| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি চাইতেই অগ্নিশর্মা, ভারতকে ‘শিক্ষা’ দিতে ১২৭% বেশি খরচে চিনা বিদ্যুৎ কিনছে ‘বুদ্ধিমান’ বাংলাদেশ!” খবরটি আনন্দবাজারের। ভেবে কোনো কুল কিনারা পেলাম না ; বাংলাদেশ আবার কবে চীন থেকে বিদ্যুৎ কিনল?
এত বড় ঘটনা অথচ আমরা কিছুই জানি না! বাংলাদেশ কি গোপনে চীনের সঙ্গে কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ করে তৈরি করে ফেলেছে? বঙ্গোপসাগরের নিচ দিয়ে কোনো তার চলে এসেছে? নাকি হিমালয়ের ওপর দিয়ে বিদ্যুৎ আসছে? এতদিন জানতাম বাংলাদেশ ভারত থেকে বিদ্যুৎ কেনে, এখন দেখছি আনন্দবাজারের ভাষায় চীন থেকেও বিদ্যুৎ কেনা শুরু হয়ে গেছে।
যাই হোক, পুরো খবরটা পড়লাম। আসল ঘটনা হলো সাভারের আমিনবাজারে একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে, যেখানে ঢাকার আবর্জনা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানো হবে। শুধু প্লান্টটা বানাচ্ছে একটা চীনা কোম্পানি, যন্ত্রপাতিও তাদেরই। ব্যস, এটুকুই। বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে বাংলাদেশের মাটিতে, বাংলাদেশের ময়লা দিয়ে, বিক্রি হবে বাংলাদেশের মানুষের কাছে। অথচ শিরোনামে লেখা হলো চীন থেকে কেনা বিদ্যুৎ। কী করে যে এরকম একটা জাদু সম্ভব হলো, সেটা বোধহয় আনন্দবাজারের সম্পাদকই ভালো বলতে পারবেন।
আরও লিখেছে, নয়াদিল্লিকে বাদ দিয়ে চিনা বিদ্যুৎ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা। এইটা পড়ে সত্যি থমকে গেলাম। একটা ময়লা পোড়ানোর প্লান্ট বসাতে নয়াদিল্লিকে বাদ দেওয়ার প্রশ্ন কোথা থেকে এলো বুঝলাম না। এখন কি প্রতিটা ভাগাড়ের নকশা দিল্লিতে পাঠিয়ে অনুমতি নিতে হবে নাকি? ভারত থেকে বিদ্যুৎ কিনলে সুসম্পর্ক, ভারতীয় কোম্পানি বিক্রি করলে বিনিয়োগ, আর নিজের দেশের আবর্জনা নিজের দেশেই পোড়ালে সেটা হয়ে যায় ভারতবিরোধী ষড়যন্ত্র। এই হিসাবটা মাথায় ঢুকল না আমার। বাংলাদেশের একটা বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা বাংলাদেশের, তাহলে সেখানে কোন দেশের কোম্পানি কাজ করবে সেটাও তো বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা।
মজার ঘটনা হলো, প্রকল্পের চুক্তি হয়েছিল ২০২১ সালে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে। জমি নেওয়া হয়েছে, খরচ হয়ে গেছে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। সবই তখনকার কাজ। এখন নতুন সরকার শুধু বাকি অংশটা এগিয়ে নিতে চাইছে, আর তখনই খবর এলো, এইটা নাকি ভারতকে শিক্ষা দেওয়ার নতুন প্ল্যান। গাছ লাগানো হয়েছিল একদলের হাতে, এখন সেই গাছে ফল ধরলে সেই একই দল বলছে, এই ফল খাওয়া যাবে না, বিষ আছে। নিজেদের সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত এখন অন্য কেউ বাস্তবায়ন করতে গেলেই সেটার নাম হয়ে যাচ্ছে চীনপ্রীতি। রাজনীতির সুবিধা সত্যিই অসাধারণ।
দাম নিয়েও একই রকম নাটক। বলা হচ্ছে, আগে ইউনিটপ্রতি ১৮ টাকা ছিল, এখন ২৬ টাকা হলো কেন? নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেই বুঝি বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। অথচ চুক্তিটা হয়েছিল ডলারে, প্রতি ইউনিট ২১.৭৮ সেন্ট। ২০২১ সালে ডলারের দাম ছিল প্রায় ৮৫ টাকা, তাই তখনকার হিসাবে প্রতি ইউনিটের দাম দাঁড়াত প্রায় সাড়ে ১৮ টাকা। এখন ডলারের দাম প্রায় ১২৩ টাকা, ফলে সেই একই ২১.৭৮ সেন্ট টাকায় হিসাব করলে দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২৬.৮ টাকা। অর্থাৎ ডলারে নির্ধারিত দামটা বদলায়নি, টাকার হিসাবে পার্থক্যটা মূলত এসেছে বিনিময় হার থেকে। কিন্তু টাকা কেন এত দুর্বল হলো, ডলারের দাম নিয়ে গত কয়েক বছরে কী নীতি নেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নে গেলেই আলোচনা আরো জটিল হয়ে যাবে ।
অবশ্যই প্রকল্পটির সমালোচনা করা যাবে। প্রায় ৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য মোট খরচ কেন এত বেড়েছে, প্রকল্পের ব্যয় যৌক্তিক কি না, চুক্তির শর্ত বাংলাদেশের জন্য কতটা সুবিধাজনক, এসব প্রশ্ন তোলা দরকার। চীনা কোম্পানি বলে প্রকল্প ভালো হয়ে যাবে, এমনও কোনো কথা নেই। কিন্তু সমালোচনা আর রাজনৈতিক গল্প এক জিনিস নয়। প্রকল্পটি ব্যয়বহুল হলে সেটা বলা হোক, চুক্তিতে সমস্যা থাকলে সেটা বলা হোক, জনগণের সামনে হিসাব দেওয়া হোক। কিন্তু বাংলাদেশের মাটিতে বাংলাদেশের আবর্জনা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্পকে “ভারতকে শিক্ষা দিতে চীনা বিদ্যুৎ কেনা” বানিয়ে ফেললে সেটা আর বিশ্লেষণ থাকে না।
সবচেয়ে অদ্ভুত লাগে আওয়ামী লীগের অবস্থানটা দেখে। নিজেদের সময়ে সই করা চুক্তি, নিজেদের সময়ে নেওয়া জমি, নিজেদের সময়ে খরচ হওয়া টাকা, অথচ এখন এই প্রকল্প এগোলেই সেটা প্রতিপক্ষের চীনপ্রীতি হয়ে যাচ্ছে। অথচ যদি প্রকল্পটি বাতিল হতো, তখন নিশ্চিত অন্য কথা শোনা যেত। বলা হতো, উন্নয়ন বন্ধ করে দিচ্ছে সরকার। তার মানে সরকার যেটাই করুক না কেন, দোষ একটাই থাকবে। শুধু সেই পুরোনো সিদ্ধান্তটা কখনোই দোষের হবে না, যেটা তারা নিজেরাই নিয়েছিল। ক্ষমতার বাইরে গেলে নিজের পুরোনো সিদ্ধান্তেরও যে নতুন নাম দেওয়া যায়, এই প্রকল্প তার চমৎকার উদাহরণ।
সবচেয়ে মজার মিলটা হলো, দেশের ভেতরে একটা দলের বয়ান আর সীমান্তের ওপারে একটা পত্রিকার বয়ান একদম একই সুরে বাজছে। একজন এপার থেকে গান ধরেছে, আরেকজন ওপার থেকে তাল দিচ্ছে। এতদিন জানতাম আনন্দবাজার একটা ভারতীয় পত্রিকা, এখন মনে হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সরাসরি ওখানে ছাপা হয়েছে। ভারত নিজের দেশে কোন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করছে, কোন দেশ থেকে যন্ত্রপাতি আনছে, এসব নিয়ে বাংলাদেশের কোনো পত্রিকা প্রতিদিন লেখে যে ভারত অমুক দেশকে শিক্ষা দিতে তমুক দেশের সাহায্য নিচ্ছে? লেখে না। কারণ এটা স্বাভাবিক কাণ্ডজ্ঞানের বিষয়। একটা দেশ নিজের প্রকল্প নিজের মতো করে সাজাবে, এটা নিয়ে প্রতিবেশীর মন খারাপ করার কিছু নেই।
শুধু বাংলাদেশের বেলাতেই এই সাধারণ কথাটা বারবার ভুলে যাওয়া হয়। বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে কাজ করলে সেটা স্বাভাবিক, চীনের সঙ্গে কাজ করলে প্রশ্ন, জাপানের সঙ্গে কাজ করলে ভালো, আর আমেরিকার সঙ্গে কাজ করলে আবার অন্য ব্যাখ্যা। তাহলে বাংলাদেশ নিজের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেবে কখন? বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে কাজ করবে কি না, সেটা বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। ভারত থেকে বিদ্যুৎ কিনবে কি না, সেটাও বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। কোন প্রকল্পে কোন দেশের কোম্পানি কাজ করবে, সেটাও বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ভালো সম্পর্কের অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশের প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য দিল্লির অনুমোদন লাগবে।
আমিনবাজারের একটা ছোট্ট ময়লা পোড়ানোর প্লান্টকে দিল্লি বনাম বেইজিংয়ের লড়াই বানিয়ে ফেলার মধ্যে দিয়ে আসল শর্টসার্কিটটা বিদ্যুৎকেন্দ্রে হয়নি, হয়েছে অন্য কোথাও। প্রকল্পটা ভালো না মন্দ, খরচ যৌক্তিক না অতিরিক্ত, এসব নিয়ে আলোচনা হোক, প্রশ্ন হোক। কিন্তু নিজেদের ফেলে দেওয়া ময়লা দিয়ে নিজেদের ঘরে বিদ্যুৎ বানানোর মতো একটা সাদামাটা প্রকল্পকেও যদি প্রতিবেশী শত্রুতার গল্পে বদলে ফেলা যায়, তাহলে বুঝে নিতে হবে সমস্যাটা লাইনে না, মাথায়।
আধ পয়সা বেশি চাইতেই অগ্নিশর্মা, ভারতকে ‘শিক্ষা’ দিতে ১২৭% বেশি খরচে চিনা বিদ্যুৎ কিনছে ‘বুদ্ধিমান’ বাংলাদেশ-আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক । Click This Link
ইউনিটপ্রতি ২৫ টাকা দরে চীনা প্রতিষ্ঠান থেকে বিদ্যুৎ কিনবে সরকার- যুগান্তর প্রতিবেদন
Country to get power from waste in 2024-TBS Report , 01 December, 2021
Waste-to-energy plant being built in Aminbazar at a cost of $300 million-TBS Report , 15 June, 2023,
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইউনুস সাহেবের আমলে জ্বালানী উপদেষ্টা ছিলো কুইক রেন্টালের মাস্টারমাইন্ড ফাওজুল কবির খান । উহা লীগের আমলে সচিব ছিলো ।
২|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০২
মাথা পাগলা বলেছেন: এই বিষয় নিয়ে আমি জানতাম না। আমি জানতাম চিন থেকে আসবে। আমিনাবাজারের কথা শুনে এখন সংবাদ ভালো করে পড়লাম।
বাংলাদেশের মাটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে - সিটি করপোরেশনকে ফি দিতে হবে না, বর্জ্য নিবে , পরিবেশ দূষণ হবে। ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ২৫ টাকা ইউনিট হবে। লাভ আর লাভ।
দিল্লিকে না জানিয়ে চিনের সাথে চুক্তি - দীর্ঘ বছর যাদের সঙ্গে ব্যবসা করছেন, তাদের কোন কিছু না জানিয়ে হঠাৎ ব্যবসা সরিয়ে নিলে - এ ধরনের কথা বলায় অবাক হবার কিছু নাই।
লেখক বলেছেন: ফাওজুল কবির খান । উহা লীগের আমলে সচিব ছিলো।
কোন বছর ছিলো? লীগ মানেই খারাপ, লীগের আমলা নিলো কেন?
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:১১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার মন্তব্য আর আনন্দবাজারের লেখা প্রায় একই । এই বিষয়ে যা বলার তা বলে ফেলেছি। ফাওজুল কবীর লীগের শুরুর দিকে অবসরে গিয়েছিলেন । পরে বিদ্যুত বোর্ডের ডিরেক্টর হন । তার নির্দেশে অনেক প্রজেক্ট বাতিল হয় । ইউনুস আমল মুলত সংকর সরকার ছিলো।
৩|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১
মাথা পাগলা বলেছেন: ফাওজুল কবীর ২০০৯~২৪ এর ভিতর উনার কোন অ্যাক্টিভিটি খুঁজে পাই নাই।
https://bpdb.gov.bd/pages/static-pages/6922dee6933eb65569e1e3c8
ইউনুস আমল মুলত সংকর সরকার ছিলো না - ইহা আম্রিকা-পাকিস্তান শক্তি ছিলো।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ফাওজুল কবীর ১/১১ সরকারের সময় জ্বালানি সচিব ছিলেন , এর আগে ১৯৯৮ সালে ইডকল চালু হলে সেটার সিইও ছিলেন । জ্বালানী সচিব থাকাকালীন তিনি কুইক রেন্টালের প্রকল্পের সাথে জড়িতে ছিলো। লীগের ২০০৯ সালের শুরুর দিকে অবসরে গেলেও উনার আইডিয়া কে মডিফাই করা হয়েছিলো। কানেকশান পুরোপুরি সরকারি পদ-পদবী দিয়ে যাচাই করলে হবে না । বাংলাদেশে কুইক রেন্টালের লিডিং পজিশনে ছিলো ইউনাইটেড গ্রুপ । ইহার স্বতন্ত্র পরিচালক ছিলেন ফাওজুল কবীর খান । নসরুল হামিদ বিপুর সাথে ইউনাইটেড গ্রুপের ভালো যোগাঅগ ছিলো। ফাওজুল কবীর কে আমি জানতাম জামাতি । পরে একজন লীগার তার অতীত জানাইলো । রেলের ডিজি নিয়োগে এই লোক কারসাজি করেছে । এটা জানতাম শুধু ।
৪|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে কাজ করলে সেটা স্বাভাবিক, চীনের সঙ্গে কাজ করলে প্রশ্ন, জাপানের সঙ্গে কাজ করলে ভালো,
আর আমেরিকার সঙ্গে কাজ করলে আবার অন্য ব্যাখ্যা। তাহলে বাংলাদেশ নিজের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেবে কখন?
বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে কাজ করবে কি না, সেটা বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। ভারত থেকে বিদ্যুৎ কিনবে কি না,
সেটাও বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। কোন প্রকল্পে কোন দেশের কোম্পানি কাজ করবে, সেটাও বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত।
..............................................................................................................................................................
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা । কিন্ত ভারতের প্রসঙ্গ আসলে অতীত সরকার বা চলমান সরকার অথবা ইন্ট্রীম সরকার
সবার গায়ে বিভিন্ন ফোস্কা পরে কেন ? কারন প্রতিবেশী রাষ্ট্রর সহিত দহরম মহরম সবার আছে ।
কেউ প্রকাশ্যে, কেউ গুপ্ত ভাবে ।
ব্যাপারটা এইরকম , পড়শীর সাথে ঝগড়া বাঁধায়ে কফি খেতে হবে নর্থ এন্ডে ।
আবার, বড় দাদার সাথে গোলামী চুক্তি (ভাসুর নাকি ) সংসদে লজ্জায় ঘোমটা খুলা যাবে না ।
=================================================================
সবার আগে দরকার আমাদে র চরিত্র ঠিক করা, পরকীয়া না করে দেশকে সৎ ভাবে বুকে ধারণ করা ।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:১১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমেরিকার সাথে কাজ না করলে বাংলাদেশ টিকে থাকতে পারবে ?
৫|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:১৪
মাথা পাগলা বলেছেন: লেখক বলেছেন: লীগের ২০০৯ সালের শুরুর দিকে অবসরে গেলেও উনার আইডিয়া কে মডিফাই করা হয়েছিলো।
ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনা সরকার তার আইডিয়াকে মডিফাই করে ৫ বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিগুণ করতে পারলে সমস্যাটা কোথায়?
দেশের সম্পদ-জায়গা ব্যবহার করে ২৫ টাকা ইউনিটে বিদ্যুৎ কেনার ব্যবস্থার জবাবদিহিতা চাইলে সমস্যাটা কোথায়? নাকি শুধু ভারত সমস্যা?
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:১৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জবাবদিহিতা চান মানা করেছে কে ? আমিও জানতে চাই লীগ যে আমিনবাজারে ৮০০ কোটি টাকা খরচ করেছে সেটা কিভাবে হয়েছে । চুরি কত হয়েছে ?
৬|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:২৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আনন্দ বাজারের সংবাদ ভাষ্যটি আমি দেখেনি । অবশ্য বিবিধ ধরনের এডের জ্বালায় আনন্দ বাজারে ডু মারতে
আমার তীব্র অনিহা । তাই এই পোস্টের লেখার বিষয়ে আমি তেমন কিছু বলছিনা ।
যদিও আমিনবাজার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প একই সঙ্গে নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি সমাধান এবং বিদ্যুৎ
উৎপাদনের একটি উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে তথাপী প্রকল্পটি গুরাতেই আমার কাছে একটি অপছন্দের
প্রকল্প ছিল । শুধু আমি কেন প্রকল্পটির প্রকৃত ব্যয় এবং পরিবেশের ওপর এর প্রভাব নিয়ে পরিবেশবাদী
সংগঠন, অর্থনীতিবিদ ও আঞ্চলিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ও উদ্বেগ অগেও ছিল এখনো আছে।
সরকার এই প্রকল্পটিকে দীর্ঘদিনের ভারে জর্জরিত আমিনবাজারের বর্জ্যভূমি পরিষ্কার করার একটি উপায় হিসেবে
তুলে ধরছে। কিন্তু Coastal Livelihood and Environmental Action Network (CLEAN), Bangladesh Environmental Lawyers Association (BELA) এবং Bangladesh Working Group on Ecology and Development (BWGED)-সহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী জোট ও সংগঠন প্রকল্পটি নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের
কথা জানিয়েছে।
ক. পর্যাপ্ত পরিবেশগত প্রভাবের তথ্য প্রকাশ না করা, পরিবেশকর্মীদের দাবি, প্রকল্পটির ব্যাপক পরিবেশগত, জনস্বাস্থ্য
ও সামাজিক প্রভাব সমীক্ষা যথাযথভাবে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হয়নি অথবা সাধারণ মানুষের কাছে পর্যাপ্তভাবে
প্রকাশ করা হয়নি।
খ. বিপুল কার্বন ও বিষাক্ত পদার্থের নির্গমন প্রসঙ্গে নাগরিক সমাজের বিভিন্ন প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী, এই বিদ্যুৎ
কেন্দ্র থেকে বছরে প্রায় ৪,১১,৩৯২ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হতে পারে। ২৫ বছরের প্রকল্পকাল ধরে এর
পরিমাণ ৮৩ লাখ টনেরও বেশি গ্রিনহাউস গ্যাসে পৌঁছাতে পারে।
এ ছাড়া পরিবেশকর্মীরা ভারী ধাতু, ফ্লাই অ্যাশ (উড়ন্ত ছাই), অতি সূক্ষ্ম কণা এবং ক্ষতিকর ডাইঅক্সিন নির্গমনের
আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেছেন।
গ. ‘কম ক্যালোরিফিক ভ্যালু’ বা নিম্ন তাপ উৎপাদনক্ষমতার সমস্যার কথাও বলা হয়ে থাকে ।
প্রকল্পটিতে ঢাকার বিভিন্ন পরিবারের কাছ থেকে সংগৃহীত বাছাই না করা সাধারণ পৌর কঠিন বর্জ্য ব্যবহার করা হবে।
এই বর্জ্যে পানির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি প্রায় ৬২–৭২ শতাংশ পর্যন্ত। ফলে বর্জ্যটির তাপ উৎপাদনক্ষমতা (Calorific
Value) খুবই কম।
ভেজা বর্জ্য পোড়ানো অত্যন্ত অদক্ষ একটি প্রক্রিয়া। দহন চালু রাখতে এতে বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন
হতে পারে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত তাপমাত্রা বজায় রাখা কঠিন হওয়ায় বিষাক্ত দূষক পদার্থ বেশি পরিমাণে উৎপন্ন হওয়ার
ঝুঁকি থাকে।
ঘ. বেশি বর্জ্য উৎপাদনে উল্টো আর্থিক প্রণোদনা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে । Waste Supply Agreement বা বর্জ্য
সরবরাহ চুক্তি অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে (DNCC) প্রতিদিন বাধ্যতামূলকভাবে ৩,০০০ টন বর্জ্য
সরবরাহ করতে হবে।
DNCC যদি নির্ধারিত পরিমাণ বর্জ্য সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ঘাটতি হওয়া প্রতি টন বর্জ্যের জন্য ৫০ মার্কিন
ডলার জরিমানা দিতে হবে।
পরিবেশকর্মীদের বক্তব্য হলো, এই ব্যবস্থার ফলে পুনর্ব্যবহার (recycling) এবং বর্জ্য কমানোর উদ্যোগ আর্থিকভাবে নিরুৎসাহিত হতে পারে। কারণ, একদিকে শহরকে বর্জ্য কমাতে বলা হচ্ছে, অন্যদিকে চুক্তির কারণে প্রতিদিন নির্দিষ্ট
পরিমাণ বর্জ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হচ্ছে। ফলে প্রকল্পটি পরোক্ষভাবে আরও বেশি বর্জ্য উৎপাদনের প্রণোদনা
তৈরি করতে পারে।
আর্থিক বিশ্লেষণ ও বিদ্যুতের দামের তুলনা করলেও দেখা যায় যে প্রকল্পটির অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করলে,
বাংলাদেশে প্রতি মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের হিসাবে এটি অন্যতম ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ প্রকল্প হিসেবে সমালোচিত
হচ্ছে।
এ আ্রকল্পে মূলধন ব্যয়ের অদক্ষতার দিকটিও নিয়েও যথেস্ট সমালোচনা রয়েছে। এই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র
নির্মাণে প্রতি মেগাওয়াট সক্ষমতার জন্য আনুমানিক ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হচ্ছে।
তুলনায়, বৃহৎ পরিসরের সৌরবিদ্যুৎ অবকাঠামো স্থাপনে প্রতি মেগাওয়াটে প্রায় ০.৭ থেকে ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যয় হতে পারে।
অর্থাৎ, একই পরিমাণ মূলধন বিনিয়োগ করলে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২২ গুণ পর্যন্ত বেশি বিদ্যুৎ
উৎপাদনের সম্ভাবনা থাকতে পারে এমন দাবি করা হচ্ছে।
বিদ্যুতের দামের তুলনা করলে নিন্মোক্ত চিত্রটি ভেসে উঠে ।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (BPDB) এই প্রকল্প থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ২৫ টাকা দরে কেনার জন্য
সম্মত হয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে এই মূল্য প্রতি ইউনিট ২১.৭৮ মার্কিন সেন্ট হিসেবে নির্ধারিত/সংযুক্ত ছিল যা
আপনার পোস্টেও বলা হয়েছে ।
বিদ্যুতের উৎস আনুমানিক প্রতি ইউনিট মূল্য বর্জ্য থেকে বিদ্যুতের সঙ্গে তুলনা দেখা যায়
আমিনবাজার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ২৫ টাকা মূল ভিত্তিমূল্য। কেন্দ্রের ব্যবহার কমে গেলে এটি ৪৭–৭৫ টাকা
পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
আমদানিকৃত বিদ্যুৎ (ভারত) প্রায় ১১ টাকা ভারতের সাম্প্রতিক গড় আমদানি মূল্যের তুলনায় বর্জ্য
থেকে বিদ্যুৎ প্রায় ১২৭% বেশি ব্যয়বহুল।
কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রায় ১২–১৪ টাকা প্রচলিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের তুলনায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুতের
খরচ প্রায় দ্বিগুণ।
সৌরবিদ্যুৎ প্রায় ৮–১০ টাকা সৌরবিদ্যুতের তুলনায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুতের মূল্য প্রায় আড়াই গুণ বেশি।
যাহোক সরকার প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলছে যে,
এই মূল্য কেবল বিদ্যুতের দাম নয়; বরং এটি এক ধরনের যৌথ অর্থপ্রদান ব্যবস্থা।
অর্থাৎ, বিদ্যুতের মূল্য পরিশোধের পাশাপাশি এর মধ্যে পরোক্ষভাবে বিপুল পরিমাণ পৌর বর্জ্য অপসারণের
টিপিং ফি বা বর্জ্য গ্রহণের মূল্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের উপজাত হিসেবে জৈব সার উৎপাদনের
বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়েছে।
যাহোক এখন এ পর্যায়ে করার কিছু নেই , চলমান প্রকল্প চালিয়ে যেতেই হবে ।
শুভেচ্ছা রইল
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:১৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমিন বাজারের পিছনে কোটি টাকা ঢালা হয়ে গেছে । কাজ চালিয়ে যেতে হবে ।
৭|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২২
আলামিন১০৪ বলেছেন: গু খাওয়া থেকে কী করে এ দেশের মানুষকে বিরত রাখা যায় সেটা নিয়ে কোন চিন্তা কি আছে?
কাগজে দেখলাম, আবারো পরিচয়পত্রের নামে অপচয়ের প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে
অথচ স্মার্ট এনআইডিতে যথেষ্ট মেমোরী অব্যবহৃত আছে, ইচ্ছা করলেই সেটি আপডেট করা সম্ভব খুব অল্প খরচে
্আমরা কখনো ভালো হবো না?
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নতুন সরকারের মনোযোগ শুধু খরচের দিকে । বিষয়টা আমিও খেয়াল করেছি । আর খরচ মানেই ....।
৮|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪
অপলক বলেছেন: পোস্টের লেখা পড়ে মনে শান্তি পেলাম। অনেকদিন পর ওপারের খবর পড়ে হাসলাম।
ধন্যবাদ।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ![]()
৯|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৫
নতুন বলেছেন: দেশের রাজনিতি যারা করে সবাই ধান্দার জন্য করে।
শেখ হাসিনা বাবার প্রতিশোধ নিতে এসেছিলেন।
তারেক জিয়া প্রধানমন্ত্রী হতে এসেছেন। এখন তার সামনে চ্যালেন্জ তার দলের সকল চোরদের নিয়ন্ত্রন করে দেশের উন্নতি করা।
আমলীগের ধান্দা থাকবে কিভাবে তারেক জিয়াকে ভিলেন বানানো যায়।
আর জাসির ধান্দা কিভাবে পাশে থেকে ল্যাং মেরে তারেক জিয়াকে ফেলে দেওয়া যায়। তাতে তারা গোল দিতে পারবে।
এই প্যাড়া যখন বুঝতে পারবে তখন তারেক জিয়া আর না লন্ডনের ফ্লাইটে চড়ে বসেন সেটা দেখার সুযোগ হতে পারে জনগনের। ![]()
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বিএনপি সরকার সবার আগে ইয়ং জেনারেশনের দিকে নজর দিক। তারেক রহমান কে এক আলফা বিশ্রী ভাষায় গালাগালি করে এখন জেলে । নতুন দাদু লীগ কিংবা বিএনপির রাজনীতির সমালোচনা আমরা সবসময় করি তবে সরকার প্রধান কিংবা শেখ হাসিনাকে যে সব বিশ্রী গালি দেয়া হলো পতনের পরে এগুলো আগে চোখে দেখেনি । রাজপথে ছিলাম আমরা শুধু চেয়েছিলাম শেখ হাসিনা গদি ছেড়ে দিক । কিন্তু একজন বয়স্ক মানুষের আন্ডার গারমেন্টস নিয়ে উল্লাস কিংবা হাসিনা সিডিআই এসব নোংরামো কল্পনা করা যায় না । বিষয়টা হলো তখন বিএনপি সরকার এটা এনজয় করেছে এখন তারা এর ফলাফল ভোগ করছে । আজকে পান থেকে চুন খসলেই তারেক রহমান কে আল-বটরেরা সেইম ভাষায় গালাগালি করছে । বুয়েট থেকে স্লোগান দেয়া হয় , তারেক রহমানের টুপকি মার। খালেদা জিয়া কে কবর থেকে তুলে ধর্ষণের আলাপ দেয়া হয় । এরা কারা ? এরা হলো ঘাতক দালাল । এদের নির্মূল জরুরি হয়ে পড়েছে। ![]()
১০|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪
নতুন বলেছেন: বিএনপি ব্যাবসায়ীদের দল। তারা ধান্দা দেখবে। তৃনুমূল পর্যায়ে রাজনিতিতে দূর্বল। বড় নেতারা সবাই বড় ব্যবসার ধান্দায়।
আমলীগের আক্রস আর জামাতের মুনাফেকী মোকাবেলা করতে হবে তারেক জিয়াকে।
এরা দেশকে কখনোই সফল হইতে দেবে না।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বড়োই দুঃশ্চিন্তার বিষয় ।
১১|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২
নাহল তরকারি বলেছেন: আপনার ব্লগ পড়তে আসলাম।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শুকরিয়া ।
১২|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:২০
রাজীব নুর বলেছেন: ভারত আমাদের বন্ধু। ভারতকে পাশ কাটিয়ে গেলে, আমাদের নিজেদেরই ক্ষতি হবে।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি ভারতের কোলে উঠে বসে থাকুন । মানা করেনি কেউ ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৩৩
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
মজার বিষয় হলো কয়েক সপ্তাহ আগে ভিয়েতনাম গিয়েছিলাম। সেখানে কারেন্ট যায় তবে খুবই অল্প সময়ের জন্য ছিলো।
যাক বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানলাম। কুতুব সাহেব মানে অনুসন্ধানী পোষ্ট।