নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আরব্য উপন্যাসের সেই মরুচারী যে সত্যান্বেষণে জীবন উৎসর্গ করে। সেই উপন্যাসের চরিত্র নিজের ভিতরে লালন পালন ও প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এই পথচলা।

মামুন রেজওয়ান

মামুন রেজওয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

"কর্পোরেট_ফ্যাক্টসমুহ"

১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩

"কর্পোরেট_ফ্যাক্ট_২৪"



সব সময় আপনারা ইন্টার্ভিউ দিতে গিয়ে কি ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন সেগুলোই প্রকাশ করেন কিন্তু ইন্টার্ভিউ নিতে গিয়ে কি কি ধরনের অভিজ্ঞতার সম্মুখিন হতে হয় সেগুলো খুব একটা প্রকাশ পায়না। পজিশনে ছোট হওয়া স্বত্ত্বেও আমার বেশ কিছু ইন্টার্ভিউ এর প্রশ্ন তৈরী করার এবং খাতায় নম্বর দেওয়ার সুযোগ হয়েছে। এছাড়া কাটিং রিলেটেড স্টাফদেরও ইন্টার্ভিউ নেওয়ার সুযোগ হয়েছে।

প্রথমে আই ই ডিপার্টমেন্টের ইন্টার্ভিউয়ের খাতা দেখার কয়েকটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। আমাদের প্রশ্নের প্যাটার্নে সাধারনত M.C.Q , কিছু Elaborate প্রশ্ন, একটা ম্যাথ এবং একটা স্যাম্পলের প্রসেস ব্রেকডাউন থাকে। তো প্রসেস ব্রেকডাউনের একটা মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। একটা আইটেমের প্রসেস ব্রেকডাউন দেওয়া হয়েছে। সেখানে একটা প্রসেস লিখেছে, "Book panel join" খাতা দেখার সময় এই প্রসেসটা পড়ে প্রথমে কনফিউশড হয়ে গিয়েছিলাম। এটা ব্যাক প্যানেল হবে নাকি চেস্ট প্যানেল হবে ভেবে। (উত্তরপত্রের ছবি দিয়ে দিচ্ছি)। এটা খাতা কাটার সময় আমার কলিগকে দেখালাম পরে স্যাম্পল এনালাইসিস করে শিওর হলাম এটা ব্যাক প্যানেল হবে। আমরা বেশ কিছুক্ষন হাসলাম এই ভুল দেখে।



সত্যি কথা বলতে কি, খাতার কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই বুঝে ফেলা যায়, এই ইঞ্জিনিয়ারের জ্ঞান কতদুর। বাকিটা বুঝা যায় তার ভাইভাতে। জ্ঞানবিহীন অভিজ্ঞতার ফলাফল শুন্য।

এবার এক কাটিং সুপারভাইসরের ইন্টার্ভিউ নেওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। প্রোডাকশন ইন্টার্ভিউ নেওয়া শেষ করে আমার কাছে খাতা সহ পাঠিয়ে দিয়েছে। জিজ্ঞাস করলাম কাজ করার অভিজ্ঞতা কত বছরের। উত্তর পেলাম পাঁচ বছর। একটু আশ্চর্য হলাম, মাত্র পাঁচ বছরে সুপারভাইজর? জিজ্ঞাস করলাম সুপারভাইজর হিসাবে কতদিন কাজ করছেন? জবাব আসল তিন বছর যাবত। তারমানে দুই বছর পরেই সুপারভাইজর হয়ে গেছে এইট পাশ করা একজন ছেলে। ভাবলাম হয়তো কাজে বেশ পারদর্শী সেইসাথে মেধাতেও। তাই কিছু প্রশ্ন করলাম কাটিং রিলেটেড। কিন্তু পুরো হতাশ হলাম। কাটিং এর প্রসেস ফ্লো সম্পর্কে কোন ধারনা নেই। যদিও কনজাম্পশনের ম্যাথগুলো ভালই পেরেছে। তখন বুঝতে পারলাম সিলেক্টিভ কিছু প্রশ্ন মুখস্ত করে এসেছে। তখন জিজ্ঞাস করলাম কিভাবে সুপারভাইজর হয়েছে? তখন সত্যটা বলল যে, উনার রিলেটিভের মাধ্যমে জয়েন করেছিল। তার মাধ্যমেই সুপারভাইজর হয়ে গেছে। কথাবার্তা শেষ করে এইচ আরকে ফোনে জানানো হল যে, এ টেবিল কন্ট্রোল করতে পারবেনা।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: দক্ষ এবং যোগ্য হলে যে কোনো জায়গায় সুন্দর ভাবে কাজ করা যায়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.