| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
ব্লগ মানে নিজের মনের কথা খুলে বলা । নিজের ভাবনা, অনুভূতি, যা দেখছেন যা মনে হচ্ছে - সেটাই লেখা। ইরানের যুদ্ধ নিয়ে অনেকে এখন লিখতে চাইছেন। কেউ রাগে ফুঁসছেন, কেউ কষ্ট পাচ্ছেন। সেই অনুভূতিটাই তো আসল। তাহলে সেটাই লিখুন। কোন নেতা কী বললেন, কোন বিশেষজ্ঞ কী বিশ্লেষণ দিলেন - এসব ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে লেখার কী দরকার? আপনার মাথায় যা আসছে, বুকে যে আঘাতের ঢেউ লাগছে সেটাই লিখুন। সরাসরি।
খবরে দেখলাম আমেরিকা দাবি করছে ইরান স্কুল থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে। একটু ভাবুন। এই দাবি এখন হঠাৎ কেন আসছে? যুদ্ধের শুরুতে আমেরিকার বোমায় ইরানের একটা মেয়েদের স্কুলে আঘাত লেগেছিল। অনেক শিশু মারা গিয়েছিল। সেই দায় ঢাকতেই এখন বলা হচ্ছে ইরান নিজেই স্কুল থেকে হামলা করে। এর মধ্যে কতটা নির্লজ্জতা আছে সেটা বুঝতে বেশি কিছু লাগে না।
এই যুদ্ধের ক্ষতি শুধু ইরানে থেমে নেই। ছয় লক্ষের বেশি মানুষ রিফিউজি হয়ে গেছেন । বাংলাদেশেও টের পাওয়া যাচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, তেলের দাম বাড়ছে। ইরানের তেল স্থাপনায় হামলা করে বাজারে চাপ তৈরি করা হচ্ছে ইচ্ছা করেই। ইন্টারনেটে এখন সব খবরই চোখের সামনে আর এই দৃশ্যগুলো যখন আমাদের তাড়া করে, তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে নানা প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এই প্রতিটি অনুভূতি যদি আমরা শব্দে ধরে রাখতে পারতাম, তবে সেখান থেকেই হয়তো এক একটি কালজয়ী বই রচিত হতো।
ছবিতে যাকে দেখছেন তিনি Kwame Nkrumah। ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট, Non-Aligned Movement-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৬৬ সালে CIA-র সহায়তায় সামরিক অভ্যুত্থানে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আজ যদি এই আন্দোলন আরও শক্তিশালী থাকত, তাহলে হয়তো আমাদের মতো ছোট দেশগুলোকে বড়দের যুদ্ধের এই মাশুল দিতে হতো না।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৩০
শ্রাবণধারা বলেছেন: এরকম বহু নেতাকে আমেরিকা সিআইএ দিয়ে মেরে ফেলেছে। হাইতি, চিলি, কিউবা, নিকারাগুয়া, ইরান, ইরাক....তাদের অপকর্ম অসংখ্য।

কিন্তু তারা কোটি কোটি ডলার তাদের এই অপকর্ম ঢাকার জন্য খরচ করে। অতএব ব্লগের কতগুলো নির্বোধ ইরান যুদ্ধে আমেরিকার পক্ষ নিলে এটা অস্বাভাবিক নয়। তবে এই নির্বোধগুলো যদি ব্লগে সব পাতা ভরিয়ে রাখে তাহলে একটা মুশকিল বটে। এটা ব্লগ সম্পর্কে একটা খারাপ ধারনা দেয়। তবুও এটা খুব বড় বিষয় নয়, এটাকে মেনে নিতে হবে।
যতক্ষণ পর্যন্ত ব্লগটাকে ইসরাইলের মত বোমা মেরে গাজা বানানো না যাচ্ছে, ততক্ষন পর্যন্ত গাধার বচন শুনতে আমার আপত্তি নেই। কেননা, গাধার ডাকও আমাদের সংস্কৃতির অংশ!