নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

‍‍‍"Al-Quran", The source of science - Dr. Mahfuz

নাড়ীর স্পন্দন গুনে রুগীর সেবা করি, মনের মাধুরী মিশিয়ে চেতনার কলম ধরি।('মনের মাধুরী' হলো পার্থিব জ্ঞান সমৃদ্ধ স্বচ্ছ মনন- আর 'চেতনার কলম' হলো আল-কোরআনের ঐশী আলোয় আলোকিত বিবেক সম্পন্ন লিখন)

মাহফুজশান্ত

আসুন, "ধর্মান্ধতা পরিহার করে ধর্মিষ্ঠ হই" "বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম" [আল-কোরআন-৯৬. সূরা আল-আলাক] ০১. পাঠ কর (এবং ঘোষনা / প্রচার কর) তোমার প্রতিপালকের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন- ০২. সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে। ০৩. পাঠ কর, আর (ঘোষনা / প্রচার কর) তোমার প্রতিপালক মহামহিমান্বিত। ০৪. যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন- ০৫, শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।] পবিত্র কোরআনের ৯৬ নম্বর সূরা 'আলাক'-এর প্রথম এই পাঁচটি আয়াত অত্যন্ত মূল্যবান এবং যা মহান আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে ফেরেশতা জিবরীল (আঃ)-এর মাধ্যমে সর্বশেষ নবী রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর উপর নাযিলকৃত সর্বপ্রথম ওহি অর্থাৎ ঐশীবাণী। মহামহিমান্বিত প্রতিপালকের নামে শিক্ষা লাভের জন্য পাঠ করা ( Study ) অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায় থেকে জ্ঞানার্জন করা এবং জ্ঞানের প্রচার ও প্রসারে কলমের ব্যবহার অর্থাৎ 'লিখন' যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখে তা সর্বজনবিদিত। মহান স্রষ্টা আল্লাহতায়ালা তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিকে খাঁটি মানুষ রূপে গড়ে তোলার জন্য যে সর্বপ্রথমে এই ধরণের চমৎকার ও কার্যকর ঐশীবাণী প্রদান করে অনুপ্রাণিত করবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে পার্থিব জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও আল-কোরআন ও বিজ্ঞানের বিষয়ে জ্ঞান চর্চার তাগিদে সময় বের করে নিতে হয়েছে। যে জ্ঞানের কোন সীমা পরিসীমা নেই, যে জ্ঞানের কথা লিখতে বসলে মহাসাগরের এমনকি আকাশ ও পাতালের সকল জলরাশিকে কালি বানালেও তা ফুরিয়ে যাবে- তার জন্য এই সময়টুকু অতি নগন্য। তথাপি আমার এই ছোট্ট প্রয়াসের জন্য দয়াময় আল্লাহতায়ালা যে আমাকে সুযোগ ও তৌফিক দিয়েছেন সেজন্য আমি অবনত মস্তকে সর্বশক্তিমান স্রষ্টার কাছে প্রতি মূহুর্তে শুকরিয়া আদায় করছি। সত্যের স্বরূপ উদঘাটনে যতটুকু সফলতা অর্জন করতে পেরেছি তার সবটুকুই আল-কোরআনের ঐশীবাণীসমূহের মর্ম সঠিকভাবে অনুধাবনের ফলেই সম্ভব হয়েছে। আর ব্যর্থতার জন্য একজন অতি সাধারন মানুষ হিসেবে আমার অযোগ্যতা ও অজ্ঞতাই সম্পূর্ণরূপে দায়ী। হে বিশ্ববিধাতা করুণাময় মহান আল্লাহ , সর্বপ্রকার অনিচ্ছাকৃত ভুল-ভ্রান্তির জন্য সর্বদা অবনত মস্তকে ক্ষমাভিক্ষা চাই। আর সরল ও সত্যের পথ যতটুকু অর্জন করতে পেরেছি তার উছিলায় একজন হতভাগা পাপী বান্দা হিসেবে তোমার জ্যোতির্ময় আরশের ছায়াতলে চিরকালের জন্য একটুখানি ঠাঁই চাই। আশাকরি ছোটখাট ভুলত্রুটি ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। চিন্তাশীল সুধীজনদের সুচিন্তিত পরামর্শ ও সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করা হবে।

মাহফুজশান্ত › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্মের ব্যপারে জোরজবরদস্তি নেই। কিন্তু তাহলে কেন যুদ্ধ আর কখন সন্ধি?

২৪ শে অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:৪৮

ধর্মের ব্যপারে জোরজবরদস্তি নেই-

আল-কোরআন-

সূরা আল বাক্বারাহ (মদীনায় অবতীর্ণ

(০২:২৫৬) অর্থ- দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্য-বাধকতা নেই। নিঃসন্দেহে সুপথ প্রকাশ্যভাবে কুপথ থেকে পৃথক হয়ে গেছে। এখন যে ‘তাগুৎ' কে মানবে না এবং আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করবে, নিশ্চয় সে এমন সুদৃঢ় হাতল ধারণ করে নিয়েছে যা ভাঙবার নয়। আর আল্লাহ সবই শুনেন এবং জানেন।



সূরা ইউনুস (মক্কায় অবতীর্ণ)

(১০:৯৯) অর্থ- আর তোমার প্রতিপালক যদি চাইতেন, তবে পৃথিবীতে যারা রয়েছে, তাদের সবাই ঈমান আনত সমবেতভাবে। তবে কি তুমি ঈমান আনার জন্য মানুষের উপর জবরদস্তি করবে?

(১০:১০০) অর্থ- আর কারও পক্ষে ঈমান আনা সম্ভব নয়, যতক্ষণ না আল্লাহর হুকুম হয়। পক্ষান্তরে যারা বুদ্ধি প্রয়োগ করে না (অনুধাবনের চেষ্টা করে না), তাদের তিনি কলুষ-লিপ্ত করেন।



সূরা আল-ফুরকান (মক্কায় অবতীর্ণ)

(২৫:৫৬) অর্থ- আমি আপনাকে সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপেই প্রেরণ করেছি।

(২৫:৫৭) অর্থ- বলুন, আমি তোমাদের কাছে এর কোন বিনিময় চাই না, সুতরাং যে ইচ্ছা করে, সে তার পালনকর্তার পথ অবলম্বন করুক।



সূরা ক্বাফ (মক্কায় অবতীর্ণ)

(৫০:৪৫) অর্থ- তারা যা বলে, তা আমি সম্যক অবগত আছি। আপনি তাদের উপর জোরজবরদস্তিকারী নন। অতএব, যে আমার শাস্তিকে ভয় করে, তাকে কোরআনের মাধ্যমে উপদেশ দান করুন।

…………………………………………………………



কেন যুদ্ধ আর কখন সন্ধি?

আল-কোরআন-

সূরা আল বাক্বারাহ (মদীনায় অবতীর্ণ)

(০২:১৯০) অর্থ- আর লড়াই কর আল্লাহর পথে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। তবে কারও প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালংঘনকারীদের পছন্দ করেন না।

(০২:১৯১) অর্থ- আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে, যেখান থেকে তারা তোমাদেরকে বের করেছে। বস্তুতঃ ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ। আর তাদের সাথে লড়াই করো না মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে। অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে, তাহলে তাদেরকে হত্যা কর। এটাই তো অবিশ্বাসীদের পরিণাম।

(০২:১৯২) অর্থ- আর তারা যদি বিরত থাকে, তাহলে তো আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু।

(০২:১৯৩) অর্থ- আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই কর, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু যদি তারা নিবৃত হয়ে যায়, তাহলে অত্যাচারী ছাড়া কারও উপর কোন হস্তক্ষেপ করবে না।

(০২:১৯৪) অর্থ- সম্মানিত মাসই সম্মানিত মাসের বদলা। আর সম্মান রক্ষা করারও বিনিময় রয়েছে। বস্তুতঃ যারা তোমাদের উপর জবরদস্তি/আক্রমণ করে, তোমরাও তাদের উপর জবরদস্তি/আক্রমণ করবে, যেরূপ জবরদস্তি/আক্রমণ তারা করেছে তোমাদের উপর। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ, যারা পরহেযগার/ধর্মপরায়ণ, আল্লাহ তাদের সাথে রয়েছেন।



সূরা আন নিসা (মদীনায় অবতীর্ণ)

(০৪:৮৮) অর্থ- অতঃপর তোমাদের কি হল যে, বিশ্বাসঘাতকদের সম্পর্কে তোমরা দু’দল হয়ে গেলে? অথচ আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন তাদের মন্দ কাজের কারনে! তোমরা কি তাদেরকে পথ প্রদর্শন করতে চাও, যাদেরকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট করেছেন? আল্লাহ যাকে পথভ্রান্ত করেন, তুমি তার জন্য কোন পথ পাবে না।

(০৪:৮৯) অর্থ- তারা চায় যে, তারা যেমন অবিশ্বাসী, তোমরাও তেমনি অবিশ্বাসী হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধু-রূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। কিন্তু যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় (বিশ্বাসঘাতকতা করে), তবে তাদেরকে গ্রেফতার কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে অভিভাবক এবং সাহায্যকারী রূপে গ্রহণ করবে না।

(০৪:৯০) অর্থ- কিন্তু তাদের ছাড়া- যারা এমন সম্প্রদায়ের সাথে মিলিত হয় যে, তোমাদের মধ্যে ও তাদের মধ্যে চুক্তি আছে অথবা তোমাদের কাছে এভাবে আসে যে, তাদের অন্তর তোমাদের সাথে, এমনকি স্বজাতির সাথেও যুদ্ধ করতে অনিচ্ছুক। যদি আল্লাহ ইচ্ছে করতেন, তবে তোমাদের উপর তাদেরকে প্রবল করে দিতেন। ফলে তারা অবশ্যই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করত। অতএব যদি তারা তোমাদের থেকে পৃথক থাকে, তোমাদের সাথে যুদ্ধ না করে এবং তোমাদের সাথে সন্ধি করে, তবে আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কোন পথ রাখেননি।

(০৪:৯১) অর্থ- অবশ্য তুমি আরও এক সম্প্রদায়কে পাবে, যারা তোমাদের কছে ও স্বজাতির কাছেও শান্তি চায়। যখনই তাদেরকে ফ্যাসাদের/বিপর্যয়ের প্রতি মনোনিবেশ করানো হয়, তখনই তারা পূর্বাবস্থায় ফিরে যায়, অতএব তারা যদি তোমাদের থেকে নিবৃত্ত না হয়, তোমাদের সাথে সন্ধি না রাখে এবং স্বীয় হস্ত সংবরণ না করে, তবে তোমরা তাদেরকে গ্রেফতার কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। আমি তাদের বিরুদ্ধে তোমাদেরকে প্রকাশ্য যুক্তি-প্রমাণ দান করেছি।



সূরা আল-আনফাল (মদীনায় অবতীর্ণ)

(০৮:৫৫) অর্থ- সমস্ত জীবের মাঝে আল্লাহর নিকট তারাই সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যারা অবিশ্বাস করেছে এবং আর ঈমান আনেনি।

(০৮:৫৬) অর্থ- তাদের মধ্যে যাদের সাথে তুমি চুক্তিতে আবদ্ধ, তারা প্রতিবার নিজেদের কৃতচুক্তি লংঘন করে এবং সাবধান হয় না।

(০৮:৫৭) অর্থ- সুতরাং তোমরা যদি কখনো তাদেরকে যুদ্ধে পেয়ে যাও, তবে তাদের এমন শাস্তি দাও, যেন তাদের উত্তরসূরিরা তাই দেখে পালিয়ে যায়; তাদেরও যেন শিক্ষা হয়।

(০৮:৫৮) অর্থ- তবে কোন সম্প্রদায়ের ধোঁকা দেয়ার ব্যাপারে যদি তোমাদের আশংকা হয়, তবে তাদের চুক্তি তাদের দিকেই ছুঁড়ে ফেলে দাও এমনভাবে, যেন হয়ে যাও তোমরা ও তারা সমান। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধোঁকাবাজ, প্রতারককে পছন্দ করেন না।

(০৮:৬১) অর্থ- আর যদি তারা সন্ধি করতে আগ্রহ প্রকাশ করে, তাহলে তুমিও সে দিকেই আগ্রহী হও এবং আল্লাহর উপর ভরসা কর। নিঃসন্দেহে তিনি শ্রবণকারী; পরিজ্ঞাত।

(০৮:৬২) অর্থ- পক্ষান্তরে তারা যদি তোমাকে প্রতারণা করতে চায়, তবে তোমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, তিনিই তোমাকে শক্তি যুগিয়েছেন স্বীয় সাহায্য ও বিশ্বাসীদের দ্বারা।

(০৮:৬৩) অর্থ- আর প্রীতি স্থাপন করেছেন তাদের অন্তরে। যদি তুমি সবকিছু ব্যয় করে ফেলতে, যা কিছু রয়েছে যমীনের বুকে, তাদের অন্তরে প্রীতি স্থাপন করতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ তাদের মনে প্রীতি স্থাপন করেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

(০৮:৬৪) অর্থ- হে নবী, আপনার জন্য এবং যে বিশ্বাসীরা আপনার সাথে রয়েছে তাদের সবার জন্য আল্লাহ্ই যথেষ্ট।



সূরা আত তাওবাহ (মদীনায় অবতীর্ণ)

(০৯:০৪) অর্থ- তবে মুশরিকদের (অংশীবাদীদের) সাথে তোমরা চুক্তিতে আবদ্ধ হাবার পরে যারা তোমাদের ব্যাপারে কোন ত্রুটি করেনি এবং তোমাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্যও করেনি, তাদের সাথে কৃত চুক্তিকে তাদের দেয়া নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত পূরণ করবে। অবশ্যই আল্লাহ সাবধানীদের পছন্দ করেন।

(০৯:০৫) অর্থ- অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

(০৯:০৬) অথৃ- আর মুশরিকদের কেউ যদি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে তাকে আশ্রয় দেবে, যাতে সে আল্লাহর বাণী শুনতে পায়, অতঃপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেবে। এটি এজন্যে যে তারা অজ্ঞ লোক।

(০৯:১২) অর্থ- আর তারা যদি চুক্তিতে আবদ্ধ হবার পর তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে অবিশ্বাসীদের প্রধানদের সাথে যুদ্ধ করবে। কারণ, এদের প্রতিজ্ঞা প্রতিজ্ঞাই নয়, যাতে তারা ফিরে আসবে।

(০৯:২৯) অর্থ- তোমরা যুদ্ধ কর ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন তা নিষিদ্ধ করে না এবং সত্য-ধর্ম অনুসরণ করে না, যতক্ষণ না আনুগত্যের নিদর্শন স্বরূপ তারা ‘জিযিয়া’ প্রদান করে।

(০৯:৩৬) অর্থ- নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে, তন্মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সাথে তোমরা যুদ্ধ করবে সমবেতভাবে, যেমন তারাও তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ সাবধানীদের সাথেই রয়েছেন।

(০৯:১২৩) অর্থ- হে বিশ্বাসীগণ, তোমাদের নিকটবর্তী অবিশ্বাসীদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাও এবং তারা তোমাদের মধ্যে কঠোরতা অনুভব করুক আর জেনে রাখ, আল্লাহ সাবধানীদের সাথেই রয়েছেন।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:০০

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: শুধু প্রশ্ন করলেতো হবে না - উত্তরও দিতে হবে। শুধু উদ্ধৃতি দিলেও হবে না সামগ্রিক শিক্ষাও বলতে হবে। আপনার উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম।

২৪ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:১২

মাহফুজশান্ত বলেছেন: কোন প্রশ্নের উত্তর চান?

২| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:১৮

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: শিরনামে যে প্রশ্ন করেছেন - কেন যুদ্ধ আর কখন সন্ধি?

২৪ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:২৪

মাহফুজশান্ত বলেছেন: মহান আল্লাহতায়ালার বাণীর বাহিরে আমি আর কি জবাব দেব? ভাল করে দেখুন- উত্তর পেযে যাবেন

৩| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৪:০৫

ঘোড়ারডিম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৪| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৪:১৩

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: সবাই যদি কোরআনের আয়াত পড়েই সবকিছু বুঝে নিতে পারত তাহলেতো কোন কথাই ছিল না। বিশ্বব্যাপী শতকোটি মানুষ বছরের পর বছর কোরআন পড়ছে, অর্থ ব্যাখ্যা, শানেনজুলসহ বিস্তারিত পড়ছে - কিন্তু বিশ্বমানবতার সমস্যাগুলির সমাধানতো হচ্ছে না। অথচ এই কোরআন মহান আল্লাহ তায়ালার বানী যেখানে মানুষের জীবনের সকল সমস্যার সমাধান আছে।

তবে আপনার এই আইডিয়াটা ভাল। নিজে কিছুই না বলে শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক আয়াতগুলি উল্লেখ করে দেয়া - যা বোঝার পাঠক নিজেই বুঝে নিক। ভুল বুঝলে তার দ্বায় আপনার না, তবে ঠিক বুঝলে কিছু পুন্যের ভাগিদার হওয়ার সম্ভাবনা আছে - কি বলেন?

আমি যতটুকু বুঝেছি - ধর্ম গ্রহন করা না করার ব্যাপারে কোন জোর জবরদস্তি নাই। সত্য প্রকাশিত হওয়ার পর প্রত্যেকে পুর্ণ স্বাধীন ভাবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে তা গ্রহন করবে কি করবে না। আর যুদ্ধের প্রসঙ্গ এসেছে ধর্মগ্রহনকারীদের নিরাপত্তার প্রয়োজন থেকে। ধর্ম গ্রহনের ব্যাপারে যেমন ব্যাক্তি স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে তেমনি ধর্ম পালনের অধিকারও স্বীকার করা হয়েছে। যখন সেই অধিকারের উপর কেউ হস্তক্ষেপ করতে উদ্যত হবে তখনই তাকে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগে প্রতিহত করতে হবে। এমনকি প্রয়োজনে আক্রমনাত্মক যুদ্ধ করাও অবৈধ নয়।

তবে সবধরনের শক্তি প্রয়োগ বা যুদ্ধ হতে হবে রাস্ট্রীয় ব্যাবস্থার অধীনে প্রকাশ্যে ঘোষনা দিয়ে। গোপনে বা আত্মঘাতী যুদ্ধের মাধ্যমে সামাজিক বিশৃংখ্যা বা ফেতনা ফাসাদ সৃস্টি করা যাবে না - বরং ফেতনা দুর করার জন্যই সংগ্রাম করতে হবে। এ'জন্যই যুদ্ধের সকল নির্দেশ মাদানী যুগে নাজিল হয়েছে। এবং এ'জন্যই রাজতন্ত্র ইসলাম সমর্থিত না হলেও বহু আলেম ওলামা সাহাবী রাজতন্ত্রের অধীনে ইসলাম প্রচারের কাজ করেছেন কিন্তু সস্ত্র বিদ্রোহ করেন নি।

যাই হোক, এটা আমার উপলব্ধি - আপনি কি এর সাথে একমত ?

২৪ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:১৪

মাহফুজশান্ত বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে অনেকাংশেই একমত-
রাজতন্ত্র ইসলাম সমর্থিত না হলেও বহু আলেম ওলামা সাহাবী রাজতন্ত্রের অধীনে ইসলাম প্রচারের কাজ করেছেন- হয়ত করেছেন!?
ইসলাম প্রচার সর্বাবস্থায়ই করতে হবে। রাজতন্ত্র বা গনতন্ত্র থাকা বা না থাকার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই।
তবে কোথাও ইসলামি রাস্ট্রীয় ব্যবস্থা না থাকলে- অন্য তাগুদি ব্যবস্থাকে একেবারে হজম না করে বরং এর বিরুদ্ধে বলা ও প্রয়োজনে জনগণকে সচেতন করাও ইসলামের প্রচারের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশের মধ্যেই পড়ে-
তবে সশস্ত্র সংগ্রাম করতে হলে শক্তি সঞ্চয়, উপযুক্ত নেতৃত্ব অর্জন ও সংগঠিত (০৯:৩৬) হওয়া জরুরী- এটি জিহাদের সর্বোচ্য পর্যায়

৫| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৪:৩৪

য়িমতিআজ বলেছেন: আচ্ছা।

৬| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:৪০

িময়াজী বলেছেন:
কুরআনে মুসলিম এবং অমুসলিমদের ব্যাপারে একটু ব্যতিক্রম আলোচনা এসেছে।

আমার অধ্যায়ন মতে সার কতাটুকু বলছি:
১। যারা তাওহীদ,রেছালাতও আখেরাতের প্রতি ঈমান এনেছেন। তাদের ব্যাপারে আল্লাহর হুকুম(ফরজ-ওয়াজেব) মানা বাধ্যতামূলক। অন্যথায় সাস্থিযোগ্য অপরাধ দুনিয়ায় ও আখিরাতে।

২। অমুসলিমদের মুসলিম বানানোর ব্যাপারে জোর জবরদস্তি করা যাবে না। তবে ইসলামের সু-মহান বানী পৌছে দিতে হবে। তার ধর্ম তাকে স্বাধীনভাবে পালন করতে দিতে হবে। ইসলামী রাস্ট্রের অধিবাসী হলে তাকে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মুসলিমদের চাইতে বেশী সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। ইত্যাদি.....।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:৪২

মাহফুজশান্ত বলেছেন: হুম---
আপনার ১ নং পয়েন্টের (অন্যথায় সাস্থিযোগ্য অপরাধ দুনিয়ায়)-এই অংশের ফেবারে আল-কোরআন থেকে কোন আয়াত/বাণী/নির্দেশ জানা থাকলে অনুগ্রহকরে জানাবেন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.