নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে মানব! আর নয়তো দেরী; জেগে তুলে বিবেকের তরী করো হিংসার বলিদান। জন্মান্ধ হয়ে থেকো নাকো তুমি;মানুষ বলে হও বলিয়ান ।

তুমি জীবন খুঁজো সুখের নীড়ে, আমি জীবন খুঁজি দুঃখের ভীরে।,,, রহমান লতিফ,,,,

› বিস্তারিত পোস্টঃ

সঞ্চিত অভিজ্ঞতার নোট -০১

২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৫৩


গড ইজ স্মাইলিং টুডে
*********************

জীবনে কিছু কিছু ঘটনা ঘটে সেটা আমারা কোন কিছুতেই ভুলতে পারি না।কেন ভুলতে পারি না তার জন্য কোন সার্থক যুক্তিও নেই!তবে এটুকু বলা যায় এসব ঘটনা মনের মনিকোঠায় স্পষ্ট ছাপ রেখে যায়।আমাদেরকে জীবন চলার পথে শিখতে সাহায্য করে।আমার জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র সব ঘটনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরার মাধ্যমে জীবন সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভের ব্যাপারে মানুষকে উৎসাহিত করার চেষ্টা।

(এসব বর্ণনার সাথে এমন সব ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরেছি যা আমার জীবনে ঘটেছে এবং তার মর্ম যতটুকু বুঝতে পেরছি তার কিছুটা শেয়ার করলাম।)

প্রায় একযুগ আগের ঘটনা,ইংল্যান্ড তখন ডাইভিং শিখতে শুরু করেছি।যেহেতু ডাইভিং এ পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে তাই ভাবলাম বাঙালি কোন ইনৃইন্সট্রাক্টরের কাছে কয়েকটি লেসন নিয়ে পরীক্ষাটা দিলে হয়ে যাবে। বাঙালি একজনের কাছে ব্লক বুকিং দিলাম দশটা লেসন। বার নাকি ষোল পাউন্ড ঘন্টা ঠিক মনে নেই। যাইহোক ভদ্রলোক প্রতি লেসনে শুধু ড্রাইভ করাতো তারপর ঘন্টা শেষ হলে বিদায়। না শেখায় কোন পাকিং ও কোন টেকনিক শুধু গাড়ি চালাও। কোনভাবেই বোঝাতে পারলাম না যে আসলে কি শিখছি। কি শেখাচ্ছ!
দশটা লেসন অযথা শেষ করে মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম ইংলিশ ইন্সট্রাক্টরের কাছে আরো দশটা লেসন নিয়ে বুকিং দিয়ে পরীক্ষা দিয়ে দেবো। বাঙালিতে আর কোন ভরসা নেই।
একজন বাইশ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ইংলিশ ইন্সট্রাক্টর মিঃ ইয়ানের কাছে লেসন(Lesson) বন্দোবস্ত করলাম। প্রথম দিন দেখি ভদ্রলোক ক্লাস ওয়ান ও টু'র ছাত্রদের মতো স্লেট - পেন্সিল দিয়ে বুঝানো শুরু করছে।মনে মনে ভাবলাম বাঙালি ভদ্রলোক আর এই ইংলিশ ভদ্রলোকের শেখানোর পদ্ধতি কতটা ভিন্ন। মিঃ ইয়ান আমার ডাইভিং স্কিল দেখে বেশ খুশি হলেন। উনি বললেন দশ থেকে বারটা লেসন দিয়ে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা পাশ করতে পারবো। যাইহোক বার থেকে পনেরটা লেসন নিয়ে প্রথমবারের মতো পরীক্ষা দিতে গেলাম।এদেশে ডাইভিং প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা পয়তাল্লিশ মিনিট থেকে এক ঘন্টার হয়ে থাকে। আর যদি কেউ একটা বড় ( Major) ভূল করে তবে ফেল।
এবার এক্সামিনার হলো মহিলা।পার্কিং,ড্রইভিং সব শেষ করে যখন এক্সাম সেন্টারে ফেরত আসছিলাম তখন এক্সামিনার মহিলা মোটরওয়ে দিয়ে আসতে বললেন। সেন্টারে ফেরত আসার পর ফেইলের নোটিশ ধরিয়ে দিলো। আমার মন খারাপের কোন ফিলিংস হলো না কিন্ত আমার ইনস্ট্রাক্টরের খুব বেশি মন খারাপ হলো। উনি বললেন দোষটা আসলে উনার কারণ উনি আমাকে কখনো Motorways তে নিয়ে লেসন দেয় নাই। মোটরওয়েতে লেনে ঢুকতে যে স্পিড মেনে চলতে হয় তা আমি মানি নি বলে ফেল। যাক পরে আরো কয়েকটি লেসন মোটরওয়েতে নিয়ে দ্বিতীয় বার পরীক্ষায় গেলাম।
এবার পুরুষ এক্সামিনার,এবারো পুরো পয়তাল্লিশ মিনিট ড্রাইভিং শেষ করে পরীক্ষার সেন্টারে ফেরার সময় সেন্টারের ঠিক সামনে একটি রাউন্ড এবাউট। আমার সামনে দিয়ে এক অভদ্র চালক স্পিডে গাড়ী চালিয়ে চলে যায় আর আমি শক্ত করে ব্রেক না করার ফলে এবারো ফেল।এবারো আমার ইনস্ট্রাক্টর বেশ বিষন্ন মুখে বললেন সরি,বেড লাক।

কিছুদিন পর তৃতীয়বারের মতো পরীক্ষা বুকিং দিলাম।সেদিন খুব ভোরে কুয়াশা ঘেরা সকালে পরীক্ষা সেন্টারে যাওয়ার সময় ইনসট্রাক্টর বললেন God is smiling today. আমি কিছু বুঝিনি কেন আমার ইনস্ট্রাক্টর এ কথা বলছেন।আমি ভাবলাম মনে হয় কুয়াশার ভোর কেটে সূর্য উদিত হচ্ছে দেখে একথা বলছেন। আবারো পুরুষ এক্সামিনার। প্রায় পয়ত্রিশ মিনিট ড্রাইভিং করার পর এক্সামিনার বললেন পরীক্ষা সেন্টারে ফেরত যাওয়ার জন্য।উনি হাসিমুখে পাশের নোটিফিকেশন ধরিয়ে দিলেন। সাথে এও বললেন আমি ভবিষ্যৎ ভালো ড্রাইভার হবো কারণ আমি নাকি ম্যানুভার খুব ভালোভাবে অবজারভ করি। এবার আমার ইনস্ট্রাক্টর বললেন আমি জানতাম আজ তুমি পাস করবে। আমি বোকার মতো বললাম কিভাবে! উনি আমাকে জানালেন, সকালে যাওয়ার সময় দুটি সাদা পায়রা বসে আছে তা তিনি দেখেছেন। তার বাবা ঘোড়ার লেদে কাজ করতে। খুব ছোটবেলায় তিনি তার বাবার সাথে ঘোড়ার লেদে যাবার সময় এভাবে পাখি দেখলে তার বাবা বলতেন আজকের দিনটা ভালো কাটবে কারণ 'গড ইজ স্মাইলিং টুডে'। বাবার স্মৃতিচারণ করতে করতে তার চোখে জল এসেছিলো।বাবার প্রতি আমার বৃদ্ধ ইনসট্রাক্টরের আবেগময় স্মৃতি এখনো চোখ ভাসে। বাবারা এমনি হয়। যখন হারায়ে ফেলি তখন তাদের কদরটা ভালো করে অনুভব করি।

নোট --
১) সন্তান যতই বৃদ্ধ হোক বাবার স্মৃতি আজীবন তাড়া করে বেড়ায়।
২) যেকোনো শিক্ষকই তার ছাত্রের সাফল্য দেখে তৃপ্তি পান।
৩) ভাগ্য বলে একটি কথা জীবনে কখন অবহেলা করা যায় না।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:০৭

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল,
আজকে মনে হয় ১ম হলাম।
প্রতিটা সন্তানের কাছে বাবা হওয়া উচিৎ এই রকমই।
তবে এটা ঠিক বলেছেন, বাবা চলে যাবার পরই আমরা বেশী স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ি।
ধন্যবাদ।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:১৩

বলেছেন: প্রিয় ভাইকে পেয়ে খুশি হলাম।
আপনার আজকের দিনটি কাটুক আনন্দ।
বাবার মৃত্যুর পর মনে হয় সন্তানরা বাবার কদর বুঝে!!

এইরকম লেখাগুলো কন্টিনিউ করার চিন্তা করছি-
সেটা কেমন হবে?

সুন্দর করে প্রথম মন্তব্য, প্রথম লাইকদাতার প্রতি প্রথমও ভালোবাসা রইলো।

২| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০০

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার ৩ নং পয়েন্টের সাথে একমত না আমি।
ভাগ্য বলে কিছু নেই। ভাগ্যকে নিজের মনের মতোন করে সাজিয়ে নিতে হয়।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:০৭

বলেছেন: ভাগ্যকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিলে কিছুটা ভালো ফল পাওয়া যায় --

বাট তকদিরে বিশ্বাস রাখা দায়িত্ব ---


যা লিকাল তাকদিরুল আজিজুল আলিম --- তকদিরের ভালোমন্দ আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে।।।।

সবাই সবকিছুতে একমত হতে হবে এমনটা কথা নেই।।
শুভ কামনা। ভালো থাকুন।

৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০৩

আমি মুক্তা বলেছেন: অসাধারণ তুলণামূলক ও শিক্ষামূলক লেখাটি সকাল সকাল দেখে মনটা ভালো হয়ে গেলো! আশা করছি আপনি অবশ্যই এ ধরণের লেখা প্রতিনিয়তই লেখবেন।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২২

বলেছেন: আপনি আসলেই মুক্তোর মতো বড় দামী কথা বলে গেলেন।
লেখাটায় আপনার মনটা ভালো হয়ে গেলে জেনে তো দায়িত্ব বাড়িয়ে দিলেন।

ইনশাআল্লাহ আরো লেখবো - সাথে যেন পাই৷
ভালোবাসা অবিরাম।

৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:২৫

হাবিব স্যার বলেছেন: দারুণ লেখা। ভালো লাগলো। সঞ্চিত অভিজ্ঞতা থেকে আরো কিছু জানার আগ্রহ জন্মালো। একটা ওয়ার্কিং ভিসা পাঠিয়ে দেন লন্ডন চলে যাবো।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৩১

বলেছেন: হাবিব স্যার,
এইসবের জন্য আপনি, রাজীব নূর, বিজ্ঞ বালক যারা প্রতিনিয়তই অভিজ্ঞতা শেয়ার করতেছেন তাই ভাবলাম আমিও দেই দেখি কি হয়।
আপনাদের ভালোলাগায় তো উৎসাহ বাড়িয়ে দিলো। আরো কিছু লেখতে চেষ্টা করবো।


ওয়াকিং ভিসায় না আসার জন্য তো বড় অবেলায় নীড়ে ফেরা গল্পটা লেখা।।।হা হা
ভালো থাকুন।

৫| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:৪৮

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: দেশের বাইরে বাংলাদেশী সাথে আমার অনেক বাজে অভিজ্ঞতা আছে,
আসলে আমাদের সমস্যাটা কোথায় তা আজ বুঝতে পারি না !

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৩২

বলেছেন: আপনাট বাজে অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করুন দেখি দু একটা মিলে যায় কিনা।

আসলে সমস্যাটা কোথায় তা কেউ জানে না একমাত্র উপরওয়ালা জানে।


সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।।।

৬| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৫১

নতুন নকিব বলেছেন:



সুন্দর লিখেছেন।

অভিনন্দন।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৩৩

বলেছেন: আমাকে অভিনন্দন জানানোর জন্য কৃতজ্ঞতা।


ভালো থাকুন।

৭| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৫৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: God is smiling today. বৌদ্ধ ধর্মের শেখ হস্তি দর্শন সৌভাগ্যের প্রতীক, এখানে যেমন দুটি শ্বেত পায়রা তেমনি ইঙ্গিতবাহী বলে মনে হয় । বিদেশে ড্রাইভিং এ পাস করলেন আমরা এখান থেকে মিষ্টির অপেক্ষা করছি। আসলে আমাদের এমন বদ অভ্যাস হয়ে গেছে যে কোন কিছুর সাফল্য মানে মিষ্টি না পেলে মনটি যেন খা খা খা খা করে।
আচ্ছা! আপনার ওখানে ব্যাক সিট ড্রাইভিং বলে কিছু আছে? থাকলে আপনি যখন ড্রাইভিং করবেন,সবার আগে আমি নাম লিখিয়ে রাখলাম। হা হা হা হা......

বৈশাখী শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইলো।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৩৭

বলেছেন: সাদা পায়রা সৌভাগ্যের প্রতিক হিসাবে আমাদের ঐদিকেও একটা রেওয়াজ আছে যতদূর মনে হয়।
মিষ্টি খেলে তো দাদা ডায়বেটিসের চান্স থাকে, নাহলে আমব্রেলার মিষ্টি পার্সেল করে দিতাম -- হা হা।


ব্যাক সিট ডাইভিং বলতে কিছু নাই তবে নাম ছাড়াও আপনাকে হাতি, ঘোড়া, গাড়ি, বিমান সবকিছুর জন্য বুকিং নিলাম।


ভালোবাসা।।

৮| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এতো কষ্ট না করে এক্সামিনারকে কিছু পাউন্ড দিলেই তো পাশ করিয়ে দিত! :P

আপনার নোটগুলো চমৎকার হয়েছে।
আপনার সন্চিত অভিজ্ঞতা কি কোন কাজে লাগছে? শুনলাম, আপনি নাকি ঘন ঘন টিকেট খান? B-)

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৪০

বলেছেন: টাকাদিয়ে যদি পাশের ভুয়া লাইসেন্স পেয়ে যাই তাই কষ্ট করে পাশ দিলাম।।
।নোটগুলো ভালোলাগার জন্য কৃতজ্ঞতা ।।


ঘন ঘন টিকেট --- আপনি তো একটা লক্ষি ছেলে ভালো জিনিস মনে করিয়ে দিলেন। কেন এত টিকেট খাই তার দু একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে হবে।।।


ভালো থাকুন।।

৯| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৩২

তারেক ফাহিম বলেছেন: God is smiling today.


এক শালিক আর দই শালিকের গল্প মনে পড়ল।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৪১

বলেছেন: চির সবুজ ফাহিম ভাই।।
আশাকরি ভালো আছেন।।

সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।।।

ভালো থাকুন।।

১০| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:০২

মুক্তা নীল বলেছেন:
ল'ভাই,
ভালো লিখেছেন আপনার সঞ্চিত অভিজ্ঞতা। নোট এর কথাগুলো আমার কাছে পরিক্ষীত সত্য। আরও লিখুন, পড়ার অপেক্ষায় রইলাম। কইতর, আসলেই শুভ'র প্রতীক। অনেকদিন পর এই নামটা উচ্চারণ করলাম। আপনি বুঝবেন বলেই বললাম।
শুভকামনা রইলো।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৪৩

বলেছেন: হা হা।।

জালালের জালালী কইতর।।।
বরাবরের মতো উৎসাহমূলক মন্তব্য করার জন্য কৃতজ্ঞতা।

নোটের কথাগুলোতে সহমত পোষণ করায় বুঝলাম নোটটি লেখার সার্থকতা পেলো।

ভালোবাসা অবিরাম।।


১১| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৬

অজ্ঞ বালক বলেছেন: মানে ঠিক কি বুইঝা আপনে বাঙ্গালী ইন্সট্রাক্টরের কাছে গেসিলেন আমার মাথায় আইলো না। টেকাটুকা বেশী ছিল পকেটে? কামড়াইতো? আপনে এত্ত এত্ত পয়েন্ট কইলেন আর আমি দেখলাম আপনার ধৈর্য্য আর অধ্যবসায়, ভাল্লাগলো সেইটা। বাপের লগে ঝগড়া চলে ৮-৯ বছর হইলো কাজেই এক নাম্বার পয়েন্টে চুপ। ২ নাম্বারের অভিজ্ঞতা আসে, এককালে টিচারিও করসি। ৩ নাম্বার নিয়া কোন কথা হইবো না। লাক হইলো সব কথার শেষ কথা। থাকলে পরিশ্রম করলেও চলে না করলেও চলে, না থাকলে আপনে গরুর মতন খাইটাও লাভ হইবো না।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৪৮

বলেছেন: আপনি তো দেখ মন্তব্যের এক ইউনিক স্টাইল শুরু করলেন।
অসম্ভব ঢংয়ে মন্তব্য করার পারদর্শিতায় সিদ্ধহস্ত ।।।

বাঙালি ইন্সট্রাক্টটর না নিলে অভিজ্ঞতা কি হতো - সবকিছুই শেখার উছিলা।


বাবার সাথে অভিমান মিটিয়ে ফেলুন বাবা তো এক জীবনে একজন হয়।।। অপবাদ না দিয়ে বুকে টেনে নেন।।।
নোটগুলো বিশ্লেষণ করারা জন্য একরাশ মুগ্ধতা

ভালোবাসা রইলো।

১২| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: বেশ :)

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৪৮

বলেছেন: চমার প্রিয় পাখি ভাই।।

আপনি তো সৌভাগ্যের প্রতিক।।


ভালো থাকুন।

১৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অভিজ্ঞতার বিকল্প কিছুই নেই!

দারুন সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতার গল্প শেয়ারে ধন্যবাদ ভায়া
হুম। কথা সত্য - না হারালে কোন কিছুর মর্ম অনুধান করা কঠিন বৈকি!
আবার হারালেও সকলে সমান ভাবে স্মরনে রাখেনা কৃতজ্ঞ গণ ব্যাতিত।

পাঠান্তে ভাল লাগা :)

++

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:০৯

বলেছেন: কবির এমন মন্তব্যের জবাবে সহমত প্রকাশ করা ছাড়া কিছু করার নাই।।

হারায়ে বুঝিছে আমি কি ছিলে আমার তুমি, কি ছিলে আমার।গানটা মনে পড়ে গেলো।


ভালো থাকুন সবসময়।

১৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

আরোগ্য বলেছেন: নোটগুলোর সাথে পুরোপুরি একমত বড় ভাই।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:০৯

বলেছেন: সহমত পোষণ করার জন্য ধন্যবাদ।।

ভালো থেকো।

১৫| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৩৪

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: সবশেষে যে নোটগুলো লিখলেন না,তা সত্যিই ভালো লেগেছে।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:১০

বলেছেন: সময় করে পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।।

ধন্যবাদ প্রিয় ভাই।।

১৬| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৪১

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল ,



সবটা মিলিয়ে চমৎকার অভিজ্ঞতা। শিক্ষনীয় পোস্ট।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:১০

বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় কবি।

আপনি পড়েছেন জেনে খুশি হলাম।

১৭| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: এখন কি আমি ভাগ্যের উপর সব কিছু ছেড়ে বসে থাকবো?

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৩

বলেছেন: জ্বী না -

তকদিরের সাথে তদবির করতে হবে --

১৮| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: আপনার মুখ থেকে চির সবুজ ফাহিম ভাই, যতবারই শুনি খুব আপ্লুত হই।


আমি আলহামদুলিল্লাহ্, ভালো আছি। আপনিইও ভালো আছেন নিশ্চয় আল্লাহর কৃপায়।

ব্লগে ঠিকমত আসা হয় না, আমার এখান থেকে সমস্যা মনে হয় এটকু বেশি। লগইন সমস্যা আমার এখনও যায় নি!!
কয়েকবার চেষ্টা করলে একবার হয়, মন্তব্য কপি করে রাখা লাগে, প্রথম বারে হয় না, পরের বার কিংবা ৩য় বারে হয়!!!!!

এ ক দিনে ব্লগে পাঠক পরিচিতিটাও ঠিকমত ধরে রাখতে পারিনি!!

২২ শে এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৫:০১

বলেছেন: মাই এভারগ্রীণ ভাই,
আবারো এসে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
আপনার লগইন সমস্যার জন্য নীল আকাশ ভাইকে জিজ্ঞেস করেন উনি বলে দিতে কিভাবে সহজে লগইন করা যায়। অথবা কাভা ভাইয়ের রিসেন্ট পোস্টটা দেখতে পারেন। আশাকরি দ্রুত সমস্যা কেটে যাবে।

কিছু প্রিয়মুখ হৃদয়ে এমনিতেই ঠাঁই করে নেয় আর আপনি তেমনি প্রিয়মুখ।


ভালো থাকুন।

১৯| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

সুমন কর বলেছেন: চমৎকার আর শিক্ষণীয় শেয়ার। প্রথমে যে বাঙালী আপনার ভাগ্যে পড়েছিল, সে থাকলে আর পাশ করা হতো না। আর ওরা বেশ যত্ন নিয়ে শিখিয়েছে বলে কৃতজ্ঞতা রইলো। যাক শেষ পর্যন্ত পাশ হয়েছেন। +

লেখা ভালো লাগল। নোটগুলো শতভাগ সত্য।

২২ শে এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৫:০৫

বলেছেন: প্রিয় দাদ,
কিছু মানুষের কমেন্ট পোস্টের মূল্য বাড়িয়ে দেয়। আরো ভালো কিছু লেখার তাগদা দেয় আর আপনি তো সে দলের লোক।
আপনার অতি মূল্যবান মন্তব্য ভবিষ্যৎতের পাথেয় হয়ে থাকবে।
বাঙালি ভদ্রলোক কি যে জিনিস এখন বুঝতে পারছি -- কোন কোয়ালিটি নাই।।


ভালো থাকুন। বৈশাখ শুভেচ্ছা।।

২০| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৫

সোহানী বলেছেন: কানাডা বা আমেরিকায় কিন্তু ড্রাইভিং পাশ সহজ বলতে পারি কারন আমার মতো এতো খারাপ ড্রাইভার একবারেই পাশ করেছিলাম। যাহোক, মাত্র ১০-১৫ মিনিট ড্রাইভ করি পরীক্ষায় তাতেই জীবন বের হয়ে যায় সেখানে কিভাবে আপনারা ১ ঘন্টা ধরে পরীক্ষা দেন???

অনেক ভালো লাগলো স্মৃতি কথা ল ভাই।

২২ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০

বলেছেন: আমেরিকায় ডাইল পাশ আসলে অনেক সহজ - আমার ফ্যমিলি মেম্বার তো দেখলাম পরীক্ষায় গেলো আর সাটিফিকেট নিয়ে বের হয়ে এলো। এখানে পাশ করা অনেক কঠিন।


পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২১| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৬:৩৭

ইসিয়াক বলেছেন: আজকের লেখা[অভিজ্ঞতা]টি পড়ে খুব ভালো লাগলো।
আজ মনে হচ্ছে আমার দিনটা খুব সুন্দর কাটবে ।
প্রিয় ভ্রাতা আপনার বাবার প্রতি শ্রদ্ধা , সালাম , ও দোয়া রইলো।
এই সিরিজটা আরো লেখা চাই।
এটা অনুরোধ । আমার খুব ভালো লেগেছে।
ভালো থাকবেন ।
পাঠকর মনের আকাশে তারা হয়ে জ্বলুক আপনার লেখা।
শুভকামনা ও দোয়া রইলো।
সুপ্রভাত

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৬:৪৭

বলেছেন: আপনার কাছে আমার এক আকাশ কৃতজ্ঞতা।।।

এত সময় করে পুরাতন পোস্ট যপ দেখে তাকে বড্ড আপন মনে হয়, বড্ড প্রয়োজন এমন আপনজনকে।।।

লেখালেখিটা একান্ত শখের ও স্বাদের -- বহুকাল থেকে এ আমার ভালোবাসা সময় যে পাই না।।

আমার কাছে মনে হয় লেখালেখির জন্য সময় ও প্রচুর পড়ার প্রয়োজন -- সংসারের মায়ায় এগুলো কই।।


বাবাকে হারিয়েছি একযুগ হলো তবুও মনে হয় চোখের কমিন ছাউনির সামনে।।
আমার বই " জীবনের ব্যাকরণে বাবাকে নিয়ে একটা লেখা আছে।।


ভালো থাকুন।।।

দোয়ার দরখাস্ত রইলো।।।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.