নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জহিরুল ইসলাম তাহা

মানুষ হতে চাই..........

জহিরুল ইসলাম তাহা › বিস্তারিত পোস্টঃ

খাগড়াছড়িতে জেএসএস-ইউপিডিএফের মধ্যে ৮ ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধ

২০ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২১

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার নাড়াইছড়ির দেওয়ানপাড়ায় বিবদমান দুই উপজাতীয় গ্রুপের মধ্যে প্রায় ৮ ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। ভোর সাড়ে ৪টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ বন্দুকযুদ্ধ চলে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত একজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও (সন্তু লারমা গ্রুপ) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) মধ্যে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয় এবং দুপুর ১২টা পর্যন্ত থেমে থেমে গোলাগুলি চলে। স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, ইউপিডিএফ অধ্যুষিত এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য জেএসএস হামলা চালালে প্রতিপক্ষ ইউপিডিএফ পাল্টা জবাব দেয়। এলাকাবাসী এ বন্দুকযুদ্ধে অজ্ঞাতনামা একজন আহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে।

খাগড়াছড়ি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আল-আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম জানান, জেলা সদর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে দুর্গম নাড়াইছড়ি’র দেওয়ানপাড়ায় বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। খবর পেয়ে বিডিআরের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়েছে।

ইউপিডিএফ’র খাগড়াছড়ি জেলা সমন্বয়ক উজ্জল স্মৃতি চাকমা নাড়াইছড়িতে সংঘর্ষের কথা স্বীকার করলেও কাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়েছে তা তিনি এড়িয়ে যান।

এদিকে জেএসএসের সন্ত্রাসীরা নিরীহ জনগণের উপর গুলি চালিয়েছে বলে দাবি করছেন ইউপিডিএফের গণমাধ্যম প্রধান নিরন চাকমা।

(শীর্ষ নিউজ ডটকম

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০২

ময়নামতি বলেছেন: সংবাদটা ভাল লাগল,

নিজেরা মারামারি করুক নিরিহ জনগনের ক্ষতি করছে কেন , ওরা আসলে কি চায়?

শুভ কামনা সব সময়ের জন্য।

২১ শে নভেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:১০

জহিরুল ইসলাম তাহা বলেছেন: পাহাডীরা যেকোন মূহুর্তে বাংলাদেশের অঘটন ঘটিয়ে দিতে পারে,তাদের কাছে রয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র,সন্তু লার্মা সন্ত্রাসী বাহিনী একবার বাংলাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে হাজার হাজার বাংলাদেশী হত্যা করেছিল,জুমার নামাজ পডার সময় ১৯৮ জন মুসল্লিকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছিল,বাংলাদেশ সরকার ওই জনপদের মানুষ্বে নিরাপত্তার জন্য সেখানে সেনা মোতায়ন করেছিল,তখন জনজীবনে স্বস্তি ফিরে এসেছিল,কিন্তু এবার আওয়ামী ঝাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেখান থেকে সেনাক্যম্প প্রত্যাহার করে নিল,যার ফলে কিছুদিন যেতে না যেতে পাহাডী এবং বাংলাদেশীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়,বেশ কিছুদিন আগে ওই অঞ্চলে পাহাডীরা বাংলাদেশীদের কয়েকশ ঘরবাডী জ্বালিয়ে দেয়,পাহাডী জনপদে এখন মানুষ যেতে ভয় পায়,কারন যাওয়ার গ্যারান্টি আছে ফিরে আসার গ্যারান্ট নাই।

২| ২২ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৬

এস এম নোমান বলেছেন: যুদ্ধ ও জনজীবন.....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.