নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ছা্ওয়াল হিসেবে আমি খুবই সাধারণ।

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন

মধ্যবিত্তের তথাকথিত ভদ্দরনোকি আমার মধ্যে নাই। আমি কটূবাক্য বর্ষণ করতে পছন্দ করি। আমার কোনো পোস্টে মন্তব্য দেওয়ার সময় দ্বিতীয়বার চিন্তা করার আহবান জানাই। অবান্তর মন্তব্য করে আমাকে কটূশব্দ ও বাক্য টাইপ করতে বাধ্য করবেন না। আমার কাছে ভদ্দরনোক শব্দের অর্থ হলো আপোষকামী। মধ্যবিত্ত শ্রেনীটিকে আপোষ করে চলতে গিয়ে ভদ্দরনোক হতে হয়। এই শ্রেণীর অংশ হিসেবে বাধ্য হয়ে সমাজে আমাকেও আপোষ করে চলতে হয়। তাই আমি মধ্যবিত্ত শ্রেণীর অন্য পরাজিতদের মধ্যে একজন, যারা আপোষকামী নয়, কিন্তু বাধ্য হয়ে যাদেরকে আপোষ করে চলতে হয়।

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন › বিস্তারিত পোস্টঃ

রোহিঙ্গাদের জন্য সাম্প্রদায়িক দরদ নাকি মানবতা?

১৮ ই জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৫

রোহিঙ্গাদের ..মুসলিম.. মুসলিম.. বলে চিৎকার করে বাঙ্গালি মুসলিমদের দরদ উপচে পড়ছে। রোহিঙ্গারা যদি মুসলিম না হয়ে হিন্দু হতো, তাহলে বাঙ্গালি মুসলিমদের কি এই পরিমাণ দরদ থাকতো? প্রথম কথা রোহিঙ্গারা মানুষ (যে ধর্মেরই হোক না কেন)। সেই হিসেবে দরদ প্রকাশ করা উচিত। সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নয়।

আর সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যে দরদ তাকে কোনোভাবেই মানবতা বলা যাবে না। এ দরদ হলো প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার কৌশলমাত্র। আর বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনা দিয়ে সমগ্র বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রতি প্রতিহিংসা পরায়ণ মনোবৃত্তি জাগ্রত করা মানবতাবাদীদের কাজ নয়।

সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রচারণা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। কারন দেশের পার্বত্য অঞ্চলে অনেক রাখাইন জনগোষ্ঠী মুসলিমদের সঙ্গে বাস করছে। আর দেশে সাম্প্রদায়িক দরদী তথাকথিত অশিক্ষিত মুসলিমদের সংখ্যাই বেশি। যাদের বেশিরভাগ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৫

ক্লান্ত জীবন বলেছেন: সহমত। আপনার বক্তব্য সুন্দর।
আমরা তাদের সাহায্য করব, কারন তারা মানুষ। আর যদি সাহায্য করতে না ই পারি, অন্তত ব্যথিত তো হতে পারি। এখানে ধর্ম বা রাজনীতি কোনটাই টানা ঠিক না।
আমার পোস্ট টি দেখতে পারেন এখানে।

২| ১৮ ই জুন, ২০১২ রাত ৮:৩৩

অতলঅর্ণব বলেছেন: মানবতার যেকোন বিপদে আমরা কষ্ট পাই। কিন্তু মুসলিমরা মুসলিমদের দ্বিনী ভাই। সম্পর্কটা আল্লাহ কেন্দ্রিক। মায়ের পেটের ভাইয়ের থেকেও অধিক। আমাদের অন্তরে যে রক্তক্ষরণ হচ্ছে সেটা অমুসলিম তথা নামধারী মুসলিমরা বুঝবেননা।

আপনারা যতই গালি দেননা কেন, ছাগু বলেন, দোষারোপ করেন আমরা আমাদের ভাইদেরকে বেশি ভালবাসি। একজন মুসলিমের কাছে মানবতার ভ্রাতৃত্বের থেকে রক্তের ভ্রাতৃত্ব বড়, রক্তের ভ্রাতৃত্বের থেকে ইসলামি ভ্রাতৃত্ব বড়।

১৯ শে জুন, ২০১২ সকাল ৯:৩৩

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: হ্যা, দেশের বহু মানুষ (তারাও মুসলিম)না খেয়ে থাকে। আর আপনাদের মতো ভাইয়েরা লাখ লাখ টাকা খরচ করে হজে যায় হাজী টাইটেল লাগানোর জন্য। ইসলামের কিছুই বোঝেন না অথচ মনে হয় আপনারাই ইসলামের ইজারা নিয়ে বসে আছেন।

৩| ১৮ ই জুন, ২০১২ রাত ৮:৩৫

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: আপনার লেখাতেই আপনার দারুন একটা পরিচয় আছে। আপনি নিজেই সাম্প্রদায়িক মন মাসনিকতা নিয়ে লিখেছেন তার প্রমাণ দিয়েছেন।
আপানি নিজেই ঐ দলের সদস্য যারা মুসলমানদের মানুষ মনে করে না। আপনার মানবতা নিয়ে আপনি ঘরে ঘুমান, পাবলিকের সামনে আইসেন না।

১৯ শে জুন, ২০১২ সকাল ৯:৩৯

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: দেশের বহু মানুষ (মুসলিম) খেয়ে না খেয়ে থাকে। নিপীড়িত আর নির্যাতিত হচ্ছে। আর আপনাদের মতো ভাইয়েরা লাখ লাখ টাকা খরচ করে হজে যায় হাজী টাইটেল লাগানোর জন্য। ইসলামের কিছুই বোঝেন না অথচ মনে হয় আপনারাই ইসলামের ইজারা নিয়ে বসে আছেন। আর আপনি যে বচন ছেড়ে দিয়েছেন, তাতে আপনাকে ‘সদ্যপ্রসূত গো-বৎস্য’ (খাঁটি বাংলায় যাকে বলে দুধ-আবাল) ছাড়া আর কোনো উপাধিতে ভূষিত করতে পারছি না। অবশ্য ‘মাদি ছাগল’ উপাধিটাও মন্দ লাগছে না।

৪| ১৮ ই জুন, ২০১২ রাত ৮:৪৫

শরীফ মহিউদ্দীন বলেছেন: ইসলাম মানবতার অন্য নাম। অন্য ধর্মের লোকের এ নিয়ে চুলকানীর দরকার নাই। আপাতত অফ যান

১৯ শে জুন, ২০১২ সকাল ৯:৪৩

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: আপনি আমার বক্তব্য ধরতে পারেন নি। নিজের মাস্তিষ্কটা ন্যাংটা কালের মতোই ইনট্যাক রেখে দেছেন দেখছি।

৫| ১৮ ই জুন, ২০১২ রাত ১১:২১

মেংগো পিপোল বলেছেন: View this link

৬| ১৯ শে জুন, ২০১২ রাত ১২:৪২

এসআরনাফিজ বলেছেন: আজকে যদি হিন্দু বা অন্য ধর্মের উপর এ ধরনের সমস্যা হত তাহলে আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াত। কিন্তু এখন রোহিঙ্গারার মুসলমানরা দেখে তাদের কেউই এড়িয়ে আসতেছে না। মুসলিমরা অন্য মুসলিমদের ভাই। তাই স্বাভাবিকভাবে ভাইয়ের জন্য ভাই এগিয়ে আসবে। যদি আজকে আপনার আপন ভাই বিপদে পড়ে, তবে কি বলবেন, আমি তাকে আমার ভাই বলে সাহায্য করবো না, একজন মানুষ হিসেবে যদি পারি তবে করবো, না হলে নাই। যদি ভাই বলে সাহায্য করি তবে এটা পরিবারতন্ত্র হয়ে যাবে!!!!!!!!!!

৭| ১৯ শে জুন, ২০১২ সকাল ৯:৫৬

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: দেশের বহু মানুষ খেয়ে না খেয়ে থাকে। নিপীড়িত আর নির্যাতিত হচ্ছে। আর আপনাদের মতো ভাইয়েরা লাখ লাখ টাকা খরচ করে হজে যায় হাজী টাইটেল লাগানোর জন্য।
একবার হজের সময় দেশে মারাত্মক বন্যা হলো।বহু মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে রাস্তায় আশ্রয় নিল। ঠিক একই সময়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করে অনেক মানুষ হজে গেল। তখন কোথায় ছিল ভাইয়ের প্রতি দরদ?ছাগল জানি কুহানকার!!

ইসলামের কিছুই বোঝেন না অথচ মনে হয় আপনারাই ইসলামের ইজারা নিয়ে বসে আছেন।

সব মানুষকে ভাই ভাবতে সমস্যা কোথায়? কাওকে ভাই ভাববেন আর কাওকে চুদির ভাই ভাববেন অথচ মানবতার বুলি আওড়াবেন এটা কেমন কথা গো? আর একটু ব্যখ্যা করি, আপনি যখন শুধু নিজের সম্প্রদায়কে ভাই ভাববেন, তখন আল্টিমেটলি অন্য সম্প্রদায় চুদির ভাই হয়ে যাবে।সবাইকে ‌ভাই ভাবুন। তাহলেই শান্তি আসবে।

৮| ১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৫০

অতলঅর্ণব বলেছেন: আজবতো!! মানবতার ভ্রাতৃত্বতো অস্বীকার করছিনা। মুসলিমদের ভ্রাতৃত্ব দেখে অাপনাদের মনের জ্বালা আছে তা জানি। কিন্তু এখন যখন আমাদের রোহিংগা ভাইয়েরা নিপিড়ীত হচ্ছে আর আমাদের মনে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, তখন একটু চুপ থাকার মানবতা করেন। মনের বিষ ঢালার টাইম আরো পাবেন।

১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১:১৮

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: দেশের বহু মানুষ খেয়ে না খেয়ে থাকে। নিপীড়িত আর নির্যাতিত হচ্ছে। আর আপনাদের মতো ভাইয়েরা লাখ লাখ টাকা খরচ করে হজে যায় হাজী টাইটেল লাগানোর জন্য।
একবার হজের সময় দেশে মারাত্মক বন্যা হলো।বহু মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে রাস্তায় আশ্রয় নিল। ঠিক একই সময়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করে অনেক মানুষ হজে গেল। তখন কোথায় ছিল ভাইয়ের প্রতি দরদ?ছাগল জানি কুহানকার!!

ইসলামের কিছুই বোঝেন না অথচ মনে হয় আপনারাই ইসলামের ইজারা নিয়ে বসে আছেন।

সব মানুষকে ভাই ভাবতে সমস্যা কোথায়? কাওকে ভাই ভাববেন আর কাওকে চুদির ভাই ভাববেন অথচ মানবতার বুলি আওড়াবেন এটা কেমন কথা গো? আর একটু ব্যখ্যা করি, আপনি যখন শুধু নিজের সম্প্রদায়কে ভাই ভাববেন, তখন আল্টিমেটলি অন্য সম্প্রদায় চুদির ভাই হয়ে যাবে।সবাইকে ‌ভাই ভাবুন। তাহলেই শান্তি আসবে।

৯| ১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৫৭

এসএমআর বলেছেন: মিয়ানমারের এই সাম্প্রদায়িক আক্রমনের স্বীকার যদি মুসলিম দ্বারা বৌদ্ধরা হইত তাহলে শুধু সারা বিশ্বের মিডিয়া ও মার্কিন প্রভূরা না বাংলাদেশের নামধারী কিছু মুসলিমও উঠে পড়ে লাগত মুসলিমদের পিছনে। তথা কথিত কিছু ধর্মনিরপেক্ষতার ধ্বজা বাহী কীটে জন্ম হয়েছে এই দেশের নর্দমায়, তারাদের মায়া কান্নাটা আরো বেশি হ'ত। তারাই মিডিয়াতে ফলাও করে প্রচার করত এবং বলত মুসলিম টেররের কাহিনী। আফগানিস্তানে স্বাধীনতা কামিদের এখনও এই দেশের মিডিয়াতে বলা হয় সন্ত্রাসী আরও খেয়াল করলে দেখবেন আমাদের নাটক সিনেমায়, যারা খারাপ, বদ, শয়তান তাদেরকে টুপি দাড়ি লাগিয়ে মেকআপ করানো হয়। তার মানে? তার মানে যারা মাথায় টুপি পরে এবং দাড়ি রাখে এবং নামাজ পড়ে তারাই সবচেয়ে খারাপ লোক! এই হচ্ছে তথা কথিত কিছু ধর্মনিরপেক্ষতার ধ্বজা বাহী এই দেশের নর্দমায় জন্ম নেয়া কীটদের কাজ যা শুধু ইহুদী খ্রিষ্টান ও দাদাদের খুশি করার জন্যই করা হয়ে থাকে।

সর্বশেষ কথা এই সব দ্বিমুখো লোকদের বিবেক কখনই কাঁদেনা এবং কাঁদবেওনা।
মুসলিমদের কষ্টে এরা খুশিই হয়।


আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। মুশরিক তথা বৌদ্ধ হিন্দু খ্রিষ্টানদের অন্তরের খবর আল্লাহ আমাদের সূরা আল ইমরানের ১১৮ নং আয়াতের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন।

(হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোন ক্রটি করে না-তোমরা কষ্টে থাক, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসুত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশী জঘন্য। তোমাদের জন্যে নিদর্শন বিশদভাবে বর্ণনা করে দেয়া হলো,যদি তোমরা তা অনুধাবন করতে সমর্থ হও।)

আজকে যদি হিন্দু বা অন্য ধর্মের উপর এ ধরনের সমস্যা হত তাহলে আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াত। কিন্তু এখন রোহিঙ্গারার মুসলমানরা দেখে তাদের কেউই এড়িয়ে আসতেছে না। মুসলিমরা অন্য মুসলিমদের ভাই। তাই স্বাভাবিকভাবে ভাইয়ের জন্য ভাই এগিয়ে আসবে। যদি আজকে আপনার আপন ভাই বিপদে পড়ে, তবে কি বলবেন, আমি তাকে আমার ভাই বলে সাহায্য করবো না, একজন মানুষ হিসেবে পারি সাহায্য করবো। যদি ভাই বলে সাহায্য করি তবে এটা পরিবারতন্ত্র হয়ে যাবে।

সর্ব শেষ কথা হল আপনিও সেই তথা কথিত কিছু ধর্মনিরপেক্ষতার ধ্বজা বাহী কীটেই অন্তর্ভূক্ত বলে আমার মনে হয় বৈ অন্য কিছু না।

২৮ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:০৭

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: আমার লেখাটা বোঝেন নাই। আপনি কি ভাবলেন তাতে আমার বাল ছিড়া

১০| ১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১:৩০

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: গাধা জানি কোথাকার!! রোহিঙ্গাদের সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিতে দেখে নিজেদের ধর্মকে ছোট করবেন না। আপনাদের মতো স্বল্প শিক্ষিত লোক ইসলামের ইজারা নেওয়ায় আমাদের মতো দরিদ্র দেশে অনেক সমস্যার কারন হয়ে দাড়ায়। আপনি তো আমার বক্তব্যই বোঝেন নাই। সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিতে বিচার করলে অনেক অল্প শিক্ষিত মুসলিম এই দেশে অবস্থানরত রাখাইনদের ওপর হামলা করে বসতে পারে।সেটা কি মোটেই কাম্য। আরও উদার হয়ে মানবতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রোহিঙ্গাদের প্রতি দরদ দেখান। রোহিঙ্গারা ইসলাম ধর্মের না হয়ে অন্য ধর্মের লোক বা নাস্তিক ও হতে পারতো। তখন কি করতেন? ছাগলজানি কুহানকার। একটা কথা মনে রাখবেন, নাস্তিক তৈরি হওয়ার জন্য আপনাদের মতো অল্পশিক্ষিত মুসলিমরা বেশি দায়ী। ধর্মের কোনো বালও বোঝেন না অথচ ফাল পারেন। পরোকালে জবাব কি দেবেন?

১১| ১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১:৩০

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: দেশের বহু মানুষ খেয়ে না খেয়ে থাকে। নিপীড়িত আর নির্যাতিত হচ্ছে। আর আপনাদের মতো ভাইয়েরা লাখ লাখ টাকা খরচ করে হজে যায় হাজী টাইটেল লাগানোর জন্য।
একবার হজের সময় দেশে মারাত্মক বন্যা হলো।বহু মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে রাস্তায় আশ্রয় নিল। ঠিক একই সময়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করে অনেক মানুষ হজে গেল। তখন কোথায় ছিল ভাইয়ের প্রতি দরদ?ছাগল জানি কুহানকার!!

ইসলামের কিছুই বোঝেন না অথচ মনে হয় আপনারাই ইসলামের ইজারা নিয়ে বসে আছেন।

সব মানুষকে ভাই ভাবতে সমস্যা কোথায়? কাওকে ভাই ভাববেন আর কাওকে চুদির ভাই ভাববেন অথচ মানবতার বুলি আওড়াবেন এটা কেমন কথা গো? আর একটু ব্যখ্যা করি, আপনি যখন শুধু নিজের সম্প্রদায়কে ভাই ভাববেন, তখন আল্টিমেটলি অন্য সম্প্রদায় চুদির ভাই হয়ে যাবে।সবাইকে ‌ভাই ভাবুন। তাহলেই শান্তি আসবে।

১২| ১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ২:৩৪

এসএমআর বলেছেন: আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা হ'ল আপনার মত তথাকথিত বেশি শিক্ষিতরা! যারা একটু ইংরেজী বলতে পারলেই কিংবা দুএক কলম লেখতে পারলেই ভাবেন দুনিয়ার তামাম শিক্ষা হাসিল করে ফেলেছেন। আর তামাম শিক্ষা হাসিলের কারনেই ভাবেন সব জ্ঞান আপনাদের আয়ত্বে। আর এই ভাবনা থেকেই নিজেদেরকে জ্ঞানের আধার ভাবেন। আর এই কারণেই আপনারা জ্ঞান পাপী।


থুথু মারি এই সব তথাকথিত বেশি শিক্ষিত জ্ঞান পাপীদের মুখে। আল্লাহ আমাদের হেদায়েত করুন এবং রক্ষা করুণ এই সব জ্ঞান পাপীদের থেকে। আমীন

১৩| ১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ২:৫৩

এসএমআর বলেছেন: রোহিঙ্গাদের ..মুসলিম.. মুসলিম.. বলে চিৎকার না করে কি হিন্দু দাদা হিন্দু দাদা বলে চিৎকার করলে আপনার মনের কথা বলা হত?

তথাকথিত বেশি শিক্ষিত ইতিহাস পড়ুন। এটি একটি বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনা নয় শতাব্দিরও বেশি সময় ধরে রোহিঙ্গারা নির্যতনের স্বীকার।

সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ তো আপনার গায়ে লেগে আছে। আমাদের দেশে কোথাও সাম্প্রদায়িকতা নেই এবং রাষ্ট্রীয় মদদে কোথাও সংখ্যালঘুদের উপর জুলুম নির্যাতনও করা হয় না বিধায় আমাদের দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বেধে যাবে। আপনারা দাদাদের খুশি করার জন্য আর এ বুলি আওরাচ্ছেন।


পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন তো সমস্যা নেই। ইসলামের বিরুদ্ধে দুএক কলম লিখে দেন দেখবেন কারী কারী টাকা আসা শুরু হয়ে গেছে দাদাদের কাছ থেকে। দুএক কলম তো লিখতে পারেন!


১৪| ১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ২:৫৫

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: উল্টাপাল্টা কথা না বলে কোন কথাটা ভুল বললাম, সেটা উল্লেখ করুন। কোন অংশটা অযৌক্তিক এবং কেন তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করুন। আপনার মতো দুধ-আবাল ছাগলেরা বেহেশতে যাওয়ার আসায় (সওয়াব কামাতে) ব্লগিং (ডিজিটাল তাবলীগ) করতে এসেছেন। অথচ তাবলীগ করার কোনো যোগ্যতাই নেই। যাইহোক আবেগ না দিয়ে যৌক্তিক কথা বলুন।

১৫| ১৯ শে জুন, ২০১২ বিকাল ৩:২৩

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: ও মিস করলাম। টাকা কিভাবে পাবো? একটু বয়ান করেন। সিস্টেমটা কি?

'সদ্যপ্রসূত গোবৎস্য' (খাঁটি বাংলায় যাকে বলে দুধ-আবাল) এবং ‌'মাদি ছাগল' এই দুটি উপাধিকে আপনি হার মানিয়েছেন। আপনার জন্য অন্য কোনো উপাধিতে ভূষিত করা দরকার। কিন্তু বুঝতে পারছি না কি উপাধি দিব আপনাকে।

১৬| ২৪ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১:৪৯

চিরসবুজ মানব বলেছেন: মাল খেয়ে আউট হয়েছিস !

০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:৪৪

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: কে আউট হয়েছে?

০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:৪৪

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: কে আউট হয়েছে?

১৭| ০২ রা জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:৩১

এসএমআর বলেছেন: মুসলিমদের ভ্রাতৃত্ববোধ দেখে আপনার মনের জ্বালা বারে সেটা আপনার অনেক পোষ্ট থেকি আমরা জেনেছি।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ১১:৪২

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: আমার পোস্ট পড়ে আপনি বালটা বুঝেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.