লুকোজ বিস্কিট, লাল কাপড় মোড়া হাঁড়িতে করে কুলফিবরফ ফেরী করা। জীবনে একবারই এই আইসক্রিমের স্বাদ পেয়েছিলাম!
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। ভাল থাকুন হাসান কালবৈশাখী।
১৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:১৭
প্রামানিক বলেছেন: দুঃখ কষ্টে ভরা জীবন স্মৃতি পড়ে অনেক কিছু জানা হলো। ধন্যবাদ
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫২
করুণাধারা বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ প্রামাণিক, এই দীর্ঘ পোস্ট পড়ে মন্তব্য করার জন্য।
আপনার বন্ধুদের স্মৃতিচারন করতে গিয়ে পরিপার্শ্বিক বর্ণনা এমনভাবে দেন যে সবকিছু দৃশ্যমান হয়ে ওঠে, পোস্ট হয় দারুন আকর্ষণীয়। এমন পোস্ট আরো দিন, ভাল থাকুন সতত।
১৫| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪০
খায়রুল আহসান বলেছেন: পিছন ফিরে দেখার মত অবসর আমার অনেক আছে, তাই ফিরে দেখলাম (১২ নং প্রতিমন্তব্য) - আমারও অনেক আছে, তাই আমিও দেখি!
আমার শৈশবের চার বছর বয়সের কথাও মনে আছে। আমার আত্মজৈবনিক স্মৃতিকথার বই "জীবনের জার্নাল" এ সে কথার উল্লেখ আছে।
জুন এর মন্তব্যটা (১০ নং) আপনার মত আমারও মন ছুঁয়ে গেছে।
এসএসসি তে বাংলা ১ম পত্রে পেয়েছিলেন ৩৪। ইংরেজীতে কত পেয়েছিলেন, সে কথা মনে আছে? আর অংকে?
ছোটবেলায় ৪/৫ বছর বয়সে একবার টাইফয়েড জ্বরে মারাত্মক ভুগেছিলাম, সে কথা আজও মনে আছে। সে সময় জ্বর হলে ভাত খেতে দিত না, শুধু বার্লি আর সাগু, সাথে কচি মুরগীর স্যুপ। ৩৩ দিন পরে ভাত খেয়েছিলাম!
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১১
করুণাধারা বলেছেন: আপনার "জীবনের জার্নাল" পোস্ট খুঁজতে গিয়েছিলাম, না পেয়ে ফিরে এসে দেখি এটা পোস্ট নয়, বই। তবে লাভ যা হল তাও কম না। আপনার অনেক পোস্টে ঢুঁ মারা হল, পরে আবার যেতে হবে। কিন্তু এই বই প্রসংগে কি ব্লগে কিছু লিখেছিলেন?
কানের পাশ দিয়ে গুলি বেড়িয়ে গেলে সেটা আজীবন মনে থাকে- আমারও তাই সবসময় মনে থাকে আর মাত্র দুই নাম্বার কম পেলেই মেট্রিক ফেলের তকমা নামের সাথে জুড়ে যেত! অন্যগুলোর নাম্বার ভালভাবে মনে নেই তবে ইংলিশে সাতের ঘরে কিছু আর আমার প্রিয় অংকে প্রায় ফুলমার্ক পেয়েছিলাম।
আপনার একেবারে তেত্রিশ দিন পর্যন্ত মনে আছে! দারুন। অবশ্য এখন আপনার স্মৃতিচারণমূলক যে কটা পোস্ট পড়েছি তাতে দেখেছি আপনার খুঁটিনাটি অনেক কিছুই মনে আছে।
১৬| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৯
তারেক ফাহিম বলেছেন: শৈশব স্মৃতি আমার কাছে মধুর লাগে।
সুন্দর স্মৃতিচারণ পাঠে মুগ্ধ
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৪
করুণাধারা বলেছেন: কতদিন আগের স্মৃতি তারেক ফাহিম? মনে হচ্ছে বেশি দিন আগের নয়।
ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য। ভাল থাকুন।
১৭| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৩
রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: ভালো-মন্দ মিলিয়েই শৈশব।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৪
করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ রূপক বিধৌত সাধু। আপনি কি পুরো পোস্ট পড়েছেন? মূলকথা যা বলতে চেয়েছি তা এই- দুঃসময় একসময় শেষ হয়ই।
ভাল থাকুন।
১৮| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৬
অপ্সরা বলেছেন: ছেলেবেলার গল্প শোনার দিনগুলো এখন কত দূরে
আর আসেনা রাজার কুমার পঙ্খীরাজে উড়ে .....
তবুও দিনগুলো, স্মৃতিগুলো উড়ে উড়েই আসে.....আমার মনে হয় মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় তার শৈশব!!!!!!!
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩০
করুণাধারা বলেছেন: সত্যি, মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় তার শৈশব। তাই ছোটখাট নানা কথা আর ছবি মাঝেমাঝেইই মনে পড়ে।
প্রীতি রইল অপ্সরা।
১৯| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২১
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: একেবারে ঝিম ধরিয়ে দেয়া লিখনি!
অনেকক্ষন বুদ হয়ে বসে রইলাম।
জীবন এমন কেন???
walking down the memory lane-পড়ার চরম আগ্রহ বোধ করছি। অনলাইন লিংক থাকলে শেয়ারের আবেদন রইল।
আপনার দারুন লেখনিতে মুগ্ধতা
+++++++
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:১৪
করুণাধারা বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু! আমার লেখনীতে মুগ্ধতা!!!!!
আমার তবে শুধুই স্তব্ধতা। কি আর বলবো!
আপনার মন্তব্য ও প্লাসে অনুপ্রাণিত হলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ।
Walking down the memory lane আমার মনে মনে লেখা স্মৃতিকথা। যদি কখনো কোথাও লিখি আপনাকেই তাহলে প্রথম জানাবো ইনশাল্লাহ। ভাল থাকুন ভৃগু।
২০| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩৫
শায়মা বলেছেন: আপু তোমার জন্য আমার এই কবিতা --
বায়োস্কোপের ঘুলঘুলিতে ফেলে আসা ছেলেবেলা!!!
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২০
ছেলেবেলা আমার ছেলেবেলা
মিষ্টিসূরের সেই পিছুটান,দূর-কলতান,
কেমন আছিস, কোথায় আছিস তুই?
গভীর রাতে চমকানো দুঃস্বপ্ন দেখে
হুড়মুড়িয়ে মায়ের ঘরে, জায়গা নিতে,
আজও কি তুই দৌড়ে পালাস?
বিড়বিড়িয়ে পড়িস কি তুই ভূত তাড়ানো মন্ত্রগুলো চক্ষুমুদে?
খুব সকালে ঘুম ভাঙ্গানি পাখির ডাকে,
শিউলিতলা শিশিরভেজা ঘাসের পরে
নগ্নপায়ে খামখেয়ালী হাটিস কি তুই ?
বিনিসুতোয় গাঁথিস কি তুই আজও মালা জাফরাণী রং শিউলিফুলে!!!
ছুটির দিনে সবাই যখন ভাতঘুমে ঘোর,
দুপুরবেলা চিলেকোঠার আলসেঘেসে বসিস কি তুই?
গুনগুনিয়ে ভাজিস কি সূর আপনমনে?
একা একা খেলিস কি তুই আজও একা পুতুলখেলা, নিসঙ্গবেলা ?
দুইবেনীতে চুলের ফিতা সাদা কালো,
চোখের ভিতর লাল নীল রঙ কমলা হলুদ
ঘোর লাগা সব স্বপ্নগুলো দেখিস কি তুই ?
ছুটিস কি তুই ধরতে আজও ঝিলমিল রং,প্রজাপতির রঙ্গিনপাখা ....
মেঝের পরে উপুড় হয়ে, বই এর পিছের শেষ পাতাটায়,
ক্যালেন্ডারের উল্টোপিঠে,অথবা সেই চকখড়িতে
তুই কি আজও আঁকিস ছবি?
সেই যে ছিলো ক্ষ্যান্তবুড়ি, ভুতুমপেঁচা রাজকুমারী কাঁকনমালা ?
জুতোর বাক্সে বানাস কি ঘর পুতুলগুলোর
বিছান বালিশ, কৌট দিয়ে যতন করে
মুড়িয়ে দিস টুকরো কাপড়, লেসের ফিতায়?
আতশকাঁচে থাকিস চেয়ে মুগ্ধ চোখে ঝুম অপলক আগের মত?
বৌ পুতুলের গায়ে জড়াস লালশাড়িটা,
পুঁতির মালা, নাকের নোলক, মায়ের ফেলে দেওয়া
কোনো পুরোন দুলে, গয়নাগাঁটি পরাস কি তুই?
রান্নাবাটি পাতার ঝোল আর টুকরো ইটে চচ্চড়িমাছ হাপুস হুপুস?
কাঁচের বাক্সে হাওয়াই মিঠা, শনপাপড়ি,
আমের সবুজ কাঁচামিঠায় বোশেখ দুপুর,
মায়ের নিষেধ তেঁতুল আচার, চুম্বকটান..
এখন কি তা তেমন টানে আগের মত?
আচ্ছা এবার বলতো রে তুই......
এখনও কি কষ্টে ভুগিস?
কাঁদিস কি তুই চুপিচুপি ?
ঠিক তেমনি, একা একা যেমনি পেতিস
দুঃখগুলো, নিঝুম দুপুর মেঘেরা তোর
ব্যথার সাথী, ডাহুকপাখি গাছের ডালে।
আবার ভুলে দৌড়ে যেতিস বারান্দাতে
অবাক চাওয়া ঝুলরেলিং এ ফেরিওয়ালা কিংবা
পথের বস্তি শিশু, সঙ্গহীনা, তোরই দোসর,
ঠিক যেন তোর দুঃখ ভোলা, দমকা হাওয়া একটা ঝলক!
ছেলেবেলা, কেমন আছিস?
অনেক ভালো তাইনারে বল?
এখন তো তুই অনেক বড়, অনেক কঠিন পাথরবাটি?
আগুন পোড়া সোনার কাঁঠি, জ্বলজ্বলে কোন টুকরো হীরা,
ঝকঝকে চাকচিক্যে ভরা, রাংতামোড়া,
অভিমানী ছেলেবেলা।
কেমন আছিস? কোথায় আছিস বল?
একছুট্টে দেখে আসি একটু তোকে
বায়োস্কোপের রঙিন কাঁচের ঘুলঘুলিতে.....
চোখটা পেতে একটুখানি!
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:২২
করুণাধারা বলেছেন: কবিতা পড়ে তো লা জওয়াব হয়ে গেলাম। এমন কবিতা কি করে লিখো!!!
হারিয়ে যাওয়া ছেলেবেলাকে কি খুঁজে পেয়েছ? জানতে পেরেছ কোথায়, কেমন আছে? খুঁজে পেলে জানিও, আমিও তোমার সাথে গিয়ে দেখে আসব তাকে, আর ভাল থেকো।
বিশাল কবিতার মত বিশাল একখানা ধন্যবাদ।
২১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৯
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: জীবনের অতীত কে সুন্দর ভাবে অক্ষরের বেধেছেন।।।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:২৪
করুণাধারা বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া)। অজস্র ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
ভাল থাকুন- শুভকামনা।
২২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৭
নূর-ই-হাফসা বলেছেন: অনেক সুন্দর করে লিখেছেন । পড়তে গিয়ে চোখ ভিজে গেল । জীবন কত বিচিত্র । কত স্মৃতি ।
শহরের বদ্ধ দেয়ালে আমার শৈশব হাতড়ে সুখের ঘটনা খুব কম মিলে ।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৩২
করুণাধারা বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম নূর-ই-হাফসা। আপনার মন্তব্য এবং লাইকে আমি অনুপ্রাণিত হলাম।
এটা পড়তে গিয়ে চোখ ভিজে গেল- এত নরম মন আপনার! ডাক্তারদের হতে হয় কঠিন হৃদয়। ডাক্তার সত্বার চেয়ে আপনার কবি সত্বা বেশি শক্তিমান মনে হয়।
ভাল থাকুন সবসময়।
২৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৫৮
সোহানী বলেছেন: মনটাই খারপ হয়ে গেল। কি বলবো বুঝতে পারছি না।
ছোটবেলার এরকম ঠান্ডা অসুখ আমারো ছিল আর মা-বাবার সে যত্ন ঠিক আপনারই মতো। এ যত্ন কখনই কমেনি এতো বছরে ও এতো বড় হয়ে ও।
অনুসরনে থাকলাম আরো লিখা পড়ার জন্য।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:০৪
করুণাধারা বলেছেন: পড়ে আপনার মনটাই খারাপ হয়ে গেল সোহানী- আপনার এই অনুভূতি মন ছুঁয়ে গেল। কিন্তু আমি এসব লিখেছি শুধু ঘটনার বর্ণনা হিসাবে; সেই শৈশবেই আশাপূর্ণা দেবীর বইয়ে পড়েছিলাম- Count your blessings. তাই দেখেছি কি পেলাম না তা না ভেবে কি পেলাম তার হিসাব করলে জীবনের অনেক জটিলতা কমে যায়। তবে একটা জিনিষ বুঝেছি সন্তান অসুস্থতায় কষ্ট পেলে মাবাবা ভাল থাকতে পারেন না।
এই লেখাটা আমার নিজের কাছে খুব খাপছাড়া মনে হয়েছে কারণ অনেক কিছু কেটে বাদ দিয়েছি। তবু এটা এত পঠিত হল দেখে খুব অবাক হয়েছি। আমার নিজের প্রিয় লেখা, ভেবেছিলাম যার শিরোনাম দেখে কিছু নারী ব্লগার অন্তত পড়বেন সেটা মাত্র ২২ বার পঠিত হয়েছিল। তাই আপনাকে সেটা পড়ার অনুরোধ করছি, এখানে Click This Link
মন্তব্য এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হলাম সোহানী। ভাল থাকুন।
২৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:২২
সচেতনহ্যাপী বলেছেন: অনেক নক আবগঘন লেখা।। বিশেষ করে আব্বার ঘটনা র কিশোর মনের অভিমান আর জেদ।।
কুলফির কথায় আরেকটি খাবারের কথা মনে পড়ে গেল।। জিনিষটা হটপ্যাটিস।। দুই ভাগের টিনের বাক্সে করে বিক্রয় হতো।। আর ফেরীঅলার কি সুরেলা ডাক!! সসসস যেন মোহনীয় হয়ে উঠতো।।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:১১
করুণাধারা বলেছেন: সচেতনহ্যাপী, সন্ধ্যার হটপ্যাটিস ছাড়া আমার গল্প পুরো হয় নি, তবু সেটা বাদ দিয়েছিলাম লেখা ছোট রাখবার জন্য। আপনি এটার উল্লেখ করায় খুব ভাল লাগল। আর ছিল চানাচুরওয়ালা, ঝুনঝুন বাজনার সাথে গান, "ছোট ছোট পোলাপান, মায়ের কাছে কাইন্দা কাইটা পয়সা আন।"
ভাল লাগল আপনার মন্তব্য আর প্লাস। ভাল থাকুন সচেতনহ্যাপী।
২৫| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ ভোর ৬:৪৮
আটলান্টিক বলেছেন: পোষ্টে
প্লাস
দিসি
আপু
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:১৫
করুণাধারা বলেছেন: হাঁ আ আ আ আ আ
এ যে একেবারে আটলান্টিক মহাসাগরের মত বিশাল প্লাস! দেখে চোখ জুড়াল।
অনেক ধন্যবাদ আর শুভকামনা একটি আটলান্টিক।
২৬| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:৪৭
খায়রুল আহসান বলেছেন: কিন্তু এই বই প্রসংগে কি ব্লগে কিছু লিখেছিলেন? (১৫ নং প্রতিমন্তব্য) - হ্যাঁ, কিছু একটা লিখেছিলাম। সেটা পাবেন এখানেঃ অনিশ্চিত তীর্থযাত্রা-২
আপনার একেবারে তেত্রিশ দিন পর্যন্ত মনে আছে! - সেটা মনে থাকার আরেকটা কারণ, আম্মা প্রায় সময়ই কথাটা স্মরণ করতেন এবং বলতেন।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:১৮
করুণাধারা বলেছেন: আবারো ফিরে আসায় কৃতজ্ঞতা খায়রুল আহসান, আমি লিংক ধরে পোস্ট পড়ে এলাম। এছাড়া আপনার অনেকগুলো পুরানো পোস্ট পড়তে হবে। আশাকরি শীগগিরই শুরু করব।
শুভকামনা।
২৭| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:১৬
জনৈক অচম ভুত বলেছেন: কোথায় যেন বিষাদের সুর বেজে উঠল!
লেখনিতে মুগ্ধতা।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:২৫
করুণাধারা বলেছেন: জনৈক অচম ভুত, এটা আনন্দজনক ঘটনার স্মৃতিচারণ নয়, লেখাতে বিষাদ ছিল- আপনি তার সুর ঠিকই শুনেছেন।
আপনার মন্তব্য এবং প্লাস আমাকে অনেকখানি অনুপ্রেরণা দিল।
ভাল থাকুন- শুভকামনা।
২৮| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৩৯
মোস্তফা সোহেল বলেছেন: কিছু কিছু স্মৃতি সব সময়ের জন্য হয়তো বাক্সোবন্দী করে রাখতে হয়।
সব সময় ভাল থাকুন।অনেক শুভ কামনা রইল।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২৯
করুণাধারা বলেছেন: আপনাকে আমার ব্লগে পেয়ে খুব ভাল লাগছে মোস্তফা সোহেল। হ্যাঁ, কিছু স্মৃতি বাক্সবন্দী হয়েই থাক; এতে স্মৃতিগুলো অমলিন থাকে।
আপনার মন্তব্য ও প্লাস আমার জন্য অনুপ্রেরণা - অজস্র ধন্যবাদ।
আপনার জন্যও শুভকামনা - ভাল থাকুন সতত।
২৯| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৩৮
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: স্মৃতি কখনো মধুর, কখনো বা বেদনা বিধুর।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৫
করুণাধারা বলেছেন: স্মৃতি কখনো মধুর, কখনো বা বেদনা বিধুর । কিন্তু বহুদূরের স্মৃতি সবসময়ই প্রিয়।
ভাল থাকুন মোঃ মাইদুল সরকার। মন্তব্যের জন্য অজস্র ধন্যবাদ।
৩০| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:০৪
তারেক ফাহিম বলেছেন: বয়স এখনো মুঠোর ভিতর অাসেনি।
খুব বেশিদিন না, ঠিক বলছেন।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৭
করুণাধারা বলেছেন: জানি, সেটা আপনার লেখায় স্পষ্ট।
আপনার বর্তমান এবং ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা রইল।
৩১| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩৭
গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: লিখাটা পড়ে শৈশবের কত মধুর স্মৃতি চোখে ভাসছে।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪১
করুণাধারা বলেছেন: লিখাটা পড়ে শৈশবের কত মধুর স্মৃতি চোখে ভাসছে। তার থেকে কিছু নিয়ে শেয়ার করুন না আমাদের সাথে।
ভাল থাকুন গিয়াস উদ্দিন লিটন।
৩২| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:১৩
সামিয়া বলেছেন: ভাললাগলো ।।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:২৩
করুণাধারা বলেছেন: আমারও ভাল লাগল মন্তব্য আর প্লাস পেয়ে সামিয়া। আপনার একটা পোস্টে সময় নিয়ে মন্তব্য করব করব করেও করা হচ্ছে না। আশাকরি শীগগিরই করব।
ভাল থাকুন- শুভকামনায়।
৩৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৫৪
মনিরা সুলতানা বলেছেন: করুণাধারা আপু
তন্ময় হয়ে বুভুক্ষের মত তাড়াহুড়ায় পড়েছিলাম লেখা ,আবার ,বার বার পড়লাম ;
আপু আরো লিখুন অনেক অনেক ;আপনার লেখায় মায়া আছে !
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:১৩
করুণাধারা বলেছেন: মনিরা সুলতানা, আপনার মত চমৎকার লেখনী আমার নয়, তাই আপনার প্রশংসা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। ভাল লাগল আপনার মন্তব্য- আমি চেষ্টা করব নিয়মিত লিখতে।
আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা।
৩৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:০২
মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: শৈশবের সেই স্মৃতিতে লেপটে থাকা জীবনের সুর বেরসুরের গল্পকথন চমৎকার লাগলো আপুনি।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:২৩
করুণাধারা বলেছেন: জীবনের সুর বেসুর- দারুন বলেছেন মাহমুদুর রহমান সুজন। আমার স্মৃতিকথন আপনার ভাল লেগেছে জেনে আমারও ভাল লাগল।
আপনি ভাল থাকুন, শুভেচ্ছা।
৩৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৪০
ধ্রুবক আলো বলেছেন: বাক্সবন্দী শৈশব
খুবই আবেগ ঘন, খুবই ভালো লাগলো লেখাটা। ভালো লাগা রইলো+।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৩৯
করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ ধ্রুবক আলো, আপনার ভাল লাগা আমার অনুপ্রেরণা।
ভাল থাকুন।
৩৬| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৫৫
শামচুল হক বলেছেন: শৈশবের স্মৃতি কখনও সুখের হয় কখনও দুখের হয় আপনার স্মৃতিচারণ পরেও তাই পেলাম। ধন্যবাদ
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৪০
করুণাধারা বলেছেন: শামচুল হক, আপনার মন্তব্য পেয়ে ভাল লাগল।
ভাল থাকুন।
৩৭| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯
বিজন রয় বলেছেন: মানুষের জীবন কত বিচিত্র, তা ভাবলে অবাক হতে হয়।
++++
৩৮| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:০২
করুণাধারা বলেছেন: মানুষের জীবন সত্যি খুব বিচিত্র- জীবনের গতিপথ কখন কোন দিকে বাঁক নেবে, পথে কতগুলো চড়াই উৎরাই আসবে আসবে তার কিছুই আগে থেকে জানার কোন উপায় নেই। শুধু অনেকটা পথ পেরিয়ে ফিরে দেখা যায়, আর বলা যায়, "এই তাহলে জীবন।"
মন্তব্য এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত। ভাল থাকুন বিজন রয়।
৩৯| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৪
খায়রুল আহসান বলেছেন: মনিরা সুলতানা এর ৩৩ নম্বর মন্তব্যটা ভাল লেগেছে। তার সাথে আমিও একমত।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৩৭
করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ খায়রুল আহসান - এই মন্তব্য আমার জন্য অনুপ্রেরণা। আসলে সেফ হওয়া সত্বেও কেন জানি না আমি পোস্ট করলে তা সরাসরি প্রথম পাতায় যায় না, সিলেক্ট করা থাকলেও। কয়েকবার চেষ্টার পর হয়ত পোস্ট প্রথম পাতায় আসে কিন্তু আমি আরেকটা পোস্ট দেবার উৎসাহ হারিয়ে ফেলি। তবু, আপনাদের মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে একটা নতুন পোস্ট দিলাম।
৪০| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:২৪
আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: চমৎকার শৈশব। আইসক্রিম নিয়ে আমার ছোটকালের একটা ঘটনা বলিঃ
একবার মা এক বাক্স চকলেট আইসক্রিম নিয়ে এলেন। তখন আইসক্রিম খেলেই আমার ঠান্ডা লাগতো। ফলে ডাক্তারের কাছে গমন এবং ওষুধ।
তো সেবার পুরো বাক্সটা একবারে খেলাম। ফলাফল দাড়ালো ৭ দিন জ্বরে বিছানার কাৎ ! এরপর থেকে কিছুদিন আমার আইসক্রিম খাওয়া নিষিদ্ধ ছিলো
আপনি যেগুলো পড়েছেন আমিও সেগুলোর বেশিরভাগ পড়েছি। মাসুদ রানা, কুয়াশা, ওয়েস্টার্ন, ফ্যান্টম, ইন্দ্রজাল কমিকস, টিনটিন, তিন গোয়েন্দা......
পুরোনো সেই দিনের কথা.....
হাজারটা ধন্যবাদ
০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:২৭
করুণাধারা বলেছেন: শৈশব স্মৃতি রোমন্থন সবসময়ই সুখের। ভালো লাগলো আপনার ছোটবেলার আইসক্রীম খাবার কাহিনী শুনতে....
আমার ছোটবেলায় আরেকটা কমিক ছিল, ম্যানড্রেকের। সেটা আজকাল আর দেখি না।
এত পুরোনো পোস্টে এসে মন্তব্য আর প্লাস দিয়ে অনুপ্রেরণা দেয়ায় অনেক ধন্যবাদ, আর্কিওপটেরিক্স।
শুভকামনা।
৪১| ১১ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:১৬
আমি তুমি আমরা বলেছেন: আহারে শৈশব ... আহা ...
১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৫৭
করুণাধারা বলেছেন: আহারে শৈশব ... আহা , সত্যিই। যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ... এবার আসে দিন খারাপ নিয়ে পোস্ট দেব ভাবছি।
©somewhere in net ltd.
১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৪৩
কাছে আসার গল্প বলেছেন: আপু,,,,আপনার সাথে আমার জীবনের অনেক কিছু মিল পাওয়া যায়