| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হোরাস
যেকোন সমালোচনা, আলোচনা, যেকোন কিছু জানাতে পারেন [email protected] ঐক্যবদ্ধ লড়াই ই মুক্তির একমাত্র পথ।
বি.এন.পি এর লুটপাট, দুর্নীতি, সন্ত্রাসের পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আকাঙ্খায় বাংলাদেশের মানুষ ২০০৯ সালের প্রথম প্রহরে আওয়ামীলীগ দলকে মসনদে বসাল।নির্বাচনী বিধি ব্যবস্থা নিয়ে নানান মতভেদ থাকতে পারে সেটা অন্য আলোচনার বিষয়।
গত প্রায় ৪ বছর যাবত আওয়ামী লীগ দেশ শাসন করছে, তারা জামায়াতকে রাজনীতিতে ক্রমাগত প্রতিষ্ঠা পাবার সুযোগ করে দিয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে নানান টালবাহানা করে। প্রকৃত অর্থে আওয়ামী লীগ দলের অসাম্প্রদায়িক মুখোশ জনগনের সামনে থেকে খসে পড়ছে তাদের সাম্প্রদায়িক চেহারা নেতা নেত্র্রীদের কথাবার্তা আর কাজকর্মে সুস্পষ্ট হয়ে উঠছে একারনেই ঘোষনা দিয়ে সাম্প্রদায়িক দল জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কোন ইচ্ছা, পরিকল্পনা কোনটিই তাদের নেই, অর্থনৈতিক অবস্থানের কথা বিবেচনা করলে জামায়াত আর আওয়ামী লীগ উভয় দলের নেতৃত্ব একই পর্যায়ভুক্ত। সুতরাং মন মগজ আর টাকা পয়সায় কোন পার্থক্যই তাদের নাই।
আওয়ামী লীগ সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে, তারা তত্ত্বাবধায়ক ছাড়াই নির্বাচনে যাবেন, প্রধান বিরোধী দল বি.এন.পি তত্তাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। এ মুহুর্তে জামায়াত একটি দল যাদেরকে শুধুমাত্র স্বীর্কীতি দিলে, যুদ্ধাপরাধ ইস্যু কে গাযেব করে দিলে তারা যে কোন অবস্থাতেই এমনকি তত্ত্বাবধায়ক ছাড়াও নির্বাচনে যেতে প্রস্তুত আর বি.এন.পি যদি সে মুহুর্তে সত্যিই নির্বাচনে না যায় তবে আওয়ামী লীগের গত ৫ বছরের কর্মকান্ডের ফলস্বরুপ কিছু ভোটও জামায়াতের ঝুলিতে পড়বে আর এ সুযোগটা জামায়াত কিছুতেই ছাড়বে না।
জামায়াতের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ এ দেশের আর দশটা দল থেকে শক্তিশালী তারা ইতোমধেই আওয়ামী লীগের বাইরে জনপ্রিয় লোকদের টাকা পয়সা দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাড় করানোর পরিকল্পনা করছে।
আওয়ামী লীগ বি.এন.পি ঠেকানোর কৌশল হিসেবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি জিইয়ে রেখে জামায়াতকে যা ইচ্ছে তাই করার সুযোগ দিচ্ছে। কারন এরা তত্ত্বাবধায়কহীন নির্বাচনে যাওয়ার সম্ভাব্য দল। আর সে নির্বাচনে যদি জামায়াত আওয়ামী লীগ বিরোধীতাকে কাজে লাগিয়ে বি.এন.পি না থাকায় যদি শুধুমাত্র ৫০টি আসনও পায় তবুও জামায়াত দেখিয়ে দেবে তাদের সহিংসতা কি পরিমান হতে পারে।
অসাম্প্রদায়িকতার মুখোশ পরা আওয়ামী লীগ দলটি বি.এন.পি কে পর্যুদস্ত করতে গিয়ে জামায়াতের হাতে এমন অস্ত্র তুলে দিচ্ছে যা ক্রমে তাকেই গ্রাস করে ফেলবে, আর দেশ আরো ভয়াবহ ফ্যাসিজম এর দিকে এগিয়ে যাবে।
এ মুহুর্তে বাংলাদেশের মানুষ কি করবে? তারা কি একই মন মানসিকতা সম্পন্ন জামায়াত,জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ বি.এন.পির মতো দলের পেছনে ছুটবে? আমাদের আজকে অতি দ্রুততার সাথে জনগনের পক্ষের শক্তি গড়ে তুলতে হবে , মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্খার বাংলাদেশ চাইলে একটা পরিবর্তিত বাংলাদেশ চাইলে এ ছাড়া দ্বিতীয় পথ খোলা নাই।
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৫৯
হোরাস বলেছেন: হুম।
২|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:২৩
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: জামায়াতকে রাজনীতিতে ক্রমাগত প্রতিষ্ঠা পাবার সুযোগ করে দিয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে নানান টালবাহানা করে।
অসাম্প্রদায়িকতার মুখোশ পরা আওয়ামী লীগ দলটি বি.এন.পি কে পর্যুদস্ত করতে গিয়ে জামায়াতের হাতে এমন অস্ত্র তুলে দিচ্ছে যা ক্রমে তাকেই গ্রাস করে ফেলবে।
সহমত
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৫:০০
হোরাস বলেছেন: ধন্যবাদ
৩|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৫৩
নির্লিপ্ত স্বপ্নবাজ বলেছেন: মনে কেবল একটাই প্রশ্ন জাগে, বাংলাদেশের মানুষ কি সত্যি কোনো পরিবর্তনের আশা নিয়ে ভোট দেয়!!!
সেটাই যদি করে তবে, তাদের যখন াআশা ভংগ হয় তখন প্রতিবাদের কথা ভুলে যায় কেন??
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৬:৩৮
হোরাস বলেছেন: ঠিক কথা বলেছেন, ভোট দিলেই নাগরিকের কাজ শেষ হয়ে যায়না। অন্যায় এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটা অত্যন্ত জরুরী।
৪|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৫:০২
পুদিনাপাতা বলেছেন: সহমত
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩৪
হোরাস বলেছেন: Thanks
৫|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৫:১৪
হোরাস বলেছেন: ঠিক কথা বলেছেন, ভোট দিলেই নাগরিকের কাজ শেষ হয়ে যায়না। অন্যায় এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটা অত্যন্ত জরুরী।
৬|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৬:৪৫
জাহিদ গাছবাড়ী বলেছেন: like,
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৮:৪৬
হোরাস বলেছেন: লাইক।
৭|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:১৭
কনিফউজড_েনিটেজন বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্খার বাংলাদেশ চাই; পরিবর্তিত একটি বাংলাদেশ
আজ অনেকেরই আকাঙ্খা। কিন্তুঃ
ভোটের রাজনীতিকে জিইয়ে রেখে কোন আদর্শিক অবস্থান নেয়া কি এ যুগের কোন দলের পক্ষে আদৌ সম্ভব ?
মেহনতি মানুষের সরাসরি অংশগ্রহন ছাড়া কেবল মাত্র কিছু শিক্ষিত মধ্যবিত্তের দিয়ে কি জনগনের পক্ষের শক্তি গড়ে তোলা সম্ভব ?
বৈপ্লবিক কোন পরিবর্তনের কোন ক্ষেত্র কি আদৌ তৈরি হয়েছে?
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২১
হোরাস বলেছেন: বিপ্লবের জন্য সব শ্রেণীর মানুষের সহযোগ প্রয়োজন।
৮|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:১০
ফাহান্ন বলেছেন: মিশরে ইখোয়ান জিতবার প র কি সহিংসতার বন্যা বইয়ে দিছে? বরং উল্টাটা করছে। দেশ যেন ঐক্যবদ্ধ ত্থাকে এজ্ন্য তাহরীর স্কোয়ার বিরোধীদের ছেড়ে দিয়ে নিজেদের সমাবেশ বাতিল করে দিয়েছে। ইখোয়ান কর্মী খুন হয়েছে, হেড কার্যালয়ে আগুন দেয়া হয়েছে, ইখওয়ান চুপ। তাইলে জামাত ৫০ আসন পেলে সহিংসতা করবে, এটা কোন যুক্তিতে বলেন? এনিওয়ে, জামাত বিএনপির জোট ভাঙার কোন সম্ভাবনা আপাতত নাই।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ২:০২
হোরাস বলেছেন: মিশরে ব্রাদারহুড একটা গনতন্ত্র আকাঙ্খী জনগনের আকাংখার ফসল, তাদের উপর জনগণের আশাবাদ ইতোমধ্যেই কিছুটা ব্যর্থ হয়েছে, উদারপন্থীরা এ বিষয়টা নিয়েই আন্দোলন করছে। মানুষ রাস্তা চিনে গেছে তাদেরকে দাবায়া রাখা সম্ভব না। আর জামায়াত বাংলাদেশের মানুষের সরাসরি বিপক্ষে গিয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দুই দল অবস্থানগত, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের জায়গা থেকে দুই মেরুতে।
৯|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:১০
ফাহান্ন বলেছেন: মিশরে ইখোয়ান জিতবার প র কি সহিংসতার বন্যা বইয়ে দিছে? বরং উল্টাটা করছে। দেশ যেন ঐক্যবদ্ধ ত্থাকে এজ্ন্য তাহরীর স্কোয়ার বিরোধীদের ছেড়ে দিয়ে নিজেদের সমাবেশ বাতিল করে দিয়েছে। ইখোয়ান কর্মী খুন হয়েছে, হেড কার্যালয়ে আগুন দেয়া হয়েছে, ইখওয়ান চুপ। তাইলে জামাত ৫০ আসন পেলে সহিংসতা করবে, এটা কোন যুক্তিতে বলেন? এনিওয়ে, জামাত বিএনপির জোট ভাঙার কোন সম্ভাবনা আপাতত নাই।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:১০
হোরাস বলেছেন: মিশরে ব্রাদারহুড একটা গনতন্ত্র আকাঙ্খী জনগনের আকাংখার ফসল, তাদের উপর জনগণের আশাবাদ ইতোমধ্যেই কিছুটা ব্যর্থ হয়ে, উদারপন্থীরা এ বিষয়টা নিয়েই আন্দোলন করছে। মানুষ রাস্তা চিনে গেছে তাদেরকে দাবায়া রাখা সম্ভব না। আর জামায়াত বাংলাদেশের মানুষের সরাসরি বিপক্ষে গিয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দুই দল অবস্থানগত জায়গা থেকে দুই মেরুতে।
১০|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৫৮
এস্কিমো বলেছেন: আপনার রাজনীতি বিশ্লেষনে একটা বড় সীমাবদ্ধতা আছে তা হলো আপনি একটা অনুসিদ্ধান্ত দিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন -
জামায়াতকে রাজনীতিতে ক্রমাগত প্রতিষ্ঠা পাবার সুযোগ করে দিয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে নানান টালবাহানা করে।
জামায়াতের রাজনীতি কি ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত নয়? তাদের নেতারা মন্ত্রী হয়েছে - এরা এমপি হয়েছে - সেখানে আওয়ামীলীগ কিভাবে তাদের প্রতিষ্ঠিত হবার সুযোগ দিলো?
১৯৭৫ এর পর জিয়া, এরশাদ আর খালেদা জিয়া প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জামাতে উত্থান এবং আজ দেশের অস্তিত্বের প্রতি হুমকীর ইতিহাসটি আপনি কি ইচ্ছা করেই এড়িয়ে গেলেন?
যুদ্ধাপরাধীর বিচার মানেই জামাতের ধ্বংস - এইটাতো গোলাম আযমের কথা। আপনি সেই কথাটায় একমত হলেন কিভাবে?
বিচারে যারা কাঠগড়ায় তাদের মধ্যে দুইজন বিএনপির নেতা আছে - বিচারের ফলে কি তাহলে বিএনপি ধ্বংস হবে।
জামাতের ভুলটা হলো বিচারের বিরোধীতা করা - এইটাই জামাতের অস্তিত্বকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সেখানে আওয়ামীলীগের করনীয় তেমন কিছু নেই। আর বিচারে কোন টালবাহানা নেই - সঠিক গতিতেই বিচার হচ্ছে।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫২
হোরাস বলেছেন: ১.আওয়ামীলীগ জামায়াতকে রাজনীতিতে অপাংক্তেয় করে দেবার বারবার সম্পুর্ন সুযোগ পেয়েও ছেড়ে দিয়েছে। আর বি.এন.পি জাতীয় পার্টি তাদেরকে সুবিধামত ব্যবহার করবে এবং ব্যবহৃত হবে এটাইতো স্বাভাবিক।
২. আওয়ামীলীগ ৪ বছর ধরে ক্ষমতায় থেকেও মানুষের সর্বোচ্চ আকাংখার দাবি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেনি, এটাকে আপনি কিভাবে সঠিক বলতে পারেন।
৩. জামায়াতের বিচার মানে শুধু কয়েকটা লোকের বিচার নয়, তাদের নৈতিক আদর্শিক পরাজয়। এটাই আওয়মীলীগ ঝুলিয়ে রাখছে তাদের ক্ষমতা আকড়ে থাকার কৌশল হিসেবে, আমাদের বিদ্রোহ করতেই হবে।
১১|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:০৫
ধ্রুব অন্যকোথাও বলেছেন: sohomot...সহমত
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:১৫
হোরাস বলেছেন: ধন্যবাদ
১২|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪৬
সময়একাত্তর বলেছেন: সহমত
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫৪
হোরাস বলেছেন: ধন্যবাদ
১৩|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৩৩
নেক্সাস বলেছেন: আওয়ামী লীগ সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে, তারা তত্ত্বাবধায়ক ছাড়াই নির্বাচনে যাবেন, প্রধান বিরোধী দল বি.এন.পি তত্তাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। এ মুহুর্তে জামায়াত একটি দল যাদেরকে শুধুমাত্র স্বীর্কীতি দিলে, যুদ্ধাপরাধ ইস্যু কে গাযেব করে দিলে তারা যে কোন অবস্থাতেই এমনকি তত্ত্বাবধায়ক ছাড়াও নির্বাচনে যেতে প্রস্তুত আর বি.এন.পি যদি সে মুহুর্তে সত্যিই নির্বাচনে না যায় তবে আওয়ামী লীগের গত ৫ বছরের কর্মকান্ডের ফলস্বরুপ কিছু ভোটও জামায়াতের ঝুলিতে পড়বে আর এ সুযোগটা জামায়াত কিছুতেই ছাড়বে না।
স্যালুট এবং এটাই হতে যাচ্ছে। বিএনপি সেটা বুঝে গেছে। বুঝে গেছে বলেই বিএনপিও তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে। এতদিন বিএনপি জামাতের কোন ইস্যুতে সরাসরি সমর্থন দেয়নি। কিন্তু আসছে জামাতের যেকোন কর্মসুচীতে বিএনপি প্রত্যক্ষ সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এস্কিমো সাহেব আপনার মন্তব্যের সূত্র ধরে বলি আপনারা যতনা জামাত নিয়ে উদ্ভিগ্ন ততটা উদ্ভিগ্ন আওয়ামীলিগের ভবিস্যত নিয়ে। আর যদি তা না হত তাহলে হোরাসের এই আলোচনা কে আপনি মূল না ভেবে অনুসিদ্ধান্ত ভাবার অবকাশ পেতেন না।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামাত কে পূনর্বাসিত করার দায় আওয়ামিলীগের কোন অংশেই কম নয়।
১৯৯৬ সালের পূর্বে জামাত একটা শক্তিশালী মাঠের রাজনৈতিক দল এটা অনেকেই জানার সুযোগ ছিলনা। মূলতা তখনও জামাত বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক সন্ত্রাস আর মোল্লা মাওলানাদের ঘরোয়া দলই ছিল।
কিন্তু ১৯৯৬ সালে আওয়ামী আন্দোলনের সাথে সমৃক্ত হয়ে জামাত নিজেদের রাজপথ কেন্দ্রিক রাজনৈতিক অস্তিত্ব প্রকাশের সুযোগ পায়। ছাত্রশিবিরের সশস্র কর্মীদের সাথে নিয়েই সেদিন চট্রগ্রাম, রাজশাহী সহ সারাদেশে লাগাতার আন্দোলনে শক্তি প্রয়োগ করেছিল আওয়ামিলীগ। বহু জায়গায় মঞ্চ ভাগাভাগি করে নিয়েছিল জামাত আর আওয়ামিলীগ। আওয়ামিলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাও এক মঞ্চে বসেছিলেন যুদ্ধাপরাধীদের সাথে। এই নেক্সাস নিজেই রাজপথের প্রত্যক্ষ সাক্ষী। প্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রশিবির- ( বায়তুল-মোকারম থেকে) আর ছাত্রলীগ ( জিরো পয়েন্ট থেকে) এর যৌথ হামলার স্বীকার হয়েছিল সেদিন ছাত্রদলের কর্মীরা। সেদিন ছাত্রলীগের সাথে সমানে সমান লড়াইয়ে ফেরে উঠলেও ছাত্রশিবিরের সাথে ফেরে উঠেনি ছাত্রদল কর্মীরা।
মূলত ১৯৯৬ সালে আওয়ামিলীগের ছত্রছায়ায় থেকে জামাত নিজেদের যে রূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছিল তাতেই বিএনপি বুঝে গিয়েছিল যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামাতও একটা ফ্যাক্ট। আর এই ফ্যাক্ট কে হাতে রাখতে পারলেই ক্ষমতার স্বাদ পাওয়া সহজ। আর উপলব্দিরই পরিনতি ২০০১ সালের ৪ দলীয় জোট।
তাহলে বলুনতো জামাত কে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের সুযোগটা কে করে দিয়েছিল? আপনি যদি তিল কে তাল বানিয়ে মজা লুটেন তাহলে আপনার বিপক্ষ দল তো তাল কে তালগাছ বানিয়ে আরো বেশি মজা লুটবেই।
আসুন বর্তমান প্রেক্ষাপট ! সারাদেশে জামাত নিজস্ব কায়দায় সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু মখা- কামরুল- হানিফ গং দের তর্জন গর্জন ছাড়া প্রসাশনের আর কি কোন উদ্যেগ আছে।
কয়েকটা লোক দেখানো গ্রেফতার ছাড়া আর কি কোন বড় এ্যাকশান সরকার নিয়েছে।
নেয়নি। বরং জনগনের বড় দাবি জামাত কে নিষিদ্ধ করার দাবি কে আগ্রাহ্য করে স্রেফ জানিয়ে দিয়েছে জামাতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হবেনা।
দুয়ে দুয়ে চার হয়। সরল সমীকরণ খুব সহজ। জামাতের সাথে সরকার গোপনে গোপনে সমযোতা শুরু করেছে। যাতে ২০১৪ সালের বিএনপি বিহীন নির্বাচনে জামাত কে নি্র্বাচনের মাঠে পায় আওয়ামিলীগ। আর এর বিনিময়ে যুদ্ধাপরাধী প্রশ্নে বড় ছাড় দিতেও প্রস্তুত আওয়ামিলীগ। সেক্ষেত্রে চুলায় যাক জনগনের দাবি। প্রসংগত জনগনের আবেগ অনুভূতির সাথে বেঈমানী আওয়ামিলীগের ইতিহাসে নতুন নয়। ১৯৮৬ সালেও একবার দেখেছি তেমনটা।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫৪
হোরাস বলেছেন: আপনি আমার কথাটাই স্পষ্ট করে বলেছেন, ধন্যবাদ
১৪|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৬
অনিমেষ রহমান বলেছেন: সহমত!
আমি কি আপনাকে চিনি?
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৪
হোরাস বলেছেন: আমার ছবি দেয়া আছে, চিনতে পারেন।
১৫|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৭
মোহাম্মদ আনোয়ার বলেছেন: মাত্রাতিরিক্ত জামায়াত বিরোধী মনোভাব ও দমন পীড়নে সাধারণ মানুষের মনে জামায়াতের প্রতি সহানুভূতি জাগতে পারে।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:২২
হোরাস বলেছেন: যেখানে তাদের অপরাধ আছে সেখানে তাদের তো শাস্তি দেয়ার আছে।
আঃলীগ তো সেটা না করে উল্টো কাজটা করছে।
১৬|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২৯
ফুরব বলেছেন: আওয়ামী রাজনীতিতে দক্ষ রাজনীতিবিদের প্রচন্ড অভাব, । তত্তাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে গেলে আওয়ামীলিগের অবস্তা হবে বিগত টার্মে বি, এন পির মত। আর তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন বিএন পি না মানলে দেশে যে অরাজকতা সৃষ্টি হবে তা সেনা বাহিনী ছাড়া সা মাল দেয়া দুঃসাধ্য হবে। অর্থাৎ আর একটি সেনা শাসন। অবশ্য বিগত ৩০ বছরের বিধস্ত গনতন্ত্রিক শাসনে থেকে সেনা শাসন অনেক বেশী শ্রেয় সাধারন জনগনের নিরাপত্তার জন্য। আওয়ামীলিগ যে স্টাইলে ক্ষমতা ধরে রাখতে চাচ্ছে তাতে বাংলাদেশের রাজ নিতিতে আওয়ামীলিগের রাজনৈতিক কবর নিজেই রচনা করে যাচ্ছে এমনটাই মনে হচ্ছে।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৭
হোরাস বলেছেন: সেনা শাসন সকল অবস্থার চেয়ে ভয়াবহ।
১৭|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৪০
অনিক আহসান বলেছেন: জামাত আর জাতীয় পার্টিকে বিরোধী দল বানায়ে হলেও আওয়ামী লীগ তত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাওয়ার পরিকল্পন করছে।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৭
হোরাস বলেছেন: এটাই বলতে চাচ্ছি।
১৮|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪০
ক্লিকবাজ বলেছেন: আওয়ামীলীগ চোর, বাটপার, লুটপাটকারী, মিথ্যুক, দূর্নীতিবাজদের সাথে নিয়ে আবারও ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর, তলে তলে যে নিজ দলের চোরদের হাতে পড়নের কাপড়ও চুরি হয়ে গেছে সে হুঁশ এখনো হয়নি তাদের।
এই মড়ার গণতন্ত্রের চেয়ে সেনাশাসনই এদেশের জন্য উপযুক্ত।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৮
হোরাস বলেছেন: সেনা শাসন সকল অবস্থার চেয়ে ভয়াবহ।
১৯|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪১
ববিজী বলেছেন:
৬ এবং ৭ নং ছবিতে বঙ্গবন্ধুর ডান পাশে বসা জামাতের প্রতিষ্টাতা মওলানা মওদুদী। উপরের ছবি গুলোই প্রমান করে ক্ষমতায় যাবার জন্য বা টিকে থাকার জন্য, আওয়ামীলাগ, জাতীয় পার্টি, ইনু-মেনন, বিএনপি বা বঙ্গবন্ধু সবাই কোন না কোন সময় জামাতের সহযোগীতা নিয়েছে - আতাঁত করেছে আর জনগণের সামনে করেছে অভিনয়। আর আমরা করেছি গবেষণা আর বিশ্লেষন।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৯
হোরাস বলেছেন: আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সবকিছুই করতে পারে।
২০|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:২৭
রহমান মাহমুদুর বলেছেন: তবে আমার মানে হয় বিএনপি যেতু তত্ত্ববদায়ক সরকার নিয়ে আন্দলন করছে এমন সময় দেশে যুদ্ধঅপরাদীর বিচারের কাজ চলছে। আওয়ামীলীগের উচিত হবে এখন বিতরে বিতরে জামাতের সাথে হাত রেখে জামাতের নেতাদের যুদ্ধঅপরাদীর বিচার থেকে মুক্ত করে আগামি নির্বাচনে জামাতকে নির্বাচন রাখা। এবং বিএনপি কে তহলে সহজে হারাতে পারবে আওয়ামীলিগ। আপনি কি মনেকরেন.............................
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩২
হোরাস বলেছেন: এমন আওয়ামীলীগ আগামী বাংলাদেশের শাসনক্ষমতায় আসলে মানুষের ভাগ্যের কি পরিবর্তন হবে? আমি আপনার কথাই বলছি এদের কাছে ন্যায়পরায়নতা বলতে কিছু নাই
২১|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২০
িনজুম রাতের পাখি বলেছেন: যুদ্ধাপরাধির বিচার শেষ হয়ে গেলে আওয়ামী লীগ কি নিয়ে রাজনীতি করবে?
জামাতকে একমাত্র আদর্শিকভাবে হয়ত মোকাবিলা করা সম্ভব! দলীয় রাজনীতি ছেড়ে আওয়ামীলীগ আর বিএনপিকে দেশ গড়ার রাজনীতি করতে হবে।
স্বাধীনতার এত বছরে তারা দেশকে কি দিয়েছে- প্রশ্ন না করে যদি বলি ক্ষমতায় গিয়ে ওরা দু’দলের নেতা-কেথারা ‘ক্ষুধার্ত মুরগি’র মতো আচরণ করেছে বলি আমার মনে হয় বেশি বলা হবে না!
স্বাধীনতার পক্ষ বিপক্ষ না- যতদিন সবাই একাকার হয়ে দেশ গড়ার রাজনীতি না করবে ততদিন বাংলাদেশ-ভাঙ্গাদেশ-ই থেকে যাবে! যার একপক্ষ তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধা আরেক পক্ষ যুদ্ধাপরাধি কিংবা মানবতাবিরোধি যাই বলেন!
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫৫
হোরাস বলেছেন: উনাদের দিয়ে কিছু হবেনা, তরুনদের এগিয়ে আসতে হবে।
২২|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪১
ক্লান্তিশেষে বলেছেন: তরুনরা যদি সব পারে তবে বসে আছে কেন? আসুন আমরা যুদ্ধে যুদ্ধে হই শুদ্ধ।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪৪
হোরাস বলেছেন: come fight.
২৩|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৩৬
গ্লাডিয়েটর রিট্রান্স বলেছেন: জনাব ববিজী কে ধন্যবাদ যে, প্রমান সহ আওয়ামীলিগের জামাতের সাথে শখ্যতার ছাবিগুলো হাটে হাড়ি ভেঙে দেওয়ার জন্য মূলত এরাই দুমুখো সাপ, কারণ নিজেদের স্বার্থে যেমন আওয়ামীলিগ জামাতের সাথে এক হয় তেমনি আবার নিজেদের স্বার্থের জন্য আবার এরা জামাতের ন্যায় বিচার না করে বিচারে নামে প্রহশন করে
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪৫
হোরাস বলেছেন: rightly said.
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:২১
জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন: হুম।তবে সবক্ষেত্রেই ঠিক নই।এটা ঠিক যে বিচার শেষ হলে নিজেদের ইনোসেন্ট বলে দাবী করবে তারা এবং সেজন্য কোন দুর্নীতির পথে পা বাড়ায়না যেখানে অন্যান্য দলগুলোর দুর্নীতির রেকর্ড আছে।আজ পত্রিকায় এসেছে যেকোন নাশকতা করতে প্রায় প্রস্তুত জামায়াতীরা।তাই বলাই যায়,আওয়ামিলীগের সাথে না পারুক অন্তত বিএনপিকে টপকে এ দলটি সামনের দিনগুলোতে ২য় বৃহত্তর রাজনৈতিক শক্তি হয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবেনা কেননা বিএনপির অনেক ভোট জামায়াতের পক্ষে চলে যাবে।আরও অনেক অনেক কারণ রয়েছে।