| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান
সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, এ বি সিদ্দিক অপহরণ ও ফিরে আসাকে সাজানো নাটকের মতো মনে হয়। সিনেমার নায়কের মতো ফিরে আসা ও গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দেখলে মনে হয় পরিকল্পনা করে সাজানো।
রবিবার এসএ টেলিভিশনে লেট এডিশনে রহস্যময় অপহরণ শীর্ষক টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সঞ্চালক বিশিষ্ট সাংবাদিক নঈম নিজামের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথম থেকে রহস্যাবৃত। রিজওয়ানাকে নিয়ে আমার অনেক প্রশ্ন আছে। তিনি পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন, আন্দোলন করেন কিন্তু নিজেই তার অনেক কিছু মানেন না। পরিবেশ নিয়ে অনেক পরিপন্থী কাজ করেন। তার স্বামী গার্মেন্ট কোম্পানির সঙ্গে জড়িত। তাকে অপহরণ করা হলো। রাত আড়াইটার সময় ভারতীয় সিনেমার নায়কের মতো ফিরে এলেন।
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান প্রশ্ন রেখে বলেন, তার পকেটে কী কোনো টাকাই ছিল না যে ৩০০ টাকা দিয়ে দিতে হলো অপহরণকারীদের। এ ঘটনায় আমার মনে হয় রিজওয়ানার হাত থাকতে পারে। ঘটনার শুরুতে সুশীল সমাজের যারা পাশে ছিলেন তারা এখন নেই। দেশের জ্ঞানী ব্যক্তিরাও সন্দেহ করছেন।
সাবেক এ সংসদ সদস্য বলেন, পুলিশ নিজেও রহস্য তৈরি করেছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে হাইজ্যাক করা হলো। ঘটনার পরপরই যেখানে সবাই জানল অথচ কয়েক ঘণ্টা তাকে গাড়িতে করে ঘুরানো হলো, ফেরিতে উঠানো হলো, পুলিশ কোনো গাড়ি চেক করল না কেন?
তিনি বলেন, ঘটনার পর রিজওয়ানা অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। সকালে একজনের বিরুদ্ধে, বিকালে আরেকজনের বিরুদ্ধে। ৩৫ ঘণ্টা এ বি সিদ্দিককে চোখ বেঁধে রাখা হলো, তাকে কোথায় রাখা হলো কিছুই বুঝতে পারল না। তিনি সচেতন মানুষ, চোখ বাঁধা থাকলেও একটি ধারণা করা যায়। আমার মনে হয় তার স্বামীকে যদি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাহলে সত্য বেরিয়ে আসবে।
আখতারুজ্জামান বলেন, এতগুলো মাঠ চলে গেল তা নিয়ে পরিবেশবাদীদের কোনো কথা নেই। ধানমণ্ডির একটি মাঠ সুন্দর করছে তা তারা করতে দেবেন না। পরিবেশবাদীরা পানির সংকট নিয়ে কাজ করেন না। কার্যত এরা ভাড়া করা লোক। বিদেশিদের বিশাল অংক আছে পরিবেশের জন্য। তা খরচ করতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের পরিবেশবাদীরা বিদেশে গিয়ে দেশের বিরুদ্ধে কথা বলে ভিক্ষা করেন। তারা আসলে জাতীয় ভিক্ষুক। বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেন। যে দেশে মানুষের খাদ্য নেই, সেখানে পরিবেশ নিয়ে তাদের মাথাব্যথা। ঢাকার ময়লা পরিষ্কার, ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন নিয়ে তাদের কোনো কাজ নেই। কোথায় গাছ কেটে ফেলল, কোথায় বিল্ডিং বানালো এসব নিয়ে কাজ। তারা খনিজ থেকে কয়লা ওঠাতে দিচ্ছেন না। অথচ বেইজিং, তাইওয়ান, হাঙ্গেরিতে ডজন ডজন কয়লা প্রকল্প শহরের কাছে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৪:২২
ঢাকাবাসী বলেছেন: আসলেই রহস্যজনক।