নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলে গেলে- তবু কিছু থাকবে আমার : আমি রেখে যাবোআমার একলা ছায়া, হারানো চিবুক, চোখ, আমার নিয়তি

মনিরা সুলতানা

সামু র বয় বৃদ্ধার ব্লগ

মনিরা সুলতানা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ষ্টেশন ভাগাভাগি\' র গল্প

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:০৯


শৈশব থেকে পথ হারিয়েছি বহুবার, তবুও আশ্চর্য এক কারনে নতুন পথের সন্ধানে নামতে হয় বারংবার। খেলার সাথী বন্ধুমহল কিংবা অগ্রজ অনেকেই বেশ নির্ভার থাকেন আমার দেখানো পথে। তাদের ভাবনায় থাকে, rআমি ঠিক চিনে নেবো। পথিক, পথ পথের পরিবেশ। সবসময় ই আমাকে টানে, গ্রামের মেঠোপথ থেকে পাহাড়ি ঢাল, রাজপথের কিনারা অথবা অলিগলি। হেটে যেতে আমার ক্লান্তি নেই।

মুম্বাই তে যে বাসায় ছিলাম, সেখান থেকে বম্বের বিখ্যাত চোল বা মাইলখানেক লম্বা বস্তি' র পথ নজরে আসত। সে ছিল আলাদা এক জীবনের চিত্র, কাক ডাকা ভোরে সেখানে শুধু কাক ই ডাকত। কর্ম চাঞ্চল্য বিহীন নিশ্চুপ, একজন মানুষের মাপের আঁকাবাঁকা রাস্তা ধরে নীরবতা ভীষণ শব্দে বাজত। দিনমান কিছু আসা যাওয়া, সন্ধ্যার পর হত জমজমাট। আমি বম্বে তে গিয়েছিলাম এই সিজনে, গনপাতি পাপ্পা, নভরাত্রি। সন্ধ্যা থেকে ফুল ভলিউমে বাজত বিভিন্ন গান আর শেষ হত মাঝ রাতে। হরিয়ানার গুরগাঁও এ ১১ তলার ব্যালকনি ছুঁয়ে চলে যেত হাইওয়ে। বিচিত্র রঙের ট্রাক, আগ্রা তাজমহল জয়পুর গামী পর্যটক বাহী যানবাহন। এক হুলুস্থুল ব্যাপার সারাক্ষণ ।

বর্তমান আবাসনের রূপ রঙ গন্ধ সবকিছুই আমার আগের সব অভিজ্ঞতা থেকে আলাদা ! ব্যতিক্রম বলি, অন্য রকম বলি অথবা আলাদা ! এই ভিন্নতাটুকু দিয়েছে ব্যালকনির দিগন্তে রেলওয়ে স্টেশনের সুবাস। কখনো ভোরের নিস্তব্ধতা খানখান করে বেজে উঠে ট্রেনের বাঁশি, আর সাথে ঝিকঝিক করে থেমে পরার গল্প। মাঝ দুপুরের শব্দটা যেন এলিয়ে পরা এয়োতির আঁচলের মত কোমল। একেকদিন মাগরিবের আজানের সাথে পাল্লাদিয়ে ছোটে সে রেলগাড়ি ঝমাঝম। মাঝরাত্তিরে' র সুর সবসময় বিদায় ঘণ্টার মত। সমস্ত চরাচর কে বিষণ্ণ করে ছোটে। প্রতিটি স্টেশনের কোলাহলের আলাদা গল্প থাকে সব সময় ই।


গেলো বর্ষায় ইলশেগুঁড়ির মাঝে প্যাচপ্যচে কাঁদায় সন্ধ্যার আলো কেটে বাড়ি ফিরছিলাম, বাসার ঠিক দুই প্লট সামনে একটা ঝালাই এর দোকানের আবছা অন্ধকারে কে যেন বসে বাঁশি বাজাচ্ছিল ! এমন হৃদয় বিদীর্ণ করা সে টান আহা ! ঠিক সেই মুহূর্তে শেষ বাঁশিতে সান্ধ্য ট্রেন বিদায় নিচ্ছিল, মসজিদের আজান ! সব সুর মিলিয়ে এমন একটা আবহ করলো না !! কেমন একটা সব পেয়ে ও কিছুই না পাওয়ার হাহাকার। হয়ত সে কিশোর দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করতে মা বাবা আত্মীয় পরিজন ছেড়ে এখানে এসেছে, হয়ত ট্রেনে হুইসেল তাকে ফিরতি ডাক দেয়। এই অনুভবকে শূন্যতার বোঝা মনে হয়! সব সুর শেষে মনে হল - এমন একটা দুটো মহার্ঘ্য মুহূর্তের জন্যই আসলে বেঁচে থাকা আনন্দের।

দূরের পথ যাত্রার যে স্টেশন ভাগাভাগী করে নেয়া, এই অপেক্ষার সময়টুকু বিরক্তি মাখানো আনন্দের! বিরক্ত ধুলো ঘামে কর্কশ বাঁশিতে। আনন্দ ! ছুটির আনন্দ কোলাহল হাসিতে। এইতো সেদিন রাতের ট্রেনে গ্রামে যাচ্ছিলাম, একেবারে স্টেশন ঘেঁষে বাসা, ফোনে মেসেজ দিয়ে খবর নেয়া সবকিছুর পর ও বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী ঘণ্টা খানেক অপেক্ষা করতে হল। চট্টগ্রাম, সিলেট মুখি উচ্ছ্বসিত তরুণ দল, ছুটিতে ফেরা সামরিকবাহিনীর সদস্য। ছোট ছোট আলদা ভাগ হয়ে যাওয়া কিছু পরিবার। পৃথিবীর তাবৎ দাঁয় থেকে মুক্ত নিঃসঙ্গতা। আর সবচাইতে ভালোলাগে, অপেক্ষায় অপেক্ষায় মায়ের কোলে ঘুমিয়ে পড়া শিশুর প্রশান্তি! মাঝে মাঝে শব্দে হুট করে চমকে জেগে উঠে, সে বিস্ময় ক্যামেরা বন্দী করার মত। দূরের অন্ধকারে মাঝেমাঝে পাখিদের ডানা ঝাপটানো, চায়ের উঠা বাষ্প কিছু জায়গায় বিচ্ছিরি রকমের ধোঁয়া ছুটিয়ে ধূমপায়ী দল।


যেদিকে এসে আমাদের বগি থামার কথা, তার একটু আগেপিছু করে অপেক্ষা করছিলাম এর মাঝে সদ্য ঘুম ভাঙা ভীষণ মুডি মুডে হালকা আলোর স্টেশনের সমস্ত মায়া নিয়ে ছোট্ট এক ফুলটুসি এসে দাড়ল আমার ঠিক পাশেই। ভ্যাপসা গরম যেখানে বসার ব্যবস্থা আছে সেখানে ফ্যান নেই , আর ফ্যানের নীচে নেই বসার জায়গা। ভাব জমানোর অনেক চেষ্টা করেছি সফল হয়নি, এরপর শুধু দু একটা ছবি নিয়েই খুশি হতে হল। আরেকজন আমার পিছনে বসে ছিলন , উনি একজন ৭/৮ বছর বয়সী ভদ্রলোক। বাবা মা এবং মাত্রই এক্কাদোক্কা হাঁটতে শেখা ছোটবোন সাথে। চকলেট ,কোক এর সদ ব্যবহারের মাঝে ঝনঝন করে এসে থেমে যাওয়া ট্রেন বিকট শব্দে নিজের উপস্থিতি জানান দিলেন। সাথে সাথে ভদ্রলোকের মাথায়, না না কানে হাত। একটু ধাতস্থ হয়ে বলতে শুরু করলেন - ট্রেন তোকে আমি ছাড়বো না, একদম ছাড়বো না। এত সাহস আমাকে ভয় দেখাস !! বলতে বলতে খিলখিল হাসি। জান্নাত একদম জান্নাত। ঠিক পাশের বেঞ্চে বসা দুই কিশোর নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত, সেলফি টিকটিক কতশত কিছু জমা থাকে আজকাল ফোনে, সেই ফোন নিয়েই ব্যস্ত। এমন সব খুনসুটি, খুঁটিনাটি একসময় এগিয়ে নিয়ে এলো আমাদের ট্রেন, হুড়মুড় করে সব ট্রেনের সাথে পাল্লা দিয়ে নিজেদের নির্ধারিত বগির কাছে এসে দাঁড়ালাম।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:০০

অপু তানভীর বলেছেন: স্টেশন ভাগাভাগির গল্প গুলো চমৎকার । আমার ছোট বেলাতে ট্রেনে যাতায়াত হয়েছে বহুবার যদিও সেগুলো বেশ লম্বা যাত্রা ছিল না । কাছাকাছি বাবার কর্মস্থল আর নানাবাড়ির পথ ! তবুও সেখানে কত চেনা অচেনা গল্প জমা হয়ে থাকতো !

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:১৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সত্যি ই চমৎকার, কাছাকাছি ষ্টেশন আর দূরের যাত্রার মাঝে অবশ্য কিছুটা আলদা রেশ থাকে। আপনার তো তবুও কিছুটা অভিজ্ঞতা হয়েছে ছোটবেলায়, আমার ট্রেনের অভিজ্ঞতা বলতেই কিছু ছিল না। বিয়ের পর লম্বা ট্রেনের অভিজ্ঞতা হয়েছে।
ধন্যবাদ আপু অভিজ্ঞতার ভাগাভাগির জন্য।

২| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:২৮

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: পোস্টে প্লাস
ছবির যায়গাটা পরিচিতো মনে হচ্ছে!! মনছুটে যায় আবার যেতে.......

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:২০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ জলদস্যু !
হ্যাঁ অনেকের কাছেই খুব পরিচিত স্পট অথচ আমার ই দেখা হয় নি :(
ছবি টা আমার ভাগ্নে' র লাউয়াছড়া ভ্রমণের।

৩| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:৪২

ইসিয়াক বলেছেন: স্টেশনে প্রতি মুহুর্তে গল্প পাল্টায় চরিত্রগুলো বদলে যায় নিমেষে এক একটি ট্রেনের আসা যাওয়ার মাঝখানে।ছোট বেলা থেকে খুব শখ ছিল স্টেশনে অপেক্ষা করবো। ট্রেনে চড়বো।দুলতে দুলতে দুর দিগন্তে হারিয়ে যাবো। কিন্তু আমাদের চলাচলের পথে ট্রেন শুধু ছবি আর কল্পনাতে আটকে ছিল অনেকটা বছর। এখন অবশ্য প্রতিদিন ট্রেন চলে যাবার শব্দ শুনি অনেক রাতে আর খুব ভোরে যেহেতু খুব কাছে স্টেশন । প্রথম ট্রেনে চড়ে বনগাঁ থেকে শিয়ালদহ স্টেশন গিয়েছিলাম। সে এক দারুণ ভ্রমণ অভিজ্ঞতা। দেশে প্রথম ট্রেনে চেপে দর্শনায় গিয়েছিলাম। ট্রেনের দুলুনি আর ঘট ঘট আওয়াজটা আমার বেশ লাগে। ছবিটা সুন্দর।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:২৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ ইসিয়াক এত চমৎকার অভিজ্ঞতার বর্ণনার জন্য! প্রতিদিন রাতে ট্রেনের শব্দ শোনার অভিজ্ঞতা নিশ্চয়ই দারুণ !

প্রথম ট্রেনে চড়ে বনগাঁ থেকে শিয়ালদহ স্টেশন গিয়েছিলাম। সে এক দারুণ ভ্রমণ অভিজ্ঞতা। দেশে প্রথম ট্রেনে চেপে দর্শনায় গিয়েছিলাম।
অভিজ্ঞতা গুলো আমাদের জন্য লিখুন, আমাদের ভাললাগবে। হ্যাঁ সত্যি ঘটঘট কেমন ঘুমপাড়ানি গানের মত।

শুভ কামনা আপনার জন্য।

অটঃ আপনার মেঘ ছুঁয়েছে মনের আকাশ হাতে পেয়েছি, ইচ্ছে আছে কেমন লেগেছে লেখার।

৪| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:০৭

জুল ভার্ন বলেছেন: খুব সুন্দর করে লিখেছেন! +

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:৩১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনাকে লেখায় পেয়ে ভালোলাগল ভাইয়া !
অনেক অনেক ধন্যবাদ পাঠে এবং মন্তব্যের জন্য।

৫| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


পড়ার সময় মনে হচ্ছিল, লেখার মুলে কিছু একটা থাকবে; পড়ার পর, মনে হলো, লেখক কি কিছু বলতে চেয়েছিলেন!

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ঐ যে পড়ার সময় মনে হয়েছে লেখার মূলে কিছু একটা থাকবে !
এইটুকুই লেখকের লেখার সার্থকতা।

ধন্যবাদ আমার লেখায় ভ্রমণের জন্য।

৬| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫২

আহমেদ জী এস বলেছেন: মনিরা সুলতানা,




আপনার মতো সবাই-ই তো যায় , এদিক সেদিক কিন্তু পোড়ার পথ কি আর ফুরোয় !!!!! সবাই সে যাওয়ার কথা মনে করে না লিখলেও আপনি লিখে ফেলেছেন ট্রেনের ঝিক-কুউ-ঝিক শব্দের মতো দোলায়িত করে।

পুরনো দৃশ্যপট পাল্টে দেয়ার জন্যে দায়ী - বহতা নদীর মতো সময়ের চলে যাওয়া। তেমন কারও মনের চোখে সেই পুরনো দৃশ্যপটের ঝলকানির মাঝে নতুন দৃশ্যপট মিলেমিশে নতুন সময়ে এক আলাদা উপলব্দির জন্ম দেয়। লেখাটা তেমনই...........

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:১২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: মাঝে মাঝে অবশ্য আমার ও পোড়ার পথ ফুরায় না, তবে বেশির ভাগ সময় আমি বৈচিত্র্য দেখতে ভালোবাসি। আমার জীবনের আর্ব কিছু চমৎকার অভিজ্ঞতার মাঝে আছে, রাতের বাস বা ট্রেনে সহযাত্রীদের ঘুম আধোঘুম জাগরণের চিত্র। হ্যাঁ লিখে তো ফেললাম, লেখালিখির মত বদঅভ্যাসের কারনে, নাই কাজ তো খই ভাজার অবস্থা আর কি।

পুরনো দৃশ্যপট পাল্টে দেয়ার জন্যে দায়ী - বহতা নদীর মতো সময়ের চলে যাওয়া। চমৎকার একটি লাইন! হ্যাঁ স্মৃতিকথা পড়ার এই এক সুবিধে নস্টালজিক হওয়া যায়।

ধন্যবাদ ভাইয়া লেখার সাথে থাকার জন্য।

৭| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৩৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনের লেখা যখনই পড়ি, মনে হয়, আর কয়েক ইঞ্চি লম্বা হইলে কতোই না ভালো হইতো!!! :(

লেখা বরাবরের মতোই.........লা জওয়াব!!! B-)

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:২৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আহা আপনার মত দু একজন পাঠক ই তো আমার লেখালিখির ভরসা এর চাইতে বড় লিখতে তো ভয় পাই, সবাই এত জলদী বোর হয়ে যায়। অনেক ধন্যবাদ একটা লেখা লিখে ফেলার পর ভালো ফীল করানোর জন্য।

৮| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৪৩

ইন্দ্রনীলা বলেছেন: স্টেশনের স্মৃতিগুলি সবারই মনে পড়বেই।

আর তারপরও ট্রেন মানেই যেন অপু আর দূর্গার শৈশব।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৫৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: খুব সত্যি ভ্রমণ স্মৃতি'র আবেদন আলাদা।
আহা পথের পাঁচালী ! আমি এই লেখার শিরোনাম ও এমন দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু একটু দেরিতে জন্ম নেয়ায় কপিরাইটে ফেঁসে যাচ্ছি।

৯| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর সাজানো গোছানো লেখা।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৫৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ নুর ভাই।

১০| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:২৫

ইসিয়াক বলেছেন: আপু আপনি আমার কবিতার বই " মেঘ ছুঁয়েছে মনের আকাশ" সংগ্রহ করেছেন জেনে আনন্দিত হলাম।আশা করি কেমন লেগেছে জানাবেন। ভুলক্রুটি ধরিয়ে দিবেন। আপনাদের প্রেরণায় আমার পথচলা। সামনের মেলায় বইটির দ্বিতীয় মুদ্রণ আসবে আশা করছি ভুলক্রুটি চিহ্নিত হলে শুধরে নেব।
কৃতজ্ঞতা জানবেন।

শুভকামনা রইল। ভালো থাকুন সবসময়।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৫৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আচ্ছা ভুল ত্রুটি তো বলতে পারবো না , তবে ভালোলাগা মন্দলাগা বলতে পারবো।
আপনার জন্য ও শুভেচ্ছা।

১১| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৩৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: না না.......তাড়াহুড়ার মধ্যে ঠিকমতো বুঝাইতে পারি নাই, দুঃখিত! আপনের লেখা কয়েক ইঞ্চি লম্বা না, আমার উচ্চতা যদি আর কয়েক ইঞ্চি লম্বা হইতো, তাইলে একবার পড়লেই এন্টেনাতে ধরা পড়তো, কয়েকবার পড়া লাগতো না! :-B

তবে এইটা ঠিক.........কয়েকবার পড়ার পরে যখন বুঝলাম, তখন মনটা একেবারে ঠান্ডা হয়া গেল। চমৎকার অনুভূতি!!! ;)

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:০৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আরেয়ে না না আমার রাডারেই আসে নাই আসল মিনিং :P যাক নিজের উচ্চতার এন্টিনা নিয়েই যখন এত ভালো আছেন, কোন দুঃখে কয়েক ইঞ্চি লম্বা হইতে চাইবেন !
আজকাল ফেসবুকে করে না স্টিকার মন্তব্য , তেমন আমার পোষ্ট এ আসলেই দারুণ , এবারের টা বেশি ভালো হইছে এমন লেখা কপি পেস্ট দিবেন ;)

আপনার মন ঠাণ্ডা হবার এই চমৎকার অনুভূতি দীর্ঘ হোক।

১২| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৫৪

শেরজা তপন বলেছেন: একবার পড়ে আসলেই অনুভব করা মুশকিল! মাঝে মধ্যে মনে হচ্ছিল কবিতা পড়ছি
কাব্যের যেন গাদ্যিক রূপ!
ছেলেবেলাটাই কেটেছে ট্রেনের হুইসেল আর কু ঝিক ঝিক শব্দ শুনে! হুইসেলের সকাল বিকেল আর রাতে একেক সময়ে একেক
সুর- দারুনভাবে ধরা পড়েছে আপনার লেখায়।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:১১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: কেমনে যে সহজ করে লিখি !!! বলতে গেলে তো অল্প কথায় বোঝাতে পারি , কিন্তু লিখতে গেলেই এত জটিল হয়ে যায় :( মনে হয় আমার কী- বোর্ড ই জটিল, যেখানে সহজ জিনিস প্যাঁচায়ে বের হয়।
আপনি তো অনেক ভাগ্যবান কি চমৎকার শৈশব আপনার, আর সে জন্যই লেখার সুরটুকু আপনার নজরে এসছে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যের জন্য।

১৩| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপু আপনার ভাগাভাগিতে আমিও একটু ভাগ বসাই।উনিশ কুড়ি বছর আগেকার কথা। সম্ভবত কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসে বসে আছি। গন্তব্য শান্তিনিকেতনে একটা শিক্ষামূলক ভ্রমণে অংশ নেওয়া। জানালার ধারে সিট নিয়ে প্লাটফর্মের দিকে তাকিয়ে আছি।চোখ টানাটানা সুমুখশ্রী শ্যামলাকার একটি বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে বাইরে হাত ধরে টানাটানি খেলা খেলছে।মেয়েটিকে আগে থেকেই চিনতাম। শিলিগুড়িতে বাড়ি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওদের ডিপার্টমেন্ট ছিল ঠিক আমাদের একটি ফ্লোর উপরে। ডিপার্টমেন্টের লিফটে কয়েকবার একসঙ্গে উঠেছি। তা যাই হোক যেহেতু আমাদের ডিপার্টমেন্টের প্রোগ্রাম তাই ও মনে হয় বয়ফেন্ডের সঙ্গে শান্তিনিকেতনে যাওয়ার প্লান করেছিল। বাবা-মার সঙ্গে না থাকায় হোস্টেলের মেয়েরা এমনই ডেস্পারেট বলে আগে থেকে টুকটাক শুনেছিলাম। যে মূহুর্তে ট্রেনটি ছাড়লো অমনি বাইরের লোকজন চিৎকার করে ওঠে। আমার সিটটি ছিল গেটের প্রায় পাশে।সাইড বাথ। জায়গায় বসে উঁকি মারতেই দেখি সেই মেয়েটি। ততক্ষণে ঘষা খেয়ে এক হাতের তালু দিয়ে রীতিমত রক্তক্ষরণ হচ্ছে।জিন্স পড়ে ছিল। দুটি হাঁটতে প্যান্ট ছিঁড়ে দফারফা;হাঁটু বেড়িয়ে এসেছে।একটা আতঙ্কে ওর তখন রীতিমত কাঁপুনি চলে এসেছে।কম্পার্টমেন্টের প্রায় সব যাত্রীই ছিল সেদিন আমাদের ডিপার্টমেন্টের। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের যে পরিচিত শহরের একটি মেয়েকেও ওর এই বিপদে এগিয়ে আসতে দেখিনি। চারদিকে ফালুকফুলুক করে দেখে কোনো কাজ হলো না। ইতিমধ্যে নিজের সিটটি ওকে ছেড়ে দিয়েছি।ট্রেন ততক্ষণে গতি বাড়িয়ে বালি হল্টের দিকে এগিয়ে চলেছে।আর সমানে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন মেয়েটি। গোল করে ধরা আমার সহপাঠী ছেলে বন্ধুরা ইস উস করছে। একসময় সহ্য করতে না পেরে বলেই ফেলি,
-তোমার এত কাঁপুনি হচ্ছে যখন ভালো হাতের তালুটি কি একটু ঘেষে দেবো? একটু গরম হলে কাঁপুনি কমে যেতে পারে...
- ও কোনক্রমে মাথা নেড়ে সম্মতি দেয়।
তারপর শুধু দুই হাত ঘষে ঘষে ওকে অনেকটাই স্বাভাবিক করে তুলি। ইতিমধ্যে আমার বন্ধুরা মাঝে মাঝেই উঠে এসে আমার সেবাযত্ন ঠিক হচ্ছে কিনা খোঁজ নিতে থাকে।কি আর করবো ওদের কথায় কান না দিয়ে নিজের কিছু করতে থাকি।

ঘটনা ২-ঐ কম্পার্টমেন্ট ছিলেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই জন অধ্যাপক।ট্রেনের একঝাঁক পড়ুয়াদের সঙ্গে পরিচয় না করে ওনারা দুজন আমাদের সঙ্গে পরিচয় করতে এগিয়ে আসেন। আমি পরে ব্লগিং করবো বুঝতে পারলে ওনাদের নামধাম ভালো করে নিয়ে নিতাম। কিম্বা আপু আপনার পোস্টে এই কমেন্টটি পড়ে যদি ওনারা চিনতে পারেন সেটাও আমার অন্যতম একটি পাওয়া হবে। আমাদের মাধ্যমে ওনাদের দুইজনকে আমার ডিপারৃটমেন্টের শ্রদ্ধেয় প্রাঞ্জল কুমার ভট্টাচারিয়ার (যদিও স্যার এখন স্বর্গত) সঙ্গে পরিচয় করাতে দুই বাংলা মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়।গোটা কম্পার্টমেন্টে ছাত্র-শিক্ষক সকলেই গলা মেলাতে লাগলো,
আমার অন্যতম ভাওয়ালা কয়েকটি ফোক
" একদিন বাঙালি ছিলাম রে..…."

ট্রেন ভাগাভাগি,সিট ভাগাভাগি বা অন্য যাইকিছু বলুন না কেন আপু।এটা নিয়ে যদি একটা স্মৃতিচারণধর্মী গল্প লিখি তাহলে ভূয়া ভাইয়ের মতো কেউ কেউ আবার লেখকের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন।

ভালো থাকবেন সবসময়।


২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৩০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ওয়াও দাদা !! কী চমৎকার অভিজ্ঞতার ভাগাভাগি করলেন আমাদের সাথে!! আপনার মানবিকতা আপনার নারীর প্রতি সম্মান, মমত্ববোধের পরিচয় আপনার বন্ধুরা বুঝতে না পারলে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গণ ঠিক ই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। অবশ্য ছাত্র জীবন এমন ই সবকিছুকেই মজার ছলে নেয়াড় একটা প্রবণতা থাকে। তবে এই মজা আর কর্তব্যকর্ম যারা আলাদা করতে পারেন না তাদের জন্য সমবেদনা ই থাকে শুধু। খুব আশা নিয়ে অপেক্ষা করব ব্লগের মত ওপেন একটা প্ল্যাটফর্মের মাঝে আপনি সেই শিক্ষকদের খুঁজে পান।

হাহাহা না না ভূয়া ভাই প্রশ্ন তুলতে আমরা কেউ সে প্রশ্নের উত্তর দিবো না;) আপনি নির্দ্বিধায় লিখে ফেলুন সে স্মৃতি।

১৪| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: বিক্রমপুরের মাইয়ারা রান্ধনে ওস্তাদ আর পোলারা ব্যবসায় । এইটা মনে রাইখেন ।

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৩২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বিক্রমপুরের মেয়েরা অল রাউন্ডার ব্রো ;)
ছেলেরা শুধু ব্যাবসায়ি না , বিখ্যাত সব লেখক স্কলার ও আছেন।
মোদ্দা কোথা বিক্রমপুইরা রা যে খানেই যায় মাত করে।

১৫| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ভোর ৫:৫৬

সোহানী বলেছেন: তোমার লিখা প্রথমে পড়ার পর মাথার উপর দিয়ে যায়। তারপর আবার পড়ে গ্যাপগুলো ফিলআপ করি............।

বরাবরের মতই দূর্দান্ত।

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৩৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হাহাহা আপু যে কি বলেন, আসলে আমার লেখাই একটু জিলিপি ধরনের খালি প্যাচ থাকে।
ধন্যবাদ আপু :)

১৬| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:২৯

জুন বলেছেন: আহা ট্রেন স্টেশন প্ল্যাটফর্ম এর গল্প আর কিছু না লিখলেও চলতো মনিরা। এই জিনিস আমার বাল্যকালে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে বিনি সুতার মালার মত। কুউউ ঝিক ঝিক শব্দ শুনলেই মন ছুটে যায় রেলের জানালায়। কত প্রিয় মুখ সাথে আমারও বিস্মিত চোখ মুখ দেখি সেই জানালায়।
অসাধারণ লেখা।
+

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৫২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: জি আপু এক ট্রেন স্টেশন নিয়েই প্রচুর লেখায় যায় , কিন্তু আমি অনেক সময় লিখতে গেলে কয়েক টা ব্যাপার মিলেমিশে একাকার হয়। আসলে মাথায় এত লেখা ঘুরপাক খায়, আলদা করতে পারি না।

ধন্যবাদ লেখার ভালোলাগা ভালোবাসা প্রকাশের জন্য আপু।

১৭| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৪২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ১৯৮২ সালে প্রথম ট্রেনে চড়েছিলাম। একেকটা স্টেশন যেন একেকটা ঘাটের মতো। কত রকমের মানুষের আনাগোনা। আমার কাছে ট্রেনে ভ্রমণ বাসের চেয়ে আরাম দায়ক মনে হয়। ভারতে একবার ট্রেন ভ্রমণ করলাম ২৬ ঘণ্টা একটানা। এটাই আমার জীবনের দীর্ঘতম রেল ভ্রমণ। প্রত্যেক ধরণের ভ্রমনের নিজস্ব একটা আমেজ আছে। সবচেয়ে কম কষ্টের ভ্রমণ মনে হয় লঞ্চে ভ্রমণ। লঞ্চ ভ্রমনের পরে মানুষ আরও চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:০৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ ! শৈশবের অভিজ্ঞতা সবসময়ে ই আলাদা। একদম ঠিক বলছেন একেকটা ষ্টেশন একেকটা ঘাটের মত। হ্যাঁ বাসের চেয়ে স্বস্তির অনেক বেশি। ওরে !!! এত লম্বা জার্নি ২৬ ঘণ্টা। আমার ও ভারতে ট্রেনের অভিজ্ঞতা আছে, তবে এত লম্বা না। দিল্লি টু লখনউ। হ্যাঁ আমার জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় জুড়ে আছে এই লঞ্চ জার্নি। সে এক আলদা অনুভব।

চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে, শুভ কামনা।

১৮| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:০৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনার গল্প পড়ে নিজের জীবনের ফেলে আসা অতীতের নানা গল্প মনে পড়ে গেলো। খুব সুন্দর বর্ণনাতে গল্পের ছোঁয়া অতীতে নিয়ে গিয়েছে। বোম্বে থেকে মুম্বাই নামে শহর - সে এক দেখার মতো শহর। +++

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:১২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ ! স্মৃতিচারণ আমাদের সাথে ভাগাভাগি করতে পারেন, আশা করছি আপনার বর্ণনায় ও আমাদের আনন্দ দিবে। হ্যাঁ মুম্বাই আমার দেখা শহরগুলোর মাঝে অনেক প্রিয়।
মন্তব্য এবং প্লাসে কৃতজ্ঞতা।

১৯| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৫০

খায়রুল আহসান বলেছেন: "কাকডাকা ভোরে সেখানে শুধু কাক ই ডাকত" - চমৎকার বলেছেন।

চতুর্থ অনুচ্ছেদে এসে সেটাকে কয়েকবার পড়তে হলো। আমি যেন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম 'ইলশেগুঁড়ির মাঝে প্যাঁচপ্যেচে কাদায় সন্ধ্যার আলো কেটে কোন পথিকের হেঁটে যাওয়া', শুনতে পাচ্ছিলাম ঝালাই এর দোকানে আবছা অন্ধকারে বসে বাজানো কোন অদেখা অচেনা কিশোর বাঁশুরিয়ার মন কেড়ে নেওয়া বাঁশির অপার্থিব সুর, সেই সাথে নিকটস্থ কোন মাসজিদ থেকে ভেসে আসা আযানের সুমধুর আহবান, বাঁশির সাথে ঘটঘট করে সান্ধ্য ট্রেনের প্রস্থান - ইত্যাদি ইত্যাদি বর্ণিত দৃশ্যাবলী এবং ধ্বনিসমগ্র!

"হয়তো ট্রেনের হুইসেল তাকে ফিরতি ডাক দেয়" - ভাবছি, কতটা গভীর অনুভূতি থাকলে একজন মানুষ আপন হৃদয়ে এমন সহমর্মিতা অনুভব করে!

ছবিটা দেখেই আমার 'লাউয়াছড়া'র কথা মনে পড়ছিল। ২ নং প্রতিমন্তব্য পড়ে নিশ্চিত হ'লাম।

ভুয়া মফিজ এর প্রথম মন্তব্যটা ভালো লেগেছে। পোস্ট পড়ে আমারও সেরকম মনে হয়েছিল। "কাব্যের যেন গাদ্যিক রূপ" - শেরজা তপন এর এমন মন্তব্যে না হেসে পারলাম না! :) আপনার পোস্ট পড়ে নিজস্ব অভিজ্ঞতার চমৎকার দুটো ঘটনার কথা এখানে শেয়ার করার জন্য পদাতিক চৌধুরিকে ধন্যবাদ।

"মোদ্দা কোথা বিক্রমপুইরা রা যে খানেই যায় মাত করে" - যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথেই কথাটা বলেছেন বলে মনে হলো, তবে আমিও কথাটার সাথে একমত। :) আমার পরিচিত এমন অনেকের মাঝেই এ কথার সত্যতা খুঁজে পেয়েছি।

"তারপর আবার পড়ে গ্যাপগুলো ফিলআপ করি............" - সোহানী'র ছোট্ট মন্তব্যটাও ভালো লেগেছে।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৫০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সব সময়ের মত চমৎকার ভাবে আমার লেখায় দারুণ এক মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা !
একজন লেখক হিসেবে আপনার সংবেদনশীলতা ও উল্লেখ করার মতোই আহসান ভাই, বিভিন্ন সময়ে আপনার অনেক লেখায় আমরা সেই প্রমাণ পেয়েছি, এবং দেখুন আমার লেখার সহমর্মিতা টুকু আপনি ঠিক ই মন্তব্যে তুলে এনেছেন। জি ছবিটা বহুল পরিচিত, মোটামুটি যারাই লাউয়াছড়া ভ্রমণে গিয়েছেন সবার কাছেই এই স্পটে ছবি আছে।
ভুয়া মফিজের মন্তব্যে' র সাথে তাল মিলাতে যাবেন না , উনি মন্তব্যে ও ভুয়ামি করেন বেশিরভাগ সময়ে আমার সাথে :`> এভাবে বলছি কারন - আমার সব লেখাতেই উনি না বোঝার ভান করেন ;)

আসলে "মোদ্দা কোথা বিক্রমপুইরা রা যে খানেই যায় মাত করে" - কথাটা আত্মবিশ্বাসের চাইতে মজা বেশি করেছি - যেহেতু নুর ভাই কেবল রান্না আর ব্যবসার কথা তুলে এনেছেন এবং উনি নিজেও বিক্রমপুরের একজন। তবে আপনার বিক্রমপুরের মানুষের সাথে' র অভিজ্ঞতা ভালো দেখে, খুশি হলাম।

অনেক অনেক ধন্যবাদ পাঠে এবং মন্তব্যের জন্য! শুভ কামনা।


২০| ০১ লা অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৪

মিরোরডডল বলেছেন:




মনিপু দারুণ একটা বিষয় নিয়ে লিখেছো ।
একটা জার্নির মধ্যে দিয়ে কতরকম মানুষ আর জীবণের অংশ দেখা ।
কিছুটা সময় পাশাপাশি শেয়ার করা ।

একটা ঝালাই এর দোকানের আবছা অন্ধকারে কে যেন বসে বাঁশি বাজাচ্ছিল ! এমন হৃদয় বিদীর্ণ করা সে টান আহা !

তোমার এই লাইনটা পড়ে একটা স্মৃতি মনে পড়ছে ।
আমি তখন এলিফ্যান্ট রোডে থাকি ।
রাতে ছাদে উঠলে শুনতে পেতাম আশেপাশে কোথায় যেনো কেউ একজন সারাদিনের ক্লান্তি শেষে রাতে বাঁশি বাঁজায় ।
এতো করুণ সেই বাঁশির সুর, কিন্তু আমার কি যে ভীষণ ভালো লাগতো !
সে জানলোই না আমি একজন মুগ্ধ শ্রোতা তার বাঁশি শুনি ।
মনে হতো সে যেই হোক না কেনো, তার মনে যেনো অনেক জমানো কষ্ট ছিলো !

তোমার পথ আর ট্রেনের গল্প পড়ে তোমার জন্য এ গানটাই মনে পড়ছে ।





০২ রা অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:১০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হ্যাঁ এমন হয় মাঝে মাঝে, আমার আরেকদিনের গল্প আছে এমন-
বসন্তের সন্ধ্যা উথাল পাতাল বাতাস, আমি ফিরছিলাম উত্তরার রাস্তা ধরে, মাঝে রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম। ঠিক সেখাণে শুনতে পেলাম কেউ বাঁশি বাজাচ্ছে। কী যে দরদ সেই সুরে!!! সেই বাঁশিওয়ালা ও জানতে পারলো না তার বাঁশি আমাকে কতখানি ছুঁয়ে গেছে।

ভালোবাসা সুন্দর গানের জন্য :)

২১| ০২ রা অক্টোবর, ২০২১ রাত ৮:১২

ফারহানা শারমিন বলেছেন: পড়ার সময় শৈশবের স্মৃতি চোখে ভাসছিলো। ভারতের ট্রেন জার্নিও খুব মিস করছিলাম। চমৎকার লেখা! মন্তব্যগুলিও বেশ লাগছিলো।

০২ রা অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:১৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ শারমিন ! আমার লেখায় স্বাগত আপনাকে।
ভারতের ট্রেন জার্নির গল্পটা আমাদের সাথে শেয়ার করেন, আমাদের ভালো লাগবে।
শুভ কামনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.