| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
বাংলাদেশের সমাজে একটি নীরব বিপ্লব ঘটে গিয়েছে। দুই বছর আগে ব্লগে অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে এই পরিবর্তন নিয়ে কম করে হলেও বিশটির বেশি পোস্ট লিখেছি। এই বিপ্লবের সাথে আমার প্রথম পরিচয় ২০১৮ সালের দিকে। ২০২২ সালে এসে বিষয়টি আরও গভীরভাবে দেখার সুযোগ হয়। আর ২০২৬ সালে এসে মনে হচ্ছে, মানুষ ধীরে ধীরে এর প্রভাব বুঝতে শুরু করেছে। অথচ এই পরিবর্তন নিয়ে আমাদের আলোচনা খুবই কম।
আজ স্টার নিউজের একটি প্রতিবেদন পড়ে আবারও সেই কথাই মনে হলো। প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে ঢাকার মোহাম্মদপুরের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে। মোহাম্মদপুরের নাম শুনলে অনেকের প্রথমেই মনে পড়ে চুরি, ছিনতাই কিংবা জেনেভা ক্যাম্পের কথা। কিন্তু এই এলাকার আরেকটি পরিচয়ও সামনে এসেছে। সেই পরিচয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন মামুনুল হক।
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মামুনুল হক ও বিএনপির ববি হাজ্জাজ। ববি হাজ্জাজ ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অন্যদিকে মামুনুল হক পান ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট। দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান মাত্র ২ হাজার ৩২০। এত অল্প ব্যবধানে পরাজিত হওয়ায় মামুনুল হকের ভোট নিয়ে আলোচনা হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, তিনি এত ভোট পেলেন কেন?
ঢাকা-১৩ আসনে মোট নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৮ হাজার ৭৯১ জন। ভোট পড়েছিল প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৬৭টি। অর্থাৎ নিবন্ধিত ভোটারের প্রায় ৪৩.৬ শতাংশ ভোট দিয়েছেন। ববি হাজ্জাজ প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৪৯.৬ শতাংশ পেয়েছেন, আর মামুনুল হক পেয়েছেন প্রায় ৪৮.৩ শতাংশ। নিবন্ধিত ভোটারের হিসাবে ববির ভোট প্রায় ২১.৬২ শতাংশ, মামুনুল হকের প্রায় ২১.০৫ শতাংশ। অর্থাৎ পুরো আসনের নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে প্রায় প্রতি পাঁচজনে একজন মামুনুল হককে ভোট দিয়েছেন। আর যারা ভোট দিতে গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে তাঁর সমর্থন ছিল বিজয়ী প্রার্থীর প্রায় সমান।
ব্লগার নতুন দাদু মাঝেমধ্যে ব্লগে এসে বিভিন্ন পোস্টে মন্তব্য করতেন, মামুনুল হক কীভাবে এত ভোট পেলেন? নারীরাও তাঁকে ভোট দিলেন কেন? তাঁর প্রশ্নগুলো আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়নি। কারণ আমরা অনেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিকে নিজেদের পরিচিত রাজনৈতিক পরিসর থেকে বিচার করি। যে সমাজে আমরা চলাফেরা করি, যেসব মানুষের সঙ্গে কথা বলি, যেসব সংবাদ দেখি, সেগুলোকেই পুরো বাংলাদেশের চিত্র মনে করি। অথচ আমাদের চোখের আড়ালেই সমাজের অন্য একটি অংশে অনেক পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।
মামুনুল হকের ভোটের রহস্য বুঝতে হলে শুধু নির্বাচনের ফলাফল দেখলে হবে না। দেখতে হবে, তাঁর সমর্থনের পেছনে কী ধরনের সামাজিক সম্পর্ক কাজ করছে। কোন এলাকায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রভাব বেশি, মানুষ কোথায় সন্তানদের পড়াচ্ছে, কারা স্থানীয় মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পারছে, এসব বিষয়ও বিবেচনায় নিতে হবে।
স্টার নিউজের প্রতিবেদনটি এ জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে বলা হয়েছে, মোহাম্মদপুরের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে অন্তত ৭৯টি কওমি মাদ্রাসা রয়েছে। অন্যদিকে স্কুলের সংখ্যা প্রায় ৪০টি। অর্থাৎ একটি ওয়ার্ডে স্কুলের প্রায় দ্বিগুণ কওমি মাদ্রাসা। আরও অবাক করার মতো তথ্য হলো, শেরেবাংলা সড়কের মাত্র ৫০০ মিটারের মধ্যে ছয়টি মাদ্রাসা রয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ, ভবন ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
একবার সংখ্যাগুলো নিয়ে ভাবুন। একটি ওয়ার্ডে ৭৯টি কওমি মাদ্রাসা! আর স্কুল প্রায় ৪০টি। যে এলাকার কথা উঠলেই অনেকে চুরি-ছিনতাই আর অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কথা মনে করেন, সেই এলাকার শিক্ষাব্যবস্থার আরেকটি চিত্র সামনে আসছে। এখানে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি এত বেশি কেন? মানুষ কি নিজেরাই সন্তানদের এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে আগ্রহী, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণ রয়েছে? মাদ্রাসাগুলো এত দান-অনুদান পায় কোথা থেকে? এসব প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শিক্ষার্থীসংখ্যা কত? প্রশ্নগুলো করা দরকার।
তবে একটা বিষয় পরিষ্কার করে বলা প্রয়োজন। মোহাম্মদপুরের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৭৯টি মাদ্রাসা রয়েছে বলেই মামুনুল হক এত ভোট পেয়েছেন, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য আমাদের হাতে নেই। ঢাকা-১৩ আসনে ২৮ থেকে ৩৪ নম্বর পর্যন্ত মোট সাতটি ওয়ার্ড রয়েছে। মামুনুল হকের ৮৬ হাজার ভোট পুরো আসনের ফলাফল। এই ভোটের কত অংশ ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এসেছে, তা জানতে আলাদা নির্বাচনী হিসাব প্রয়োজন। একইভাবে ওই মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষক, শিক্ষার্থী কিংবা অভিভাবকদের মধ্যে কতজন তাঁকে ভোট দিয়েছেন, সেটিও আমাদের জানা নেই।
কিন্তু সরাসরি প্রমাণ না থাকলেই কি প্রশ্ন তোলা যাবে না? বরং আমার মনে হয়, এখান থেকেই অনুসন্ধান শুরু হওয়া উচিত। একটি এলাকায় এত বিপুলসংখ্যক কওমি মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে, আর সেই বৃহত্তর এলাকার নির্বাচনী আসনে একজন কওমি ধর্মীয় নেতা ৮৬ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন। দুটি ঘটনার মধ্যে সম্পর্ক আছে কি না, সেটি খুঁজে দেখা দরকার। সম্পর্ক থাকলে তা কতটা গভীর, আর না থাকলে তাঁর ভোটের পেছনে অন্য কোন সামাজিক কারণ কাজ করেছে, সেটিও জানা প্রয়োজন।
কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা শুধু বাড়ছে না, অনেক পরিবারের কাছে এসব প্রতিষ্ঠান গ্রহণযোগ্যও হয়ে উঠছে। একসময় সাধারণভাবে মনে করা হতো, দরিদ্র পরিবারের সন্তানরাই বেশি মাদ্রাসায় পড়ে। কিন্তু এখন অনেক সচ্ছল পরিবারও সন্তানদের মাদ্রাসায় পাঠাচ্ছে। এমনকি যেসব বাবা-মা নিজেরা নিয়মিত নামাজ পড়েন না, ধর্মীয় অনুশাসনও খুব একটা মানেন না, তাঁদের মধ্যেও সন্তানকে মাদ্রাসায় দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এমন ঘটনা কেন ঘটছে, সেটি নিয়ে ভাবার যথেষ্ট কারণ আছে।
অভিভাবকেরা কি মনে করছেন, সাধারণ স্কুলে পড়াশোনা করিয়ে সন্তানকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা যাচ্ছে না ? তাঁরা কি সন্তানদের মধ্যে শৃঙ্খলা, শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নৈতিকতা দেখতে চান? নাকি তাঁরা মনে করছেন, মাদ্রাসার পরিবেশ তাঁদের সন্তানদের জন্য বেশি উপযোগী? সবার সিদ্ধান্তের পেছনে একই কারণ কাজ করে না। কিন্তু সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে গিয়ে মানুষ কেন বিকল্প খুঁজছে, সেই প্রশ্নটি আমাদের এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।
আমাদের স্কুল-কলেজগুলো তাহলে কী করছে? শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য প্রস্তুত করছে, নাকি মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলছে? শিক্ষার উদ্দেশ্য কি শুধু একটি সার্টিফিকেট অর্জন, তারপর চাকরির পেছনে ছোটা ? একজন শিক্ষার্থী যখন বিদ্যালয় থেকে বের হবে, তখন তার মধ্যে সততা, দায়িত্ববোধ, অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নিজের বিবেক দিয়ে ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা কতটা তৈরি হচ্ছে, সেটিও তো গুরুত্বপূর্ণ।
অন্য দেশের সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারছে। আমাদের দেশে সেই মান অর্জনের পথে বাধা কোথায়? আমাদের স্কুল-কলেজে কি ভালো শিক্ষক নেই? মেধাবী শিক্ষার্থী নেই? অবশ্যই আছে। কিন্তু এত সম্ভাবনা থাকার পরও আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার বড় একটি অংশ কেন শিক্ষার্থীদের আস্থা ধরে রাখতে পারছে না?
আমার মনে হয়, সমস্যার একটি বড় জায়গা হলো আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ। একসময় বিদ্যালয়কে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি মানুষ হওয়ার জায়গা হিসেবে দেখা হতো। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের লেখা সেই গানটির কথা এখনো মনে পড়ে, যা রুনা লায়লা ও আবদুল হাদী গেয়েছিলেন।
“বিদ্যালয়, মোদের বিদ্যালয়,
এখানে সভ্যতারই ফুল ফোটানো হয়।
এখানে জ্ঞানের আলোর মশাল জ্বেলে,
হয় রে সূর্যোদয়।”
গানটির কথা শুনলে মনে হয়, বিদ্যালয় এমন একটি জায়গা হবে, যেখানে জ্ঞানের আলো জ্বলবে, মানুষের বিবেক তৈরি হবে, আর শিক্ষার্থীরা সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার শিক্ষা পাবে। কিন্তু আজ আমাদের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাস্তবতা কি সেই স্বপ্নের সঙ্গে মেলে?
অবৈধ নিয়োগ, তদবির-বাণিজ্য, কোচিং ব্যবসা এবং পরীক্ষার নম্বরকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ শিক্ষাব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। যখন একজন শিক্ষার্থী মনে করে, শিক্ষকের কাছে কোচিং না করলে ভালো নম্বর পাওয়া কঠিন, তখন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সম্পর্কের মধ্যে স্বাভাবিক শ্রদ্ধার জায়গাটি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা তৈরি হয় তাঁর জ্ঞান, আচরণ ও দায়িত্ববোধ থেকে। কিন্তু সেই সম্পর্ক যদি আর্থিক লেনদেনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তাহলে শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াই স্বাভাবিক।
অন্যদিকে কওমি মাদ্রাসায় বড় হুজুরের প্রতি শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা ও আনুগত্য অনেক সময় চোখে পড়ার মতো। বড় হুজুর যা বলেন, শিক্ষার্থীরা তা মেনে চলতে অভ্যস্ত হতে পারে। এই শৃঙ্খলার একটি দিক আছে, যা সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও কাজে লাগাতে পারে। কিন্তু শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু আনুগত্য তৈরি করা নয়। শিক্ষার্থী যেন প্রশ্ন করতে পারে, যুক্তি দিয়ে চিন্তা করতে পারে, ভুল দেখলে তা ধরিয়ে দিতে পারে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোনো শিক্ষাব্যবস্থাকে শুধু তার শৃঙ্খলা দেখে বিচার করা যাবে না। দেখতে হবে, সেটি শিক্ষার্থীদের কী ধরনের জ্ঞান, দক্ষতা ও চিন্তাশক্তি দিচ্ছে।
স্টার নিউজের প্রতিবেদনেই কওমি শিক্ষার একটি বড় সমস্যার কথা উঠে এসেছে। উম্মুল কুরা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা মুফতি ইয়াসিন কাসেমীর বক্তব্য অনুযায়ী, কওমি শিক্ষায় শিক্ষিত অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত। কেউ কেউ সেই পরিস্থিতিতে নতুন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করছেন, কিন্তু শিক্ষার মানের দিকে যথেষ্ট মনোযোগ দিতে পারছেন না। অন্যদিকে বেফাকের পক্ষ থেকেও পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার অভাবে সব মাদ্রাসার ওপর কার্যকর তদারকি চালানো কঠিন বলে জানানো হয়েছে।
দুই বছর আগে ব্লগে যখন এই নীরব বিপ্লব নিয়ে লিখতে শুরু করেছিলাম, তখন অনেকের কাছে বিষয়টি হয়তো অতটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়নি। এখন নির্বাচনের ফলাফল, বিভিন্ন এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিস্তার এবং সামাজিক আচরণের পরিবর্তন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। কিন্তু আমার মনে হয়, আমরা এখনো পরিবর্তনের পুরো চিত্র দেখতে পাইনি। যে পরিবর্তন বছরের পর বছর ধরে মানুষের পরিবার, শিক্ষা ও সামাজিক সম্পর্কের মধ্যে তৈরি হয়, তার রাজনৈতিক ফলাফল একদিনে সামনে আসে না।
নীরব বিপ্লবের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি যখন ঘটে তখন অনেকেই তা বুঝতে পারেন না। মানুষ যখন পরিবর্তনটি স্পষ্টভাবে দেখতে পায়, তত দিনে তার শিকড় অনেক দূর ছড়িয়ে যেতে পারে। মোহাম্মদপুরের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৭৯টি কওমি মাদ্রাসা এবং ঢাকা-১৩ আসনে মামুনুল হকের ৮৬ হাজারের বেশি ভোটের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক এখনো প্রমাণিত নয়। কিন্তু দুটিই আমাদের সামনে এমন কিছু প্রশ্ন রেখেছে, যেগুলোর উত্তর খোঁজা জরুরি।
ফটোকার্ড : ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
মোহাম্মদপুরে এক ওয়ার্ডেই ৭৯টি কওমী মাদ্রাসা, মান নিয়ে প্রশ্ন-স্টার নিউজ
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৫৩
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
যেখানে অন্যায়-অবিচার বেশি উপরওয়ালা সেখানে পীর আউলিয়া ও পাঠান বেশি। মোহাম্মদপুরে চুরি ছিনতাই বেশি ফলশ্রুতিতে কাওমি মাদ্রাসা দ্বীনে ওয়ালা কোরানের পাখি ও বেশি। অচিরেই সেখানে জান্নাতের ফুল ফুটবে.....