| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রিয়াদুল ইসলাম নামের বুয়েটের এক নতুন গ্র্যাজুয়েট ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশায় আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে বলে জানলাম। একজন অতি সম্ভাবনাময় তরুনের এভাবে চলে যাওয়া মেনে নিতে সত্যিই কষ্ট হয়।
এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বুয়েট এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে বড়ভাই হিসেবে কিছু পরামর্শ দিচ্ছি। কেউ যেন আবার মনে না করেন এ লেখার মাধ্যমে আমি বিদেশ চলে যেতে ইঞ্জিনিয়ারদের উদ্বুদ্ধ করছি।
নিজের অভিজ্ঞতা হতে দেখেছি, যাদের কানেকশন আছে তাদের জন্য বাংলাদেশে চাকুরী পাওয়া কোন ব্যাপার না। যাদের সে সুযোগ নেই তারা ইঞ্জিনিয়ারিং জব শুরুতে না পেলে টিউটোরিং করতে পারো, এবং একইসাথে, চাকুরীর খোঁজ নিতে পারো। ড্রিম জব পাবার অপেক্ষা না করে শুরুতে যা পাও তা গ্রহণ করো। তোমার হাত-পা কেউ বেঁধে রাখেনি, তাই, পরে আরো ভালো চাকুরীর চেষ্টা করতে পারো। এভাবেই ধীরে ধীরে আমি নিজেও এগিয়েছি।
বলতে দ্বিধা নেই, ৯১ শতাংশ অসৎ চাকুরীজীবির বাংলাদেশে সৎভাবে চাকুরী করলে ভিখারির জীবন বেছে নিতে হবে, যে বিবেচনায় আমি নিজেই সরকারি চাকুরী ছেড়ে দিয়েছিলাম। উত্তরাধিকারসূত্রে বা অন্যভাবে মোটা দাগের অর্থকড়ি পেলে তাদের প্রসঙ্গ আলাদা।
মোটা বেতনে চাকুরী, বা পড়াশোনার সুযোগ পেলে, ডালপালা মেলার আগে, কম বয়সে দেশ ছেড়ে যাও। পরবর্তীতে হাতে কিছু টাকা জমলে স্বপ্নের কোন দেশে ইমিগ্রেশনও নিতে পারো। দেশে থেকে দশকের পর দশক ঘুষ-দুর্নীতিতে ডুবে থাকার চেয়ে বিদেশের সৎ, স্বচ্ছ, খেটেখাওয়া জীবন তোমাকে সত্যিকারের আনন্দ দেবে। কেননা, জীবনে অঢেল অর্থবিত্তের মালিক না হলেও তোমার বিবেক কখনো তোমাকে চোর বলে সাক্ষ্য দেবেনা।
ফেইসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় কে হাতিঘোড়া মারছে তা দেখে মন খারাপ করো না। কারন, ওসবের বেশিরভাগই ফেইক। যেমন, আমি কয়েক পুরুষকে ব্যক্তিগতভাবে জানি যারা পরকীয়ায় জড়িত; তারপরও, 'ভালোবাসা' বুঝাতে বিবাহবার্ষিকীতে স্ত্রীকে নিয়ে ফাটাফাটি রকমের ফেইসবুক পোস্ট দেন।
কোনোকারণে হতাশা বা ডিপ্রেশন পেয়ে বসলে দেরি না করে সাইকিয়াট্রিষ্টের (মনোরোগ বিশেষজ্ঞ) পরামর্শ নিতে হবে অতি-অবশ্যই। চিকিৎসা ব্যবস্থায় আস্থা হারালে চলবেনা। শরীরের সমস্যার যেমন চিকিৎসা সম্ভব, মনের অসুখেরও চিকিৎসা আছে। আমার বাবা বলতেন, 'জীবনে মরে যাওয়া খুবই সহজ, বেঁচে থাকায় যত কৃতিত্ব।' আমিও সেই একই কথা বলছি।
[ছবিতে মরহুম রিয়াদুল ইসলাম। পরম করুনাময় যেন তাকে ক্ষমা করেন।] 
২৮ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৪২
এমএলজি বলেছেন: তার আশপাশের মানুষ থেকে খোঁজ নিয়েই এ লেখা লিখেছি। তাছাড়া, আপনি যা জানেন তা অন্য সবাইও জানেন মনে করা উচিত কি?
২|
২৮ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৫৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: 'জীবনে মরে যাওয়া খুবই সহজ, বেঁচে থাকায় যত কৃতিত্ব।'
.....................................................................................
পরিবেশ ও দেশ ভেদে এই মানসিক অনুভব ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে ।
ডিপ্রেশন তখনই আসে, যখন মন ও দেহের স্বাভাবিক কার্যক্রম
গুলো বিষ ক্রিয়ায় অচল হয়ে পড়ে ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:১২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বুয়েটের একজন শিক্ষার্থী যদি হতাশায় আত্মহত্যা করে, তাহলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কী করা উচিত? আপনি যে ক্যারিয়ার–বিষয়ক আলোচনা করছেন, সেসব বিষয় ওই শিক্ষার্থীর অজানা থাকার কথা নয়। প্রকৃতপক্ষে তিনি কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন, তা কেবল তাঁর আশপাশের মানুষই জানেন।