নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে........

সত্য সুন্দরকে ব্রত করি জীবনে

মেহবুবা

মেহবুবা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !
কুরআনে সাতবার এসেছে জয়তুনের নাম ! মাশাআল্লাহ!
যত্নে কাছে রেখে যথেষ্ট যোগ্য মনে করেছি সে এখন বেড়ে উঠবে যেখানে তাকে মানায় সেখানে, এই ভরসায় তাকে বিদায় জানালাম বিকেলবেলায়।
কোলাহলপূর্ণ এ নগরের পথ পেরিয়ে গ্রামের উদ্দেশ্য যাচ্ছে, ভালো থাকবে প্রকৃতির বুকে! তার খুশী মত শাখা মেলে দিবে, শিকড় ছড়িয়ে দিবে, আনন্দে বাতাসে দুলবে।
মনটা খারাপ করছে।
ছেলে মেয়ে দু'জন গেল দূর প্রবাসে, জয়তুন গাছও গেল দূর গ্রামে ; কেবলই যাই যাই রব চারিপাশে !
মায়াময় এ জগৎ, মায়া কাটাবার যন্ত্রণা বিশাল।
তার গভীরতা পরিমাপ করা যায় না, উপলব্ধির জন্য পুষে রাখতে হয় বুকের মধ্যে !
( ছবি তুলিনি, ইচ্ছে করে ; যদি দেখে খারাপ লাগে।
গ্রামে গিয়ে সামনে দাড়িয়ে দেখব ইনশাআল্লাহ)

ছবি গুগল থেকে নেয়া।

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষের শেষ ঠিকানা কোথায়?
মৃত্যুর পর যেতে হয় দীর্ঘ সফরে।

১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:৫৪

মেহবুবা বলেছেন: শেষ এবং অনন্ত জীবনে যাবার প্রস্তুতি কই!

২| ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০

বাকপ্রবাস বলেছেন: ছবিটা তুলতে পারতেন..............

১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:৫৪

মেহবুবা বলেছেন: ছবি দেখে পরে মন খারাপ হোত!

৩| ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:০৪

করুণাধারা বলেছেন: শেষ পর্যন্ত সবাই চলে যায়... :(

পোস্টে বিষাদ ছড়িয়ে আছে... পড়ে মন বিষণ্ন হয়ে গেল।‌

৪| ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:৫৭

মেহবুবা বলেছেন: চলে যাবার জন্য আসা !
হারিয়ে ফেলা সহজ নয়, পাওয়া পূর্ণ হলে হারাবার কষ্ট শ্রেষ্ঠ হয়!

একা কেন বিষাদ সন্ধ্যা কাটাই, তাই তো ভাগাভাগির সাধ।

৫| ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৩১

হুমায়রা হারুন বলেছেন: এটাই কি অলিভ ট্রি ?

১২ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:২১

মেহবুবা বলেছেন: হ্যা ! প্রথম সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলাম অনেক বছর আগে জার্ম প্লাজম সেন্টার ময়মনসিংহ। তারপর অনেক সাধনা আর সন্ধানে মেলে নিজের জন্য।
আজকাল পাওয়া যায়।

৬| ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৩৩

হুমায়রা হারুন বলেছেন: লেখক বলেছেনঃ একা কেন বিষাদ সন্ধ্যা কাটাই, তাই তো ভাগাভাগির সাধ।
তাহলে গাছটি বড় হলে একটা চারা নিশ্চয়ই পাবো।

১২ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:২১

মেহবুবা বলেছেন: জলপাই ফল টক

৭| ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৩৬

শায়মা বলেছেন: সব কিছুর পরেই কেনো যে এত মায়া জন্মায়!! তাই তো এই মায়ার পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে মন কাঁদে.........কত কিছুর জন্য যে কাঁদে.....

১২ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:২৪

মেহবুবা বলেছেন: এত মায়া দিয়ে আল্লাহ পাঠিয়েছে, হয়তো জানে কাকে কি মানায়! যে অনন্ত জীবনে যাবো সেখানে ভালো সব যেন পাই সেই কাজ যেন করা হয় তাই ভাবি মনে।

৮| ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৩৬

হুমায়রা হারুন বলেছেন: "স্নেহ অতি বিষম বস্তু"
[ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'শকুন্তলা' গ্রন্থের চতুর্থ অঙ্কের সেই বিখ্যাত উক্তি।]

৯| ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:২৫

মেহবুবা বলেছেন: স্নেহের ওজন বেশী, তাই যে পায় সেও ভারবাহী।

১০| ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকার লোক বলেছেন: "এ অনন্ত চরাচরে স্বর্গ মর্ত ছেয়ে
সব চেয়ে পুরাতন কথা, সব চেয়ে
গভীর ক্রন্দন, যেতে নাহি দিব, হায় !
তবু যেতে দিতে হয়, তবু চলে যায় !"
-রবীন্দ্রনাথ

১৩ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:৫২

মেহবুবা বলেছেন: এই চলে যাওয়া বা যেতে দেওয়া ঢ়ে কতটা রেখে দেওয়া সেটা সেই বোঝে যে একপ্রান্তে বাঁধা পড়ে তাকে।

১১| ১৩ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৫৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যেতে দেওয়াটাই মহত্ব
আসুন সেই সাধনা করি ।

১৩ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:৫৩

মেহবুবা বলেছেন: মহৎ হতে হতে কখন আবার সর্বস্বান্ত হয়ে যাই!

১২| ১৩ ই মে, ২০২৬ রাত ১:০০

শ্রাবণ আহমেদ বলেছেন: দীর্ঘদিন কোনো প্রাণহীন বস্তুর সাথে থাকলে তার প্রতিও মায়া জন্মে যায়।

১৩ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:৫৪

মেহবুবা বলেছেন: মায়াকে মঙ্গলে পাঠিয়ে দিতে পারলে বেশ হোত!

১৩| ১৩ ই মে, ২০২৬ ভোর ৫:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ঠিকই বলেছেন
মায়া এক কঠিন বিষয়
সে কখনো চোখের জলে ভিজে থাকা স্মৃতি
কখনো নীরব বিকেলের দীর্ঘশ্বাস
মানুষ যত দূরে যেতে চায়
মায়া তত শিকড় গেঁড়ে বসে হৃদয়ের গভীরতায়।

আর জয়তুন গাছ
তার আদি ও অন্ত যেন সময়েরই এক প্রাচীন উপাখ্যান
শুকনো মাটিতেও যে গাছ মাথা তুলে দাঁড়ায়
ঝড়ের ভেতরও যে নীরবে বেঁচে থাকার শিক্ষা দেয়
সে যেন ধৈর্যের প্রতীক, আশার প্রতীক।

কথিত আছে
জয়তুনের ডালে শান্তির আলো ঝরে
তার পাতায় লুকিয়ে থাকে যুগ যুগান্তরের প্রার্থনা
মানুষ বদলায়, ঋতু বদলায়
কিন্তু জয়তুন গাছ নীরবে সাক্ষী হয়ে থাকে
ভালোবাসা, বিচ্ছেদ, অপেক্ষা আর পুনর্জন্মের।

মায়াও ঠিক তেমনই
কখনো ছায়া দেয়, কখনো কাঁদায়
তবু মানুষ তাকে ছাড়তে পারে না
কারণ মায়া আর জয়তুন
দুটোই জীবনের গভীরতম সত্যের মতো
যার আদি খুঁজে পাওয়া যায় না
আর অন্ত ছুঁতে গেলে হৃদয় নীরব হয়ে যায়।

শুভেচ্ছা রইল

১৪| ১৩ ই মে, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯

মেহবুবা বলেছেন: কেমন একটা কাব্যময়তা ছেয়ে গেল। ভালো থাকুন নিরন্তর।

১৫| ১৩ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: গাছটার ছবি পরে একদিন দিয়েন এখানে।

১৫ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:০১

মেহবুবা বলেছেন: ছবি তুলবার সুযোগ পেলে দেবো ইনশাআল্লাহ ।

১৬| ১৩ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:১৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: সব মায়া ছেড়ে একদিন সবাইকে ওপারে জমাতে হবে পাড়ি

১৫ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:০৩

মেহবুবা বলেছেন: সে কথা সব সময় মাথায় রেখে সবকিছু যদি করতে পারি কতই না ভালো হয়!

১৭| ১৩ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

১৮| ১৩ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:২০

গোবিন্দলগোবেচারা বলেছেন: কোরআনে জয়তুনের কথা সাত বার এসেছে বলে জয়তুন গাছ লাগাতে হবে এই যুক্তি শুনে আমি তো মাননীয় স্পিকার হয়ে গেলাম।
কোরআনে শুয়োরের কথা পাঁচ বার এসেছে। তাই বলে কি শুয়োর পালতে হবে?

১৯| ০১ লা জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: মায়া মানব মনের একটি গভীর অনুভবের নাম। বৃক্ষের মত এর শেকড় মাটি ভেদ করে যেমন মাটির গভীরে যায়, আবার মাটি ফুঁড়ে তেমনি মাটির উপরে উঠেও ডালপালা ছড়ায়। আপনার গাছটি শতায়ু হয়ে প্রকৃতি মায়ের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাক!

২০| ০১ লা জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২

খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্টটি যেমন, এ পোস্টের অনেকগুলো মন্তব্য/প্রতিমন্তব্যও তেমনি মায়ায় নিজেও আচ্ছন্ন, পাঠককেও আচ্ছন্ন করে যায়। আমি পোস্টপাঠ শেষে যখন মন্তব্য/প্রতিমন্তব্যগুলো পড়তে এলাম, তখন এখানে একটাও 'লাইক' সংখ্যা ছিল না। এখন এখানে যেগুলো 'লাইক' দেখতে পারছেন, সেগুলো সবই আমার দেয়া। যেগুলো 'লাইক' করেছি, সেগুলো সত্যিই খুব ভালো লেগেছে।

বাকপ্রবাস এর মত আমিও বলতে চেয়েছিলাম, "ছবিটা তুলতে পারতেন......।"
করুণাধারা এর অনুভূতিটা আমিও অনুভব করেছি।
শায়মা এর মন্তব্যটা প্রসঙ্গে বলতে চাই, কেবলমাত্র মায়া জড়ানো স্মৃতিগুলোই মানুষের মনে চির-অমলিন থাকে বাকিগুলো বিস্মৃতির অতলে মিলিয়ে যায়।
বিশেষ করে হুমায়রা হারুন কর্তৃক উদ্ধৃত "ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'শকুন্তলা' গ্রন্থের চতুর্থ অঙ্কের সেই বিখ্যাত উক্তিটি" পড়ে অভিভূত হ'লাম। সেই কত যুগ আগের কথা! উনি কি সুন্দর করে তা যুতসইভাবে এখানে উদ্ধৃত করে গেলেন!
শ্রাবণ আহমেদ এর কথাটা আমিও খুবই অনুভব করি।
আর ডঃ এম এ আলী ভাই তো পোস্ট পড়ে তার স্বভাবসুলভ একটি চমৎকার 'মায়ার কবিতা'ই লিখে ফেললেন। এজন্য তাকে ধন্যবাদ।
"গাছটার ছবি পরে একদিন দিয়েন এখানে" - দেখলেন তো? আপনার পোস্ট পড়ে মোঃ মাইদুল সরকার গাছটির মায়াডোরে কতটাই বাঁধা পড়েছেন?

যারা যারা/ যিনি মন্তব্য/প্রতিমন্তব্যগুলোতে এত মায়াভরা কথা লিখেছেন, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.