নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চাঁদের ফাঁদে মুসলমান

ম জ বাসার

ম জ বাসার › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোরানের আলোতে হজ্জ/কোরবানী অবৈধ- (শেষ পর্ব)

১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:৫০

[সদাশয় এডমিনদের সবুজ সংকেত পেয়ে পুন লিখতে সাহসী হলাম]



(পূর্বাপর)

আয়াতটিতে (৩৭: ১০২-১০৮)গরু, ছাগল, মেষ, দুম্বা ইত্যাদি কোন পশু-পক্ষি জবাইর কথাও অহি করেননি; কিন্তু আল্লাহর কেতাবের ফুট নোটে অনুবাদকগণ লিখেছেন, “উহা ছিল একটি দুম্বা যাহা বেহেশ্ত হইতে পাঠাইয়া দেয়া হইয়াছিল।”

“আমি ইহা পরবর্তীদিগের স্মরণে রাখিয়াছি।” আয়াতটির বরাতে ফুটনোটে লিখেছেন, “ঈদুল আজহার কুরবানী করার রীতি প্রবর্তিত করিয়া।” (কোরান, ইসলামিক ফাউন্ডেশন; ফুটনোট নং: ১১৩, ১১৪)

‘বেহেস্ত থেকে দুম্বা পাঠানো হয়েছে’ এমন বাক্য সেখানে নেই! কিন্তু তারা পেলেন কোথায়! তারা বরং সরাসরি খৃষ্টানদের ২ নম্বরী গ্রন্থ বাইবেল থেকেই নকল করেছেন:

“-তখন আব্রাম চক্ষু তুলে চেয়ে দেখলেন, আর দেখ তাঁহার পশ্চাদ্দিকে একটি মেষ তার শৃঙ্গ ঝোপে বদ্ধ, পরে আব্রাম গিয়ে সে মেষটিকে নিয়ে আপন পুত্রের পরিবর্তে হোমার্থ বলিদান করলেন।’(পুরাতন বাইবেল: ২২-২৩)


ইসলামিক ফাউন্ডেসনের অনুদিত কোরানের ১৬ জন জবরদস্ত আলেম সম্পাদকদের এহেন আপত্তিকর বাইবলে থেকে নকল এবং তা পবিত্র কোরানের পৃষ্ঠায় দুঃসাহসিক সংযোজন মুসলিম বিশ্বকে বিভ্রান্ত করেছে।

অতএব ঘটনাটি ‘পরবর্তিগণের জন্য উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত স্থাপনের (৩৭: ১০৮) লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অবশ্য অবশ্যই পুত্র হত্যা নয়! পশু হত্যাও নয়। আদম বা ইব্রাহিম থেকে পরবর্তি (আখেরীনদের) অসংখ্য নবি-রাছুলদের আমলে এ ধরণের পশু হত্যার বিধান প্রচলিত হয়ে আসছে বলেও কোন প্রমান নেই। তবে ইহা সর্বজন বিদিত যে, ভারত-আরবিয় প্যাগণ-পৌত্তলিকদের মধ্যে পশু হত্যা প্রথা প্রচলিত ছিল; কাবায় ৩৬০টি মুর্তির সামনে প্রতি বছর পশু বলি হতো; এমনকি তারা আপন শিশু ও নর বলি দিয়ে বেহেস্ত প্রাপ্তির বর্বর, ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করতো। ইহাই ইসলামের আদি শত্রুগণ (এজিদের বংশ, আমরা সুন্নীগণ) মুসলমান সেজে, প্রকৃত আলেমদের চোখে ধুলি দিয়ে সীমিত কাবা ঘরের সীমিত পশু হত্যার বিধানটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়ে বিশ্বময় পশু হত্যা দিবস প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে।

শাব্দিক অর্থে পরবর্তীদের জন্য উদাহরণ ও অনুরূপ অনুসরণীয় বলতে মুসলিমদের স্ব স্ব পুত্রের সম্মতিতে পুত্র জবাই করা! আর যদি তা প্রতি বছরই করতে হয় তবে সমগ্র মানব সমাজ ধর্মকে জবাই করে আপন সন্তানদের মুক্ত করতো! অথবা সন্তানগণ স্ব স্ব বাবাদের হত্যা করে নিজকে রক্ষা করত। অদূরদর্শি খৃষ্টীয় নেতাগণ বিষয়টি অবাস্তব, অমানবিক এবং অসম্ভব ভেবেই সকল ত্যাগ ও দায় দায়িত্ব নিরীহ পশুর ঘাড়ে চাপিয়েছেন! আর একই কারণে কথিত রাজ ইসলামী নেতাগণ তাদের ঐ ভ্রান্ত দর্শণ নকল করতে বাধ্য হয়েছেন।

মূলতঃ ইহার ভাবার্থ হলো: আল্লাহ প্রেমে অর্থাত পরার্থে যাবতিয় অন্যায়, লোভ, হিংসা, মোহ ও ক্রোধ তথা যাবতিয় প্রিয় বস্তু (অতিরিক্ত সম্পদ) ত্যাগ করতঃ সামাজিক/মানবিক সমতা রক্ষা করে স্ব স্ব আত্মাকে স্বাধীন ও দেহের নিরাপত্তা বিধান করা; আর ঐ ত্যাগের সর্বোচ্য উদাহরণ ইব্রাহিম-পুত্রের ঘটনা; ইহাই পরবর্তীদের শিক্ষনীয় ও অনুসরণীয় বিষয়; পুত্র বা পশু হত্যা নয়।

নিতান্ত জীবন ধারণের বস্তু সামগ্রী প্রিয় নয় বরং ইহা প্রয়োজনীয় বস্তু; কিন্তু প্রয়োজনাতিরিক্ত বস্তুই প্রিয় বস্তু; সখের বা বিলাসের বস্তু; উহা ধারণ করে রাখাই ব্যক্তি, দেশ ও দশের যাবতিয় অশান্তি ও অবক্ষয়ের মূল কারণ:

ক. মানুষ অবশ্যই তার প্রতিপালকের প্রতি অকৃতজ্ঞ; এবং অবশ্যই সে ধন-সম্পদে প্রবল আসক্তি। [১০০: ৬, ৮]

খ. মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তোমরা ধন-সম্পদের প্রতিযোগিতায় মোহমত্ত থাক! ইহা যে হালাল নয় তা তোমরা শীর্ঘই টের পাবে।- সাবধান! দোজখ তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে! প্রাচুর্য সম্বন্ধে জবাবদিহি করতেই হবে। [১০২: ১-৮]

গ. যে সম্পদ জমায় ও বার বার গণনা করে আর ভাবে যে, তার সম্পদই তাকে অমর করে রাখবে; কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে হুতামায়-। [১০৪: ২-৪]

ঘ. তোমরা অসহায়কে সন্মান কর না, অভাবগ্রস্তকে সাহায্য কর না, উত্তরাধিকারদের সম্পদ সম্পূর্ণরুপে ভক্ষণ করে ফেল; তোমরা ধন-সম্পদ অতিশয় ভালবাস। [৮৯: ১৭- ২০]

মিনায় উপস্থিত সীমীত হাজীদের সীমীত পশু হত্যা ব্যতীত দুনিয়াব্যপী পশু হত্যা কোরানের বিধান নয়; বরং কোরানের বিপরীতে ব্যক্তি ও দলের অতিরক্তি অবৈধ অর্থ সম্পদ রক্ষায় পুরা কালের নেতাগণ বাইবেলের স্মরণাপন্ন হয়েছে। আর পরবর্তি সাধারণগণ তাদেরকে বিশ্বাস করে বিভ্রান্তের শিকার হয়েছে।

ব্যক্তি ও দল রচিত বিধানগুলি বংশ পরম্পরায় আমাদের হৃদয়, মন-প্রানে এমনভাবে গেথেঁ গেছে যার বিপরীতে স্ব চক্ষে কোরানে বানী দেখলে/ শুনলেও নুতন এবং অবিশ্বাস্য মনে হয়।

আজ নেতা-নেতী ব্যবসায়ী ধনাঢ্যগণ সরল মনে তাদের প্রয়োজনাতিরিক্ত সখের, প্রিয় স্থাবর-অস্থাবর অবৈধ সম্পত্তির অন্ততপক্ষে অর্ধেকও যদি সরকারী কোষাগারে বা স্ব স্ব গরীব আত্মীয়-স্বজনদের দান করে দেয়! তবে ১৪ কোটি মানুষের অশান্তি, অভাব-অভিযোগ, সন্ত্রাস, ছিনতাই, খুন, গুম, সন্দেহ, ভয় রাতারাতি দূর হয়ে ভোরেই আসন গ্রহণ করতে পারে রাছুলের আনিত কোরানিক ইসলাম।

ত্যাগের সংকল্প (হজ্জ-কোরবানী) বছরের নির্দিষ্ট একটি দিনে একটি বা দশটি পশু হত্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখার প্রচলিত নীতি শুধু কোরান বিরুদ্ধই নয় বরং কোরানের প্রতি সরাসরি বিদ্রুপ-কটাক্ষ।

প্রচলিত হজ্জ হারাম-হালাল পার্থক্য বিহীন ধনীদের সাময়িক আমোদ-প্রমোদের অনুষ্ঠান হিসাবেই প্রতিষ্ঠিত এবং তাদেরই বেহেস্ত প্রাপ্তির অবাস্তব ধারণা বিজড়িত অনুষ্ঠান; কিন্তু সংখ্যা গরিষ্ঠ গরীবদের বছরে এক টুকরা মাংস প্রাপ্তি ছাড়া বেহেস্তের আসা-ভরসা নেই। এমন সাম্প্রদায়িক পাক্ষপাতদুষ্ট ধনীদের আমোদ-ফুর্তির আইন আল্লাহর হতে পারে না, কোরানে তার প্রমান নেই। অবশ্য এ যুক্তি খন্ডানোর জন্য এবং গরীবদের শান্তনার জন্য শরিয়ত পূর্ব থেকেই মহানবির নামে একটি আপত্তিকর অশ্লীল হাদছি রচনা করে রেখেছেন যে:

‘যাদের পশু কোরবানী করার সামর্থ নেই, অর্থাৎ গরীব অসমর্থগণ নির্ধারিত ১০ দিন ধরে রাখা নখ, চুল, গোঁফ ও যৌন লোম চেঁছে ফেল্লে পশু কোরবানীর সমান ছোয়াব পাবে।’ (আবু দাউদ, ১০ম খন্ড, প্রকাশক: বাং. তাজ কোং লি:; হাদিছ নং- ২৭৮০, পৃ: ৭৩৫)।

অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট-মন্ত্রি, রাজা-বাদশা, হাজী, সাইদি, মাওলানা, গাউস-কুতুব, পীর-কেব্লা প্রভৃতি পাক/নাপাক ধনাঢ্যগণ হাজার/লক্ষ টাকা দিয়ে যে পশুটি কোরবানী করলো তার আনুপাতিক মান বা ছোয়াব তাদেরই দুয়ারে ভুখা-নাঙ্গা এক টুকরা গোস্ত প্রার্থী একজন ভিক্ষুক বা গরীব হাজির চেঁছে ফেলা চুল আর যৌন লোমের সমান!

শরিয়তের এই অশ্লীল হাদিছ/ফতোয়া! এ লজ্জ্যা, এ অপমান ঢেকে রাখার হাদিছ/ ফতোয়া এখন পর্যন্ত রচিত হয়নি! তাই ধনাঢ্যগণ এর জবাবদিহিতা চাইলে আলেম-আল্লামাদের আত্ম গোপন ব্যতীত অন্য পথ খোলা নেই।

আল্লাহ-রাছুলের ধর্ম তথা শ্রেষ্ঠ ধর্ম নিয়ে এহেন নির্লজ্জ্য উপহাস, যৌন কৌতুক মহা নবির নামে রচনা করতে নামধারী আলেমদের বুক কাঁপেনি।

পেট ও পিঠের নুন্যতম প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত সহায়-সম্পদ এবং যাবতিয় গর্হিত কথা-কাজ ত্যাগের সংকল্প আমৃতু পর্যন্ত যে রক্ষা করে চলতে পারে! কাবায় না গেলেও সেই-ই একমাত্র এবং প্রকৃত হাজী বা শপথকারী।

একজন হাজী মানেই পরম সৎ, মহান ত্যাগী, শুদ্ধ, বিশুদ্ধ, পরিশুদ্ধ, বলিষ্ঠ ও সর্বোৎকৃষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী; তিনি রৌশন জমিন; তিনি যে কোন সন্দেহ ও বিতর্কের উর্দ্ধে; চরম বিশ্বস্থ, নির্ভরশীল, নেতৃস্থানীয় এবং পরম পূজনীয় ব্যক্তিত্ব।

আর যদি সে বার বার প্রচলিত লোক দেখানো নাটকীয় শপথ (হজ্জ) করে আর বার বার শপথ ভঙ্গ করে! তবে তার চেয়ে অভিশপ্ত কাফের, মোনাফেক সমাজে আর দ্বিতীয়টি থাকে না।


‘যারা ঈমান আনে এবং পরে অস্বীকার করে এবং বার বার ঈমান এনে বার বার অস্বীকার করে অতঃপর তাদের কুফুরী বৃদ্ধি পেতেই থাকে, আল্লাহ তাদেরকে কিছুতেই ক্ষমা করেন না এবং তাদেরকে পথ দেখান না। মোনাফেকদের সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রয়েছে (৪: নিছা-১৩৭, ১৩৮)। (শেষ)

বিনীত।



মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +১/-১২

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:০৩

মুমাআলী বলেছেন: এ ধরনের আবর্জনা প্রচার হতে দয়া করে বিরত থাকুন

১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:৩২

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
দোষ তো আর আপনার নয়! কারণ শরিয়ত হাদিছ বিহীন কোরানকেই আবর্জনা বলে।
বিনীত।

২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:০৪

বৈকুন্ঠ বলেছেন: ব্লগে এইসব লেইখা একটা প্রচলিত ভ্রান্ত রিতী থেইকা কাউরে মুক্ত কর্তে পারবেন বৈলা মনে হয়না। তারপরেও আপনার প্রয়াসকে স্বাগতম। মুসলিম নামধারী ব্লগের উগ্রপন্থীরা মাইনাসে মাইনাসে ছয়লাব করতে আসলো বৈলা। কত্ত বড় সাহস....... তাদের মুখের কোরবানীর মাংস কাইড়া নিতে চান আপনি? কোরবানী তাদের অহংকার, কোরবানী তাদের ২ নম্বরী টাকার খেলা দেখানোর সুযোগ। আর আপনে কিনা........

১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৩১

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. আপনার ধারণা সংগত।
২. বলাগারগণ সকলেই শিক্ষিত; অন্তত শুনে রাখুক।
৩. এ সংস্কার কোরানের আলোতে সু-প্রতিষ্ঠিত; মানা না মানা নিজস্ব বিষয়। উহার উপর কারো হাত নেই। স্বয়ং আল্লাহয়ো হাত দেয় না।
৪. পশু হত্যা, গোস্ত খেতে ব্যবসা-বানিজ্যতে কোনই বাধা নেই কোরানে। শুধু মাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার আশায়, পাপ খন্ডনের আশায় বা বেহেস্ত প্রাপ্তির ভ্রান্ত আশায় যেন হত্যা করা না হয়!
৫. সাধারণ মানুষকে যেন বিভ্রান্ত করা না হয়।
৬. যারা মাইনাস/গালি দেন তাদের তো দোষ নয়। কারণ হাজার বছরের বংশ পরম্পরায় ভ্রান্ত বিশ্বাসটি অভ্রান্ত হয়ে রক্ত-মাংসে, মন-মগজে এমনভাবে গেড়েছে যাতে মহা সত্যক অবিশ্বাস্য বলেই মনে হয়।
বিনীত।

৩| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:১৭

kt মনোয়ার বলেছেন:

দুঃখ জনক ।

৪| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:২৭

মোরশেদ পারভেজ বলেছেন: সব জামানায় কিসু লোক বিভ্রান্তি ছড়ায়। আল্লাহ তাদের হেদায়েত করুক।

আল্লাহ আপনার সুমতি দান করুক।

কি বোঝেন না , আপনি তাও বোঝেন না।

১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৩৩

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম।
আল্লাহ আপনার অশেষ কল্যাণ দান করুক।
বিনীত।

৫| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮

হা...হা...হা... বলেছেন: এই পোষ্টের প্রথম লাইন..... সদাশয় এডমিনদের সবুজ সংকেত পেয়ে পুন লিখতে সাহসী হলাম

তার মানে আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে এডমিন ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জন্য কিছু ব্লগারকে উৎসাহীত করছে। গুড। এইসব ব্লগারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে কেন কোন এ্যাকশান নেয়া হয় না এটা পরিষ্কার হল আজ। আজ থেকে আর অভিযোগ করব না। অরণ্যরোদন কেন করব?

১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. আপনার ধারণা শিশুসুলভ মনে হয়।
২. শতভাগ বিশ্বাস এডিমন কোরানকে প্রতিফলিত করতে সহায়তা করছেন। যার উপর আপনারো পূর্ণ আস্থা আছে।
৩. লেখকদের সঙগত অধিকার দিচ্ছেন।
৪. এযাব কালের পোষ্টের অন্তত একটি দর্শন কোরান বিরুদ্ধ প্রমান করুণ। আর করতে পারলে মজবাসার তা নাকে খত্‌ দিয়ে সংশোধন করবে।
৫. ব্লগে হিন্দু, মুসলিম, শিয়া, সুন্নী, কাদিয়ানী, আস্তিক নাস্তিক সকলেরই সমান অধিকার।
৬. এডিমিনদের অভিযুক্ত করা ভ্রান্ত দর্শন। বরং লেখকদের সাক্ষি, যুক্তি-প্রমানসহ অভিযুক্ত করুণ। সত্য প্রমান হলে লেখকগণ আপন স্বার্থেই লেখা বন্ধ করবে। অতএব লেখা বন্ধ করতে আপনিই/আপনার যুক্তি, সাক্ষি-প্রমানই যথেষ্ট। সুতরাং আর অপেক্ষা কেন???????
বিনীত।

৬| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৪২

মাহমুদ মান্না বলেছেন: আবাল

১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
যুক্তিয়ো নেই! সাক্ষি-প্রমানো নেই। তাহলে মন্তব্যটি কোথায় গিয়ে পৌছলো??
বিনীত।

৭| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:১৫

বৈকুন্ঠ বলেছেন: জনাব হা..হা..হা.. হৈলেন চরম ইসলামী পন্ডিত। তিনি যাহা বলিবেন তাহাই ইসলাম। উনি হয়তো মনে মনে বলেন "মোহাম্মদ কোন েের াল। আমার মতন ইসলামি জ্ঞানসম্পন্ন ব্যাক্তি আইজ পর্যন্ত জন্মাইছেনি?"
দেখলেন্না, আপনের এই পোস্টটারে সে "ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার" নাম দিয়া দিল কোনো যুক্তি প্রমান ছারাই। আর তার কথায় মনে হয় যে সামু কর্তৃপক্ষ একেকজনের ইসলামি জ্ঞানের প্রমানপত্র নিয়া তারপরেই মডারেটর নিয়োগ করতে বাধ্য। ছাগল যে কত প্রকার আছেরে ভাই

৮| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:২৯

শিপু ভাই বলেছেন: @বৈকুন্টঃ তুমিতো নাস্তিক। তাইলে এই পোস্ট দেইখা এত খুশি ক্যান চান্দু।
মজা লও??
থাবড়াইয়া ৬৪ দাঁত ফালায় দিমু। X(

১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:৪৪

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম।
শিপুভাই একেবারেই নাবালগ। আস্তিক/নাস্তিক যেটার উপরেই ঈমান আনুন্না কেন! পরীক্ষা না করে কাউকেই ছাড়বেনা। (২৯: ২)
সুতরাং এমনো হতে পারে যে, `আস্তিক' দাবিদারগণ কাজে-কর্মে, কথা-বার্তায়, আলাপ-ব্যবহারের পরীক্ষায় নাস্তিক, আর নাস্তিকগণ কাজে-কর্মে আস্তিক সাব্যস্থ হয়েছেন।
বিনীত।

৯| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:৪৮

অলস ছেলে বলেছেন: সালামাহ

১০| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:৪৯

শিপু ভাই বলেছেন: হ।
চামচামিতে এক্কেরে গইল্যা গেছ।

আবাল কুনহানকার X(

১১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:৫৩

শিপু ভাই বলেছেন: এদের আলাপ তোমার কাছে মধুর মত মনে হয়!
এদের ব্যবহার চরম অমায়ীক!
যখন এরা আল্লাহ , রাসূল ( সঃ ) এবং ইসলাম নিয়া গালিগালাজ করে তখন তোমার খুব আনন্দ হয়!

তুই একটা ভন্ড ছাগল।

১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:১৬

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম।
আমাদের বাপ-দাদারা `মুসলিম' শব্দের অর্থ শিখালে আপনার বক্তব্যে আপনিই লজ্জিত হতেন।
বিনীত।

১২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:১০

লেখাজোকা শামীম বলেছেন: উনার পুরো সিরিজটা পড়লাম। সবার মন্তব্যগুলোও পড়লাম। অত্যন্ত দুঃখের সাথে খেয়াল করলাম, তার দাবীর বিপক্ষে কেউ কোন কোরানিক প্রমাণ হাজির করতে পারলেন না। বরং নোংরা কুৎসিত গালাগালি করলেন সবাই।
উনার এই সিরিজের কথাগুলো ঠিক কি না আমার জানা নেই। কেননা, আমি কোন ইসলাম পণ্ডিত নই কিংবা কুরআন বিশেষজ্ঞও নই। কিন্তু এটা তো বুঝি, কারো মতামতকে খণ্ডাতে হলে তার বিপরীত যুক্তি উপস্থাপন করতে হয়, গালাগালি নয়।
যেহেতু আমি একজন একেবারে সাধারণ সাদামাটা মানুষ, অনেক সময় ইসলাম সম্পর্কে কৌতুহলী প্রশ্ন করে অনেকগুলো পোস্ট দিয়েছি। কিন্তু দুঃখের কথা হল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর তো পাইই নি, বরং বোনাস হিসেবে কেবল গালাগালি পেয়েছি।
এই হল আমাদের মুসলমানদের বাস্তব চেহারা। তারা যুক্তির বদলে গালাগালিকেই বেছে নেয়। খুবই দুঃখজনক।
আপনাদের জন্য এই সিরিজের কিছু গালাগালির নমুনা প্রদান করলাম।

রংধনূ বলেছেন: শালা নাস্তিকের বাচ্চা।

নিঃসঙ্গ পথিক.. বলেছেন: দেওয়ানবাগীর আরেক পা চাটা কুকুরের অনুপ্রবেশ ঘটেছে দেখছি!

আশরাফুল করিম খান বলেছেন: বালের পুস্ট
আকাশ মামুন বলেছেন: নিপাত যাও...................

আকাশের তারাগুলি বলেছেন: আপনে অনেক গ্যানে ওয়ালা।
আপনাকে ফ্ল্যাশ।

জিয়াউল হক বলেছেন: আহারে এত বড় আলেম এত দিন কই আছিরা বাপজান? আহ তোমার লাইগা ক্ষির বানাইয়া রাখছি, দুধের সর তুইলা রাখছি, গংগা জল আনাইয়া রাখছি, আরও কত কি রাখছি আইস আইস, তাড়াতাড়ি আইস।

শাহেদ জামান বলেছেন: yuo are humar haiwan khelf......

মোহাম্মদ আনোয়ার বলেছেন: মনে হয় আলেমের ঘরে জালেম হইছে !!!!!!!!!!

রহস্য বলেছেন: আবালগুলান কৈ থেকে যে আসে X( X( X( X( X(
নেক্সাস বলেছেন: ছাগল.. গদাম লাথি

হা...হা...হা... বলেছেন: পাছায় এছা লাথ্থি দিমু যে হাগা অফ হয়ে যাবে। শত কোঁতাকোতিতেঁও কাম হইব না।

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: ুত্তার বাচ্চা ....সোজাসুজি কইয়া দে ইসলাম, কুরআন এইগুলো সব ভুয়া।

রংধনূ বলেছেন: তোর মত কুত্তার বাঁকা লেজ সোজা কখনো হইবো না।
পাস্ট পারফেক্ট বলেছেন: ওই বাঞ্চোত- তর নিজের ধর্ম নিয়া গবেষনা কর। ১০ হাত কেম্নে হইলো সেটা নিয়া পোস্ট দে।

সোনারবাংলা বলেছেন: রাম ছাগলে কি বলে কুত্তা বাচ্চা কোথাকার।
ফাহিম আহমদ বলেছেন: গোলাম !
এই টুকু জ্ঞান নিয়া ইসলামের বিদ্ধেষী করতে আসছো। বাহ্ ..বাহ্ ..
তুলনা হয়না। তোমাগো নাস্তিক দাদারা এই ব্লগে ইসলামকে নিয়ে যা করতে আছেন এবং করছেন, তাতে কি ইসলামের কোন ক্ষতির লক্ষণ দেখেছেন, বরং ইসলাম সম্পর্কে বিধর্মীরা জানার জন্য আরো ব্যাপক আগ্র দেখাচ্ছে। ইসলাম তো এই নয় যে ফুঁক দিলে উড়ে যাবে, ইসলাম হলো সেরকম একটি ধর্ম যার আইন কানুন সীসাঢালা প্রাচীর, এটি বঙ্গ করার ক্ষমতা এক মাত্র আল্লাহ ছাড়া করো আছে কি? থাকলে উপস্থিত করো।
বুঝেছ গোলামের বাচ্ছা গোলাম। বলবেন গালি দিয়েছি। এটি গালি হলো কেমনে করে প্রমাণ করুন?
বিনীত।

রংধনূ বলেছেন: তুই চুপ থাক নাস্তিকের বাচ্চা।

িট.িমম বলেছেন: বিরাট ইসলাম বিশারদ, হইয়াগেছেন নাকি ভাইজান?
আবালের ও ত একটা রকম আছে আমনেরেত কোন রকমের মধ্যই ফালাইতারতাছিনা।
আমনের জন্য মাইনাছ।

এম রাসেল বলেছেন: ওই ব্যাটা ফালতু! বদমাইশ! ইবলিশ শয়তান কি তোর বাপ লাগে...? মহাগ্রন্থ নিয়া বাজে ব্লগ লিখচছ কেন.......। হনুমান অজাত(হুমায়ুন আজাদ) এর ভূতে তোরে পাইছে.....?

এম রাসেল বলেছেন: তোরে আজীবনের জন্য মাইনাস। মুনাফেকের বাচ্ছা হনুমান। মাইনাস....মাইনাস........মাইনাস.........,............,...........,....................

বাশিওয়ালা বলেছেন: ম জ খচ্চর।চুৎমারানি ইসলাম বিশারদ হইচো ? তোমার পোষ্টে কমেন্ট করতে হইলে তো দেহি গোসল কইরা আইতে হইবো।তুমি হালাই কোরবানির গরু জমা কইরা গরুর ফার্ম দাও....

সফটকোন আইসক্রীম বলেছেন: তা ঠিক।।।।। আমি তুমার সাথে একমত।।।
আর এ বিষয়েও একমত যে,, ইসলামে যদি এসব কাজ অবৈধ হইয়া থাকে তাহলে তুমার "জন্মটাও" অবৈধ।
কি মিয়া,,, তুমারে ব্যাপক খুশী লাগতাছে কথাটা শুইনা।
যাও, এবার তুমার ওই মার্কা মারা জ্ঞান লইয়া এই িবষয়টা প্রমাণ করো।।।।।।
প্রমাণ হইলে দয়া কইরা পোস্ট করো।................

শিপু ভাই বলেছেন: ওরে হারামী!! X(
ভন্ডামীর আর জায়গা পাওনা!! X((
তুমি একলাই বেবাক বুইজ্যা ফালাইছ
আর সবাই বেকুব!!
যা ভাগ X((
তুই মনে হয় ফারুক৫৫ এর গু পাড়াইছস!! =p~ =p~ =p~

চে গুয়েভারা ২ বলেছেন: ভাই আল্লাহ ভালো জানেন। তবে এই লেখকের পাসায় একটা ক্যইসা লাত্তি মারতে ইচ্ছা করতেছে...
দেওানবাগী গরুচোর এর চামচা, আমার জুতা মুছার গামছা...।
{বি.দ্রঃ অনেক মুসল্মান জা পসন্দ করেন আল্লাহ তা পসন্দ করেন।।
এই ব্যাপার টা মনে হয় মোল্লা ভাই জানেন}



আপনারা যারা গালি দিয়েছেন, তাদের কাছে জানতে চাই, এই গালাগালি করে ইসলামের কী উপকার হয়েছে ? নাকি তার বিপক্ষে যুক্তি দিয়ে তার মতামতকে মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারলে ইসলামের উপকার হত ?

এই মন্তব্যের কারণে আপনার জঘন্য গালাগালি খাওয়ার জন্য আমিও মানসিক প্রস্তুতি গ্রহণ করলাম।



১৩| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:১০

স্বপ্নরাজ বলেছেন: মালু নিক গুলো খুশীতে ব্যপক বগলবাজাইতেছে......

লেখক হইতেছে কোরআনের ব্যখ্যাকারী... বিশ্বের তাবৎ জ্ঞানীগণ এ্তোদিন কোরআন বোঝেন নাই....

মুসলিম নিক অনেক হিন্দুই ব্যবহার করছে নিয়মিত.....বিকৃতি আর কাকে বলে......

১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:০৯

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. আপনার ধারণাটা একেবারে ফেলে দেয়া যায় না।
২. আপনি তো আর ৭ম শতাব্দির লোক নন।
৩. যে কোরানের উপর আপনার বিশ্বাস সেই কোরান দিয়েই তো দর্শণটি প্রতিষ্টিত। ভুল হলে এই কোরান দিয়ে প্রমান করুণ।
৪. সাধারণ বিবেকসহ কোরানিক জ্ঞান থাকলে কি কেহ অসুস্থ মগজী আচরণ করে?
৫. আল্লাহ প্রণীত বিধি বিধান নিয়ে একক পরিবারের যে মানুষগণ ঝগড়া-ফাছাদ, অসভ্য, অশ্লীল গালিগালাজ করে! কোরানের আলোতে তারা বিভ্রান্ত।
৬. বিশ্বের তাবত জ্ঞানীগণ বুঝলো কি বুঝলো না! তা কোরান দিয়েই প্রমান করা যায়। কারণ কোরান ফোরকান=সত্য-মিথ্যা পার্থক্যকারী; কোরান মিজান=ন্যায় অন্যায় পরিমাপক; যা আপনার হাতেই।
৭. কোরানের উপর মাত্র এটুকু বিশ্বাস থাকলে সে আর আপত্তিকর, অশ্লীল প্রশ্নবোধক ভাষা বাক্য ব্যবহার করতেন না।
৮. আপনার ঐ হালকা যুক্তি দেড় বিলিয়ণ শিয়া, সুন্নী, কাদিয়ানী, য়োহাবী ব্যতীত অন্যদের উপর প্রয়োগ করে দেখুন, উত্তর কি পান?
৯. হিন্দু, শিয়া, সুন্নী, কাদিয়ানী খৃষ্টান, ইহুদি যেই হোক না কেন বিশ্বস্থ য়ো সত কর্মীরাই মুসলিম (আদর্শ, নম্র, ভদ্র, বিশ্বস্থ) এবং সৃষ্টির শ্রেষ্ট। (২: ৬২; ৫: ৬৯)। আয়াতদ্বয় কি বিশ্বের আলেমগণ জানেন্না?
১০.ধর্ম-কর্মের বিনিময় অর্থ, মজুরী গ্রহণ হারাম, যারা খায় তারা পেটে আগুন ভরে। কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সাথে কথা বলবেন না। পবিত্রয়ো করবেন না। তাদের জন্য আছে কঠিন আজাব। (২: ১৭৪)। আয়াতটি কি তারা জানেন?
১১. কোরান বুঝলে তারা কি করে আল্লাহ/রাছুলের `মুসলিম' খেতাব ত্যাগ করত শিয়া/সুন্নী হানাফি/হাম্বলি, কাদিয়ানী মুসলিম নাম ধারণ করে??? যা রাছুল স্বয়ং এবং তার ঘনিষ্ট ছাহাবাগণ ছিলেন না।
বিনীত।

১৪| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৪:০৯

বৈকুন্ঠ বলেছেন: @ শিপু চান্দু,,,,, তোমার মতন ছাগ্লা ব্লগে অনেক আইতে যাইতে দেখসি। তোমার বাপেও তোমারে ভাই ডাকে নাকি ছাগল? তোমাদের মতন ছাগলের সংখ্যা দেশে অনেক, কাজেই ব্লগেও তোমাদের উপস্থিতি থাকবো, এতে অবাক হৈবার কোনো কারন নাই। ঘরের দরজা লাগায়া পিসির সামনে বৈসা যারে তারে হুমকি ধামকি দেওয়া তোমার মতন ছাগলদের একটা কমন এক্টিভিটি। আমার সামনা সামনি হৈলে এত বীরত্ব দেখাইতে পারবানা এইডা জাইনা রাখো

আপাতত ব্লগ ব্যাবহারের নিয়মাবলি মাইনা চলার চেস্টা করো। খালি জংগীবাদের বই পড়লে এই নিয়মাবলি পাইবানা

১৫| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৪৭

শিপু ভাই বলেছেন: হায় আল্লাহ! বৈকুন্টের কতা শুইনা ভয় খাইছি! আমার কি হপে??( ব্যাপক ভয় পাওয়ার ইমো হইবে)

আমিতো পিসির সামনে বইসা থাকি- তুমিতো পারলে পিসির ভিত্রে ঢুইক্কা যাও। তুমিওতো এইখানেই ল্যাদাও।
তোমার কাছেতো মুসলিম মানেই ছাগল।

চতুর্থ শ্রেনীর ব্লগার। মানুষ হিসাবে আগে আছিলাম ভালোয় মন্দে মিলানি, এখন খুব খারাপ, এক্কেবারে জঘন্য।
এমুন সত্য কতা কওনের লাইগা তোমারে ধইন্যা।






১৬| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:০৭

ফাহিম আহমদ বলেছেন: @ শামীম ভাই, আপনি এক তরফা কথা টানলেন,,,,,,

একজন নাস্তিককে কোন যুক্তির দ্বারা বুঝানো আমার মনে হয় ইহ জীবনে কারো সম্ভব নয়। আপনি যতই যুক্তি দিয়ে বুঝান, তারা তার বিপরীত চলবেই-চলবে। সতরাং তাদের কাছে কোন যুক্তি বুদ্ধি দিয়ে বুঝনো একবারে বেহুদা কাজ,। আপনি বললেন মুসলমানরা প্রশ্ন গুলোর উত্তার না দিয়ে শুধু গালাগালি করে যাচ্ছে। বাহ্ আপনার তুলনা হয়না, যখন নাস্তিকরা মুসলমানে ধর্মীয় গ্রন্থ, নবী-রাসুল-মসজিদ -মাদ্রাসা নিয়ে যে হারে কু-রুচিকর মন্তব্য করে তখন আপনি কোথায় অবস্থান করেন,,,? নাকি চোখে কালো চশমা লাগিয়ে দেন তখন?

মানুষের মন এক, চিন্তা করে আরেক.......। দূর্ভাগ্য।

১৭| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১০ ভোর ৫:৫৫

স্প্যারতুহিন বলেছেন: শামীম ভাই বললেন যে এই ধরণের পোস্টে মুসলিমরা কেবল গালি দেয়। গালি দেয়া আমি নিজেও পছন্দ করিনা। কিন্তু এই গালি কোথেকে আসে তা কি একবার ভেবে দেখেছেন? আপনার নামটা মুসলিমের মতই শোনায় যদিও আপনি তা নন।আপনি নিজেই বললেন যে আপনি কুরআন বিশেষজ্ঞ নন। বিশেষজ্ঞ হওয়ার চেয়ে মৌলিক বিষয়গুলো জানা বেশী জুরূরী। আর এগুলো মানুষ ছোটবেলায় পরিবারেই শিখে থাকে।

এবার আসল কথা বলি।প্রতিদিনই ব্লগ খুললেই ইসলামের পোস্টমর্টেমকারী পোস্ট দেখা যায়।সেই তুলনায় অন্য ধর্ম বা আদর্শের পোস্টমর্টেম কয়টা দেখা যায়? আসলে মুসলিমরা এসব দেখতে দেখতে বিরক্ত হয়ে গেছে। সেন্টিমেন্টে আঘাত লাগে বলেই মানুষগুলো গালি দেয়, গালি দেয়ার ব্যাপারটা আদর্শিক না।তবুও আমি এসব গালি খেলা পছন্দ করি না। কিন্তু আপনারা কি করেন যখন মুসলিমদের বিশ্বাস,সংস্কৃতি নিয়ে অন্যরা বালখিল্য করে,তখন কোথায় যায় আপনাদের ন্যায়ের বাণী। আসলে আপনারা তখন পর্দার আড়ালে থেকে হায়েনার হাসি হাসেন।
আমি এদিক থেকে ফাহিম ভাইয়ের ১৬ নং কমেন্টের সাথে সহমত পোষণ করি।

আরেকটা দৃষ্টিকটু ব্যাপার হল আপনি কে কি গালি দিল তার একটা হিটলিস্ট দিয়েছেন।এটা কি আগুনে বাতাস দেয়ার মত হল না? যারা পোস্ট পড়বে তারা কমেন্টও পড়বে। আপনি সংকলিত গালিসমগ্র প্রকাশ না করলেও চলত। এর চেয়ে ভালো হবে সংকলিত প্রেমের কবিতাসমগ্র প্রকাশ করুন,বাজারে ছাড়ুন।ইন্টারনেট থেকে .pdf নামিয়ে পড়ব না,বাজারে গিয়ে আসল কাগজের বই কিনব,গ্যারান্টি। সংকলক হিসেবে আপনি অবশ্যই রয়্যালিটি পাওয়ার কথা।সত্যি বলতে কি আপনার মত সিনিয়র ব্লগারদের কাছে আমরা নবীনরা আরও ইতিবাচক কিছু আশা করি।যাই হোক, ভালো থাকবেন, আমার আল্লাহই আপনাকে ভালো রাখবেন।

আর বাসার ভাই,আপনাকে আমার বিশেষ কিছু বলার নাই।শুধু জানতে ইচ্ছে হয় এই গবেষণা? কবে থেকে শুরু করলেন? কুরবানী অনেক পরের বিষয়,এটা নিয়ে অন্যদিন কথা হবে।কিন্তু আপনি হ্বজের কথা কি বললেন এটা। হ্বজ অবৈধ?? কিতাব একটু পরে দেখেন,আগে আমার একটা প্রশ্নের জবাব দেন। আপনি কি বিশ্বাস করেন যে রাসুল্লালাহ(সঃ) সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী? যদি করে থাকেন তাহলে আপনার অবশ্যই উচিত হবে তাঁর বাণী বিশ্বাস করা কারণ সত্যিকার নবীরা মিথ্যা বলেন না।যদি বিশ্বাস করেন তো এবার চলুন দেখি কি ঘটে?

আমি এখানে ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করছি,ধর্মের কথা পরে আসবে।

নবীজি(সঃ) ওফাতের পূর্বে কাবাঘরে হ্বজ করেছিলেন আর হ্বজ শেষে আরাফাহ্ ময়দানে সমবেত উম্মাতের উদ্দ্যেশে ভাষণ দিয়েছিলেন যা ইতিহাসে "বিদায় হ্বজের ভাষণ" নামে পরিচিত। এই ভাষণের সত্যতা এবং গুরুত্ব ইতিহাস দ্বারা স্বীকৃত এবং সকল বিতর্কের উর্ধ্বে। এই ভাষণের দ্বারাই প্রমাণিত হয় যে নবীকরিম(সঃ) সশরীরে উপস্থিত থেকে হ্বজ সম্পাদন করেছেন। স্বয়ং নবী যেখানে হ্বজ করলেন সেখানে আপনি বলতে চান হ্বজ অবৈধ? আপনি কুরআনের বিভিন্ন আয়াতের অপব্যাখ্যা করে বলতে চান হ্বজ অবৈধ?? যে নবীর উপর কুরআন নাযিল হল তিনি নিজেই হ্বজ করেছেন আর অন্যদেরও করতে বলেছেন। আর আপনি কি বলেন? বড়ই সেলুকাস। এর মানে কি দাঁড়ায় আপনি কুরআনের মহা গবেষক? হয়ে গেলেন। যে নবীর হাত হয়ে কুরআন আপনার হাতে এল আপনি কি কুরআনকে তাঁর থেকে বেশি চেনেন,জানেন। নাকি নবীকে নিয়ে আপনার কোনো সন্দেহ আছে।যদি সন্দেহ থেকে থাকে তবে আপনার ঈমান আর আপনার সাথে নেই,উড়ে গেছে। কেননা রাহুল্লালাহ(সঃ) এর নব্যুওয়াত নিয়ে যে ব্যক্তি সন্দেহ করে সে নিঃসন্দেহে কাফির।আপনি কি??

আবার বলে বসবেন না তো বিদায় হ্বজের ঘটনা সত্যিনা!! আগেই বলেছি বিদায় হ্বজের ঘটনা একটি ঐতিহাসিক ধ্রুব সত্য। যাচাই করে দেখতে পারেন,না ধর্মগ্রন্থে নয় ইতিহাসের পাতায়। কারণ ইতিহাসের কথার অপব্যাখ্যা করার সুযোগ কম,ধর্মগ্রন্থ সবাই না পড়লেও ইতিহাস কমবেশি সবাই পড়ে।

আপনি যদি নিজেকে মুসলিম দাবি করেন তাহলে হ্বজ সম্পর্কে করা আপনার অপব্যাখ্যা কোনভাবেই টেকাতে পারবেন না।আর যদি যুক্তি না বুঝে গোঁড়ামী অব্যাহত রাখেন তাহলে বুঝতে হবে আপনি পথভ্রষ্ট।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ৯:৫৪

ম জ বাসার বলেছেন: স্প্যারতুহিন, ছালাম।
’ধৈয্যশীলতা’ মুসলিমদের অন্যতম গুণ।এজন্যই আপনার পত্রের জবাব দিতে ইচ্ছা হলো। অবশ্য বর্ণিত প্রত্যেকটি বিষয়ের উপর একাধিকবার জবাব দেয়া হয়েছে; তবু কেন বার বার একই প্রশ্ন করা হয়! তা জানা আছে বলেই বার বার উত্তর দেয়া হয়। এবারে খুউউব মনোযোগসহকারে শুনুন:
ক. ধর্ম বিশ্বাস ব্যক্তিগত বিষয়। তাই বলে কোরান ব্যক্তিগত/বাপ-দাদা/ পরিবারগত উপার্জিত ধন সম্পদ নয়। উহার উপর আস্তিক/নাস্তিক/হিন্দু/ শিয়া/সুন্নী/খৃষ্ঠান/ইহুদি/পেৌত্তলিক/শিখ/বৌদ্ধ/ ঘুষখোর, জেনাকারী, চোর, ডাকাত ৭ বিলিয়ণ মানুষের সমান সমান অধিকার(সুত্র: কোরান বিশ্ব মানবের)। এই সমান অধিকারের প্রশ্নে স্ব পয়সায় যে যে ভাবেই ব্যবহার করুক! তার উপর অন্য কারো কিছু বলার বা করার অধিকার নেই। কারণ আল্লাহ ছাড়া আর কেহই কোরানের রক্ষক/সংরক্ষক মালিক নয়। হেন ঘোষনা অস্বীকার করে যারা আল্লাহর কর্তৃত্তের উপর নাক গলায় তারা সেই কোরানের আলোকেই শিরকী অপরাধী হেতু ঐখান থেকেই অশ্লীল, অসভ্য, নিম্ন জাতের ব্যবহার আসে। যুক্তি গ্রহণ করুণ: এ কোরান কাউকে পথ দেখায় আবার কাউকে পথ ভ্রষ্ট করে। সুতরাঙ স্ব পকেটের পয়সায় কোরান গ্রন্থ, মসজিদ-মন্দির, ছাগল, গরু, গাছ পাথর, চাউল-ডাইল কিনে কে কি করলো! কোথায় রাখলো! প্রধানত এ বিষয় কাফের ব্যতীত অন্য কেহ মাথা ঘামাবার সুযোগ নেই। এবারে নিশ্চিত হোন যে গালি আসে গালির গোডাইন অপ্রকৃতিস্থ, অসভ্য, অশিক্ষিত, অজ্ঞানন্দ ধুম্রবিহীন দোযখ থেকে। মিষ্টি মধুর, অসীম শক্তিশালী পরম সত্যের যুক্তি, প্রমান, দর্শন আসে শান্তি-সুধার (ইসলাম) গোডাউন জান্নাত থেকে। আজব বিষয় হলো ঐ দুটির অবস্থান একই জায়গায়, যেমন জীবন-মৃত্যুর বাস একই কেন্দ্রে; যেমন কান্না হাসির উতপত্তিরস্থল একই বিন্দু।
খ. জাতিগত, জন্মগত, নামগত, চেহাড়া-ছুরাতগত, দাড়ি-পোষাকগত, পরিবারগত, দাবিগত মুসলিম হয়োয়ার সুযোগ কোরানে নেই। আলাপ-আচরণ, কথা-বার্তা, চাল-চলন; বিশ্বাস, ধৈর্য-জ্ঞান, ভদ্র, নম্র, আদর্শ, অমায়িক ব্যবহার য়ো সু-কর্মে মুসলিমত্ব অর্জন করতে হয়।(দ্র: ২: ৬২; ৫: ৬৯; ৯৮: ৭)। যারা অর্জন করতে পারে তারাই জাতি ধর্ম, বর্ণ, ভাষা নির্বিশেষে সৃষ্টির শ্রেষ্ট; তাদেরকেই আরবিতে মুসলিম বলে, বাঙলায় আর্য বা আদর্শ, ইঙরাজীতে নোব্‌লম্যান।
গ. কোরান শিখতে ৩০ পারা কোরান গ্রন্থ পড়া বা মুখস্থ করার দরকার নেই। কোরান বুঝতে ২টি জিনিষ দরকার। ১. সত্য-মিথ্যা পার্থক্য করার ক্ষমতা অর্জন ইহাই ফোরকান বা কোরান। ২. ন্যায়-অন্যায়, ভাল-মন্দ, বিচার-অবিচার, কল্যাণ-অকল্যাণ, আদর্শ-অনাদর্শ ইত্যাদি বুঝার ক্ষমতা অর্জন এবঙ ইহাই মিজান বা ফোরকান অর্থাত কোরান; যা এই কোরান গ্রন্থেই স্বীকৃত লেখা। এক্ষণে আপনার লেখা বনাম শামীম ভাইর লেখা আপন আপন হৃদয়ের ফোরকান/মিজান দিয়ে যে কেউ নিরপেক্ষ বিচার করলেই বৃঝা যাবে শামীম ভাইর হৃদয়ে কতটুকু কোরান আছে আর তুহিনভাইর হৃদয়ে কতটুকু মিজান আছে।
ঘ. ইসলাম সম্বন্ধে শিয়া, সুন্নী, হানাফি পরিবারে যা শিখায় তা মানুষ রচিত শরিয়ত! কোরান নয়, ইসলাম নয়। উহার সত্যাসত্য নিজেই পরীক্ষা করতে পারেন: আপন ভাষায় কোরান গ্রন্থ পড়ুন আর বাপ-দাদার পারিবারিকভাবে যা করছেন তা পরখ করে নিন।
উপমা স্বরূপ: মজ বাসার আপনার ঘরেই রক্ষিত কোরানের আলোকে প্রচলিত হজ্জ, নামাজ, রোজা, কোরবানী, শিয়া, সুন্নী, হানাফি ইত্যাদি ভুল, অন্যায়, কুফুরী, অমুসলিম, অনিছলাম প্রমানের পর প্রমান করে যাচ্ছে (নিজের নয়) পক্ষান্তরে আপনারা বাপ-দাদার দোহাই দিচ্ছেন। আপনাদের বিরুদ্ধে আপনার স্বীকৃত কোরান গ্রন্থের সাক্ষি প্রমান দেখুন:
যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তা তোমরা অনুসরণ কর’; তারা বলে ‘না না বরং আমরা আমাদের বাপ-দাদাদের যাতে পেয়েছি আমরা তাইই অনুসরণ করি।‘ এমন কি, তাদের বাপ-দাদাগন যদিয়ো কিছুই বুঝে না এবঙ তারা সত পথেয়ো পরিচালিত নয়, তবুয়ো (তাদের অনুসরণ করবে)?
উক্ত আয়াতটি বুঝার জন্য কোন ইমাম-আলেম বা বাপ-দাদাদের কাছে যান তারা সংগে সংগে বলবে: দুরো মিয়া! ঐ কথা ১৪শ বছর আগে আরবি নাছার-পৌত্তলিকদের বলা হয়েছিল, আমাদেরকে বলা হয়নি! আমরা তোমরা সুন্নী হানাফিরা নই। নিশ্চিত থাক ৭২/৭৩ দলের মধ্যে আমরাই বেহেস্তী বাকি সব দল-উপদল দোযোখী। মজ বাসার কাফের ছাড়া আর কিছুই না। সে কোরানের অপব্যাখ্যা করছে। মজার কথা ৭২/১০০ দলের যার কাছেই যাবেন সেইই ঐ একই দাবিটি করে আত্ম অহং আর কাল্পনিক বেহেস্তের দাবিদার হবে।
অতএব একই জাতের একের দৃষ্টিতে অন্যে কাফের, মুনাফেক তথা দোযখী। মুলত আমরা যে সকলেই কাফের, মুনাফেক তা এই সকলের স্বীকৃত কোরানই সাক্ষির জন্য যথেষ্ট:
১. তোমরা দল-উপদলে বিভক্ত হইয়ো না, আল্লাহর রজ্জু (কোরান) মজবুতভাবে আক্রে থাকো। (৩: ১০৩)
২. তোমরা তাদের মত হইয়ো না যাদের কাছে স্পষ্ট নিদর্শন আসার পরো দল-উপ দলে বিভক্ত হয়েছে। (৩: ১০৫)
৩.যারা নিজদের ধর্মে মতভেদ সৃষ্টি করত দল-উপদলে বিভক্ত হয়েছে তার নিজ নিজ দল নিয়েই খুশী রয়েছে। (৩০: ৩২)
৪. ‘যারা ধর্ম সম্বন্ধে না না মতের সৃষ্টি করে দল-উপদলে বিভক্ত হয়েছে, তাদের উপর তোমার কোনই দায়িত্ত্ব নেই, তাদের বিষয় আল্লাহর এখতিয়ারভূক্ত; আল্লাহ অবশ্যই তাদের কৃত-কর্মের জবাবদিহি করবেন। ৬: ১৫৯)
অর্থাত যারা শিয়া, সুন্নী, হানাফী, কাদিয়ানী, য়োহাবী ইত্যাদি দল-উপদলে বিভক্ত হয়েছে তাদের উপর রাছুলের কোনাই দায়িত্ব নেই। সুতরাঙ এই কোরান তাদের নয় বরঙ তারা মানেয়ো না। মানে অঘোষিত য়োপেন সিক্রেট ২ নম্বরী নবি-রাছুল বোখারী/মুসলমি, তিরমীজী প্রভৃতিদের।
সুতরাঙ এতক্ষণ যা বলা হলো তা আপনি সুন্নী হানাফি বা হাম্বলী বা য়োহাবী বা হাদিছী মুসলমান হলে অবশ্যই মানবেন না। আর আপনার যুক্তি দিয়েয়ো খন্ডন করার ক্ষমতা আপনাদের নেই, যেহেতু কোরান। অগত্যা অশ্লীল, অসভ্য ব্যবহার সন্ত্রাসী অস্র আপনাদের শেষ এবঙ চুড়ান্ত সহায়।
যাহোক ব্রাদার! আপনার পূর্ণ লেখা সমালোচনা করতে গেলে একটি বিশাল বই হয়ে যাবে। এবঙ সে বইটি পূর্বেই লিখে রেখেছি: ‘কোরান বনাম শরিয়ত।‘ আশা করি এটুকুতেই আপনার মূল বিষয়বস্তু পেয়ে যাবেন। আর না পেলে আগত প্রতিবেদনগুলি লক্ষ্য করুণ। এবঙ জবাব দিতে হলে অবশ্যই কোরানিক যুক্তি, প্রমানসহ জবাব দিবেন। অন্যথায় উত্তর দেয়া নিশ্চিত নয়।
বিনীত।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১০:২৪

ম জ বাসার বলেছেন: স্প্যারতুহিন, ছালাম।

আর বাসার ভাই,আপনাকে আমার বিশেষ কিছু বলার নাই।শুধু জানতে ইচ্ছে হয় এই গবেষণা? কবে থেকে শুরু করলেন? কুরবানী অনেক পরের বিষয়,এটা নিয়ে অন্যদিন কথা হবে।কিন্তু আপনি হ্বজের কথা কি বললেন এটা। হ্বজ অবৈধ?? কিতাব একটু পরে দেখেন,আগে আমার একটা প্রশ্নের জবাব দেন। আপনি কি বিশ্বাস করেন যে রাসুল্লালাহ(সঃ) সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী? যদি করে থাকেন তাহলে আপনার অবশ্যই উচিত হবে তাঁর বাণী বিশ্বাস করা কারণ সত্যিকার নবীরা মিথ্যা বলেন না।যদি বিশ্বাস করেন তো এবার চলুন দেখি কি ঘটে?------

১. কোরান সম্বন্ধে অন্তত মৌলিক ধারণা বা বিশ্বাস না থাকলে ধর্মালোচনায় সুফল ব্যতীত কুফলই বয়ে আনে। কারণ কোরান বলে কোরান/অহি অনুযায়ী যারা বিচার-মীমাংশা করে না তারাই কাফের, ফাছেক জালিম। ( ৫: ৪৪-৪৭)
২. প্রতিবেদনটি ভালো করে বুঝুন। সেখানে বলা হয়েছে প্রচলিত হজ্জ কোরানের আলোতে অবৈধ। কোরানের আলোতে একজন হাজি সৃষ্টির শ্রেষ্ট। শিরোনাম দেখেই মন্তব্য করা অনুচিত।
৩. শেষ নবি বিষয়টা অপ্রাসংগিক। কোরান বলে না মুহাম্মদ শেষ নবি। পরে ঐ সম্বন্ধে বিশদ আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। আগে প্রচলিত শরয়িতী হজ্জ/কোরবানী কোরান দিয়ে বৈধতা প্রমান করুণ।
৪. ২/৩শ বছর পরে বোখারী, মুসলিমদের লেখা কথা নবির কথা বলে যারা বিশ্বাস করে তারা বোখারী মুসলিমদেরই উম্মত, রাছুলের উম্মত নয়।
৫.রাছুলের উম্মতকে মুসলিম বলে পক্ষান্তরে ইমাম, ইমাম বোখারী মুসলিমদের উম্মতদেরকে সুন্নী হানাফি/শাফি, হাম্বলী মুসলিম বলে। আমরা সুন্নীরা মূলত নবি বংশ খুনকারী এজিদের বংশধর।

বিনীত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.