নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে মানব! আর নয়তো দেরী; জেগে তুলে বিবেকের তরী করো হিংসার বলিদান। জন্মান্ধ হয়ে থেকো নাকো তুমি;মানুষ বলে হও বলিয়ান ।

তুমি জীবন খুঁজো সুখের নীড়ে, আমি জীবন খুঁজি দুঃখের ভীরে।,,, রহমান লতিফ,,,,

› বিস্তারিত পোস্টঃ

নিউইয়র্কের এক ট্যাক্সি ড্রাইভারের নোটবুক থেকে

১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৭:১৩


ধৈর্যের মিষ্টি শিক্ষা
------------মূল- নিউইয়র্কের এক ট্যাক্সি ড্রাইভার,( অনুবাদঃ রহমান লতিফ)

আমি নিদিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে হর্ণ বাজালাম। কয়েক মিনিটের অপেক্ষায় পর আবারো হর্ণ দিলাম। যেহেতু আমার শিফট শেষ হতে চলেছিল তাই গাড়িটিকে না থামিয়ে শুধু চালানোর কথাই ভাবছিলাম, কিন্তু একটু পরে গাড়ীটিকে পার্ক করে দরজার কাছে গিয়ে নক দিলাম।
'মাত্র এক মিনিট', একটা দুর্বল, বৃদ্ধ কন্ঠস্বর শুনতে পেলাম, আমি ঘরের মেঝে জুড়ে টানা ছেঁচারা হচ্ছে এমন কিছু শব্দ শুনতে পেলাম।
একটি দীর্ঘ বিরতির পরে, নব্বই বছর বয়সী ছোট্ট মহিলা দরজা খোলে আমার সামনে এসে দাঁড়ালেন। তার পরনে একটি প্রিন্ট পোষাক এবং একটি পিলবক্স টুপি যাতে একটি পর্দা, মনে হলো যেন 1940 সালের চলচ্চিত্রের কোন অভিনেত্রী। তার পাশে একটি ছোট নাইলন স্যুটকেস ছিল। অ্যাপার্টমেন্ট দেখে মনে হলো, এখানে কয়েক বছর ধরে কোন মানুষের বসবাস নেই । সমস্ত আসবাবপত্র প্লাস্টিকের শীট দিয়ে আবৃত ছিল।দেয়ালের উপর কোন ঘড়ি ছিল না, কোন পাত্র ছিল না। শুধু ঘরের কোণায় একটি পিচবোর্ড বক্স যাতে কিছু ছবি এবং কাঁচের পাত্র দিয়ে ভর্তি করা।
'তুমি কি আমার ব্যাগটি গাড়ীতে নিয়ে যাবে?'
-আমি টেক্সি ক্যাব-এ স্যুটকেস রেখে, তারপর মহিলাটিকে সাহায্য করার জন্য ফিরে এলাম। তিনি আমার হাত ধরলেন এবং আমরা রাস্তার কিনারা দিয়ে ধীরে ধীরে হেঁটে গাড়িতে উঠলাম। তিনি এই উদারতা জন্য আমাকে ধন্যবাদ দিতেই থাকলেন। আমি তাকে বললাম, 'এটা কিছুই না', 'আমি যাত্রীদের প্রতি, আমার মায়ের সাথে আচরণের মতোই আচরণ করার চেষ্টা করি। ওহ, তুমি এত ভালো ছেলে, ভদ্রমহিলা বললেন।
আমরা যখন ক্যাব উঠলাম,তিনি আমাকে একটা ঠিকানা দিলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন,
'তুমি কি শহরের মধ্য দিয়ে ড্রাইভ করতে পারবে?
'এটা কোন ছোট রুট নয়,' আমি দ্রুত উত্তর দিলাম।
'ওহ, আমি কিছু মনে করি না,' 'আমার খুব তাড়া নেই । আমি একটি বৃদ্ধাশ্রমে যাচ্ছি ।
আমি পিছনের আয়নায় দেখছিলাম তার চোখ চকচক করছিল। 'আমার কোন পরিবার বেঁচে নেই,' তিনি একটি কাতর কণ্ঠে বললেন । 'ডাক্তার বলছেন যে আমার সময় খুব দীর্ঘ নয়।'আমি গাড়ির মিটার বন্ধ করে আস্তে আস্তে ড্রাইভ করতে লাগলাম।
'তুমি কোন রুটে আমাকে নিতে চাও?' আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম.
পরের দুই ঘন্টার জন্য, শহরের ভেতর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে ছিলাম। তিনি আমাকে সেই বিল্ডিং দেখিয়েছিলেন যেখানে তিনি একবার লিফট অপারেটর হিসাবে কাজ করেছিলেন।তার স্বামীর সাথে যখন নতুন বিয়ে হয়েছিল,সেই সময় যে এলাকায় বাস করতেন আমরা সেই আশপাশের এলাকা দিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে তিনি আমাকে একটি আসবাবপত্রের গুদামের সামনে দাঁড়াতে বললেন, যা একসময় পানশালা ছিল যেখানে তিনি নৃত্য শিল্পী হিসাবে নেচেছিলেন। কখনও কখনও তিনি আমাকে একটি নির্দিষ্ট বিল্ডিং বা রাস্তার কোণার সামনে ধীরগতিতে যেতে বলেন এবং অন্ধকারের দিকে স্থির হয়ে তাকিয়ে থেকে মুখ দিয়ে কোন কিছু বলেন নি।
সূর্যের প্রথম প্রহর দিগন্তরেখা ছুঁয়ে উদিত হচ্ছে, ভদ্রমহিলা হঠাৎ বললেন, 'আমি ক্লান্ত। চল এখন যাই'.
তিনি আমাকে দেওয়া ঠিকানায় খুব নীরবতা অবলম্বন করে গাড়ি চালিয়ে যেতে লাগলাম। একটি গলির ভেতর দিয়ে পুরাতাত্ত্বিক ও নিচু একটি বিল্ডিং প্রবেশ করলাম যার সামনের দিকে সারি সারি ফুলের বাগান লাগানো। গাড়িটি থামার সাথে সাথে দুইজন বৃদ্ধামহিলা কাছে এলেন । তারা ভদ্রমহিলার প্রতি পদক্ষেপে সহায়তা ও পর্যবেক্ষন করছিলেন,মনে হলো তারা তার ফিরে আসার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন ।
আমি গাড়ির বুট খোলে তার দরজায় ছোট স্যুটকেস দিয়ে আসি। ভদ্রমহিলা ইতিমধ্যে একটি হুইলচেয়ারে বসে ছিলেন।
'আমি তোমার কাছে কত ডলার ঋণী?' তার পার্স মধ্যে হাত ঢুকিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন।
'কিছুই না,'
তিনি বললেন, তোমাকে তো জীবিকা নির্বাহ করতে হবে।
'অন্য যাত্রী আছে,' আমি পুষিয়ে নেবো।
প্রায় কোন চিন্তা ছাড়া, আমি নিচু হয়ে তাকে আলিঙ্গন দেই। তিনি আমার হাত খুব দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে বলেন, তুমি একজন বৃদ্ধ মহিলাকে একটি সামান্য মুহূর্তের জন্য আনন্দ দিয়েছো ,' 'ধন্যবাদ.'
আমি তার হাতটি চেপে ধরলাম, কিছুক্ষণ পর সকালের মৃদু আলোতে হাঁটতে লাগলাম। আমার পিছনে একটা দরজা বন্ধ করে দিল। আমার কাছে এটি একটি জীবন বন্ধ করার শব্দ ছিল .......!!!!
আমি সেদিন আর কোন যাত্রী নেই নি । আমি উদ্দেশ্যহীনভাবে ড্রাইভিং করছিলাম। সারাটি দিন আমি খুব কমই কথা বলতে পেরেছিলাম।
সেই মহিলা যদি রাগী ড্রাইভার পেতো , বা কেউ যদি শেষ শিফটের জন্য অধৈর্য থাকতো ? যদি আমি শিফট নিতে অস্বীকার করতাম, বা একবার হর্ণ দিয়ে চলে যেতাম ? তাহলে....
নিজের সাথে দ্রুত পর্যালোচনায়, জীবনে এরচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু করেছি বলে মনে হলো না।
আমাদের জীবনের সেরা মুহুর্তেগুলো চারপাশে ঘূর্ণায়মান মনে হয়। হ্যাঁ, সেরা মুহূর্তগুলো প্রায়ই আমাদেরকে অজানা- সৌন্দর্যে আবৃত করে, যা অন্যরা ছোট বলে বিবেচনা করতে পারে।

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +১৭/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৭:৩৪

তন্দ্রাকুমারী বলেছেন: ভাল লাগলো।

১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৭:৪০

বলেছেন: প্রেমের প্রাণ আছে....
প্রণয়হীন প্রেমেও সুখ আছে....
উপচে পড়ে প্রেমের নদী......... ধৈর্যের জলকল্লোলে...

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।

ভালোয় কাটুক আপনার দিনগুলো।।।শুভেচ্ছা নিরন্তর।।।

২| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৭:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: লেখাটি পড়ে অভিভূত হলাম। একজন ট্যাক্সি ড্রাইভারের চমৎকার উপলব্ধি!

জীবনের শেষ মূহুর্তে এসে সবাই বোধহয় এমনিভাবেই জীবনকে ফিরে দেখে কিংবা দেখতে চায়। জীবনের শেষপ্রান্তে আসা একজন মানুষের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত এটা কোন এক ট্যাক্সি ড্রাইভার দারুনভাবে দেখিয়ে দিল। আমাদের সবার মনে রাখা উচিত....এ অবস্থায় আমরা সবাই একদিন আসবো।

১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৭:৪৬

বলেছেন: লেখাটি যতটা টাচি আপনার মন্তব্যের নির্যাস তার সমান,,,,
আপনার ক'টি লাইন জীবনের শেষ প্রহরের পথচলা কথাটা কঠিন তা বুঝতে সাহায্য করলো।
জীবন সায়াহ্নে এসে মানুষ অতীত স্মৃতি রোমাঞ্চ করে আর নীরবে অশ্রু ফেলে হয়তো তা কেউ জানে না।
একজন ট্যাক্সি ড্রাইভারের এমন মহানুভবতা অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় ।।।


চমৎকার মন্তব্যে আন্তরিক ধন্যবাদ।।। ভালোবাসা অবিরাম।।। রমজানের রহমত বর্ষিত হোক।।।

৩| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:০২

মুক্তা নীল বলেছেন: ল'ভাই
সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দেওয়া
এবং তা অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে......
খুব ভালো লাগলো সকাল বেলায় এমন সুন্দর একটি ঘটনা পড়ার জন্য জন্য।
গত বছর হজ্জের সময় আরাফাতের ময়দানে পৌঁছার আগে আমার আম্মা হারিয়ে যান, প্রায় ঘন্টা দুই পরে আব্বা কে খুঁজে পান অপরিচিত একজন ছেলের সহায়তায়। ওই দুই ঘন্টা ছেলেটা আমাকে অনেক সাহায্য করেছিল। সেই ছেলেটি অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে আম্মাকে অনেক সাহায্য করেছিল।
অনেক ভালো লাগলো আপনার লেখাটা । বাস্তবে এমন মানুষের দেখা মেলে মাঝে মাঝে।

১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:২৬

বলেছেন: শুভ সকাল হাজী সাহেবান,,

জ্বী আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
এখনো কিছু ভালোমানুষ আছেন সবাই চাঁদের দেশে চলে যাননি তাইতো জীবন হয়ে ওঠে মধুময়।
লেখাটি ভালোলাগায় মুগ্ধ হলাম।

শুভ হোক আপনার আগামী।।। ধন্যবাদ নিরন্তর।।

৪| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:০৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: জীবনে সবার কাছেই কিছু শেখার আছে.....

বৃদ্ধাশ্রমের ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো লাগে না। সম্পর্ক কি এতই ঠুনকো !


পোস্টে কফির ধোঁয়া ওঠা মুগ্ধতা....

১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৩৬

বলেছেন: জীবন সুন্দর হোক প্রিয় পাখি ভাই।
বৃদ্ধশ্রমের ব্যাপারটি নিয়ে একটা লেখা দেন।।
জীবন যখন থেমে যাক কেউ একজন হাত বাড়ায় বৃদ্ধাাশ্রম কখনো তেমন মনে হয়।


কফির ধোঁয়া তুলা মুগ্ধতা

৫| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৩০

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: স্বর্গসুখপ্রাপ্ত অনুভূতি

১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৩৯

বলেছেন: পবিত্র হোক সকল আত্মা।।।
বন্ধ হোক সকল আত্নকেন্দ্রীকতা।।
শান্তি পাক সকল মানবাত্মা।।


মঙ্গল কামনায়।।

ভালোবাসা রইলো।।

৬| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৪১

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল,




অনুবাদটি ঝরঝরে হয়েছে।

কোনও না কোনও একটি ঘটনার সামনে পড়ে গেলে মানুষকে পিছে ফিরে দেখতেই হয় - কতোটা পথ পেরিয়ে এসেছে সে- যেতে হবে আরো কতদূর! এই অনুভব মানুষকে মানুষ করে। তেমনই এক মানুষের কথা এই গল্পে।

" আমি উদ্দেশ্যহীন ভাবে ড্রাইভিং করছিলাম। সারাদিন আমি খুব কমই কথা বলতে পেরেছিলাম।"
এই লাইন দু'টি অদ্ভুত এক বিষাদ রেখে যাবে পাঠকের মনে।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৭

বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় ব্লগার,

আপনার মন্তব্য সবসময় হৃদয় টাচ করে।।
হয়তো কোন না কোন সময় এমন উপলব্ধি করে কতটা পথ, কতটা অলিগলি, কতাটা বিপদসংকুল পাহাড়, নদী, সীমানা ছাড়িয়ে এসেছে সুখ স্বপ্নের খুঁজে। তবুও জীবনের হাতছানি দিয়ে নতুন করে গান রচে জীবনের পথে।।।।

অনুবাদ ভালো লাগায় প্রীত হলাম।।
ভালোবাসা অবিরাম।

৭| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:০১

হাসান রাজু বলেছেন: "তিনি আমাকে একটি নির্দিষ্ট বিল্ডিং বা রাস্তার কোণার সামনে ধীরগতিতে যেতে বলেন"
হয়ত শেষবারের মত চোখ বুলিয়ে নেয়া। জমানো মায়ার শেষ নিঃশ্বাস টুকু ।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৯

বলেছেন: জমানো মায়ার শেষ নিঃশ্বাস ---

পৃথিবীর আলো আসলেই কতটা দামী গুহায় আটকে পড়া মানুষ হয়তো মর্মে মর্মে বুঝতে পারে।

আপনার মন্তব্যটি ভালো লাগলো খুউব।

ভালোবাসা রইলো।।

৮| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় লতিফ ভাই,

অনুবাদ অত্যন্ত ভালো হয়েছে। মাঝে দুটি জায়গায় অবশ্য একটু গুলিয়ে গেছে।
জীবন সায়াহ্নে এরকম একজন মানুষকে ট্যাক্সি ড্রাইভারের সুন্দর অনুভূতিতে শিক্ষণীয় দিকটি স্পষ্ট।আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই আছে সুন্দর নির্মল হৃদয়,সেটি বিকশিত হোক। অন্যের সুখানুভূতিতে আমাদের পরিতৃপ্তি আসুক। ++
পাশাপাশি আরও একটি বিষয় স্পষ্ট, আমরা কেউ বলতে পারি না আগামীকাল কি হবে। জীবনের গতিপথে তাই কোথাও লিফট অপারেটর কোথাও নৃত্যশিল্পীর মত জীবনের রঙ বেরঙের দিনগুলি পার করেও শেষ পরিণতি বৃদ্ধাশ্রম। কিংবা আমার পরিবারের কেউ বেঁচে নেই। হায়রে জীবন!!!

স্যার আপনি থাকছেন স্যার হৃদয়ের মনি কোঠায়।হা হা হা হা হা....

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:১৩

বলেছেন: দাদা,
কাহিনীটা একটু চেষ্টা করলাম আমার মতো করে উপস্থাপন করার ।।

জীবন হয়তো এমনি হয় কিছু সুখ, কিছু দুঃখ আর পাওয়া না পাওয়ার হিসাব মেলাতে বেসামাল।।


আপনি থাকছেন হৃদয়ের মনিকোঠায়.......,...

৯| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:১৩

জুন বলেছেন: নিজেদের ভবিষ্যত চোখের সামনে ভেসে আসলো সাবলীল অনুবাদে ল ।
আমার শুধু এটুকুই কামনা থাকুক এমন এক দয়ালু ট্যাক্সিওয়ালা যেনো ভাগ্যে জোটে ।
+

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৩৪

বলেছেন: সুন্দর অভিব্যক্তিতে মুগ্ধ হলাম।

আপনার সচেতন মনে সাময়িক বিমোচনে লেখার সার্থকতা খুঁজে পেলাম।
হয়তো একটু সচেতনার সহিত একটু ধৈর্যের পরিচয় দিলে আমরা অনেক কণ্টকাকীর্ণ পথ সহজেই পাড়ি দিতে পারি।

এক দয়ালু টেক্সি ওয়ালা যেন ভাগ্যে জোটে """ অছাম """ এমনটাই হোক সবার ক্ষেএে ""
ভালো থাকুন।।

১০| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:২১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার অনুবাদ !
এ হচ্ছে জীবন কে দেখা, শুরু ই বা কোথায় কোথায় থামবে জানা নেই।
মানুষের মানবীয় গুণগুলো বিকশিত হোক।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৩৭

বলেছেন: কবির এমন আহ্বানে সবাই সাড়া দেক
মানবিক দিকগুলো বিকশিত হোক
আকাঙ্ক্ষাগুলো অধরা না থেকে অর্জিত হোক।

ভালো থাকুন সবসময়।

১১| ১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:২৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: খুব সুন্দর গল্প।
জীবন বড় অদ্ভুত

এখানে আসছি যখন যেতেই হবে

মাঝখান দিয়ে কত স্মৃতি কত কষ্ট...

একজন মানুষের এমন মানবিক দিক থাকা খুবই প্রয়োজন।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৩৯

বলেছেন: জমিদার বাড়ির মেয়ে,,,
সময় করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ প্রিয় আপু।
আমি শুনেছি সেদিন তুমি,,,,,,

নীল জল দিগন্ত ছুঁয়ে এসেছো,,,,
..........আমি কখনো যাইনি জলে,,,
আবার যেদিন যাবে,,, আমাকেও সাথে নিও।।।

ভালো থাকুন।। শুভ্রতায় কাটুক আপনার দিনগুলো।।

১২| ১৫ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৭

নীল আকাশ বলেছেন: লেখাটি পড়ে একই সাথে মুগ্ধ এবং অভিভূত হলাম!
প্রবন্ধ এবং গল্প লেখার হাত আপনার দিন দিন খুবই দুর্দান্ত হচ্ছে।
লেখাটা সাবলীল এবং ঝকঝকে হয়েছে।

আজ আমি জীবনের শেষ প্রান্তে দাড়িয়ে-
দমকা এক হাওয়া আসবে আমার খোঁজে ।
আনমনে আমি ভেবে চলেছি-
অপেক্ষায় প্রহর গুনি কখন আসবে সে হাওয়া?

এটাই কি জীবন?
যেখানে সব আশার সমাধী হয় এক নিমেষে?
এটাই কি জীবন?
যেখানে স্বপ্ন ভেঙ্গে যায় কিছু না পাবার আগেই!

জীবনের শেষ প্রান্তে এসেছি আমি আজ-
না পায়নি কিছুই,
না হারায়নি কিছুই,
সব কিছু গোটা কয়েক স্বপ্ন-
গোটা কয়েক আশার মাঝে বন্দী ছিল।
কালের প্রবর্তে আমি এসেছি আজ ভেসে-
সব কিছু উজাড় করে দিয়েছি নিজের বিলাসীতার মাঝে ।


কবিতাটা আমার লেখা নয়।

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৫০

বলেছেন: প্রিয় গল্পকার,
প্রশংসা নাকি পাগলের ও ভালো লাগে --- হা হা।।
আপনার এমন প্রশংসার বাণীতে জনশূন্য রাস্তায় হলুদ গাদা ফুলের বিশালা বহর মিছিল নিয়ে এ শহর পরিপূর্ণ হলো।


সামু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমিরেটস পদাতিক চৌধুরী, প্রফেসর কাচৌঃ, প্রফেসর মজু নীল আকাশের সার্বিক তত্বাবধানে ও নিবিড় পরিচর্যা চলছে সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ।।

কবিতাটা দারুন। আপনি কবিতা ভালোবাসেন আর কবিতার মতো বিশাল হৃদয় আপনার।।

ভালো লাগলো খুউব।।। ভালে থাকুন সবসময়।।।

১৩| ১৫ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:১৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



বাহ, চমৎকার একটি লেখা র. লতিফ ভাই।
মানুষের জীবন কতই বৈচিত্র্যময়। মানুষের ভাবনা আর উপলব্ধির জায়গাটি সব সময় স্থির থাকে না। জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে যে উপলব্ধি আসে তা একেকটি দর্শন। টেক্সি ড্রাইভারের উপলব্ধিও ঠিক তাই। আমারা অনেকেই সারা জীবন ভুলের মধ্যেই বসবাস করি। কেউ কেউ এই ভুল উপলব্ধি নিয়েই পরপারে পাড়ি জামান। ভুল হতেই পারে, তবে তা জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়ার আগেই সংশোধন করা দরকার।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ২:৫১

বলেছেন: জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে যে উপলব্ধি আসে তা একেকটি দর্শন।-- প্রিয় সব্যসাচী লেখক,,, এত সুন্দর মন্তব্যের আর কোন উওর হয় না। শুধু উপলব্ধি হয়।।।

ভুলগুলো ফুল হয়ে চন্দন তিলক পড়িয়ে দেক এই কামনা করি।
ভালো থাকুন।।। শুশুভেচ্ছা সহ শুভ কামানা।।।

১৪| ১৫ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট পড়লাম।
ভালো লেগেছে। তাই দুইবার পড়লাম।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ২:৫৪

বলেছেন: প্রিয় ব্লগিং যুবরাজ,

আপনি পোস্টটি দু'বার পড়েছেন মানে হলো লেখাটি আপনার মন ছুঁতে পেরেছে

বেশ খুশি হলাম।

ভালো থাকুন।। ধন্যবাদ প্রিয় ভাই।।

১৫| ১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১১

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: আহ্ খুব বেদনা দিয়েছে আপনার লেখা। হৃদয়কস্পর্শী।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ২:৫৯

বলেছেন: প্রিয় চিরকুটওয়ালা,
কিছু কিছু গল্প হৃদয়ে দাগ কাটে আর হয়তো লেখকও বেঁচে থাকে তেমি পাঠক হৃদয়ে।


সময় করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

ভালোবাসা অবিরাম।।।

১৬| ১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১৪

পারভেজ আলি বলেছেন: ভাল লাগলো

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:০২

বলেছেন: সুপ্রিয় আলি ভাই,

এই প্রথম আপনার মন্তব্য পেলাম।
আশাকরি সাথে থাকবেন।

আপনার সুস্থ ও সুন্দর জীবন কামনায়।।

১৭| ১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১৮

গড়ল বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো, মন ছুঁয়ে গেল।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:০৪

বলেছেন: প্রিয় গড়ল ভাই,
অনেকদিন পর ব্লগে এলেন। আশাকরি ভালো আছেন।।

লেখাটি আপনার ভালো লাগেছে জেনে আপ্লুত হলাম।

ভালো থাকুন।।

১৮| ১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:২১

নীলপরি বলেছেন: খুবই মর্মভেদী গল্প ।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:০৫

বলেছেন: জীবন কাউকে কাউকে এভাবে হাতকড়া পরিয়ে দেয়
কাউকে দেয় শিউলি ফুলের মালা।

জীবন এমনি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।
ভালো থাকুন।

১৯| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১৬

সুমন কর বলেছেন: চমৎকার অনুবাদ হয়েছে। গল্প পড়ে মুগ্ধ।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:০৬

বলেছেন: প্রিয় কবি,,

আপনার মূল্যবান মতামত অনেক পাওয়া।।
মুগ্ধ হয়েছেন জেনে আমিও মুগ্ধ হলাম।।
ভালো থাকুন জীবনভর।।।
ধন্যবাদ নিরন্তর।।

২০| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:২৪

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: মুগ্ধকর লিখা!আচ্ছা এটা কি সত্যিই?

আপনার এই সিরিজ টি আমার ভালো লাগে।এটা অবিরত রাখুন।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:১২

বলেছেন: মুগ্ধকরা লেখা জেনে ভালো লাগলো খুউব।
এটা কি সত্যি -বিপদে ফেললেন -- আলবত সত্যি,, এমন সত্যি ঘটনা অহরহ ঘটে যা আমরা জানি না।।।
এটা আমার বন্ধুর কাছ থেকে শুনা কথা --- হা হা হা ---


সিরিজটা অবিরত করাতে বলায় কৃতজ্ঞতা -- আসলে কবিতা সবাই লেখে, আজকাল কেউ কবিতা পড়ে না, সবাই কবি তাই আপাততঃ কবিতাকে বিদায় দিবো ভাবছি।
আর গল্প, উপন্যাস অনেক শ্রমসাধ্য ও সাধনার বিষয় যাতে প্রয়োজন প্রফেশনালিজম এত সময় নেই তাই গল্প উপন্যাসের ছুটি।। সবশেষে এই নোটবুক গুলি লিখে কিংবদন্তী হতে চাই.......হা হা হা,,

সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।।। ভালোবাসা অবিরাম।।

২১| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


নিউইয়র্কের ট্যাক্সী ড্রাইভারেরা বিশ্বের সেরা

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:১৪

বলেছেন: আশ্চর্য হলাম এদের মধ্যে একটাও লিলিপুটিয়ান নেই জেনে!!!!

ভালো মন্দ নিয়েই সমাজ, সংসার, রাষ্ট্র।।। আপনি আমি।।।


ভালো থাকুন।। ব্লগে প্রাণ দিয়ে যান।।।

২২| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১:৩০

চাঙ্কু বলেছেন: মন ছুঁয়ে যাওয়া সুন্দর গল্প।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:১৫

বলেছেন: আশাকরি আন্নে ভালো আচেন,,,,

এটা আপনাগো দেশের লোকের গল্প তাই পড়তে আসলেন।। আমাদের দেশের লোকের কত ঘটনা লিখলাম একটি বার পড়তে এলেন না।।।।।


ভালো থাকুন সুপ্রিয় ভায়া।

২৩| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১:৪৬

ওমেরা বলেছেন: আপনার অনুবাদ যথাযথ হয়েছে। ধন্যবাদ।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:১৭

বলেছেন: ধন্যবাদ সুমিষ্ট ওমেরা ডায়মন্ড আপু।।।
আপনাদের অনুপ্রেরণা অনেক পাওয়ার।।।


জীবন সুন্দর হোক।।। াআনন্দময় হোক আজ ও আগামী।।।
ভালোবাসা রইলো।।

২৪| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:৫২

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: আমি শুধু অনুবাধটিই পড়িনি সাথে সবকয়টি মন্তব্যও প্রতি মন্তব্য পড়েছি। চমৎকার একটি মন ছূয়াঁ গল্প। দুনিয়ার বেশীর ভাগ মানুষই পরোউপকারী তাইতো এমন সুন্দর সব গল্প শুনতে পাই।

১৬ ই মে, ২০১৯ ভোর ৪:৪০

বলেছেন: প্রিয় কবি,

আপনার সজীব হৃদয়ে জীবনের প্রতি, জীবের প্রতি এত মায়া এত আবেগ আছে ব'লেই
ভোরের শিশিরের টুপটাপ ফোঁটা আয়েশি রাতের চেয়ে বড় অমায়িক মনে হয়।
বনের পথে পথে মানুষ ভালোবাসে মানুষ
তাইতো এ বসুন্ধরা বড় সুশৃঙ্খল।।।
জীবন গল্পে ভালো থাকুন।
সুন্দরের হাতছানি দিয়ে যাক সদাসর্বদা।।

মনকাড়া মন্তব্য হেসে ওঠলো তনু মন।।
। শুভ কামনা নিরন্তর।।।।

২৫| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

নজসু বলেছেন:



মানুষের জীবনটা বড়ই বিচিত্র।
বিচিত্রতায় ভরপুর আমাদের এই পৃথিবী।
.................................................

ভালো লাগা আর মমত্বে ছুঁয়ে গেলো আপনার এই অনুবাদ।

ভালোবাসা জানবেন প্রিয় লতিফ ভাই।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:৩৮

বলেছেন: নজসু ইজ ব্যাক!!!!

জীবন আসলেই বিচিত্র আর মানুষ অনেকটাই নিতে চায় তার নিয়ন্ত্রণে।।।


ভালোবাসা নিলাম।।। ভালো থেকো।।

২৬| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৫১

চাঙ্কু বলেছেন: ওরে জেডা, ব্লগে আসলে এখন কমেন্টাই কম। ক্যাব/উবার/লিফট নিয়ে আমার মেলা তিক্ত কপিজ্ঞতা আছে কিন্তু এই লেখাটা আমার সব তিক্ত কপিজ্ঞতা ভুলিয়ে দিছে।

ভাল থেকো, অবিরাম!

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:৪১

বলেছেন: জেডা,।।।
আপনার সব তিক্ত কপিজ্ঞতাগুলো বলেন না একে একে,,,, আমরা শুনি।


২৭| ২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৯

শেহজাদী১৯ বলেছেন: কি অসাধারণ!

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ১:০৪

বলেছেন: পুরনো পোস্ট পড়ে ভালো লাগা জানানোতে আনন্দিত হলাম।

জীবনের পাঠশালায় শিখতে থাকি সারাক্ষণ।।



ভালো থাকুন।।।। আলোয় থাকুন।।।।

২৮| ২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:০০

কালো যাদুকর বলেছেন: অনুবাদটি চমৎকার হয়েছে।

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ১:০৬

বলেছেন: পুরাতন পোস্টে পাঠ প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য ধন্যবাদ।।


অনুবাদটি আপনার ভালোলাগায় সার্থকতা খুঁজে পেলাম।।।


ভালো থাকুন।।।

২৯| ২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ১:১৭

জাহিদ অনিক বলেছেন: আগেই পড়েছিলাম---- কীভাবে কীভাবে যেন মন্তব্য দেয়া হয় নাই।

খুব সুন্দর লেগেছে, ট্যাক্সি ড্রাইভারের মধ্যে মানবতা থাকে, কেবল আমরাই তাদের মানবতাকে অনন্য করে ভাবতে পছন্দ করি, এটা আমাদের ফ্যান্টাসি। যেন সব মানবতা আমাদের মধ্যেই থাকবে------- (যাইহোক, সেসব অন্য কথা)

লেখায় ভাললাগা।

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ৩:২৩

বলেছেন: কবির কথায় তো জটিল ভাবনায় ফেলে দিলো ---

মানবতার সবার আছে বৈকি কারোটা খাঁটি আর কারোটা লোক দেখানে।।।

আপনার মন্তব্য পেয়ে ভাবনার জগতে একটু আলোড়িত হলাম - দেখি কি লেখা যায়।।।

সময় করে মতামত দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।।।



আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.