| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
২৪-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে যখন শেখ হাসিনা মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন, তখন একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ হিসেবে হাসানুল হক ইনুর দায়িত্ব ছিল উত্তেজনা প্রশমনে ভূমিকা রাখা এবং পরিস্থিতিকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করা। কিন্তু, তিনি সে পথ অনুসরণ না করে গুম ও হত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনা ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে নিজেকে গুরুতর অপরাধের অংশীদার করেছেন।
আদালত তিনটি পৃথক মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুকে প্রতিটি অপরাধের জন্য ১০ বছর করে মোট ৩০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করলেও, সাজাগুলো যুগপৎ (একই সঙ্গে) কার্যকর হওয়ায় কার্যত তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আমার দৃষ্টিতে, অপরাধের গুরুত্ব ও প্রকৃতি বিবেচনায় এই শাস্তি তুলনামূলকভাবে লঘু। অনেকের মতো আমিও মনে করি, অপরাধের সঙ্গে শাস্তির সামঞ্জস্য এখানে পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি। গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তি যদি অপরাধের গুরুত্বের তুলনায় কম হয়, তবে তা ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত বার্তা নাও দিতে পারে।
অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় হাসানুল হক ইনুর সাজা ৩০ বছরে কার্যকর করার লক্ষ্যে আইনসম্মত আপিল বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা যুক্তিযুক্ত বলে মনে করি। এই রায় সম্পর্কে আপনার মতামত কী তা কমেন্টে জানাতে পারেন।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১:১৮
মাথা পাগলা বলেছেন: ইনু সাহেব দেশপ্রেমিক। রাজাকার-জামাতদের ব্যান করতে চেয়েছিলেন বলেই উনারে রাজাকারদের আদালত ১০ বছরের জেল সাজা দিয়েছে।