নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভাবনাহীন ভাবনাগুলো

মাহের ইসলাম

মাহের ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

সকলের হেথা সম অধিকার-নাহি রবে ব্যবধান

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১৫

ছবি ইত্তেফাক, ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩।

সাধারণ নির্বাচনের গণসংযোগ সফরের তৃতীয় পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ১৬.২.১৯৭৩ শুক্রবারে রাঙামাটি, ফেনী ও লক্ষিপুরে আলাদা আলাদা জনসভায় ভাষণ দান করেছিলেন। তিনি ঘোষণা করেন,

“ বাংলার মাটিতে সকলের সমান অধিকার ও সুযোগ সুবিধা থাকিবে। কারণ সকলেই দেশ-মাতৃকার সন্তান।“

১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩ সালে দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত সংবাদের হূবুহূ নিচে তুলে ধরা হলো।

“রাঙ্গামাটি, ১৬ই ফেব্রুয়ারি-
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজ এখানে ঘোষণা করেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের লোকদের আর উপ-জাতীয় হিসেবে গণ্য করা হইবে না। তাহারা দেশের অন্যান্য এলাকার লোকদের সাথে সমান ও পূর্ণ সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করিবেন।

আজ অপরাহ্ণে এখানে কোর্ট বিল্ডিং ময়দানে স্মরণকালের বিশাল জনসভায় বক্তৃতাকালে বঙ্গবন্ধু আশ্বাস দেন যে, পার্বত্য এলাকার লোকদের নিজস্ব ভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য অনুযায়ী বসবাসের পূর্ণ অধিকার রহিয়াছে। তাঁহাদের জীবন যাত্রায় কোনপ্রকার হস্তক্ষেপ বা তাহাদেরকে শোষণের প্রচেষ্টা নস্যাৎ করিয়া দেওয়া হইবে।

বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথে পার্বত্য অধিবাসীদের ‘উপজাতীয়’ বলিয়া গণ্য করার ব্রিটিশ ও পাকিস্তানী শাসকদের অনুসৃত নীতির অবসান ঘটিয়াছে। তিনি পার্বত্য এলাকার অধিবাসীদের জাতীয় পুনর্গঠন কাজে পূর্ণোদ্যমে অংশগ্রহণের আহবান জানান।

যাহারা পার্বত্য এলাকার লোকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা করিতেছে জাতির জনক তাহাদের হুঁশিয়ার করিয়া দিয়া বলেন, এই সব লোক নিজেদের এবং দেশের উভয়ের ক্ষতি-সাধন করিতেছে।
সভায় যোগদান কারী অগণিত আবালবৃদ্ধবনিতার তুমুল হর্ষধ্বনির মধ্যে বঙ্গবন্ধু বলেন, সকল দুঃখী মানুষ তাহার চোখে সমান। তিনি বলেন, রাঙ্গামাটি বা বান্দরবানের সকল ছেলেই তাঁহার সন্তানতুল্য। চাকুরী, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য সব ক্ষেত্রে সব এলাকার ছেলেরা সমান সুযোগ লাভ করিবে।

পূর্বাহ্ণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হেলিকপ্টার হইতে অবতরন করিলে পার্বত্য এলাকার দূর-দুরান্তর হইতে আগত হাজার হাজার লোক ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় মুজিব’ শ্লোগান দিয়া তাঁহাকে স্বাগত জানায়।

হেলিকপ্টার হইতে অবতরনের পর এবং জনসভায় মহান নেতাকে বিপুলভাবে মাল্যভূষিত করা হয়। -এনা/বাসস।“

ইত্তেফাকের এই রিপোর্টে আমি কোথাও পেলাম না যে, বঙ্গবন্ধু পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের বলেছেন যে, সবাইকে বাঙালি হয়ে যেতে হবে। যেহেতু এটা পুরো বক্তৃতা নয়, ধরে নিচ্ছি – উনি তেমন কিছু হয়ত বলেছিলেন।

প্রশ্ন হল, উনি শুধু ঐটুকুই বলেছিলেন?
অথবা, উনার ঐ আহবান যদি এতোই গুরুত্ব দিয়ে বলে থাকেন, তাহলে ইত্তেফাকের এই সংবাদে একবারের জন্যেও কি উল্লেখ করা যেত না?

অথচ, বঙ্গবন্ধুর ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩ সালের ভাষণ হতে কিছু শ্রদ্ধ্বেয় লেখক শুধুমাত্র দুটি কথা খুঁজে পেয়েছেন। একটা হলো তিনি সবাইকে বাঙালি হতে বলেছিলেন। আরেকটি হল, তিনি ত্রিদিব রায়ের সমালোচনা করেছিলেন।

সব কিছু বাদ দিয়ে, শুধু ঐটুকুই উঠে এসেছে অনেকের লেখনীতে। অন্য কিছুই তাঁদের চোখে পড়েনি!

এমন মানুষ এখনো আছে, যারা শুধুমাত্র তাঁদের ব্যক্তিস্বার্থে আসল বক্তব্যের পরিবর্তে তাঁদের পছন্দের কয়েকটা শব্দ নিজস্ব ব্যাখ্যা সহকারে প্রচারে ব্যস্ত হয়ে পরে। অথচ সাধারণ মানুষ তাঁদের কথা বিশ্বাস করে, দেশের বিরুদ্ধে অস্ত্র পর্যন্ত হাতে তুলে নিতে দ্বিধা করেনি।

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

শায়মা বলেছেন: ১৯৭৩ এর কথা এ প্রজন্মের অনেকেই জানবেনা।

জানানোর জন্য থ্যাংকস ভাইয়া!

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৭

মাহের ইসলাম বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
এই প্রজন্ম আসলেই জানে না। পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে গবেষণা করছে, এমন অনেকের পেপারে দেখি ভুল তথ্য দেদারসে ব্যবহার করছে। তাঁদেরকেই বা দোষ দিয়ে লাভ কি? সত্যিটা সামনে না থাকলে, যা হাতের কাছে পাওয়া যায়, তাইই তো ব্যবহারে বাধ্য হতে হয়।

তখন যদি সোশ্যাল মিডিয়া থাকতো, তাহলে অন্তত সরল মানুষদের ভুল বুঝানোর সুযোগ পেতো না।

শুভ কামনা রইল। ভালো থাকবেন।

২| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৪১

শায়মা বলেছেন: সোশ্যাল মিডিয়াতেও অনেক ভুল বুঝানোর সুবিধা আছে।

কিন্তু আলোচনা সমালোচনা সেই ভুল থেকে বেরিয়ে আসতেও হেল্প করে।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৬

মাহের ইসলাম বলেছেন: জ্বি, আপনি ঠিকই বলেছেন।
আমার নিজেরই স্মরণ করা উচিৎ ছিল যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের যাবতীয় অপপ্রচারের একটা বড় অংশ এখন সোশ্যাল মিডিয়া দিয়েই চালানো হচ্ছে।

আবার এসে মন্তব্য করার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

৩| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


শেখ সাহেব যা বলতেন, সেই অনুসারে পদক্ষেপ নিতেন না; ফলে, উনি কি বলেছেন, অন্যেরা উনার বক্তব্যকে কিভাবে 'সুযোগ মতো বদলাচ্ছে', সেটা বের করা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব হয়নি।

উনি যা বলতেন, অন্তত সেইটুকু যদি করতেন, দেশের ইতিহাস অন্য রকম হতো।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৪০

মাহের ইসলাম বলেছেন: ভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকে পাঠকের কাতারে দেখে সম্মানিত বোধ করছি।
যদি অভয় দেন এবং অনুমতি দেন,
অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথেই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারে আপনার মতামতের সাথে দ্বিমত পোষণ করতে চাই।

হয়তো খেয়াল করেছেন, আমি পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে কিছু ঘাটাঘাটি করি।
আমার মতে, বঙ্গবন্ধু অন্তত পার্বত্য চট্টগ্রামের ব্যাপারে অনেক কিছু করেছিলেন। কিন্তু উনার গৃহীত পদক্ষেপগুলো সামনে না এনে মাত্র অল্প কয়েকটা কথাকে প্রচুর পরিমানে প্রচার-অপ প্রচার করা হয়েছে।
উনি অনেক বার, অনেক জায়গায় বলেছেন যে, পাহাড়িদের ভুমি, সংস্কৃতি, স্বার্থ, ঐতিহ্য রক্ষা করা হবে। শুধু তাই নয়, উনার আমলে পাহাড়িদের স্বার্থের বিপক্ষে যায় এমন একটা পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়নি।

কিন্তু তাঁর পরেও কিছু নেতা তাঁদের রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ এবং ব্যক্তি স্বার্থের কারণে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে।

শুভ কামনা রইল।

৪| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০৯

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনার মত গবেষক যখন আছেন তখন সত্য একদিন ঠিকই বের হয়ে আসবে । আপনার বইয়ে কল্পনা চাকমা রহস্য উন্মোচন করেছেন ।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৯

মাহের ইসলাম বলেছেন: ভাই, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অনেক দিন পরে আপনাকে দেখে খুব ভালো লাগছে। আশা করি ভালো আছেন?

কিছু মনে না করলে, আমি কিন্তু কল্পনা চাকমার রহস্য উন্মোচন করেছি বলে মনে করি না।
প্রাপ্ত কিছু তথ্য আমার মতো করে সামনে তুলে ধরেছি, যেন পাঠক নিজস্ব বিচার-বিবেচনা দিয়ে ঘটনার গতি প্রকৃতি অনুমান করে নেয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে প্রচুর মিথ্যাচার করা হয়েছে।
প্রকাশিত এবং প্রচারিত অনেক কিছুই কেন যেন একপেশে। এমনকি অনেক শ্রদ্ধ্বেয় ব্যক্তিও সত্য খুঁজে বের করার বদলে সামনে উপ স্থাপিত বিষয় বিনা বাক্যব্যায়ে স্বীকার করে নিয়েছেন।
আমি চেষ্টা করছি, জানতে, বুঝতে।
আমি সত্যটুকু জানার চেষ্টা করছি।

ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা এবং শুভ কামনা রইল।

৫| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রামের উপর আপনার এই গবেষণা ধরনের পোস্টগুলো আমার ভীষণ ভালো লাগে পড়তে। ,++
শুভকামনা প্রিয় মাহের ভাইকে।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনাকে দেখে ভালো লাগলো।
অনুপ্রাণিত করার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

চেষ্টা করছি, সত্য জানার।
যতটুকু জানতে পারি, শেয়ার করি। যেন অন্যরাও সত্য জানতে পারে।

ভালো থাকবেন, শুভ কামনা রইল।

৬| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৯

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: কিছু মানুষ আছে যারা বক্তব্য কাটছাঁট করে এমনভাবে উপস্থাপন করে যাতে বক্তব্যের মূল পয়েন্ট বদলে যায়। এরা দেশ, জাতি তথা মানবতার জন্য বড় হুমকি।

তথ্য তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনার সাথে সহমত পোষণ করছি।

এই ব্লগের কথাগুলোই বাস্তব উদাহরণ।
বঙ্গবন্ধুর নামে কি পরিমাণ অপপ্রচার চালানো হয়েছে!
অথচ, উনার বক্তব্য ছিল, সবাইকে বাঙালির কাতারে সামিল করা হবে সমান অধিকার দেওয়ার জন্য।
তিনি পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, কারো অধিকার খর্ব করা হবে না। পাহাড়িদের ভূমির অধিকার, সংস্কৃতি, ভাষা ইত্যাদি রক্ষা করা হবে।

অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন। শুভ কামনা রইল।

৭| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

জগতারন বলেছেন:
প্রিয় ব্লগার মাহের ইসলাম ১৯৭৩ সালে তখন আমি ঢাকায় বঙ্গবন্ধু-এর নিবাসের পূর্ব দিকে অবস্থিত শুক্রাবাদ-এ থাকি। এই শুক্রাবাদ[/sb-এর পশ্চিম পাশে মিরপুর রোডের সাথে লাগোয়া পূর্ব ও পশ্চিমের দিকে যাওয়া ৩২ নম্বর সড়কের উপর ধানমন্ডি লেকের উত্তর পার্শে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর সুন্দর দ্বিতল বাড়ীটি।

এই ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়ক, ধানমন্ডি লেক, ও বঙ্গবন্ধুর সুন্দর দ্বিতল বাড়ীটির সামনে দিয়ে আমার সকাল বিকাল অথবা দিনের যে কোন সময়ে আমার বিচারন ছিল। সেই সময়ের সেই মায়াময় স্মৃতি আমার জীবনে আমৃত্যু স্মরন থাকবে।

সেই সময়ের বঙ্গবন্ধুর অনেক সভা-সমাবেস, উদ্যোগ, জাতীয় খবর আমি প্রত্যক্ষ করেছি। বঙ্গবন্ধুর মত এমন সরল, আন্তরীক, সাহসী দেশপ্রেমীক নেতা আর বাংলাদেশে আসবে কিনা তা আল্লাহই জানেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পর শূন্য রাজকোষে এসে বঙ্গবন্ধু সীমাহীন সমস্যার মধ্যে আপতিত হয়ে আপ্রান চেষ্টা করেছিলেন দেশের মঙ্গল করতে। কিন্তু পারেন নাই শুধু কিছু স্বার্থান্যাসী মানুষের জন্য।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪১

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনাকে আমার শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা জানাই, আমার পোস্টে কমেন্ট করছেন বলে।

আমি পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে পড়ালেখা করতে গিয়ে অনেকবারই নিজের কাছেই নিজেকে অসহায় মনে হয়েছে।
কি পরিমাণ যে মিথ্যাচার করা হয়েছে, যুগে যুগে?

এই ব্লগের ছবি মাত্র একটা উদাহরণ।
এতোদিন শুনে এসেছি, তিনি সবাইকে বাঙালি হতে বলেছিলেন।
অথচ, উনি বাঙালি বলতে তাঁদের অধিকার বাঙালির সমান হবে সেটা বুঝিয়েছেন। এই ভাষণেই তিনি বলেছেন যে, পাহাড়িদের স্বার্থ রক্ষা রক্ষা করা হবে। কিন্তু তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যায় নিরীহ পাহাড়িদের ক্ষেপিয়ে তোলা হয়েছিল নতুন একটা দেশের বিরুদ্ধে।

মানুষ একবারও ভাবে না, ৭২-৭৪ সালে দেশের অবস্থা কেমন ছিল? পুরো দেশ বিধ্বস্ত, ব্যাংকে টাকা নেই, হালের গরু নেই, রেল, সড়ক, বিদ্যুৎ , শিল্প ইত্যাদি সব ধ্বংস হয়ে গেছে।
দেশের ভিতরে একদল অস্ত্র হাতে সাংসদদের হত্যা করছে, থানা লুট করছে, ব্যাংক লুট করছে।

এমুন অনেক অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি কখনোই মানুষের অধিকার কেড়ে নিতে বলেন নাই।
অথচ, কি পরিমাণ অপপ্রচারের শিকার হয়েছিলেন তিনি!!

শুভ কামনা রইল।

৮| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: তিনার চিন্তা-চেতনা সঠিক ছিলো। কিন্তু তিনি বাস্তবায়ন করতে পারেন নি! কেন পারেন নি(?) ভাবুক, লেখক, গবেষক, সমালোচকরা সেটা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা, গবেষণা করতে পারতেন। দুঃখজনক, তারা সেটা না করে উনাকে বিতর্কিত করতে উঠেপড়ে লেগেছেন।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

মাহের ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ, সুন্দর একটা টপিক তুলে ধরেছেন।

আমি এ ব্যাপারে অল্প বিস্তর জানতে চেষ্টা করেছিলাম।
দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল অনেক খারাপ।
যুদ্ধের ভয়াবহতা, রিফিউজি, দেশ পুনর্গঠন ইত্যাদির জন্যে মানুষের সহযোগিতা দরকার ছিল।
কিন্তু বাম পন্থী দল বিরোধিতায় নেমে যায়। ডান পন্থীরাও বিরোধিতা করে। আওয়ামী লীগের ভিতরেও কিছু কিছু মতভিন্নতা দেখা দেয়। তাঁর উপরে দেশের কিছু রাজনৈতিক দল বিরোধিতা করতে গিয়ে সশস্ত্র ঘটনার জন্ম দিতে শুরু করে। আন্তর্জাতিক কিছু কানেকশন তো ছিলই।
সব মিলিয়ে উনার জন্যে চ্যালেঞ্জ ছিল বহুমুখী।

ভালো থাকবেন। শুভ কামনা রইল।

৯| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

রাকু হাসান বলেছেন:

চমৎকার মাহের ভাই । জানালেন ,জানলাম । ইতিহাস কে ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করাটা সেই স্বাধীন হওয়ার সময় থেকেই শুরু হয়েছে । কিভাবে জঘন্যভাবে বিকৃত করে বা আংশিক প্রকাশ করে । আপনাকে ধন্যবাদ উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ সহ উল্লেখ করার জন্য ।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, আমাকে অনুপ্রাণিত করার জন্যে।
চেষ্টা করছি, যেন সত্য জানতে পারে সবাই।

শুভ কামনা রইল। ভালো থাকবেন।

১০| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: শ্রদ্ধেয় চাঁদগাজীর উনি যা বলতেন, অন্তত সেইটুকু যদি করতেন, দেশের ইতিহাস অন্য রকম হতো। এই কথা বলার পর আর কিছু থাকে না।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০৩

মাহের ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, আপনার মতামতে জন্য।
শুধুমাত্র পার্বত্য চট্টগ্রামের ব্যাপারে আমি ভিন্নমত পোষণ করি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম একমাত্র এলাকা যেখানে মুক্তিযুদ্ধে কোন ক্ষয় ক্ষতি হয়নি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম একমাত্র এলাকা যেখানকার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ( প্রাদেশিক এবং জাতীয় পরিষদ) একজনও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল না। একজন ছিল নিরপেক্ষ, একজন ছিল রাজাকার।
পার্বত্য চট্টগ্রামের ১৯৭০ এবং ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়লাভ করেনি।

তারপরেও বঙ্গবন্ধুর আমলে পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের স্বার্থহানিকর একটা পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়নি।
বরং ৭২-৭৫ সালে একাধিকবার, তিনি নিশ্চিত করেছেন, আশ্বস্ত করেছেন যে, পাহাড়িদের সকল অধিকার রক্ষা করা হবে। তাঁর কথার সমর্থনে একাধিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল।

যদি তাঁদের স্বার্থহানি কর কিছু করা হয়ে থাকে, জানাতে পারেন। নিজেকে শুধরে নিবো।

শুভ কামনা রইল।

১১| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:০৫

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনার অনুসন্ধানের মাধ্যমে সঠিক তথ্য তুলে ধরেছেন, এটা কী কম? ইদানীং পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে একশ্রেণীর তথাকথিত আইনজীবী আর মানবাধিকার কর্মীদের প্রপোগন্ডা বেড়ে গেছে, এই সবের বিরুদ্ধে সঠিক বক্তব্য উপস্থাপন করা উচিত ।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০৫

মাহের ইসলাম বলেছেন: ভাই, চাইলেও সব কিছুর বিরুদ্ধে সঠিক তথ্য দেয়া সম্ভব নয়।
আমার নিজেরই অনেক সিমাবদ্ধতা আছে।
তবে, ইচ্ছে আছে এবং চেষ্টা আছে।
বাকীটা আল্লাহ্‌ ভরসা।


আপনি আবার এসেছেন দেখে কৃতজ্ঞবোধ করছি।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন।

১২| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: এসব জেনে নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে লিখা উচিত, নতুন প্রজন্মকে জানানো উচিত।
আপনি যথটা জেনেছেন, ব্লগে শেয়ার করবেন; আশা করি। (নিজের মতামত সহ)

ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০৭

মাহের ইসলাম বলেছেন: অনুপ্রাণিত করার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ভালো লাগলো, আপনার কথা শুনে।

চেষ্টা করবো, মানুষের সাথে তথ্য শেয়ার করার।
তবে, সত্যি কথা হল, নিজের মতামত দেয়ার মতো কেউ হয়ে উঠেছি বলে মনে করি না।

ভালো থাকবেন। শুভ কামনা রইল।

১৩| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ীদের সেখানে বাঙ্গালী গিয়ে সমস্যা তৈরি করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আপনার লেখা কয়েকটা আমি পড়েছি, আমি তখন সেখানে কোনো মন্তব্য করিনি। আপনি কি চট্টগ্রামের অধিবাসী?

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২৮

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনাকে দেখে ভালো লাগলো।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আমি চট্টগ্রামের অধিবাসী না। তবে, জীবনের অনেকটা সময় কাটিয়েছি।
বাঙালি গিয়ে সমস্যা তৈরি করেছে যেহেতু বলেছেন, তাই একটা প্রশ্ন না করে পারছি না।

আমার ঘরের আগুন যদি ছড়িয়ে গিয়ে আপনার ঘর পুড়িয়ে দেয়, অবশ্যই আমাকে দোষী বলতে পারেন।
তবে, ব্যাপারটা যদি এমন হয় যে, আগুন আমার ঘরে লাগিয়েছিলেন আপনিই। তাহলে কাকে দোষী করবেন?

এত অল্প পরিসরে আপনাকে লম্বা যুক্তি দিতে পারবো না। তাই ছোট করেই বলি।

১৯৭০ সালে রাঙামাটি কম্যুনিস্ট পার্টি গঠন করা হয়, এম এন লারমার নেতৃত্বে। তিনি মাওবাদী ছিলেন, যারা বন্দুকের নলকেই ক্ষমতার উৎস হিসেবে বিস্বাস করে।
১৯৭০ এর নির্বাচনে ত্রিদিব রায় এবং এম এন লারমা নিজেরা আতাত করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে পার্বত্য চট্টগ্রামে জয়লাভ করে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অনেক পাহাড়ি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিলেও বেশির ভাগ পাহাড়ী নিরপেক্ষ থাকে।
অনেক পাহাড়ী রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেয়, যাদের মধ্যে চাকমা বেশি ছিল। পার্বত্য চট্টগ্রাম একমাত্র এলাকা যেখানকার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ( প্রাদেশিক এবং জাতীয় পরিষদ) একজনও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল না। একজন ছিল নিরপেক্ষ, একজন ছিল রাজাকার।
তিন রাজার একজন সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। অন্য দুইজন পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করে। তাঁর মধ্যে ত্রিদিব রায় স্বাধীনতার পরেও বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছে।

১৯৭২ সালের ২৯ জানুয়ারি, চারু বিকাশ চাকমার নেতৃত্বে পাহাড়ী এক প্রতিনিধিদল বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি পাহাড়িদের স্বাতন্ত্র্য, ঐতিহ্য , অধিকার ইত্যাদি রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি দেশে ফেরার মাত্র ১৮ দিনের মাথায়।

১৯৭২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সং হতি সমিতি গঠন করা হয়।

১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস) থেকে কার্যকর হয়। সংবিধানে বাঙালি জাতীয়তাবাদ গৃহীত হয়।

১৯৭৩ সালের ৭ জানুয়ারি শান্তি বাহিনী অফিসিয়ালি আত্নপ্রকাশ করে। যদিও অনেকে বলেছেন, এদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ ১৯৭২ সালেই শুরু হয়েছিল। ১৯৭৪ সালেই তারা পুলিশকে আক্রমণ করেছিল।

১৯৭৬ সালে সশস্ত্র আন্দোলন শুরু হয়, পুলিশ ক্যাম্প/পেট্রোল আক্রমনের মধ্য দিয়ে।

১৯৭৭ সালে শান্তি বাহিনী দমনের জন্য পাহাড়ে সেনা মোতায়েন শুরু হয়।

১৯৭৯ সালে বাঙালি পুনর্বাসন শুরু হয়।

এখন, যদি বেয়াদবি না নেন তো আপনার প্রতি প্রশ্ন, শান্তি বাহিনী সৃষ্টি না হলে পাহাড়ে সেনাবাহিনি কিংবা বাঙালি নেয়ার দরকার হতো?

যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটা দেশকে কিছুটা সময় দিয়ে তারপরে আন্দোলনে গেলে কি ক্ষতি হতো ,আমি জানি না। তবে আমি যা বুঝি, পাহাড়ের অধিবাসীরা কখনোই (বাংলাদেশের শুরু থেকেই) পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যাকে বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে দেখে নাই। শুধু নিজেদের আঙ্গিকে দেখেছে। তাঁদের নেতাদের রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ এবং অদুরদরশিতার জন্য ১৯৪৭ এর পর থেকেই তারা অশান্তিতে আছে। শুধুমাত্র নেতৃত্বের ভুলে সাধারণ মানুষ কিভাবে যুগের পর যুগ দুর্ভোগ পোহায়, তাঁর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ পার্বত্য চট্টগ্রাম।

আশা করি বেয়াদবি নিবেন না।
আমার তথ্যে কোন ভুল থাকলে, জানাবেন। আমি সবগুলো তথ্যের সুত্র উল্লেখ করতে পারবো। অবশ্য আমার আগের লেখাগুলো পড়লেও অনেক সুত্র পেয়ে যাবেন।

ভালো থাকবেন, শুভ কামনা রইল।

১৪| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১৪

নাসির ইয়ামান বলেছেন: অতীত নিয়ে নাচানাচি নাকরে বর্তমান সংকটাবস্থা নিয়ে আলোচনা করুন!

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩৫

মাহের ইসলাম বলেছেন: ভাই, ভালো বলেছেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

রোগের চিকিৎসা করতে হলে রোগ নির্ণয় করা জরুরী। সমস্যা হল, পাহাড়ের অধিবাসীরা কখনোই সমস্যাটা বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে দেখে নাই। সব সময় নিজেদের আঙ্গিকে দেখে এসেছে। এর সাথে যোগ হয়েছে, অপপ্রচার। যে অপপ্রচার বহুল প্রচলিত তাঁর একটা হলো বঙ্গবন্ধু রাঙামাটি গিয়ে তাঁদের বাঙালি হতে বলেছিলেন।
অথচ, আপনি দেখুন, উনি যদি বলেও থাকেন, আসলে কি বুঝাতে চেয়েছিলেন?

একই ভাবে এখনো অপ প্রচার চলছে। ফলে, বাংলাদেশ সরকার কোন ভাবেই তাদেরকে সন্তুস্ট করতে পারছে না।
আপনিই বলুন, চুক্তি করার সাথে সাথেই এক পক্ষ বলে চুক্তি মানি না। বলে তারা অস্ত্র হাতে তুলে নেয়। অন্যদিকে, যারা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, তারাও অস্ত্র রেখে দেয় নিজেদের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে। এর পরে, আরো দুই দল সৃষ্টি হয়। সবার কাছেই অস্ত্র আছে। অস্ত্র দিয়ে চুক্তি বাস্তবায়ন হবে? না অস্ত্র ছাড়লে ?
যাকগে, আরো কিছু বলতে গেলে লম্বা হয়ে যাবে।

ভালো থাকবেন। শুভ কামনা রইল।

১৫| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৩৯

ching বলেছেন: ওখানকার গুচ্ছগ্রাম নিয়ে অনুসন্ধান , গবেষণা, লেখাপড়া করে বিস্তারিত লিখতেন?

১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩৮

মাহের ইসলাম বলেছেন: দাদা, আশা করি ভালো আছেন।
অনেক দিন পরে আপনাকে দেখলাম। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আমি চেষ্টা করছি, সত্য খুঁজে বের করার। সমস্যা হলো, অনেক ডিফিকাল্ট। কেউই নির্মোহ হয়ে সত্যি বলতে চায় না।
আসলে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন পক্ষের কম-বেশি ভুল আছে। এখন সবাই যদি নিজের ভুল আড়ালে ব্যস্ত থাকে, তাহলে কি চলবে, বলেন?

পুরোনো রেফারেন্স পাওয়া খুব কষ্টের।
চেষ্টা করছি।
যা পাবো, শেয়ার করবো, ইনশা'আল্লাহ।

ভালো থাকবেন। শুভ কামনা রইল।

১৬| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:১১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আপনি কি ব্লগস্পটে পার্বত্য এলাকা নিয়ে লিখেছেন বা অন্য কোনো ওয়েবে - আমি এই রকম লেখা আরো পড়েছি। আপনি যখন লিখেছেন ১৯৭০ সন হতে সমস্যা আমি তখন আপনার প্রত্যুত্তর পড়ছি আর ভাবছি আপনি কোন সময় থেকে জানেন তারপরে দেখছি ১৯৪৭ সন লিখেছেন। কিন্তু সমস্যা যা হয়েছে তারো আরো অনেক অনেক আগে ১৯ শতকের ও আগে। ১৬০০-১৭০০-১৮০০-১৯০০-২০০০। অনেক অনেক বিষয়।

আশা করি বেয়াদবি নিবেন না। - আপনি একজন মার্জিত মানুষ

আমার তথ্যে কোন ভুল থাকলে, জানাবেন। আমি সবগুলো তথ্যের সুত্র উল্লেখ করতে পারবো। অবশ্য আমার আগের লেখাগুলো পড়লেও অনেক সুত্র পেয়ে যাবেন। - উদাহরণ হিসেবে বলছি আপনি যদি ভুলও লিখে থাকেন কেউ না কেউ আপনার লেখা তার তথ্য সুত্র হিসেবে ব্যাবহার করবে। আমার কথা কি বুঝতে পারছেন? সকল তথ্য সুত্র সঠিক হবে এমন কোনো কারণ নেই।



১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩৫

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনাকে দেখে খুশী হয়েছি।
আপনার কথা শুনে খুব ভালো লাগলো।

আপনি ঠিকই বলেছেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা আরো পুরনো।
আর সেজন্যেই অনেক লেখক মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ স্বাধীনতার জন্মলগ্ন থেকেই এমন এম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে, যার বীজ বপন করা হয়েছে আরো আগে।
কিন্তু এর বিষ ফল ভোগ করতে হচ্ছে আমাদের।

আমি ইচ্ছে করেই ১৯৭০ সাল হতে শুরু করেছি।
আমার দৃষ্টিতে শান্তি বাহিনীর সশস্ত্র আন্দোলনের সাথে রাঙামাটি কম্যুনিস্ট পার্টির একটা প্রত্যক্ষ সংযোগ রয়েছে।
এছাড়া, উত্তর ছোট রাখাও বেশি পিছন থেকে ইতিহাস না টানার একটা কারণ।

আপনি ঠিকই বলেছেন যে, আমার সুত্রে ভুল থাকলেও অনেকে সেই ভুল সুত্র ব্যবহার করবে।
তবে, আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে জেনে শুনে ভুল তথ্য উপস্থাপন করতে চাই না।
তাই, সব সময় চেষ্টা থাকে, চেক ব্যাক করার।
আর সেজন্যেই, মানুষের কাছেও সুত্রের সন্ধানে ঘুরে বেড়াই।

আমি সামুতে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে লিখেছি।
বেশ কিছু পোস্ট এখানে আছে, এখনো।
এছাড়া বেশ কিছু লেখা অন্যান্য ব্লগ, অনলাইন এবং প্রিন্ট মিডিয়াতে এসেছে।
তাই, হয়ত আপনার চোখে পড়ে থাকতে পারে।

আমি কিছুটা টেনশনে ছিলাম। আগের কমেন্টে আমার উত্তর কিভাবে গ্রহণ করেন?
আপনার কথা শুনে, টেনশন কেটে গেছে। পক্ষান্তরে, আপনার প্রতি শ্রদ্ধা আরো বেড়েছে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।

ভালো থাকবেন, শুভ কামনা রইল।

১৭| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের চিন্তিত মতামত দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩৭

মাহের ইসলাম বলেছেন: রাজীব ভাই, আপনাকে আবার পেয়ে খুব ভালো লাগলো, খুশী হলাম।
অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।

সবাই যদি আপনার মতো হতো, তাহলে এই প্ল্যাটফরম আরো জীবন্ত হয়ে উঠত।

ভালো থাকবেন, শুভ কামনা রইল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.