| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
আজ জাতীয় শোক দিবসের।
জাতির পিতাকে আজকের দিনে স্বপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছিলো। আজ শেখ মুজিবের ৩২ নম্বরের ভাঙ্গা বাড়িতে একজন গিয়েছেন শ্রদ্ধা জানাতে। তার হাতে ফুল ছিলো। তাকে শ্রদ্ধা জানাতে দেওয়া হয়নি। বরং পুলিশ তাকে টেনে হিচড়ে থানায় নিয়ে গেছে। লোকটা তো কোনো অন্যায় করেনি। সে শ্রদ্ধা জানাতে পারবে না? ফুল দিতে পারবে না? এজন্য বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিলো? একজন রিকশা চালক ৩২ নম্বর গিয়েছে, সেই রিকশা চালককে কথিত জুলাই যোদ্ধারা মেরেছে। রিকশা চালকের মোবাইলে শেখ মুজিবের ছবি পাওয়া গেছে, এজন্য রিকশা চালককে ইচ্ছে মতো পিটানো হয়েছে। এটা অন্যায়। অথচ বিএনপি সরকার চুপ। এরকম চলতে থাকলে বিএনপি সরকারের কপালে দুঃখ আছে। ইউনুসের কারনে ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলো। আজ সেই ভাঙ্গা বাড়িতে গেলে, মানুষকে পিটানো হচ্ছে। এত বড় দুঃসাহস দেখাচ্ছে জানায়োর গুলো!
জুলাই যোদ্ধারা মূলত রাজাকার।
রাজাকারের বাচ্চা। এরা এই দেশে জন্ম নিলেও, এদের বাপ পাকিস্তান। ভয়ানক হারে এদের সংখ্যা বেড়েছে। আজ শোক দিবস! মানুষ ৩২ নম্বর যাবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু পুলিশের সামনে রাজাকারের ছানা পোনারা (জুলাই যোদ্ধারা) ইচ্ছে মতো মারছে। এই ভাবে মারার অধিকার এদের কে দিলো? আর পুলিশরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে। দেশে কি কোনো আইন নেই? আজ যারা অন্যায় করছে, এই বাংলার মাটিতে একদিন তাদের বিচার হবে। অন্যায় করে কেউ পার পাবে না। ১৯৭১ এ যারা রাজাকার ছিলো, বহু বছর তাদের বিচার হয়েছে। ১৯৭৫ এ যারা শেখ মুজিবকে হত্যা করেছিলো, তাদেরও বিচার হয়েছে। আজ যারা নির্মম অন্যায় করে যাচ্ছে তাদেরও বিচার হবে। অবশ্যই হবে। দেরি হোক যায়নি সময়। রাজাকার শাবকেরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এই পাকী বীজ গুলো দেশের শত্রু। আওয়ামীলীগ আজ নেই বলে, এরা গর্ত থেকে বের হয়েছে।
কথিত জুলাই যোদ্ধাদের অন্যায়ের নিউজ গুলো পত্রিকায় আসছে না।
এখন সবার হাতেই মোবাইল আছে, আছে হাজার হাজার ইউটুবার- কেউ না কেউ এইসব অন্যায়ের ভিডিও করছে। প্রমান থেকে যাচ্ছে। আজ যারা বুক ফুলিয়ে অন্যায় করে যাচ্ছে, এদের কপালে দুঃখ আছে। এইসব জারজ সন্তানেরা যা মন চায় তাই করছে। তাদের সাপোর্ট দিচ্ছে জামাত শিবির। বিএনপিরও নিরব আশকারা আছে। কিছু কিছু অন্যায়ের ক্ষমা নেই। দেশের সাথে যারা অন্যায় করবে তাদের কোনো ক্ষমা নেই। রাজাকারদের কোনো ক্ষমা নেই। রাজাকার শাবকদের কোনো ক্ষমা নেই। শেখ হাসিনা চলে যাবার পর দেশে একের পর অন্যায় করেই যাচ্ছে। ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দেওয়া, শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলা, শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া মানুষের মারধর করা। এই হারামজাদাদের অন্যায়ের বিচার হবে। অপেক্ষা করো।
আমি রাজনীতি করি না।
কোনো দলের সাপোর্টও করি না। কিন্তু কেন জানি অন্যায়টা মেনে নিতে পারি না। তবে আমি জামাত শিবির এবং জুলাই যোদ্ধাদের ঘৃণা করি। আমৃত্যু ঘৃণা করে যাবো। পুলিশ হত্যাকারী এইসব কথিত জুলাই যোদ্ধারা মূলত লুটেরা। গনভবন থেকে লুট করেছে। জুতোর দোকান লুট করেছে। পত্রিকার অফিস ভাঙচুর করেছে। জামাত কোনোদিন এই দেশকে মাথা উচু করে দাড়াতে দিবে না। তারা বাঙ্গালী জাতিকে ধ্বংস করতে চায়। ধ্বংস করে তারা পাকিস্তান চলে যাবে। একবার ছাত্রলীগ বিশ্বজিত নামের এক ছেলেকে কুপিয়ে মেরেছিলো। সেজন্য আমি ছাত্রলীগের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করেছি। আমি বারবার বলেছি, এমন ছাত্রলীগ চাই না। এদের চির তোরে অফ করে দেওয়া হোক। আজ জামাতের ছানাপোনা যা করছে, এদের বিএনপি থামাবে না। তাদের সেই সাহস নেই। এদের চিরতরে বিদায় করতে দরকার গ্রেট শেখ হাসিনাকে। উনি ছাড়া এদের কেউ লাইনে আনতে পারিবে না। জয় বাংলা।
হৃদয়ের গভীর থেকে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা।
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫
রাজীব নুর বলেছেন: আপনার সমস্যা হলো- আপনি প্রায়ই বেলাইনে চলে যান।
আমার এক শিক্ষক ক্লাশে ঢুকেই বলতেন- বাবারা লাইনে থাকিস।
২|
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪২
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: জাতির জন্ম হয়েছিল গণতন্ত্র পাওয়ার আকাংখায়। সেই গণতন্ত্র ঠিক না থাকায় জাতির কোন কিচ্ছু ঠিক নাই। অন্যায় হবে। বিচার হবে। এভাবেই চলতে থাকবে। তথাপি অন্যায় থামবে না যদি অন্যায়কারীকেই জনগণের একাংশ সমর্থন করে।
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫
রাজীব নুর বলেছেন: জামাত শিবিরকে অফ করাতে পারলেই জাতি সামনে এগিয়ে যাবে।
৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: জামাত শিবিরকে অফ করাতে পারলেই জাতি সামনে এগিয়ে যাবে। এক আগষ্ট জামায়াত নিষিদ্ধ হলো এবং পাঁচ আগষ্ট নিষিদ্ধকারী সরকারের পতন হলো। কিন্তু আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের কোন প্রভাব দেশে পড়েনি। দরিদ্র দেশের দরিদ্র ছাত্রদের লজিং টিউশনি জোগাড় করে দেয় শিবির। অনেকের কর্মসংস্থানেও তারা অবদান রাখে। তাদের নারী শাখা অনবরত নারী সভা করে। তাতে নারীদের খানাপিনা আনন্দ হয়। ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ কি দরিদ্র ছাত্রদের লজিং টিউশনি জোগাড় করে দেবে? মহীলা লীগ ও মহিলা দল কি মহীলা সভা করে মহীলাদের খানাপিনা ও আনন্দের ব্যবস্থা করবে? শুনেছি তারা নাকি তাদের নেতাদের আনন্দের ব্যবস্থা করে। জামায়াত বিয়ের পাত্রপাত্রীর ব্যবস্থাও করে। আবার জাকাতের টাকা তুলে দরিদ্র বেকারদের কাজের ব্যবস্থাও করে। তাহলে আর তারা না বেড়ে কারা বাড়বে বলেন?
৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৫
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: @মহাজাগতিক চিন্তা:
জামায়াতের তো গোড়ায় গন্ডগোল। এরা তো এদের সংকীর্ন রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধার করতে গিয়ে ইসলামি আর্দশই খুইয়ে বসে আছে।
কতটা নিমক হারাম আর নির্লজ্জ বেহায়া যে ৭১ এর ফসল এন আই ডি, পাসপোর্ট আর জন্ম সনদ ব্যবহার করছে যা কিনা একই সাথে জামায়াতি রাজাকারদের পরাজয়েরও প্রতীক। ৭১ মানতে না পারলে এসব ব্যবহার বাদ দিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির অথবা জেনেভা ক্যাম্পে গিয়ে বসবাস শুরু করুক।
ধর্মের ব্যবসা করে মওদুদীকে পীর বানিয়ে ইহকাল পরকাল দুইটাই বরবাদ এই জামায়াতি মওদুদীদের। মওদুদীবাদীদের চোখে দুনিয়ায় এরাই একমাত্র মুসলিম আর বাকিরা এদের ভাস্য মতে “হেদু”।
এদের আব্বা হুজুর খোদ পাকিস্তানেই জামায়াতিদের এখন কোন অস্তিত্ব নেই।
জামায়াতের মতো গাদ্দার যারা,
ব্রিটিশ শাসকদের পক্ষ নিয়ে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনকারীদের সাথে গাদ্দারী করেছিলো,
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে পাকিস্তান আন্দোলনকারীদের সাথে গাদ্দারী করেছিলো,
যারা ৭১ এ বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে গাদ্দারী করেছিলো এবং
সর্বশেষ ২৪ এ ফ্যাসিবাদ বিরোধীদের সাথে গাদ্দারী করেছিলো তাদের ঠেংগানোর জন্য বাকশাল থাকা উচিত ছিলো ন্যূনতম ১o বছর।
আরেকটা কথাঃ
ইদানিং জামায়াতিদের এই প্রশ্ন করতে মুঞ্চায়….
আচ্ছা নবী মুহাম্মদ (সা
বাহিনী তো বদরের প্রান্তরে সশস্ত্র কাফেরদের সাথে বীরের মতো যুদ্ধে করে জয়ী হয়েছিল।
তাহলে ৭১ এ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সশস্ত্র ভারতীয় বাহিনী (বা মালাউন/কাফের বাহিনী) র সাথে তোমাদের আল বদর বাহিনী সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হলো না কেনো? উল্টো বেছে বেছে নিরস্ত্র স্বজাতিদের বাড়ি থেকে রাতের আধারে তুলে নিয়ে নৃশংস ভাবে কেনো হত্যা করলো?
৭১ এ আল বদরের নাম ধারণ করে, নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষের ওপর নৃশংসতার যে নজির স্থাপন করা হয়েছে এটা আমাদের ইসলামের গৌরবময় ইতিহাসের কোন ধারাবাহিকতা/ঐতিহ্য রক্ষা করেছে?
জালিম, গণহত্যাকারী ও নারীদের সম্ভ্রম হরণকারী পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর দোসররা “আল বদর” নাম ধারণ করে কি প্রকৃতপক্ষে ইসলামের অবমাননা করেনি?
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি একজন নিরপেক্ষ সাধারণ মানুষ ..