| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মায়াস্পর্শ
মনের বিপরীতে পার করে এসেছি সহস্রকাল, হঠাৎ এক উদ্ভ্রান্ত অবয়বে বেঁচে থাকি এপার ওপার।
দুনিয়াতে বিভিন্ন ট্রেনিং,কোর্স, সার্টিফিকেশন, ডিগ্রি আছে ক্যারিয়ার এবং প্রফেশনাল গ্রোথের জন্য। যে যত বেশি এসব অর্জন করবে তার ভ্যালু বা দক্ষতা আরো বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক।
সাদা চামড়ার পশ্চিমারা অনেক উন্নত,শালীন এবং ভদ্র লোক। দুনিয়ার সকল ভদ্রতা তাদের মাঝেই খুঁজে পাওয়া যায়। তাদের অভাব অনটনের কোনো বালাই নেই। পৃথিবীতে সৃষ্ট প্রায় সকল ফ্যান্টাসিই তারা অনায়াসেই পেয়ে যায়। তাই তারা নতুন ফ্যান্টাসির খোঁজে ব্যাকুল হয়ে থাকে।
বিকৃত যৌনাচার তাদের থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এটা অস্বীকার করা একটু কঠিন। অশ্লিলতা বা বলাৎকারের কথা উঠলেই অনেকের চোখ আবার মাদ্রাসার বড় হুজুর বা ছোট হুজুরের দিকেই যায় সবার আগে। সেটাও অস্বীকার করার কোনো কায়দা নাই যে এটা একদম ঘটেই না। এটা বিকৃত যৌনাচার নির্ণয় কারীদের প্রধান অনুসন্ধান ক্ষেত্র এবং এখানেই তাদের মস্তিস্ক আটকে গেছে। কারণ বড় হুজুর বা ছোট হুজুর একটু মধ্যম শ্রেণীর মানুষ বা নিম্ন শ্রেণীর মানুষ (আমি শুধু প্রকৃত অপরাধীদের কথা বলছি )।
যাইহোক, লেখার শুরুতে বলছিলাম কোয়ালিফিকেশনের কথা। একজন শাসক হতে হলেও আপনাকে কোয়ালিফাইড হতে হবে। নেতৃর্ত্ব,কর্তৃত্ব,ভালোবাসা সব কিছুই আপনার মধ্যে থাকতে হবে। তবে পশ্চিমাদের নিয়ম সামান্য একটু ভিন্ন।আপনি যখন একজন শাসক হবেন বা সমাজের বড় কোনো আসনে অধিষ্ঠিত হবেন তখন আপনার দুইটা সাইট থাকতে হবে।একটা আপনি নিরেট ভদ্র মানুষ, অধীনস্তদের সভ্যতা শেখাবেন, মানবিকতার গল্প শোনাবেন, মানবিকতার উদাহরণ সৃষ্টি করবেন। অপরদিকে আপনি ধর্ষণ করবেন গোপনে, ধর্ষণ করতে করতে ছিড়ে ফেলবেন একটা রক্ত মাংসের মানুষকে , তার গোস্ত খাবেন রান্না করে।
এরপরে আপনি শিশু ধরবেন , সেই শিশুর সাথে জন সঙ্গম করবেন, এটা অবশ্য মানবিক যৌন সঙ্গম। এরপর সেই শিশুকে জীবন্ত টেনে ছিড়ে ফেলবেন। তার অন্ত্র থেকে বের করে আনবেন মল। এরপর সেটা তৃপ্তি করে খেয়ে ফেলবেন।সেই শিশুর গোস্ত রান্না করে খাবেন।
কি ? লেখা পরে ঘৃন্না লাগছে তো ? মনে হলো রূপকথা বললাম, অথবা আদিম মানুষের আজব গুহার কথা বলে ফেললাম। না তেমন কিছু নয়। জাস্ট একটা প্রফেশনাল ডিগ্রি নেওয়ার গল্প শুনলাম।
যেখানে একটা শিশুকে জীবন্ত ছিড়ে ফেলে তার গোস্ত এবং মল মজা করে খাওয়া হয় তাদের জন্য যুদ্ধে মানুষ মারাটা স্বাভাবিক করতে এই প্রফেশনাল কোর্সের আয়োজন।
''এপস্টেইন কোর্স ফর দ্যা বাস্টার্ডস ''
২|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১১
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: এইসব খবর কয়েকদিন যাবত পড়তেছি। কিন্তু কেন জানি বিশ্বাস হতে চায় না। সত্যিই কি এরা এত পাষন্ড, এত বিকৃত রুচির। সবই দেখি হাই লেভেলের মানুষজন। বিলগেটস থেকে শুরু করে অনেকেই। ইয়াক থু- ঘেন্না লাগতাছে এসব ভাবতেই। এইজন্য ইসলাম বিশ্বের সেরা ধর্ম।
৩|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১২
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সভ্যতার চরম সীমালঙ্গন। ভাবা যায় না, আহ কি কষ্টই না পেল শিশুগুলো। এদের শাস্তি দেবে কে ? শাস্তিটা ঠিক ততটুকুই হওয়া উচিৎ যতটুকু শিশুগলোর উপর হয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৭
আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: লেখায় ভাবান্তর আছে
পরিস্থিতি দৃষ্টির আড়ালে দেখা যায়
বাস্তবতা একটা বিশ্বাস
ভাল থাকবেন