| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিংকন বাবু০০৭
ভালবাসি বই পড়তে আর পছন্দ করি টুকটাক লিখতে, ভালো লাগে বুদ্ধিমানদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। দেশটাকে ভালোবাসি। সৎ-পরিশ্রমীদের শ্রদ্ধা করি। । আমার ব্লগ নিয়ে অনেক আগ্রহ আছে। কিন্তু কিছু জানি না। তাই জানতে চাই
জেকে লাইফ স্টাইলের জনক জাহাঙ্গীর কবির স্যারের কথা গুলো গুগোল করে, এআই করে, ইন্টারনেট ঘেটে মিলিয়ে নিন=
**এভিডেন্স ভিত্তিক,
**বিজ্ঞান নির্ভর,
**কারেন্ট ওর্য়াল্ডের সাথে আপডেটেড,
**বিশ্ব মোড়ল যারা তাদের ব্যবস্থার সাথে মিল,
**বাস্তব রুগী ভালো হওয়ার প্রমান,
Dr. Jahangir kabir স্যার কি কি বলেন=
**ইউরোপের কফি এনিমা(Enema) (অর্থাৎ মলদ্বারের মাধ্যমে কোলনে প্রবেশ করানো) হিসেবে ব্যবহারের ধারণাটি আসে ১৯০০-এর দশকের শুরুতে। ১৯২০ ও ১৯৩০-এর দশকে জার্মান-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ম্যাক্স গারসন (Dr. Max Gerson) তাঁর বিকল্প ক্যান্সার চিকিৎসায় কফি এনিমা পদ্ধতিটি জনপ্রিয় করেন। এটি লিভার ও অন্ত্রের ডিটক্সিফিকেশনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতো। =এটা আপনি অস্বীকার করতে পারবেন না।
**কিটো বা কেটোজেনিক ডায়েট মূলত ১৯২৪ সালে মেয়ো ক্লিনিকের চিকিৎসক ড. রাসেল ওয়াইল্ডার (Dr. Russell Wilder) আবিষ্কার করেন। তিনি মূলত মৃগী রোগে (Epilepsy) আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য উপবাসের (Fasting) ইতিবাচক প্রভাবগুলোকে খাদ্যের মাধ্যমে পূরণ করার উদ্দেশ্যে এই খাদ্যাভ্যাসটি তৈরি করেছিলেন
**জাপানি বিজ্ঞানী ইয়োশিনোরি ওহশোমি ২০১৬ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি 'অটোফেজি' (Autophagy) বা কোষের নিজস্ব আবর্জনা পরিষ্কার ও পুনর্ব্যবহারের প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন। তাঁর এই গবেষণার সূত্র ধরেই প্রমাণিত হয় যে, নির্দিষ্ট সময় উপবাস বা রোজা থাকলে শরীরে অটোফেজি প্রক্রিয়া চালু হয়, যা কোষকে সুস্থ রাখে এবং আয়ু বাড়াতে সাহায্য করে।
**হট অ্যান্ড কোল্ড থেরাপি (হট-কুল বা কনট্রাস্ট থেরাপি) হাজার বছর ধরে বিভিন্ন প্রাচীন সভ্যতায় (যেমন—রোমান, ফিনিশ, জাপানি ও আদিবাসী আমেরিকান) এই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে আসছে。তবে প্রাচীন গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস (যিনি আধুনিক চিকিৎসার জনক হিসেবে পরিচিত) সর্বপ্রথম খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে ঠান্ডা এবং গরম পানির থেরাপির নিরাময় গুণের বিস্তারিত বিবরণ ও ব্যবহার লিপিবদ্ধ করেছিলেন।
বিখ্যাত ক্রীড়াবিদ, তারকা ও সেলিব্রিটিরা শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশীর ব্যথা কমানো এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করতে নিয়মিত বরফ থেরাপি (আইস বাথ/ক্রায়োথেরাপি) গ্রহণ করেন। মার্কাস রাশফোর্ড (Marcus Rashford): ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ফুটবল তারকা নিজেকে চাঙা রাখতে মাইনাস ১৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার শীতল চেম্বারে ক্রায়োথেরাপি নিয়েছেন, • উইম হফ (Wim Hof): 'দ্য আইসম্যান' নামে পরিচিত এই ডাচ ক্রীড়াবিদ নিম্ন তাপমাত্রা সহ্য করার ক্ষমতার জন্য বিশ্ববিখ্যাত। • ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (Cristiano Ronaldo): পর্তুগিজ ফুটবল তারকা নিয়মিত আইস বাথ নেন।• লেডি গাগা (Lady Gaga): শারীরিক প্রদাহ ও স্টেজ পারফরম্যান্সের ধকল কাটিয়ে উঠতে এই পপ তারকা বরফ থেরাপির সহায়তা নেন।
**শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম থেরাপির মূলত প্রাচীন ভারতীয় যোগব্যায়ামের ‘প্রাণায়াম’ এবং চীনা ‘জিংকি’ (Xingqi) চর্চা থেকে উদ্ভূত। তবে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে শ্বাস-প্রশ্বাসের এই কৌশলগুলোকে বিশেষভাবে থেরাপি হিসেবে জনপ্রিয় করে তুলেছেন বেশ কয়েকজন আধুনিক গবেষক ও চিকিৎসক।
• প্রাণায়াম ও প্রাচীন পদ্ধতি: হাজার বছর আগে ভারতীয় ঋষিরা শ্বাস নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তি অর্জনের কৌশল আবিষ্কার করেন।
• ড. কনস্ট্যান্টিন বুটেইকো (Dr. Konstantin Buteyko): ১৯৫০-এর দশকে রাশিয়ান এই চিকিৎসক হাঁপানি (অ্যাজমা) এবং শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বিশেষভাবে 'বুটেইকো পদ্ধতি' আবিষ্কার করেন। এটি মূলত অগভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসের কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের একটি থেরাপি।
• ড. স্ট্যানিস্লাভ গ্রফ (Dr. Stanislav Grof): ১৯৬০-এর দশকে মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে তিনি 'হোলোট্রপিক ব্রেথওয়ার্ক' (Holotropic Breathwork) থেরাপি উদ্ভাবন করেন। দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস এবং সঙ্গীতের মাধ্যমে মানসিক ট্রমা ও অবচেতন মনের গভীরে জমে থাকা আবেগ দূর করাই এর লক্ষ্য।
• লিওনার্ড অর (Leonard Orr): ১৯৭০-এর দশকে তিনি 'রিবার্থিং ব্রেথওয়ার্ক' (Rebirthing Breathwork) থেরাপি তৈরি করেন। গভীর ও ছন্দময় শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে জন্মকালীন মানসিক আঘাত বা ট্রমা নিরাময় করা এর মূল উদ্দেশ্য।
**খালি পায়ে হাঁটার থেরাপি বা ঘাসে হাঁটার থেরাপি বা আর্থিং (Earthing) বা গ্রাউন্ডিং (Grounding) আধুনিক রূপ হিসেবে ১৯৯০-এর দশকে ক্লিন্ট ওবার (Clint Ober) আবিষ্কার ও জনপ্রিয় করেন。তিনি কেবল টিভির তার নিয়ে কাজ করার সময় খেয়াল করেন যে, মানুষও বৈদ্যুতিক পরিবাহী এবং জুতো পরার ফলে তারা মাটির প্রাকৃতিক শক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন。মাটির সংস্পর্শে খালি পায়ে হাঁটা শরীরকে নেগেটিভ চার্জ বা মুক্ত ইলেকট্রন গ্রহণ করতে সাহায্য করে,খালি পায়ে হাঁটার উপকারিতা:প্রদাহ হ্রাস(inflammation) কমে,স্ট্রেস ও কর্টিসল হ্রাস, রক্ত সঞ্চালন ও ঘুম, রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে, মানসিক স্বাস্থ্য,ঘাসের সবুজ রং চোখের ক্লান্তি দূর করে এবং স্নায়ুকে শান্ত করে উদ্বেগ কমায় ভালো ঘুম ও শক্তি বাড়ে।
** গায়ে রোদ লাগানো বা হিলিওথেরাপি (Heliotherapy) প্রাচীন কাল থেকেই প্রচলিত। খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দে গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস এটিকে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যবহার করেছিলেন। তবে আধুনিক বৈজ্ঞানিক রোদ থেরাপির ভিত্তি স্থাপন করেন ডেনমার্কের চিকিৎসক নিলস ফিনসেন (Niels Finsen)। আলো দিয়ে চিকিৎসা আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯০৩ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
**ব্যায়াম, ইয়োগা, জীম, আরো কিছুতো বাদি দিলাম, সাথে আবার ইসলাম ধর্মীয় বিষয়াদি তো আছেই,
এখন আপনি কি করবেন বা কোনটা মানবেন বা Dr. Jahangir kabir স্যার কি করেন=
আপনি আপনার টেস্ট করান, পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে করিয়ে আপনার যা দরকার সেটা তত টুকুই করেন ব্যাস ল্যাটা চুকে গেল। আমার কথাটি ফুরালো নটে গাছটি মুড়ালো।। (নটে গাছটি মানে IR এর চাড়া গাছটি মুড়োলো)
এসব কিছুর সমন্বয়ে যে চিকিৎসা বালেন আর জীবন বিধান বলেন যে নামেই বলেন আপনি এটাকে উড়িয়ে দিতে পারবেন না।
কিছু কিছু সমস্যা বা সংশোধন থাকলে তাকে ধরিয়ে দেয়া যেতে পারে। এ ছাড়া তার সাথে দ্বি-মত থাকার কোন কারন নাই। চিকিৎসা আপনি না করান বা তার সরবরাহ করা পন্য সামগ্রী যেগুলো আমাদের খাদ্য বস্তু সে গুলো আপনি না কিনেন। আপনি আপনার ১০০ ভাগ সঠিক উৎস থেকে কিনেন, ব্যাস হয়ে গেল। অযথা তার পিছনে লাগার তো কোন মানে হয় না।
আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক বুঝ দান করুক।
আমীন।
বি:দ্র: আমি কোন ভাবেই স্যারকে সরাসরি দেখি নাই, ওনাকে চিনি না। ভিডিও দেখে আর নেট ঘেটে জানছি। আর আমাকে তো ওনার চিনার প্রশ্নও আসে না।
যদি কোন কিছু জানার থাকে ওনার অন এন্ড অনলি নাম্বার আছে যোগাযোগ করতে পারেন-
Dr. Jahangir kabir, JK LifestyleLifestyle (Ultimate Organic Life), 09678-242404
এটা ছাড়া অনলাইনের সব পেইজ ভুয়া (ভিডিও দেখে দেখে জানছি
)
©somewhere in net ltd.