| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কালি কলম দিয়ে কেন লিখি?

কারন ওতে মনটা ভালো থাকে। বিক্ষিপ্ত মনে নেমে আসে স্বস্তির বারিধারা। কালি কলম দিয়ে লেখালেখির কতো বৈচিত্রময় ও কতো রোমাঞ্চকর হতে পারে তা কেবল তারাই উপলব্ধি করতে পারেন যারা এই যাত্রা পথে সামিল হয়েছেন।
কেউ চিকন নিবে সূক্ষ লেখা লিখতে পছন্দ করেন আবার কেউ মাঝারি নিবে লিখতে চান কারন মাঝারি নিবের লেখায় বৈচিত্র আনা সম্ভব। কেউ কেউ স্টাব নিব নিয়েও পরীক্ষা নিরীক্ষা। স্টাব নিব অবশ্য নিয়মিত লেখার জন্য না। মোটামুটি কোন লেখার হেডিং তৈরি করা, বা স্বাক্ষর দেয়া বা আর্টিস্টিক ফর্মে গোটা দু-এক প্যারা লিখে ফেলার জন্যই সাধারনত স্টাব নিব ব্যবহৃত হয়। স্টাব নিবের টিপটা অন্য নিবের মতো গোলাকৃতি নয়, কাটা এবং ভোতা। যাদুটা এখানেই। যখন এই নিব দিয়ে উপর থেকে নিচে টানা হয়, তখ্ন রেখাটা হয় মোটা আবার সেই একই নিব দিয়ে যখন আড়াআড়ি টানা হয়, তখন রেখাটা হয় চিকন। এ্কটানা লিখে গেলে কিছু সময় পর একটা শিল্পকর্ম দাড়িয়ে যায়।
কালি কলমের কালি যে কত শত শত রকমের আছে তার কোন তুলনাই হয় না। আমার মোটামুটি হালকা রংই পছন্দের। এর মধ্যে সবচেয়ে পছন্দের হলো turquoise blue...। দূর্দান্ত একটা রং
কালি-কলম কাহিনী/এই সময়
কালি-কলম কাহিনী
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪৮
অপলক বলেছেন: সর্বোসাকুল্লে হয়ত ১০ দিন লিখেছি সারা জীবনে। মোটা আর ভারি লাগত। কর্নফুলী সবচেয়ে মসৃন কাগজেও লিখতে গিয়ে ফুটা করে ফেলতাম। আমার হাতে কালি কলমের ভবীষ্যৎ অন্ধকার বুঝতে পেরে, বলবেন দিয়ে লিখতে দিয়েছিল। বলপেন আর ফাউন্টেন পেনেই সারাজীবন পার।
ক্লাস থ্রিতে বাবার কিনে দেয়া সেই দামি কালি কলম আর দোয়াত যত্নে রেখেছিলাম। ক্লাস এইটে বৃত্তি পরীক্ষার আগে বের করলাম। দেখি পেন- দোয়াত দুটোই শুকিয়ে নষ্ট। অনেক চেষ্টতেও ঠিক হল না। পরে সেটার কি হল আজ আর মনে নেই।